ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাপলা তুলতে গিয়ে দুই ননদের সঙ্গে প্রাণ হারালেন ভাবি


শাপলা তুলতে গিয়ে দুই ননদের সঙ্গে প্রাণ হারালেন ভাবি

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কালসোনা নদীতে গোসল করার সময় শাপলা তুলতে গিয়ে একই পরিবারের ৩ নারীর প্রাণহানি ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ভাদুড়ীর বাজারসংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

নিহত তিনজন হলেন- ভাবি আকলিমা খাতুন (১৮), ননদ দুলালী খাতুন (২১) এবং সুরভি খাতুন (১০)।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে এক দিনে এক লাখ গাছের চারা রোপণ, সবুজ ফিরিয়ে আনার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, দুপুরের দিকে আকলিমা দুই ননদকে নিয়ে ভাদুড়িয়া গ্রামের কাছে কালসোনা নদীতে গোসল করতে যায় এবং এইসময় তিনি নিখোঁজ হন। এরপর স্থানীয়রা তাদের খুঁজতে গিয়ে ঘাটের একটু দূরে ভাসমান তিনজনকে দেখতে পায় এবং তারা ৯৯৯ নাম্বারে খবর দেন।

নিকটস্থ ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে।

হরিরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, এটা একটি মর্মান্তিক ঘটনা। তিনি জানিয়েছেন, মৃতদের কেউই সাঁতার জানতেন না। একসঙ্গে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মধ্যপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উজ্জ্বল বলেন, আমরা ৯৯৯ নাম্বারের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে গেছি। ইউডি মামলা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: বুড়িচংয়ে নিখোঁজ আদিল ও জিসানের সন্ধান চায় পরিবার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে নাগরিক সেবা নিশ্চিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৩ পি.এম


রংপুরে নাগরিক সেবা নিশ্চিতে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

রংপুরে ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও সিটি কর্পোরেশনে নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে পারস্পারিক সহযোগিতা নিয়ে একটি আলোচনা সভা এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার রাতে রংপুর মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির উদ্যোগে নগরীর একটি হোটেলের মিলনায়তনে এই সভা আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. মাহফুজ-উন-নবী ডন। সভাপতিত্ব করেন মেট্রোপলিটন চেম্বারের সভাপতি গোলাম জাকারিয়া পিন্টু। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নুরুল ইসলাম পটু, ভাইস প্রেসিডেন্ট রুবায়েত হোসেন খান, পরিচালক সাব্বির আহমেদ, মাসুদ রানা, আখতারুজ্জামান মওলা প্রমুখ।

সভায় সিটি করপোরেশনের প্রশাসক উল্লেখ করেন যে, রংপুরের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ী সমাজ এবং সিটি করপোরেশনের এই সমন্বিত উদ্যোগ আগামীতে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন এবং বাসযোগ্য নগরী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। সভার শেষে সিটি প্রশাসক অ্যাড. মাহফুজ-উন-নবী ডনকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে নোয়াখালীতে ‘অধিকার’-এর র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


নির্যাতিতদের পাশে দাঁড়াতে নোয়াখালীতে ‘অধিকার’-এর র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের উদ্যোগে নোয়াখালীতে মানববন্ধন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে নোয়াখালী PRESS ক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে একটি র‌্যালি জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‘দনিক আমার দেশ’ নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ও অধিকার-এর ডিফেন্ডার আজাদ ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি বি ইউ এম কামরুল ইসলাম, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত আলী খান, সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল্লাহ কামরুল, এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার মাসুদ পারভেজ, নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সভাপতি মানিক ভূঁইয়া, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান, সাপ্তাহিক চলতিধারা সম্পাদক এম বি আলম ও ‘দনিক দিশারী’ সম্পাদক আকাশ মো. জসিম প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, অতীতে রাজনৈতিক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিরোধী মতাবলম্বী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নির্যাতন, গুম, অপহরণ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, মিথ্যা মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তারা মানবাধিকার সুরক্ষায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তারা আরও বলেন, প্রতিবছর ২৬ জুন ‘নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস’ হিসেবে পালিত হয়। ১৯৮৪ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক অথবা মর্যাদাহানিকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে কনভেনশন গ্রহণ করে। ১৯৮৭ সালের ২৬ জুন এটি কার্যকর হয় এবং পরবর্তীতে দিনটিকে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের অংশ হিসেবে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ ১৯৯৮ সালের ৫ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রণীত নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনে অনুস্বাক্ষর করে। কনভেনশন অনুমোদনকারী রাষ্ট্রগুলো জাতীয় আইনে নির্যাতনকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে সম্মত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে কাজু বাদাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


মধুপুরে কাজু বাদাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের

টাঙ্গাইলের মধুপুরের পাহাড়ি এলাকায় লাল মাটি কৃষির বৈচিত্র্যকে এক নতুন দিগন্তে নিয়ে গেছে।

আনারস, কলা, হলুদ, ড্রাগন, কফি এবং লেবু চাষে সফলতার পর, বর্তমানে এই অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে কাজু বাদামের চাষ শুরু হয়েছে। এখানে আবহাওয়া ও মাটির গুণাবলী কাজু বাদাম আবাদের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হওয়ায়, স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বিগত কয়েক বছরের পরীক্ষামূলক চাষের ফলস্বরূপ, চলতি মৌসুমে মধুপুরের পাহাড়ি লাল মাটিতে কাজু বাদামের চাষে একটি ভালো ফলন হয়েছে। এর ফলে এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে কাজু বাদামকে নিয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, মধুপুর গোড়াঞ্চলের মাটি মূলত লাল বর্ণের এবং অল্মীয়, এখানে প্রচুর পরিমাণ আয়রন ও অ্যালুমিনিয়াম রয়েছে, যা কাজু বাদাম গাছের বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য সহায়ক।

এছাড়া, কাজু বাদাম চাষের জন্য প্রধান শর্ত হলো জমিতে পানি জমে থাকতে পারবে না।

এই এলাকার পাহাড়ি জমি উঁচু হওয়ায় এখানে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা চমৎকার। এখানে আবহাওয়া অতিরিক্ত গরম বা অতিরিক্ত ঠান্ডা না হওয়ায়, কাজু গাছের ফুল ও ফল আসার জন্য একেবারে আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম বছরে আশাতীত ফলন পাওয়ার ফলে এলাকার অনেক কৃষক এখন কাজু বাদাম চাষে ঝুঁকছেন।

কৃষক আফাজ উদ্দিন বলেন, "প্রথমে যখন শুনলাম পাহাড়ি লাল মাটিতে কাজু বাদাম হবে, তখন একটু ভরসা পাইনি। পরে কৃষি কর্মকর্তাদের কথায় সাহস করে দুই বিঘা জমিতে চারা রোপণ করি। প্রথম বছরেই গাছে যে পরিমাণ ফলন এসেছে, তা দেখে আমি নিজেই অবাক। এই বাদামের দামও ভালো। আমাদের এই এলাকার অনেক চাষী এখন আনারস-কলার পাশাপাশি কাজু বাদাম চাষের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"

মধুপুর উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের আরেক কৃষক সজীব মিয়া বলেন, "কাজু বাদামের অন্যতম সুবিধা হলো, একবার চারা রোপন করলে ৩৫ থেকে ৪০ বছরের মতো ফলন পাওয়া যায়। বারবার চারা কেনার খরচ নেই, আবার পরিচর্যা অন্য ফসলের থেকে কম। আমার পাহাড়ি উঁচু জমিতে আগে তেমন কিছুই হতো না, এবার সেখানে কাজু বাদাম লাগিয়ে ভালো লাভ আশা করছি।"

