ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চরফ্যাশনে জেলে তালিকা হালনাগাদ করণে সভা


চরফ্যাশনে জেলে তালিকা হালনাগাদ করণে সভা

মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ (চাল) প্রদানের লক্ষ্যে জেলে পরিবারের তালিকা হালনাগাদ করণে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা আফরোজ’র সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সহকারী কমিশনার মো. এমাদুল হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপুসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সচিবসহ স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পূর্বের তালিকা থেকে ভূয়া জেলে বাদ দিয়ে হালনাগাদকৃত তালিকায় প্রকৃত জেলেদের নাম অর্ন্তভুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রায় পেয়েও মাদরাসায় প্রবেশ করতে পারেননি নওগাঁর অধ্যক্ষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


রায় পেয়েও মাদরাসায় প্রবেশ করতে পারেননি নওগাঁর অধ্যক্ষ

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, আদালতের রায় হাতে নিয়েও তিনি মাদরাসায় যোগদান ও দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। অধ্যক্ষ জানান, মাদরাসায় প্রবেশ করার সময় পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।

এ ঘটনায় রাজি না হওয়ায় তাকে মারধর করে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ডাকবাংলো মোড় এলাকায় অবস্থিত একটি রিসোর্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগগুলি তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ তাকে মাদরাসা থেকে বের করে দেন। এর পর তার বিরুদ্ধে অনৈতিক অভিযোগ তুললে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করা হয়, যার ফলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বলেন, বরখাস্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দাখিল করলে আদালত আদেশ দেন তাকে স্বপদে বহাল রাখতে এবং যোগদান serta বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এরপর প্রতিপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও আপিল খারিজ হয়ে যায় এবং হাইকোর্টের রায় বহাল থাকে।

অধ্যক্ষের দাবী, আদালতের রায়ের কপি নিয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ফের পরিচালনা কমিটির সদস্যরা তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করা হয়।

এই ঘটনায় তিনি নওগাঁর আমলি আদালতে দুটি মামলা দায়ের করেছেন। একটি মামলায় কয়েকজন আসামি কারাগারে গেছেন বলেও তিনি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অডিট ও আইন শাখা থেকে পাঠানো এক চিঠিতে জানানো হয় যে অনৈতিক অভিযোগ ছয় মাসের মধ্যে প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীকে স্বপদে পুনর্বহাল ও বেতন-ভাতা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরপরও তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি এবং বেতন-ভাতাও পরিশোধ করা হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা দাবি করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

অপর দিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ধর্মপুর গোয়ালভিটা হোসেনিয়া আলিম মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমানুল্লাহ আমান। তিনি বলেছেন, ‘চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়। বর্তমান কমিটি তার কাছে মাদরাসার আয়-ব্যয়ের হিসাব চেয়েছিল। পরে তিনি আদালতে মামলা করেন। তিনি যদি আজ মাদরাসায় আসেন, তবে আজ থেকেই আমরা তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত।’

এ বিষয়ে পরিচালনা কমিটির সদস্য আব্দুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেছেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কেউ আমার কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে আসেননি। কাগজপত্র পেলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা পরিস্থিতি: দেশের ৬৪ জেলায় পৌঁছেছে ত্রাণ সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


বন্যা পরিস্থিতি: দেশের ৬৪ জেলায় পৌঁছেছে ত্রাণ সহায়তা

হঠাৎ বন্যা এবং অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া আছে বলে জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে সচিবালয়ে বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য সার্বিক সহযোগিতার বিষয় নিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের সঙ্গে এক চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরও জানান, দেশে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ৬৪ জেলায় ত্রাণ সহায়তা পাঠিয়েছে সরকার। এর মধ্যে তিন পার্বত্য জেলা ও কক্সবাজারসহ এই ৪ জেলায় ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিকটন করে চাল এবং বাকি ৬০ জেলায় ৫ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিকটন করে চাল সহায়তা দেয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তিস্বাক্ষর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের সঙ্গে যখন দুর্যোগ ঘটে, তখন যাতে সরাসরি সাহায্য ও সহযোগিতা পাঠাতে পারে, সেজন্য বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তারা ট্রেনিং, মেডিকেল সাপোর্টসহ কখনও কখনও অর্থনৈতিক সাহায্যও প্রদান করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা বর্ষণে সন্দ্বীপের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, খালের বাঁধ অপসারণে মাঠে ইউএনও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


টানা বর্ষণে সন্দ্বীপের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, খালের বাঁধ অপসারণে মাঠে ইউএনও

টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার অন্তত ১২টি ইউনিয়নের নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে বেশ কয়েকটি গ্রামীণ সড়ক, যার ফলে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে হারামিয়া, বাউরিয়া, গাছুয়া, সন্তোষপুর, আমানউল্লাহ, দীর্ঘাপাড়া, মগধারা, মাইটভাঙ্গা ও মুছাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। টানা বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ।

এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে আজ সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খালের বাঁধ ও অবৈধ জাল অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই সময় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন সন্দ্বীপের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন।

ইউএনও আমজাদ হোসেন জানান, মগধারা ও মুছাপুর ইউনিয়নের প্রায় ৯০ শতাংশ খালের বাঁধ ইতিমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট বাঁধ অপসারণের কাজও চলমান রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের খালের বাঁধ ও অবৈধ জাল সরাতে সংশ্লিষ্ট প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং গ্রাম পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের আশা, খালের কৃত্রিম প্রতিবন্ধকতা দ্রুত অপসারণ করা সম্ভব হলে লোকালয়ের জলাবদ্ধতা কমে আসবে এবং প্লাবিত এলাকার মানুষের দুর্ভোগও অনেকাংশে লাঘব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে তদন্তের দাবি

