বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:২৮ এম
বিশ্বে জলাবায়ু পরিবর্তন ও উন্নয়নমূলক কাজ চলানোর কারণে দিন দিন বায়ুদূষণ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে বায়ুদূষণের তালিকায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা অবস্থান করছে ২৩তম।
ঢাকার বায়ুমান স্কোর ৭৯। বাতাসের এই অবস্থার মানকে মাঝারিমানের বলা হয়।
বায়ুদূষণের বিষয়টি সম্পর্কে আরো জানা গেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে।
এই সূচক অনুযায়ী, বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় ১৯৬ স্কোর নিয়ে দূষণের শীর্ষে রয়েছে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুচিং শহর, যার স্কোর ১৮৭। তৃতীয় অবস্থানে পাকিস্তানের লাহোর, যার স্কোর ১৭৯। এরপরের অবস্থান গৃহীত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, ইন্দোনেশিয়া জাকার্তা, সৌদি আরবের রিয়াদ এবং কাতারের দোহার মতো শহরগুলো।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে রাখা হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে মনে করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ছয় জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার জন্য বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছেল সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে উল্লিখিত তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া সহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের তারকা হামজা চৌধুরী এবার নতুন এক পরিবর্তনের সাক্ষী হতে পারেন।
হামজার ক্লাব লেস্টার সিটি বর্তমানে বিক্রির জন্য বাজারে তুলেছেন তাদের থাই মালিক স্রিভাদ্ধনপ্রভা পরিবার।
পুরো ক্লাব এবং এর সঙ্গে থাকা বিভিন্ন সম্পদের জন্য তারা প্রায় ৩০ কোটি মার্কিন ডলার (৩ হাজার ৬৯৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা) চাচ্ছেন।
দ্য অ্যাথলেটিক জানাচ্ছে, সম্ভাব্য ক্রেতাদের কাছে লেস্টার সিটি ও তাদের সংশ্লিষ্ট সম্পদ বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগ ব্যাংক সিটি গ্রুপ একটি বিক্রয় নথি তৈরি করেছে, যার নাম রাখা হয়েছে প্রজেক্ট লাইনআপ।
হামজার ফুটবল ক্যারিয়ারের জন্য লেস্টার সিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
ক্লাবটির সঙ্গে তার ২১ বছরের একটি সম্পর্ক বিদ্যমান। লেস্টারের একাডেমি থেকে উঠে এসে মূল দলে জায়গা করে নিয়েছেন হামজা। ক্লাবটির হয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলেছেন তিনি। এই কারণে ক্লাবটির মালিকানা পরিবর্তনের খবরটি বাংলাদেশের ফুটবল অনুসারীদের জন্য বিশেষ আগ্রহের বিষয়।
দীর্ঘ ব্যবধানের পরেও হামজা চৌধুরী খেলতে পারেন চ্যাম্পিয়নস লিগে।
তবে লেস্টার সিটি এখন আর আগের অবস্থানে নেই। ২০১৫-১৬ মৌসুমে তারা অবিশ্বাস্যভাবে প্রিমিয়ার লিগ জিতেছিল, কিন্তু বর্তমানে ইংলিশ ফুটবলের তৃতীয় স্তর লিগ ওয়ানে নেমে গেছে ক্লাবটি। আর্থিক সংকট এবং মাঠের ব্যর্থতার কারণে সাম্প্রতিক সময়গুলোতে ক্লাবটির অবস্থার ব্যাপক অবনতি ঘটেছে।
২০২১ সালের পর প্রকাশিত সর্বশেষ চারটি অর্থনৈতিক হিসাব অনুযায়ী, লেস্টার সিটির লোকসান হয়েছে যথাক্রমে ৯ কোটি ২৫ লাখ, ৮ কোটি ৯৭ লাখ, ১ কোটি ৯৪ লাখ ও ৭ কোটি ১১ লাখ পাউন্ড। ২০২৪-২৫ মৌসুমে দলের অবনমন ঘটেছে প্রিমিয়ার লিগ থেকে।
পরে তারা আবার চ্যাম্পিয়নশিপ থেকেও নেমে যায় লিগ ওয়ানে।
এই পরিস্থিতিতে মালিকপক্ষ ৩০ কোটি ডলার চাইলেও সম্ভাব্য ক্রেতারা তার চেয়ে কম দাম প্রস্তাব করতে পারেন। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, শেষ পর্যন্ত প্রায় ২০ কোটি ডলারে (২ হাজার ৪৬৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা) বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
থাই মালিকরা লেস্টার সিটির পুরুষ ও নারী দল এবং একাডেমির পাশাপাশি কিং পাওয়ার স্টেডিয়াম, সিগ্রেভ প্রশিক্ষণকেন্দ্র, বেলভয়ার ড্রাইভ এবং বেলজিয়ামের ক্লাব ওএইচ লুভেনকেও বিক্রির প্যাকেজের মধ্যে রেখেছেন।