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), গাজীপুর-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আলতাফ হোসেন বলেন, "দেশের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে, বিশেষ করে টাঙ্গাইলের মধুপুর ও পার্বত্য এলাকাগুলোতে কাজু বাদামের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ ঘটানো গেলে, তা দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার পাশাপাশি আমদানি নির্ভরতা শূন্যে নামিয়ে আনতে পারে। এতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব।"

বর্তমানে মধুপুরের মাটিতে কাজু বাদাম চাষে কৃষকদের সার্বিক তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে বারি টাঙ্গাইলের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আশিকুর রহমান জানান, "আমরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও মানসম্মত চারা সরবরাহ করছি। মধুপুরের মাটি ও জলবায়ু কাজু চাষের জন্য এক আশীর্বাদ। কৃষকেরা যেন সঠিক উপায়ে বালাই ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা করতে পারেন, সেজন্য আমাদের টিম সার্ভক্ষণিকভাবে কাজ করছে।"

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধুপুরের লাল মাটি কাজু বাদাম চাষের জন্য বিপুল সম্ভাবনা প্রদর্শন করেছে, তা ধরে রাখতে এখন প্রয়োজন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি এই অঞ্চলে বাদাম প্রক্রিয়াজাত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়, তবে মধুপুরের এই লাল মাটি থেকে কৃষকরা অচিরেই 'সোনালী ফসল' ঘরে তুলবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এটি একটি বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেল উৎপাদন বাড়াতে না দিলে ওপেক ছেড়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইরাকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


তেল উৎপাদন বাড়াতে না দিলে ওপেক ছেড়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইরাকের

তেল উৎপাদনকারী জোট (ওপেক) যদি উল্লেখযোগ্যভাবে বাগদাদকে তেল উৎপাদন বাড়াতে সহযোগিতা না করে, তবে ইরাক ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভাবনা ভাবছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরাকের এই জোটের সদস্যপদ ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ওপেকের জন্য একটি গুরুতর আঘাত হয়ে দাঁড়াবে, যেখানে মাত্র দুই মাস আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সংগঠন ছেড়ে বেরিয়ে গেছে।

সৌদি আরবের পরবর্তী বৃহত্তম উৎপাদক হিসেবে ইরাক গোটা গোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে ওপেক গঠন করা হয়েছিল ইরাকের রাজধানী বাগদাদে।

বর্তমানে দেশটির আয়ের বেশিরভাগই তেলের ওপর নির্ভরশীল, যা ইরান যুদ্ধের পর থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। এ যুদ্ধ কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল রপ্তানিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে ইরাক সরকার একটি আর্থিক সংকটের মধ্যে রয়েছে এবং ওপেক কোটায় একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি প্রয়োজনীয় বিষয় বিবেচনা করা উচিত।

বৃহস্পতিবার ইরাকের তেল মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান যে ইরাক ওপেক ছেড়ে যাওয়ার কথা চিন্তা করেছে, তবে বর্তমানে এটাই তাদের সরকারের পরিকল্পনা, যা সদস্য হিসেবে থাকার এবং উচ্চতর কোটা দাবি করার।

জুলাই মাসের জন্য ইরাকের কোটা নির্ধারিত হয়েছে দৈনিক ৪৩ দশমিক ৭৮ লক্ষ ব্যারেল, যদিও বর্তমান উৎপাদন এই পরিমাণ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

তিনি আরও বলেন, ‘সৌদি আরব এবং অন্যান্য ওপেক মিত্রদের এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। তা না হলে, ইরাক উপলব্ধ সব বিকল্প বিবেচনা করতে বাধ্য হবে।’

তবে, ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বিষয়টি আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এই পদক্ষেপ নেয়ার জন্য এখনও সময় আসেনি।’

এদিকে, ইরাকের তেল মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার বলেছে যে, বাগদাদ ওপেক থেকে তার সদস্যপদ ত্যাগের বিষয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা ইরাকি সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রকাশ করে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%