ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা


কুমিল্লা মহানগর বিএনপির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

কুমিল্লা মহানগর বিএনপির ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। উদবাতুল বারী আবুকে সভাপতি এবং মো. ইউসুফ মোল্লা টিপুকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৯ সদস্যের উপদেষ্টা মণ্ডলীও ঘোষণা হয়েছে।

আজ বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। কমিটিতে উপদেষ্টা মণ্ডলীতে রয়েছেন: বেগম রাবেয়া চৌধুরী, ফজলুল হক ফজলু, ফরিদ উদ্দিন আহাম্মেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, এডভোকেট আব্দুল কাদের জিলানী, এস এ বারী সেলিম, ফরহাদ আক্তার মো. শাহরিয়ার, ডা. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং অধ্যাপক ডা. নীলুফা পারভীন।

পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন নজরুল ইসলাম ভিপি। অন্যদের মধ্যে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন শওকত আলী বকুল, আতাউর রহমান ছুটি, শহিদুল্লাহ রতন, মামুনুর রশিদ মজুমদার, এডভোকেট হোসেন মিয়া, মাহাবুবুর রহমান দুলাল ভিপি, রেজাউল হক আঁখি, ইঞ্জিনিয়ার ইদ্রিস মেহেদী, আব্দুর রহমান, আবদুল জলিল, মুজিবুর রহমান কামাল, রায়হান রহমান হেলেন, মো. রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার এবং শ্যামল কৃষ্ণ সাহা।

আরও পড়ুন: ৯৬ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় ভাগ নেওয়ার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম গ্রেপ্তার

কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন খলিলুর রহমান বিপ্লব। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন: জলিশ আব্দুর রব, জামাল হোসেন, নাজমুল হক, অধ্যাপক নেছার আহাম্মেদ রাজু, রিয়াজ খান রাজু, মোর্শেদ আলম, মঞ্জুরুল আলম রুবেল, ফেরদৌস পাটোয়ারী, মো. কামাল হোসেন এবং বদরুল হাসান রাব্বু।

কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আহাম্মেদ শোয়েব সোহেল। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন: রাজিউর রহমান রাজিব, সাজ্জাদুল কবির সাজ্জাদ, খলিলুর রহমান খলিল, মনির হোসেন পারভেজ, ফুয়াদ আহাম্মেদ এবং মোসাম্মৎ ফরিদা আক্তার ডলি।

প্রচার সম্পাদক হিসেবে আবদুল্লাহ আল মামুন ভিপিকে মনোনীত করা হয়েছে। অন্যান্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছেন: দপ্তর সম্পাদক ইকরাম হোসেন তাজ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব চৌধুরী, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সারজেক আলম সরকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট দাউদ আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপিকা নাজমা আক্তার চৌধুরী, যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম মনির, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু ইউসুফ পাখি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শোহেব বিন আহাম্মেদ সোহেল এবং ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহরাব হোসেন।

মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক নাছির উদ্দিন সুমন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা. আবু তাহের মুহিত ও ডা. আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ডা. প্রিয়ম চক্রবর্তী, শিশু বিষয়ক সম্পাদক কাজী মেহেদী হাসান সুমন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মেজর বদরুল আমিন সরকার, ক্ষুদ্র ঋণ ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক তাছমিনা আক্তার লিন্ডা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সামসুল আলম টিপু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আশিকুর রহমান রানা, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হক, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হানিফ এবং তাঁতী, মৎস্যজীবী ও উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক মোবারক হোসেন।

আরও পড়ুন: সাঈদীর মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর গার্ড অব অনার দিতে বাধার অভিযোগ

এছাড়া কমিটিতে সহ-কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে জহিরুল ইসলাম (রহমান)-কে। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন নেছার আহাম্মেদ দিপু, সাজ্জাদ মাহমুদ দিপু এবং মো. রবিউল হক শামীম। সহ-দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন দেওয়ান সালাউদ্দিন আহাম্মেদ ও মনির হোসেন। আর সহ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন ফরিদ আলী।

সহ-সম্পাদক (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর হোসেন মোল্লা। সহ-সম্পাদক (ধর্ম বিষয়ক) হয়েছেন তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, নাসির উদ্দিন নাসির এবং ডা. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন।

সহ-সম্পাদক (আইন বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এডভোকেট মাহাবুব খন্দকার, এডভোকেট সাখাওয়াত মিঠু এবং এডভোকেট মাহামুদা খানম শিল্পী। পাশাপাশি সহ-সম্পাদক (মহিলা বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আছমা আক্তার ও রেহানা রহমান। সহ-সম্পাদক (যুব বিষয়ক) হলেন ডা. খাজা মোর্শেদ মাহমুদ তুষার। সহ-সম্পাদক (স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক) হয়েছেন মো. হামিদ উদ্দিন মজুমদার সুমন। সহ-সম্পাদক (ছাত্র বিষয়ক) হিসেবে রয়েছেন গোলাম মুর্তুজা তপু। সহ-সম্পাদক (শ্রম বিষয়ক) হয়েছেন কামাল হোসেন (হাসেম)। সহ-সম্পাদক (পরিবেশ বিষয়ক) হিসেবে জামাল আহাম্মেদ কাজ করবেন। সহ-সম্পাদক (প্রশিক্ষণ বিষয়ক) হলেন ডা. দেবাশীষ চক্রবর্তী। সহ-সম্পাদক (তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোস্তফা মজুমদার। সহ-সম্পাদক (তাঁতী, মৎস্যজীবী ও উপজাতি বিষয়ক) হলেন জাকির হোসেন এবং সহ-সম্পাদক (স্থানীয় সরকার বিষয়ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবুল খায়ের।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে অন্যতম হলেন- কাউসার জামান বাপ্পী, মোস্তাক মিয়া, আনোয়ার হোসেন, বদরুল আলম বাবুল, বেলায়েত হোসেন কনক, মনোয়ার হোসেন সেলিম, আব্দুল মতিন, জামাল হোসেন, এডভোকেট সেলিম হোসেন রনি, মো. জাকির হোসেন (৪নং ওয়ার্ড), আবুল হোসেন, তোফায়েল আহাম্মেদ, ফরিদ আহাম্মেদ মজুমদার, আক্তার হোসেন, আতিকুল ইসলাম, মো. হাসমত, এডভোকেট জসিম উদ্দিন শিশু, জাবেদ আহাম্মেদ মজুমদার কিসলু, আব্দুল কুদ্দুস, মো. মাসুদ হোসেন, এডভোকেট এ কে এম ইকবাল কবির, গোলাম মোস্তফা বাবুল, হুমায়ন কবির, সেলিনা বেগম, কিশোর দেবনাথ, নাজিম উদ্দিন ভূইয়া আজাদ, খোকন আহাম্মেদ, সাইফ আহাম্মেদ সাইফুল, আলেক হোসেন, মাসুক মিয়া, তাজুল ইসলাম তাজু, সাদেকুল ইসলাম, মোশারফ হোসেন বাবু।

আরও পড়ুন: বেগমগঞ্জে তরুণ কামরুল হাসানকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাই

এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন- জামাল হায়দার, এস এম সবুর বশির, জহির উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, মো. লিটন মিয়া, জমিরুল হক জামাল, জাকির হোসেন, এনামুল কিবরিয়া রনি, শ্যামল কুমার সাহা, শাহাদাত হোসেন সাগর, মনির হোসেন, সালেহ উদ্দিন সেলিম, মো. মাহাবুবুল আলম, শাহাদাত হোসেন সানি, সফিকুল ইসলাম স্বপন, লিটন পাল, মো. আব্দুর রহিম খান, এডভোকেট মোজাদ্দেদ হোসেন আদনান, আমজাদ হোসেন মজুমদার, মাহাবুবুর রহমান, মহিবুর রহমান তুহিন, আশিকুর রহমান শিমুল, মঞ্জুরুল আলম, লেঃ কমান্ডার (অব.) শাহজাহান মজুমদার, অধ্যাপক বেল্লাল হোসেন, সোহেল মজুমদার, গোলাম মো. হুমায়ন কবির, মো. হানিফ, মো. সাইফুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন মজুমদার জিহাদ এবং মো. শাহাজান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বনেতৃত্বের লক্ষ্যে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ এম


চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বনেতৃত্বের লক্ষ্যে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনন্য এক নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছাতে যাচ্ছে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

এই ঘোষণা তিনি বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ‘বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ’ শীর্ষক একটি প্রস্তুতিমূলক সভায় করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বিশ্বে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’-এর সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করতে সম্মত হয়েছে। এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে সহায়ক হবে।

তিনি জানান, সরকার, বেসরকারি সংস্থা, প্রাইভেট সেক্টর এবং দেশি-বিদেশি সংস্থার সমন্বয়ে দেশের নাগরিকদের জন্য শহর থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ গড়ে তোলা হচ্ছে।

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহেই একটি ‘ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ‘স্পেক্স ২০৩০’ ইনিশিয়াটা।

চক্ষু সেবার ক্ষেত্রে তিনটি অতি জরুরি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লক্ষাধিক মানুষ ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব বরণ করে আছেন।

এই জনগণের কাছে দ্রুত অস্ত্রোপচার সেবা পৌঁছানো আমাদের অগ্রাধিকার। দ্বিতীয়ত, গ্রামে-গঞ্জে চশমার অভাবে লাখ লাখ শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মধ্যবয়সী কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হ্রাস পাচ্ছে।

আমরা সব বয়সী মানুষের জন্য বিনামূল্যে ও সহজে চশমা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চাই।

সভায় স্বাস্থ্য সচিব মো কামরুজ্জামান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম ক্বাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ড. ওয়াতিন আলম, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা আর্ক ফাউন্ডেশনের পরিচালক রোমানা হক, রিসার্চ এসোসিয়েট বদরুদ্দীন সাইফি এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেহবুব উল কাদিরসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ এবং আইএনজিও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসিরনগরে মানসিক হতাশাগ্রস্ত হয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৯ এম


নাসিরনগরে মানসিক হতাশাগ্রস্ত হয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মানসিক হতাশাগ্রস্ত ও শারীরিক অসুস্থতায় ভুগে ধানখেতের পোঁকা নিধনে ব্যবহৃত কীটনাশক সেবন করে নিপেন্দ্র সরকার (৬৩) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নাসিরনগর থানা পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত নিপেন্দ্র সরকার উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের চান্দেরপাড়া গ্রামের দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মৃত চান মোহন সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ৯টার দিকে মানসিক হতাশা ও দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে সবার অগোচরে ধানখেতের পোকা নিধনের কীটনাশক পান করেন নিপেন্দ্র সরকার। পরে স্বজনরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে সরাইল উপজেলার কালিকচ্ছ এলাকায় রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বড় ছেলে হৃদয় সরকার জানান, তার বাবা প্রায় সাত বছর ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন এবং নিয়মিত চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিভিন্ন চিকিৎসক ও কবিরাজের কাছে চিকিৎসা করানো হলেও তিনি সুস্থ হননি। দীর্ঘদিনের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণেই তিনি চরম হতাশায় ভুগছিলেন বলে পরিবারের ধারণা।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কীটনাশক পান করার ঘটনায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


দুর্গত মানুষের পাশে সরকার রয়েছে: ত্রাণমন্ত্রী

মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, সরকার দুর্গত মানুষের পাশে আছে। বন্যায় অনেকের বাড়ি ঘর ভেঙ্গে গেছে। সেগুলো পুনঃনির্মাণের কাজ করতে আমরা চাই।

বুধবার বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ভরাখালী এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি স্থানীয়দের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, যেসকল কৃষকের বীজ নষ্ট হয়ে গেছে, তাদেরকে বীজ ও চারা দিয়ে আমরা সহযোগিতা করব। রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে, সেগুলো মেরামতের চেষ্টা করব।

এ সময় মন্ত্রী বান্দরবান সদর উপজেলার কুহালং ইউনিয়নের ভরাখালী এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

অন্যান্য উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে বিশুদ্ধ পানির সংকট, বাড়ছে রোগব্যাধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ এম


কক্সবাজারে বিশুদ্ধ পানির সংকট, বাড়ছে রোগব্যাধি

 

টানা ভারী বর্ষণের কারণে, পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় কক্সবাজারে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগে ৪৫ হাজার ৪৩৬টি পরিবারের ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৯৮ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাণ হারিয়েছেন ৩৩ জন।

এদিকে, পানি নামতে শুরু করলেও অনেক এলাকায় এখনো জলাবদ্ধতা, ভাঙাচোরা সড়ক, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পানিবাহিত রোগ এবং চর্মরোগ দেখা যাচ্ছে।

চকরিয়ার দুর্গম বমু বিলছড়ি, বড়ইতলী, বিবিরখীল ও হারবাং, পেকুয়া উপজেলার কয়েকটি এলাকায় এখনো অনেক পরিবার খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে রয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক ভেঙে যাওয়ার কারণে রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

তবে, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বন্যা-পরবর্তী সময়ে ডায়রিয়া, কলেরা ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগের আশঙ্কা মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা পর্যায়ে ১৬টি এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭২টিসহ মোট ৮৮টি মেডিকেল টিম মাঠে কাজ করছে। এসব টিম, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা, আহতদের চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় রেফারেল এবং ফলোআপ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সম্ভাব্য পানিবাহিত ও সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক রোগ নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।

বর্তমানে জেলার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ২ লাখ ৮৫ হাজার ওআরএস, ৮ হাজার ৮৯০ ব্যাগ কলেরা স্যালাইন, ১ লাখ ৫৫ হাজার ১৭০টি জিংক ট্যাবলেট, ২৪ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, ১৫ হাজার ৩৩৩ ব্যাগ নরমাল স্যালাইন, ১১ হাজার ব্যাগ ডিএনএস, ১১ হাজার ৫৬৮ ব্যাগ হার্টসল, ২ লাখ ১১ হাজার ৫৫০টি মেট্রোনিডাজল ট্যাবলেট, ১৫ হাজার ৫০০টি সিপ্রোফ্লক্সাসিন ট্যাবলেট এবং ২১৫ ভায়াল অ্যান্টি স্নেক ভেনম মজুত রয়েছে।

কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ছাবের জেলার বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার, শিশুদের বন্যার পানিতে চলাচল থেকে বিরত রাখার, বিশুদ্ধ পানি পান করার এবং ডায়রিয়া বা অন্য কোনো অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%