ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কীর্তন শেষে ফেরার পথে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার


কীর্তন শেষে ফেরার পথে নৌকাডুবি, নিখোঁজ ২ জনের মরদেহ উদ্ধার

সুনামগঞ্জে কীর্তন থেকে বাড়ি ফেরার পথে নৌকা ডুবে নিখোঁজ বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) সকালে জগন্নাথপুর উপজেলার মইয়ার হাওরের রুয়ারকারা নামক এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। 

নিহতরা হলেন জগন্নাথপুর পৌরসভার পূর্ব ভবানীপুর এলাকার মৃত জগিন্দ্র দেব নাথের ছেলে হেমেন্দ্র দেব নাথ (৩৫) ও একই এলাকার মৃত অনিল দেব নাথের ছেলে অধীর দেবনাথ (৩৫)।

আরও পড়ুন: ৮ ট্রেন ও ২৩ রেলওয়ে স্টেশন বন্ধ, বিপাকে নিম্ন আয়ের যাত্রীরা

এর আগে, শনিবার (১ আগস্ট) একই এলাকার মৃত সুবল দেব নাথের ছেলে সত্যেন্দ্র নাথ (৬৫) ও মৃত অনিল দেব নাথের ছেলে অরুণ দেবনাথের (৪৫) মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরিদল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহতদের পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে পূর্ব ভবানীপুর এলাকার ৯জন নৌকাযোগে পার্শ্ববর্তী ভরাউট এলাকায় হিন্দুধর্মীয় এক কীর্তন অনুষ্ঠানে যান। সেখান থেকে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফেরার পথে মইয়ার হাওরের বালুচর নামক স্থানে নৌকাটি ডুবে যায়। 

এ সময় নৌকায় থাকা ৯ জনের মধ্যে ৫ জন সাঁতার কেটে তীরে উঠলেও ৪ জন নিখোঁজ হন। 

আরও পড়ুন: সিলেট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

এ ঘটনায় শনিবার দিনব্যাপী সুনামগঞ্জ ও সিলেট ফায়ার সার্ভিসের দুটি ডুবুরিদল যৌথভাবে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর আজ বাকি দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরারগঞ্জে অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ দুই জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৪ পি.এম


জোরারগঞ্জে অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ দুই জন গ্রেফতার

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ পুলিশ একটি বিদেশী পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি, দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ দুই চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে। গত শনিবার রাত আড়াইটার দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন ২ নম্বর হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পূর্ব হিঙ্গুলী এলাকায় অধিযোজনার মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— পূর্ব হিঙ্গুলী এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে বোরহান উদ্দিন (৩৪) এবং করেরহাট এলাকার মৃত মোহাম্মদ উল্লাহর ছেলে মোঃ রহিম উল্লাহ রনি (৩৫)। পুলিশ জানায়, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে এসআই মোঃ ফারুক উদ্দিনসহ পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব হিঙ্গুলী সাকিনে আসামী বোরহান উদ্দিনের বসতবাড়িতে অভিযানে যায়।এ অভিযানের মধ্যে বোরহানের ঘরের ভেতর থেকে তাকে এবং তার সহযোগী রহিম উল্লাহ রনিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তী সময়ে তল্লাশি চালিয়ে আসামী বোরহান উদ্দিনের কাছ থেকে একটি কালো রঙের সেমি অটোমেটিক ৭.৬২ বিদেশী পিস্তল, একটি সিলভার রঙের ম্যাগাজিন, ৯ রাউন্ড তাজা বুলেট, দুটি ধারালো ছোরা, একটি ফোল্ডিং সুইচ গিয়ার এবং এক বোতল ভারতীয় তৈরি স্কপ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এই ছাড়াও, তার সহযোগী রহিম উল্লাহ রনির কাছ থেকেও এক বোতল স্কপ সিরাপ জব্দ করে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত বোরহান উদ্দিনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ ও মীরসরাই থানায় হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে। অপরদিকে, আসামী রহিম উল্লাহ রনির বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ, লোহাগাড়া, পটিয়া, ছাগলনাইয়া, রামু এবং সীতাকুণ্ড থানায় মাদক ও চুরির অপরাধে ৯টি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নতুন করে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে আদালতের ওয়ারেন্ট মাথায় নিয়েও বেপরোয়া কালাম-শাওন সিন্ডিকেট: সরকারবিরোধী চক্রান্তের নতুন আখড়া কর্নকাঠি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


বরিশালে আদালতের ওয়ারেন্ট মাথায় নিয়েও বেপরোয়া কালাম-শাওন সিন্ডিকেট: সরকারবিরোধী চক্রান্তের নতুন আখড়া কর্নকাঠি!

 

মিডিয়াপাড়ায় দৌড়ঝাঁপ করেও যখন অনুসন্ধানী টিম ‘তালাশ বিডি’কে থামানো গেল না, ঠিক তখনই নতুন ও ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে বরিশাল নগরীর আলোচিত ছাত্রলীগ নেতা শাওন ও তার চক্র। গোপন সোর্স মারফতে পাওয়া খবরে জানা গেছে, এই বিতর্কিত সিন্ডিকেট এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ (AI) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ছবি বানিয়ে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামকে দমানো ও সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টায় নেমেছে।


অনুসন্ধানে জানা যায়, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই ছাত্রলীগ নেতা শাওন। অপরদিকে তার চাচা কালাম খান (কালাম মেম্বার) সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীমের বলয় কাজে লাগিয়ে পুরো কর্নকাঠি এলাকা এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করত। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা মেয়াদে পুরো কর্নকাঠি অঞ্চলে জমি দখল, ব্যাপক চাঁদাবাজি এবং অবৈধ ড্রেজার ব্যবসা একচ্ছত্রভাবে পরিচালনা করার মূল অভিযোগ রয়েছে এই চাচা-ভাতিজা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।

গুরুতর বিষয় হলো, কালাম মেম্বারের বিরুদ্ধে মোকাম বরিশাল বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (দ্রুত বিচার) আমলী আদালতে গ্রেফতারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) রয়েছে। তিনি আদালতের একজন ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, শাওনের বড় ভাই সাইফুল এবং অনিক সেরনিয়াবাতকে সাথে নিয়ে কর্নকাঠি ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল তারা। কোনো সাধারণ মানুষ সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নিলেই চড়াদামে বালু ভরাট করতে বাধ্য করা হতো। তাদের দাবিকৃত চাঁদা বা বালু ভরাটের শর্ত না মানলে নিজস্ব সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে চূড়ান্ত হয়রানি করা হতো। আওয়ামী লীগ শাসনামলে কর্নকাঠি এলাকায় এরা ‘অঘোষিত গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত ছিল। এছাড়া কালাম মেম্বার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে স্থানীয় বিচার-সালিসের নামে সাধারণ মানুষের সাথে নিয়মিত অন্যায়, অবিচার ও চরম পক্ষপাতিত্ব করত বলে মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলেও কর্নকাঠি এলাকায় কালাম মেম্বার ও শাওন সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা বন্ধ হয়নি। এলাকাটিকে তারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গোপন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছে। স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, বরিশাল নগরীতে গভীর রাতে হঠাৎ যেসব ঝটিকা মিছিল বের করা হয়, তার সব পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত ও সরকারবিরোধী নানা চক্রান্ত কর্নকাঠিতে বসেই সম্পন্ন হয়।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো—আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হওয়া এবং প্রকাশ্যে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার পরও স্থানীয় বন্দর থানা পুলিশ কালাম মেম্বার ও শাওনকে আইনের আওতায় আনতে রহস্যজনকভাবে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এহেন নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর মধ্যে।

অবাধে সরকারবিরোধী তৎপরতা ও অপরাধ কর্মকাণ্ড চললেও থানা পুলিশ কেন তাদের ধরছে না—এ বিষয়ে জানতে বন্দর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উল্টো উদাসীনতা প্রকাশ করেন। তিনি দাবি করেন, চাচা-ভাতিজার সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র কিংবা কোনো অপরাধের বিষয়ে তিনি নাকি কিছুই জানেন না! শুধু তা-ই নয়, অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, "আপনারা কীভাবে জানলেন?"

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে তখন স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও বিশ্বস্ত সূত্রের ওপর ভিত্তি করেই সংবাদটি প্রকাশ করা হচ্ছে। আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির বিষয়ে এমন রহস্যজনক আচরণ এবং অপরাধীদের না জানার ভান করার মানসিকতা দেখে স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছেন—অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে থানা পুলিশ কি তবে তাদের প্রধান 'রক্ষাকবচ' বা ঢাল হিসেবে কাজ করছে?

বিষয়টির সত্যতা ও অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা শাওনের হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তার হোয়াটসঅ্যাপে লিখিত খুদে বার্তা (Message) পাঠানো হলেও সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত তিনি কোনো উত্তর দেননি।

অপরদিকে, আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি কালাম মেম্বারের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনিও ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আদালতের ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও এবং প্রকাশ্যে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়া সত্ত্বেও পুলিশের চরম ব্যর্থতা ও অশুভ প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের হয়রানিকারী এই প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) কমিশনার মো. আব্দুল হান্নান কী কার্যকর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ফেরার ম্যাচে কলম্বাস ক্রুর সঙ্গে ড্র করল ইন্টার মায়ামি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


মেসির ফেরার ম্যাচে কলম্বাস ক্রুর সঙ্গে ড্র করল ইন্টার মায়ামি

 বিশ্বকাপের দায়িত্ব শেষ করার পর শনিবার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ফিরেছেন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে তিনি মাঠে নামতে পেরে সম্মানিত হন মায়ামির জার্সিতে।

তবে কলম্বাস ক্রুর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তার দলকে।

স্পেনের কাছে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের দুই সপ্তাহ পর আবার মাঠে ফিরলেন মেসি।

মায়ামির নিউ স্টেডিয়ামে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মধ্যে ৫৩তম মিনিটে তিনি বদলি হিসেবে মাঠে নামলেন।

তবে প্রত্যাবর্তনটি গোল দিয়ে স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি মেসি। দুবার গোলের লক্ষ্যে শট নিলেও ঘটনাক্রমে উভয়ই বাইরে চলে যায়।

১৬তম মিনিটে উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজ গোল করে মায়ামিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এটি গত চার ম্যাচে তার সপ্তম গোল ছিল।

৩৪তম মিনিটে মায়ামির সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরোর আত্মঘাতী গোলে কলম্বাস ক্রু সমতায় ফেরে। এরপর সুয়ারেজের পাস থেকে নোয়াহ অ্যালেন হেডে গোল করে মায়ামিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এর ফলে বিরতিতে তারা এগিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে।

কিন্তু কলম্বাসের হয়ে অভিষেকেই গোল করে তারা সমতায় ফেরান স্পেনের রিয়াল সোসিয়েদাদ থেকে আসা মিডফিল্ডার ব্রাইস মেন্দেস। ৮৪তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে বাঁকানো শটে তিনি গোলটি করেন।

এই ড্রয়ের ফলে মায়ামির টানা ছয় ম্যাচের জয়ের ধারার অবসান ঘটল। ইস্টার্ন কনফারেন্সে তারা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলও ডিসি ইউনাইটেডের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে।

ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসি ও ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছে।

ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে দুই দল ১-১ গোলে ড্র করেছে।

বিশ্বকাপের পর এমএলএসে ফেরার পর সন হিউং-মিন দারুণ ছন্দে রয়েছেন। চার ম্যাচে চার গোলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ৩৭তম মিনিটে লস অ্যাঞ্জেলেসকে এগিয়ে দেন তিনি।

ভ্যাঙ্কুভারের জার্মান তারকা থমাস মুলার ৭৬তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার জায়গা না পাওয়ার ব্যর্থতার জন্য সবচেয়ে বেশি সমালোচনার শিকার হওয়া সাবেক টটেনহ্যাম তারকা সন বুধবার এমএলএস অল-স্টার ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেসব শর্তে বেনজীরকে মুক্তি দিলো দুবাইয়ের আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


যেসব শর্তে বেনজীরকে মুক্তি দিলো দুবাইয়ের আদালত

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের একটি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। গত সোমবার (২৭ জুলাই) সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আদালত তার জামিন আবেদন দুই শর্তে মঞ্জুর করে।

আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেনজীর কারামুক্ত হন।

গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, আদালত বেনজীরের জামিনের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছে। এই শর্ত অনুযায়ী, বেনজীরের পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে থাকবে এবং অনুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র র‍্যাবের সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। তাদের মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে তদন্তে নামে। সেই সময়ই তিনি দেশ ত্যাগ করেছিলেন। পরে, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা গঠন করা হয়। তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%