প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা ওসমান সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। উভয়পক্ষ এই সাক্ষাৎকালে বিশেষত স্বাস্থ্যখাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার চিকিৎসাক্ষেত্রে মালয়েশিয়ার যথেষ্ট উন্নতির কথা উল্লেখ করে বলেন, কম্বোডিয়ার রোগীরা ইতোমধ্যে থাইল্যান্ড বাদ দিয়ে মালয়েশিয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশি রোগীদের জন্যও মালয়েশিয়া অত্যন্ত ভালো গন্তব্য হতে পারে। তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের মাধ্যমে আগ্রহী বাংলাদেশীরা চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা পেতে পারেন।
এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন মালয়েশিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থার অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করেছে। আমাদের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য মালয়েশিয়ায় কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন, লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন, বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যানটেশন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।’
একই সাথে তিনি চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে যৌথভাবে কিছু করার সম্ভাবনা ও সেক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাদের দেশের কিছু শিক্ষার্থী এমবিবিএস, এমডিএস ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে বলেও জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মালয়েশিয়ার শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার জানান, মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার বিভিন্ন খরচ, ওষুধের দাম ইত্যাদি বোর্ডে লেখা থাকে এবং খরচ অন্যান্য দেশের চেয়ে কম। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ভালো সেবা পেলে এদেশের মানুষ মালয়েশিয়া যাবে চিকিৎসা নিতে। আমার পরিচিত অনেকের এমন অভিজ্ঞতা রয়েছে।’
হাইকমিশনার স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে মালয়েশিয়া সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে যাওয়ার কথা জানান। সাক্ষাৎকালে ঢাকাস্থ মালয়েশিয়া হাই কমিশনের কর্মকর্তা, মালয়েশিয়া হেলথকেয়ার ট্রাভেল কাউন্সিলের (এমএসটিসি) কর্মকর্তারা, তাদের বাংলাদেশী অংশীদার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন