প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান ও সেসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই নির্দেশনা দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে দ্রুত সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদী সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে রিপোর্ট দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। তিনি জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে সদস্য করে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার (৬ জুলাই, ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩ টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
এই সময় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি কর্পোরেশনসহ মাঠ পর্যায়ে ভেজাল বিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, যেমন: ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা সঙ্কট এবং প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে তারা জেলাপর্যায়ে জনবল বাড়ানো, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা, মাঠ পর্যায়ের কাজ করার জন্য আধুনিক ইকুইপমেন্ট এবং বিভিন্ন সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্কটের কথাগুলো গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “সমস্যা থাকবেই। তারপরও সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। বসে থাকলে চলবে না। পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল, অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।”
সভায় প্রধানমন্ত্রী জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, “আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন