হোসেনপুর( কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি
০১:২৩ পি.এম
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার ২নং সিদলা ইউনিয়নের মেছিড়া আব্দুল মন্নাফ চেয়ারম্যানের বাড়িতে স্থানীয় নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ, নাগরিক সমাজ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১২ জুলাই) রাতে অনুষ্ঠিত এই সভায় সিদলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উদ্যোগে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব শামছুল হক মাস্টার।
সভায় বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, তিনি এলাকার উন্নয়ন, জনসেবার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে উপস্থিত সবার সঙ্গে আলোচনা করেন। মতবিনিময়ের সময় তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এলাকাবাসীর দোয়া, পরামর্শ ও সমর্থন কামনা করেন।
বক্তব্যে মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, “আসুন পরিবর্তন আনি, উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাই। আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, মূল্যবান পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আমাদের প্রিয় সিদলা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আপনাদের দোয়া ও সমর্থনই আমার পথচলার প্রধান শক্তি।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের হক বুঝিয়ে দিয়ে সুখ-দুঃখে পাশে থেকে সেবার মানসিকতা নিয়েই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং সিদলা ইউনিয়নের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিদলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহবায়ক বরজাহান ফকির, ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দীন, পিপলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ শাহাবুদ্দিন মাস্টার, বিএনপির নেতা আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট এবং দেশের বার্তা ডট. কমের সম্পাদক এস এম মিজানুর রহমান মামুনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মুসল্লি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জনগণের সহযোগিতা চেয়েছেন দেশকে ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন’ রাখার জন্য। প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘আমাদের দেশটাকে সুন্দর ও নিরাপদ, বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে সকলে মিলে চেষ্টা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি নিজেদের ঘর এবং দেশকে নিজেদের পরিচ্ছন্ন না রাখি, তখন এই দেশ পুঃনঃপদার্পণ হবে না। বাইরে থেকে কেউ এসে আমাদের দেশকে পরিচ্ছন্ন করে দিয়ে যাবে না। দেশটাকে সুন্দর করতে হলে সকলকেই মিলেমিশে চেষ্টা করতে হবে।’
আজ (সোমবার) সকালে বরিশালের গৌরনদীর সরিকল-বাটজোর খাল পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এ সহযোগিতা চান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেশবাসীকে অনুরোধ জানাব, আসুন চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে। আমাদের ব্যবহৃত জিনিস, বিশেষ করে পানির খালি বোতল, আমরা যেখানে-সেখানে ফেলবো না। ধরুন, কোনো প্যাকেটে করে কিছু নিয়ে যাচ্ছি। জিনিসটা বের করার পর প্যাকেটের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেলে সেটি যত্রতত্র ফেললে পরিবেশের ক্ষতি হবে। আর যদি পরিবেশ নষ্ট হয়, তাহলে পরে আমাদের সন্তানেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
নিজের ব্যবহৃত টিস্যু নিজের পকেটেই রেখে দেওয়ার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার পকেটে হাত দিলে টিস্যু বের হবে। আমি একটু আগে মাটি ধরে হাত ধুয়ে ব্যবহার করেছি এই টিস্যু, ওটাই পকেটেই রেখে দিয়েছি। যদি এখানে টিস্যুটা ফেলতাম, তাহলে আপনাদের যা বলছি আমি নিজেই তো সেটা মেনে চললাম না।’
তিনি আরও বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি অভ্যাস করে নিয়েছি, যখনই আমি টিস্যু ব্যবহার করি, সেটি পকেটে রেখে দিই। আমার যেকোনো প্যান্টের পকেটে হাত দিলে ব্যবহৃত টিস্যুটি বের হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘সারাদিনে ব্যবহৃত সব টিস্যুই অনেক সময় প্যান্টের পকেটে জমা হয়। রাতে বাসায় ফিরে সেগুলো ডাস্টবিনে অথবা ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি। এই কাজটি সবসময় করার চেষ্টা করেছি। এভাবেই আস্তে আস্তে আমার মধ্যে এই অভ্যাসটি গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি আমরা আজ থেকে চেষ্টা করি, সকলে মিলে এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবো। এতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি দেশ গড়ে তুলতে পারব, যেখানে পরিবেশও সুন্দর হবে। সেই দেশ দেখে সবাই প্রশংসা করবে। দেশবাসী যেমন প্রশংসা করবে, তেমনি বিদেশিরাও বলবে, বাংলাদেশ একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর দেশ, যেখানে মানুষ নিজেদের দেশ গুছিয়ে রেখেছে, পরিচ্ছন্ন রেখেছে।’
ছবি : পিএমও
গৌরনদীর সরিকল-বাটজোর খালপাড়ে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী দুটি প্লাস্টিকের বোতল ভাসতে লক্ষ্য করেন। তিনি এ বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘এই দেখুন, খালের পানিতে প্লাস্টিকের বোতল ভাসছে। আপনি যদি আপনার বাড়িতে পাঁচ-সাতজন মানুষ থাকেন, তার মধ্যে একজন যদি সারাদিন বাড়ি পরিষ্কার করে আর বাকি সবাই ময়লা করে, তাহলে ওই বাড়ি পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়। গুছিয়ে রাখা সম্ভব নয়। দেশটাও তো ঘরের মতো। মাত্র কয়েকজন যদি পরিষ্কার করে আর সবাই নোংরা করে, তাহলে দেশের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা অসম্ভব। আমাদের সকলকে মিলেই পরিষ্কার রাখতে হবে। নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি আমরা চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ময়লা ফেলি; এক দিকে দেখতে খারাপ লাগবে, অন্য দিকে পরিবেশও নোংরা হবে। যখন আপনারা বাসে করে বিভিন্ন জায়গায় যান, বরিশাল সদরে বা ঢাকায়, তখন দেখবেন বাজার এবং দোকানের চারপাশে নানা ধরনের আবর্জনায় ভরা। ময়লা দেখতে কার ভালো লাগে? তাছাড়া পরিবেশ নোংরা হয়ে যায়, দূষণও বাড়ে। এবং এসব দূষণে আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতিও হয়। তাই আসুন আমরা সকলেই মিলে চেষ্টা করি দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলি।’
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর, সুস্থ দেশ গড়তে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আসুন আজকের বৃক্ষরোপণের দিনে, আমরা সকল মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে, প্রত্যেকটি মানুষ নিজ অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করবে। আমাদের আশপাশের পরিবেশের প্রতি যত্ন নেব। আমরা চেষ্টা করব আশপাশের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট যতটুকু সম্ভব পরিচ্ছন্ন রেখে পরিবেশটাকে রক্ষা করতে।’
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিল স্থানীয় সংসদ সদস্য, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের মেধা দেশে ধরে রাখার লক্ষ্যে এবং মেধাপাচার রোধের জন্য বর্তমান সরকার ‘রিভার্স ব্রেন ড্রেন’ (বিদেশে চলে যাওয়া মেধা ফিরিয়ে আনা) নিয়ে গুরুত্বের সাথে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আগামী দিনে এ দেশের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী কাজে অবদান রেখে বিশ্বে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে হার্ভার্ড, ক্যামব্রিজ ও এমআইটির আদলে গড়ে তোলা হবে।'
শনিবার (১১ জুলাই), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে সামার-২০২৬ টার্মে ভর্তি হওয়া ৫৪৬ জন নবীন শিক্ষার্থীর ওরিয়েন্টেশন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। র্যালির শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফলজ ও ঔষধি চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী।
গাকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি এবং গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, গাকৃবির প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. জাহিদুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফुल আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো।। আবদুল্লাহ্ মৃধার স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই ওরিয়েন্টেশনে সামার-২০২৬ টার্মে স্নাতক (বিএস) পর্যায়ে ৫১৩ জন, স্নাতকোত্তর (এমএস) পর্যায়ে ৩০ জন এবং পিএইচডি পর্যায়ে ৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন নবীন শিক্ষার্থী অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ায় প্রাইভেটকার চাপায় এক হোমিও চিকিৎসক নিহত হয়েছেন।
এই দুর্ঘটনা ঘটে রোববার (১২ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে খোকসা উপজেলার পৌর ভূমি অফিসের সামনে। নিহত চিকিৎসকের নাম দিলীপ বিশ্বাস, বয়স ৫৫ বছর। তিনি বেতবাড়িয়া এলাকার ঋষি বিশ্বাসের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খোকসা বাজার থেকে একটি ব্যাটারিচালিত পাখি ভ্যান কমলাপুর যাচ্ছিল। ভ্যানটি যখন খোকসা পৌর ভূমি অফিসের সামনে পৌঁছায়, তখন পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার সেটিকে ধাক্কা দেয় এবং পরে পালিয়ে যায়। এর ফলে ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পৌর ভূমি অফিসের গেটে দাঁড়িয়ে থাকা হোমিও চিকিৎসক দিলীপ বিশ্বাসের ওপর উল্টে পড়ে। এই ঘটনার সময় দিলীপ বিশ্বাসসহ ভ্যানে থাকা দুই আরোহী ইকবাল ও সাইদুল গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিলীপ বিশ্বাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠে, যার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে সেখানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ বিষয়ে খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক হোমিও চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা আবহাওয়া অধিদপ্তর দ্বারা রেকর্ড করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) প্রকাশিত এই তথ্য অনুযায়ী, ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতকে অতি ভারী বর্ষণ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই গত এক দিনে ঢাকায় অতি ভারী বৃষ্টি পড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সোমবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আকাশ মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এই সময়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস হতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৯৭ শতাংশ ছিল। রবিবার রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ১ থেকে ১০ মিলিমিটারকে হালকা, ১১ থেকে ২২ মিলিমিটারকে মাঝারি, ২৩ থেকে ৪৩ মিলিমিটারকে মাঝারি ধরনের ভারী, ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটারকে ভারী এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতকে অতি ভারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