এদিকে, হামজার লেস্টারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার খবরও শোনা যাচ্ছে। আজারবাইজানের ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অফসাইডপ্লাস সম্প্রতি দাবি করেছে, তিনি দেশটির ক্লাব সাবাহ এফকের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম বুধবার দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের ‘সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞের’ বিরুদ্ধে নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। একই দিন, ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, দেশটির সামরিক বাহিনী দক্ষিণাঞ্চলে ‘সব বাড়িঘর ধ্বংস করছে।’
সালাম আরো বলেছেন, ইসরাইলের ‘হামলা, অনুপ্রবেশ, ধ্বংসযজ্ঞ এবং বাড়িঘর, অবকাঠামো, সরকারি ভবন ও উপাসনালয়ের সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ’ আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক আইনের নীতি ও বিধানের গুরুতর লঙ্ঘন।
বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, গ্রাম ও শহরগুলো ‘পুরোটাই সামরিক স্থাপনা’-এমন দাবি যুক্তির ভিত্তিতে টেকে না। এই দাবি ব্যবহার করে ধ্বংস করা, বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করা এবং তাদের ফিরে যেতে বাধা দেওয়ার কোনো অজুহাত দেওয়া যায় না।
ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বুধবার দক্ষিণ লেবানন সফর করেন। সেখানে তিনি ওই এলাকায় কথিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চলে’ ইসরাইলি সেনাদের অবস্থান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার জানান। তিনি বলেন, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ওই এলাকার ‘ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো ধ্বংস করছে’ এবং ‘সব বাড়িঘর ধ্বংস করছে।’
মার্চে হিজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা চালিয়ে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। এর জবাবে, ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে। লেবাননের কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, এসব হামলায় ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
জুনের শেষ দিকে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে যে এক কাঠামোগত চুক্তি সই হয়, তাতে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির নিরস্ত্রীকরণ, দক্ষিণ লেবানন থেকে ধীরে ধীরে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার এবং ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চলগুলো’ থেকে শুরু করে ওই এলাকায় লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কাটজের মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘সব পক্ষই তাদের সম্মত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আচরণ করবে বলে যুক্তরাষ্ট্র আশা করে। ইসরাইল স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, লেবাননে তাদের কোনো ভূখণ্ডগত আকাঙ্ক্ষা নেই।’
তিনি এএফপিকে ই-মেইলে আরও জানান, ‘দক্ষিণ লেবাননে স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি কাঠামোটিতে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অথবা দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
জুনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সমঝোতা স্মারক ও লেবানন-ইসরাইল চুক্তি স্বাক্ষরের পর সহিংসতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে লেবানন এখনও ইসরাইলের বিক্ষিপ্ত হামলা ও অব্যাহত ধ্বংসযজ্ঞের কথা জানাচ্ছে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) বুধবার জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি গ্রামে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এসব গ্রামের মধ্যে জাওতার আল-শারকিয়াও রয়েছে, যা ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চলগুলোর’ একটির সীমানায় অবস্থিত।
লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইল জাওতার আল-শারকিয়ার ‘পৌর ভবন’ উড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়াও, ‘একটি সরকারি স্কুল, একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, একটি শিশু দিবাযত্নকেন্দ্র এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি’ ধ্বংস করেছে।
এদিন, লেবাননের সেনাপ্রধান রোদলফ হায়কাল সফররত মার্কিন জেনারেল জোসেফ ক্লিয়ারফিল্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন। জুনের চুক্তি বাস্তবায়নে গঠিত সমন্বয়কারী দলের প্রধান হিসেবে ক্লিয়ারফিল্ড দায়িত্ব পালন করছেন।
লেবাননের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি এবং চুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থা’ নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও, ‘ইসরাইলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত হামলা, বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণে সেনাবাহিনী তার দায়িত্ব পালনে যে সমস্যা सामना করছে’, তা নিয়েও আলোচনা হয়।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনও ক্লিয়ারফিল্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁর দপ্তরের তথ্য মতে, তারা কাঠামোগত চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন এবং ইসরাইল আগামী মাসে রোমে অষ্টম দফা আলোচনা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের পেসারদের আক্রমণের মুখে বিপদে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। ঘাসের পিচে অজি ব্যাটারদের কোনো পাত্তাই দিচ্ছে না টাইগার পেসাররা। এর ফলে স্বাগতিকরা ১৭৬ রানে ৮ উইকেট হারিয়েছে।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেও, সেই জুটি ভেঙে আবারও অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেছে টাইগাররা। ইনিংসের ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে ক্যারিকে ফিরিয়ে দেন এবাদত হোসেন। অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢোকা বলে পাঞ্চ করতে গিয়ে ব্যাটের ভেতরের কানায় বল লাগিয়ে স্টাম্পে আঘাত করেন ক্যারি। ১৯ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে ৫৫ রানের জুটি ভাঙে।
এরপর বো ওয়েবস্টারও থিতু হতে পারেননি। তাসকিন আহমেদের করা ৩৯তম ওভারের তৃতীয় বলে সরাসরি বোল্ড হন তিনি। ১০ বলে ১২ রান করেন ওয়েবস্টার। ৩৯ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫৪ রান, যেখানে তাদের ৬ উইকেট হারানো হয়। এরপর তৃতীয় আঘাত হানেন হাসান মাহমুদ। অস্ট্রেলিয়া হারায় সপ্তম উইকেট।
এরপর অস্ট্রেলিয়ার ১৭৬ রানের মাথায় হাসান মিশেল স্টার্ককে ফিরিয়ে দেন। ফলে অজিরা ৮ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে।
এর আগে, নতুন বল হাতে দুর্দান্ত শুরু করেন তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদ। বিশেষ করে হাসানের সুইং ও বাউন্সে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা। ১২তম ওভারে জেক ওয়েদারাল্ডকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন হাসান। ২৩ রানে তিনি ফিরে যান।
দুই ওভার পর আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেডকেও বোল্ড করেন হাসান। ২২ রান করে সাজঘরের পথে হেড। এরপর মার্নাস লাবুশেনকে ফিরিয়ে প্রথম উইকেটের দেখা পান এবাদত। মাত্র ১ রান করে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন লাবুশেন।
এই সময়ে স্টিভেন স্মিথ জীবন পেয়েছিলেন। এবাদতের বলেই তৃতীয় স্লিপে তাঁর ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম।
অস্ট্রেলিয়ার বিপদ আরও বাড়ে ক্যামেরন গ্রিনের বিদায়ে। তাসকিনের ওভারের শুরুতে ছক্কা হাঁকানোর পর, একই ওভারের শেষ বলে শর্ট মিডউইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন গ্রিন। তিনি ১৩ বলে ১৩ রান করেন।
মধ্যাহ্ন বিরতির আগে অস্ট্রেলিয়া ৪ উইকেটে ৭৪ রান নিয়ে গিয়েছিল। বিরতির পর স্মিথ-ক্যারির জুটিতে স্বাগতিকরা কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও, বাংলাদেশের পেসাররা দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ফিরিয়ে নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