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার বাকডোকরা খাল খনন প্রকল্পের অধীনে বর্তমানে কালভার্ট নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু, সম্প্রতি এই প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, খননে দায়সারা ভাবে কাজ হচ্ছে, কালভার্ট নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে এবং শ্রমিকের পরিবর্তে চারা কাজে এসকেভেটর ব্যবহার করা হয়েছে।

এদিকে, এই অনিয়মের অভিযোগের পর কাজ দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ কাজ বন্ধ রেখে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তদন্তের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের বিশেষ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে নদী-খালসহ জলাশয় খননের কাজ চলছে। এরই অংশ হিসেবে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের বাকডোকরা খাল খননের উদ্যোগ উপজেলা প্রশাসন নিয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শেষ দিকে শুরু হয়।

বাকডোকরা কুলাডাঙ্গী পুল থেকে পশ্চিমে আব্বাস আলীর জমি পর্যন্ত ৬০৫ মিটার দীর্ঘ খাল খনন, দুটি কালভার্ট নির্মাণ, পাইপ স্থাপন ও বৃক্ষরোপণের জন্য মোট বরাদ্দ ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আটোয়ারী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, খননে শ্রমিকদের মাধ্যমে ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৮০০ টাকা, এসকেভেটর দিয়ে তিন লাখ ৫৬ হাজার টাকা, আরসিসি পাইপ বসাতে ছয় লাখ ৪৭ হাজার টাকা, কালভার্ট নির্মাণে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৮৫০ টাকা, ঘাস লাগানোর জন্য ৭৬ হাজার ৩৮১ টাকা এবং বৃক্ষরোপণের জন্য চার লাখ ৬১ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকল্পের এসব তথ্যে গড়মিল দেখা গেছে। প্রকল্পের বরাদ্দে দুটি কালভার্টের জন্য ১৬ লাখ ৫৭ হাজার টাকা বরাদ্দ ঝূলা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত স্থানে কোনো খাল না থাকলেও কাগজে-কলমে সেখানে খাল দেখানো হচ্ছে। যদিও খাল খননে শ্রমিক ব্যবহার করার কথা থাকলেও অধিকাংশ কাজ শুরুতেই এসকেভেটর দিয়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে। পরে বেশ কিছু সময়ের জন্য শ্রমিক দিয়ে লোক দেখানো খননের কাজ করা হয়।

এদিকে প্রকল্পের শুরুতে একটি কালভার্ট নির্মাণের কথা ছিল, কিন্তু তার বদলে আরেকটি কালভার্ট জুড়ে দেওয়া হয়েছে। কালভার্ট নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনে অভিযোগ জানালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী কাজ বন্ধ করে তদন্তের নির্দেশ দেন।

এই বিষয়টি তদন্তে উপজেলা প্রকৌশলী মো. ফয়সালকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া, খাল খনন প্রকল্পের সাত সদস্যের কমিটিতে বিএনপি নেতা ও সমর্থকদের রাখা হয়েছে, কিন্তু তারাও জানেন না কীভাবে কাজ করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘এই খাল খননে শুরু থেকেই অনিয়ম চলমান। কাজ সঠিকভাবে হচ্ছে না। কালভার্টের কার্যক্রম ইটের গুঁড়ো দিয়ে করা হচ্ছে। এভাবে কাজ করানোর কারণে কিছু মানুষের পকেটে টাকা ঢুকলেও সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।’

অন্য একজন বাসিন্দা কাজল জানান, ‘এখানে কোনো খাল ছিল না। ফলে প্রয়োজন নেই এমন জায়গায় খাল খনন করায় আমাদের ৯০ শতাংশ মানুষের ক্ষতিসাধিত হয়েছে। খননের মাটি আমাদের জমির ওপর ফেলা হচ্ছে।’

কমিটির সদস্য ময়না বেগম বলেন, ‘আমাকে না জানিয়ে কমিটিতে রাখা হয়েছে। কাজ হওয়ার কথা ছিল শ্রমিকদের মাধ্যমে, কিন্তু করা হচ্ছে ভেকু মেশিনের মাধ্যমে। শুনেছি ১১৯ জন শ্রমিকের তালিকা করা হয়েছে, যারা চেয়ারম্যান ও দলীয় লোকজন।’

প্রকল্পের সভাপতি ও আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য করুনা রানী পাল বলেন, ‘আমার মা অসুস্থ। আমি বগুড়ায় রয়েছি। আমি যেসব জায়গায় প্রয়োজন সাক্ষর দিয়ে এসেছি, বাকি সব কাজ চেয়ারম্যান করছেন। কোথায় কী কাজ হয়েছে, ভালো না মন্দ, আমি কিছুই জানি না।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফজলুল হক বলেছেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী কাজ নিহত হচ্ছিল। কালভার্ট নির্মাণে এক ট্রলি নিম্নমানের ইটের খোয়া আনা হয়েছিল, পরে তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের ৪৩ দিনের কাজ শেষ হয়েছে। তারা মজুরি পেয়ে গেছে। তবে তদন্তের কারণে এখন কাজ বন্ধ রয়েছে।’

আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাক্কারুল আলম অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘স্থানীয়দের সাথে পরামর্শ করেই খাল খনন কাজ করা হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী জানান, ‘অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় আমরা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি। তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%