ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা অর্ধনমিত


চীনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা অর্ধনমিত

সংস্কারপন্থী সাবেক চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির প্রতি মঙ্গলবার পতাকা অর্ধনমিত রেখে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্মরণ করতেও বিশেষ প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে ৯৭ বছর বয়সে মারা যাওয়া এই নেতার শেষকৃত্যের আগে এসব কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া পাঁচ বছরব্যাপী প্রধানমন্ত্রিত্বকালে চীনের অর্থনীতিতে দৃঢ় হাতে পুনর্গঠন চালানোর জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। গত বুধবার তার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া তাকে ‘একজন অসাধারণ সর্বহারা বিপ্লবী ও রাষ্ট্রনায়ক’ হিসেবে প্রশংসা করেছে। বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর সম্প্রচার করেছে। এএফপির সাংবাদিকরা জানান, মঙ্গলবার বেইজিংয়ের বিভিন্ন সরকারি ভবনে পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত তিয়েনআনমেন স্কয়ারেও পতাকা অর্ধনমিত অবস্থায় ছিল। বিশাল এই স্থানটি ছিল কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত। চীনের মাইক্রোব্লগিং সাইট ওয়েইবোতে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে শ্রদ্ধা জানানোর প্রসঙ্গটি শীর্ষ আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়। ওয়েইবোতে একজন ব্যক্তি লিখেছেন, ‘এই দেশের জন্য আপনি যা কিছু করেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ—আমরা আপনাকে সবসময় মনে রাখব।’ সিনহুয়া রোববার জানিয়েছে, মঙ্গলবার বেইজিংয়ে ঝুর মরদেহ দাহ করা হবে। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতিতে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর একটি অনুষ্ঠানও আশা করা হচ্ছে। দেশটির প্রচলিত প্রটোকল অনুযায়ী এ ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। ১৯২৮ সালে মধ্য চীনে জন্মগ্রহণকারী ঝু ১৯৪৯ সালে মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বে বিপ্লবের চূড়ান্ত বিজয়ের পর ধীরে ধীরে দলের বিভিন্ন পদে উঠে আসেন। তার রাজনৈতিক জীবনে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো সাংহাইয়ের মেয়র, জাতীয় পর্যায়ে উপপ্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন। তার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন জিয়াং জেমিন। চশমা পরা ও প্রাণবন্ত স্বভাবের এই অর্থনৈতিক সংস্কারক ২০২২ সালে মারা যান। ঝু দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অভিযান, অদক্ষ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে দেওয়ার বিতর্কিত উদ্যোগ এবং চীনকে বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে একীভূত করার প্রচেষ্টার জন্য পরিচিত ছিলেন। একবার এক সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি কীভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে চান। জবাবে ঝু বলেছিলেন, ‘আমি শুধু আশা করি, দায়িত্ব ছাড়ার পর দেশের মানুষ বলবে, ‘তিনি একজন সৎ কর্মকর্তা ছিলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত ছিলেন না-এতেই আমি খুব সন্তুষ্ট হব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এখন আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। এটি বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর সময়ও।

ভঙ্গুর অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরের সকল কার্যক্রমের সাফল্যের উপর সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের সফলতা অনেকাংশেই নির্ভরশীল।

আজ মঙ্গলবার সকালে, রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেয়ার সময় তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ এখন এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রত্যাশা করছে। বিশেষভাবে করদাতাগণ এনবিআরকে তাদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়।

দক্ষ এবং টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জন আস্থা অর্জন সম্ভব জানিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেটি আপনাদের বক্তব্য থেকে উঠে এসেছে।” করদাতাদের সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব আপনাদের অবশ্যই নিতে হবে। বর্তমান সরকার এনবিআর তথা রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অভিশাপ থেকে রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও মুক্ত থাকতে পারেনি। নীতি নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারো প্রতি বিরূপ মনোভাব এবং রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতা করে এনবিআরকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছিল। এনবিআরের ওপর মানুষের আস্থা বিনষ্টের অন্যতম কারণ ছিল এ ধরনের বিষয়গুলো। কিন্তু এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। একের পর এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধরণ পরিবর্তন পাচ্ছে। নতুন নতুন ব্যবসায়িক মডেল তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জও আমাদের সামনে রয়েছে। আন্তর্জাতিক কর বা রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তিত বিশ্বের অর্থনৈতিক সমস্যা, সম্ভাবনা, সুবিধা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, ডিজিটাল ইকোনমি, ই-কমার্স, ট্রান্সফার প্রাইসিং, ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্সেশন, ট্রেড ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম, মানি লন্ডারিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জন এখন অত্যন্ত প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান দেশে ট্যাক্স জিডিপি রেশিও এখনো সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম। অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো আনুষ্ঠানিক নয়। নিয়মিত করদাতার ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। করদাতা ও রাজস্ব প্রশাসনের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, সারা বিশ্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আধুনিক কর প্রশাসনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বেশি কর আদায় করা নয়। বরং বেশি সংখ্যক মানুষকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত করা। একজন করদাতা যিনি নিম্ন কর আদায় করছেন রাষ্ট্র অবশ্যই তাকে সম্মানিত করবে, এবং যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কর পরিহার করছেন তাকেও কর প্রদানের জন্য উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

কর ব্যবস্থাপনা বা কর আদায় পদ্ধতি সহজ, দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত হওয়া প্রয়োজন এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাতে মানুষ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে কর দেয় এবং কর দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। একই করদাতাদের ওপর বারবার করের বোঝা বৃদ্ধি করা রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য টেকসই পদ্ধতি নয়। বরং কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের ঠিকভাবে করের আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এজন্য ডিজিটালি আধুনিক ডাটাভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ভ্যাট আধুনিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব উৎস। তবে ভ্যাট ব্যবস্থাপনার সফলতা নির্ভর করে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। ভ্যাট প্রশাসনের জটিলতার কারণে যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত না হয় সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কাস্টমস, ভ্যাট বা ট্যাক্স আদায় কেবল জোর করার বিষয় নয়। বরং রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপর করদাতাগুলোর আস্থা এবং বিশ্বাস তৈরি হলে রাজস্ব আহরণ অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে এমনভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন যেখানে মানুষ এই প্রতিষ্ঠানকে ভয় না করে বরং বিশ্বাস করে।

উপস্থিত রাজস্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করি দেশের স্বার্থে আপনারা এনবিআরকে জনগণের কাছে আরও বিশ্বস্ত এবং আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারবেন। ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে প্রতিষ্ঠান তথা দেশের স্বার্থ রক্ষা করা আগে প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সরকার চায় সবাইকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। প্রত্যেকের অবদানকে সম্মানের সঙ্গে দেখতে চায় সরকার। সমস্যা আছে, থাকবে। আমরা আলোচনা করে ধীরে ধীরে সমস্যার সমাধান বের করার প্রচেষ্টা করবো।

তারেক রহমান সরকারের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বলেন, আপনারা নিরাপদে ও স্বস্তি নিয়ে দেশ গঠনে কাজ করুন। সরকারের অবস্থান থেকে আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে।

তিনি উল্লেখ করেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত সময়ে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ কার্যত ইতিবাচক ছিল। এটি প্রমাণ করে, আপনারা (রাজস্ব কর্মকর্তারা) পারবেন। অবশ্যই পারবেন ইনশাল্লাহ। আমাদের সকলের প্রয়োজন দেশপ্রেম এবং আন্তরিকতা। আসুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বার্থে আমরা সবাই মিলে একটি শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলি।

এর আগে সম্মেলনের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর রাজস্ব আদায় নিয়ে মুক্ত আলোচনা চলে। পরে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন। এরপর তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রদর্শনীতে ডিজিটাল স্ক্রিনে বিভিন্ন উপস্থাপনা দেখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের বৈঠক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। উভয়পক্ষ এই সাক্ষাৎকালে বিশেষত স্বাস্থ্যখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার চিকিৎসাক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার যথেষ্ট উন্নতির কথা উল্লেখ করে বলেন, কম্বোডিয়ার রোগীরা ইতোমধ্যে থাইল্যান্ড বাদ দিয়ে মালয়েশিয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশি রোগীদের জন্যও মালয়েশিয়া অত্যন্ত ভালো গন্তব্য হতে পারে। তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের মাধ্যমে আগ্রহী বাংলাদেশীরা চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা পেতে পারেন।

এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থার অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করেছে। আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য মালয়েশিয়ায় কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন, লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন, বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যানটেশন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’

একই সাথে তিনি চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে যৌথভাবে কিছু করার সম্ভাবনা ও সেক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাদের দেশের কিছু শিক্ষার্থী এমবিবিএস, এমডিএস ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে বলেও জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার জানান, মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার বিভিন্ন খরচ, ওষুধের দাম ইত্যাদি বোর্ডে লেখা থাকে এবং খরচ অন্যান্য দেশের চেয়ে কম। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভালো সেবা পেলে এদেশের মানুষ মালয়েশিয়া যাবে চিকিৎসা নিতে। আমার পরিচিত অনেকের এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে।’

হাইকমিশনার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে মালয়েশিয়া সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে যাওয়ার কথা জানান। সাক্ষাৎকালে ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশনের কর্মকর্তা, মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের (এমএসটিসি) কর্মকর্তারা, তাদের বাংলাদেশী অংশীদার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্ন পর্যায়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্ন পর্যায়ে

ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের পতন ঘটেছে। রয়টার্স/ইপসোসের চার দিনব্যাপী সর্বশেষ যৌথ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার হার বর্তমানে তার মেয়াদের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) শেষ হওয়া জরিপের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিপরীতে প্রায় ৬৪ শতাংশ নাগরিক তার বিষয়ে স্পষ্ট অসন্তোষ জানিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে তার সমর্থনের হার ছিল ৩৫ শতাংশ। বর্তমানে এই সর্বনিম্ন রেটিং ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্নের সমান।

জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৮০ শতাংশ আমেরিকান মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে আমেরিকার এই যুদ্ধ বা সংঘাত দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার কারণে বিশ্বের জ্বালানি তেলের একটি বড় সরবরাহ রুট অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মার্কিন পরিবারের উপর পেট্রোলের দাম বাড়ছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই মূল্যস্ফীতি রিপাবলিকানদের রাজনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের এক সমাবেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, একটি বিপজ্জনক দেশকে পারমাণবিক শক্তি অর্জন থেকে বিরত রাখতে পেট্রোলের দাম কিছুটা বেশি দেওয়া যুক্তিসঙ্গত। তবে জরিপে দেখা যাচ্ছে, প্রতি পাঁচজন মার্কিনির মধ্যে মাত্র একজন মনে করছেন যে এই সংঘাত বা যুদ্ধের মূল্য পরিশোধ করা যৌক্তিক।

চলতি মাসে অর্থনৈতিক সক্ষমতার বিচারেও ভোটারদের কাছে রিপাবলিকানদের চেয়ে এগিয়ে গিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। জরিপে ৩৮ শতাংশ ভোটার অর্থনীতি পরিচালনায় ডেমোক্র্যাটদের প্রতি আস্থা রেখেছেন, যেখানে রিপাবলিকানদের প্রতি আস্থা রয়েছে ৩৫ শতাংশের। এমনকি ট্রাম্পের প্রধান রাজনৈতিক অস্ত্র 'কঠোর অভিবাসন নীতিতেও' রিপাবলিকানদের জনসমর্থন আগের চেয়ে নাটকীয়ভাবে কমে আসছে।

অনলাইনে দেশজুড়ে পরিচালিত এই রয়টার্স/ইপসোস জরিপে ১ হাজার ১৬৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক মতামত দিয়েছেন। জরিপটির ফলাফল অনুযায়ী ৩ শতাংশ পয়েন্টের সম্ভাব্য ভুল (মার্জিন অব এরর) থাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তীব্র সমালোচনার মুখে রাহাত ফতেহ আলী খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


তীব্র সমালোচনার মুখে রাহাত ফতেহ আলী খান

তীব্র সমালোচনার মুখে রয়েছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় গায়ক রাহাত ফতেহ আলী খান।

কিংবদন্তি কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকীতে তার মাজারে কাওয়ালি পরিবেশন করার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি, নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রায় তিন দশক আগের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাহাত ফতেহ আলী খান তার ছেলে শাহজামান আলী খানকে সঙ্গে নিয়ে মাজারে শ্রদ্ধা জানান। সেখানে উপস্থিত বিপুলসংখ্যক ভক্তের সামনে তারা একটি কালাম (সুফি গান) পরিবেশন করেন।

কিন্তু, পরিবেশনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তীব্র আলোচনার সূচনা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, কাওয়ালি পরিবেশনের সময় উপস্থিত দর্শকদের কেউ কেউ আকাশে কাগজের টাকা ছুঁড়ে দিচ্ছে। আর এই দৃশ্যটি নিয়েই নেটিজেনদের একটি বড় অংশ আপত্তি তুলেছে।

অনেকের মতে, কবরের সামনে এভাবে গান পরিবেশন এবং টাকা ওড়ানোর বিষয়টি শ্রদ্ধা জানানোর উপযুক্ত পদ্ধতি নয়। ভিডিওটির মন্তব্যের ঘরে এক ব্যবহারকারী উল্লেখ করেন, ‘কবরের কোনো সম্মান রাখা হয়নি।’

অন্য একজন কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন, ‘মনে হচ্ছে তিনি আবার মদ্যপ অবস্থায় আছেন।’ এ ছাড়া অনেকেই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ লিখে পুরো ঘটনাটির নিন্দা জানিয়েছেন। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, প্রিয় শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে এমন পরিবেশ তৈরি করা আদৌ কতটা সমীচীন।

যদিও রাহাত ফতেহ আলী খান এবং তার ছেলে নুসরাত ফতেহ আলী খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই সেখানে গান পরিবেশন করেছিলেন, তবে মাজারে গান গাওয়া এবং পরিবেশনার ধরন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক থামছে না।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের আগস্টে মাত্র ৪৮ বছর বয়সে মারা যান বিশ্বখ্যাত কাওয়ালি শিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খান। সংগীতজীবনের শুরু থেকেই চাচা নুসরাতের সঙ্গে বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নিতেন রাহাত ফতেহ আলী খান। চাচার মৃত্যুর পর এককভাবে কাওয়ালি সংগীতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।

পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান কাওয়ালি শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন রাহাত এবং নুসরাত ফতেহ আলী খানের সংগীতের উত্তরাধিকারও বহন করে চলেছেন। কিন্তু এবার চাচার মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তার পরিবেশনার ধরন নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%