ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিয়ানমারে চারটি বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান


মিয়ানমারে চারটি বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান

মিয়ানমারের সমুদ্র অঞ্চলে চারটি নতুন অফশোর গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশটির সামরিক সরকার জানিয়েছে যে, এই আবিষ্কার দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সংকট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নতুন গ্যাস ক্ষেত্রগুলো আয়েয়ারওয়াদি ও তানিনথারই অঞ্চলের অফশোর রিজার্ভ এলাকায় অবস্থিত। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চারটি ক্ষেত্র মিলিয়ে মোট প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত প্রায় ১০৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) হতে পারে।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্রটি তানিনথারইয়ের গভীর সমুদ্র এলাকায় অবস্থিত। সেখানে প্রায় ৯৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যার সম্ভাব্যতা প্রায় ৯০ শতাংশ বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে, আয়েয়ারওয়াদি অঞ্চলে আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্রে প্রায় ১৪ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকতে পারে এবং এর সম্ভাব্যতা প্রায় শতভাগ বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন ঘোষিত গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে তানিনথারই অঞ্চলের একটি ব্লকও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যেখানে পূর্ববর্তী এক প্রতিবেদনে প্রায় ৯৪ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুতের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

আন্দামান সাগরের দক্ষিণ তানিনথারই উপকূলে কাদান দ্বীপের কাছে অবস্থিত এই ব্লকটির আয়তন প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার। ২০১৫ সালে সিঙ্গাপুরভিত্তিক কানাডিয়ান ফরসাইট গ্রুপ মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস প্রতিষ্ঠান এমওজিইয়ের সঙ্গে এ ব্লকের জন্য প্রোডাকশন-শেয়ারিং চুক্তি স্বাক্ষর করে।

২০১৭ সালের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত এ খাত থেকে আসতে পারে। সে সময় গ্যাস মজুদের সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ২৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হিসেবে অনুমান করা হয়েছিল।

মিয়ানমার সরকার জানিয়েছে যে, নতুন গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর সম্পদ বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার শিল্প এবং অন্যান্য শিল্প খাতে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস সংস্থা এমওজিই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকায় প্রকল্পগুলোর ভবিষ্যৎ বাস্তবায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

জ্বালানি খাতে এই বড় আবিষ্কার মিয়ানমারের অর্থনীতির জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: দ্য ইরাবতী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেউলিয়া থেকে শীর্ষস্থানে: স্যামসাংকে টপকে বাজিমাত এসকে হাইনিক্সের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


দেউলিয়া থেকে শীর্ষস্থানে: স্যামসাংকে টপকে বাজিমাত এসকে হাইনিক্সের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্ট এসকে হাইনিক্স স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের ২৬ বছরের শীর্ষ অবস্থান দখল করে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায়, বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ১.৩৫ ট্রিলিয়ন ডলারে। ফলে, দুই দশক আগে দেউলিয়া হতে বসা কোম্পানিটি এখন দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পৌঁছে গেছে।

এসকে হাইনিক্স দেশে একটি শীর্ষ টেক জায়ান্ট কোম্পানি; এক সময় ঋণের ভারে দেউলিয়া হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে ব্যবহৃত এইচবিএম (হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি) চিপের বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সোমবার (২২ জুন) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে স্যামসাংকে টপকে শীর্ষস্থান দখল করে এসকে হাইনিক্স।

৫ দশমিক ৭ শতাংশ শেয়ারের দাম বৃদ্ধির পর কোম্পানিটির বাজার মূলধন দাঁড়ায় ১.৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার। একই দিনে ০.৪ শতাংশ শেয়ারদর বাড়লেও শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেনি স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স।

বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এনভিডিয়া ও গুগলের মতো কোম্পানির এআই সিস্টেমে ব্যবহৃত হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি চিপের প্রধান সরবরাহকারী এখন এসকে হাইনিক্স। এআই প্রযুক্তির প্রসারের ফলে চলতি বছরেই কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৩৪০ শতাংশেরও বেশি, যেখানে স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের শেয়ার বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ।

স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স মেমোরি চিপের পাশাপাশি স্মার্টফোন ও টেলিভিশন উৎপাদনে মনোযোগী হলেও, হাইনিক্স দীর্ঘদিন ধরে শুধুমাত্র মেমোরি চিপ প্রযুক্তিতেই বিশেষায়িত ছিল। এই কৌশলগত ফোকাসই তাদের বর্তমান সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

১৯৮৩ সালে হুন্দাই ইলেকট্রনিক্স নামে কোম্পানিটির যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালে এসকে গ্রুপের শেয়ার অধিগ্রহণের পর এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় এসকে হাইনিক্স।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের সঙ্গে দ্রুত কৌশলগত আলোচনা শুরু করতে চীনের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৬ এম


ভারতের সঙ্গে দ্রুত কৌশলগত আলোচনা শুরু করতে চীনের আহ্বান

চীন ও ভারতের মধ্যে স্থগিত থাকা বিভিন্ন কৌশলগত আলোচনা দ্রুত চালুর আহ্বান জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই।

তিনি বলেছেন, এই দুই দেশের বাণিজ্য, অর্থনীতি, আইন প্রয়োগ, গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরো বাড়ানো উচিত। সোমবার নয়াদিল্লিতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা বলেন ওয়াং ই।

মঙ্গলবার ভোরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়। বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, চীন ও ভারতের উচিত একে অপরকে সম্মান করা এবং সংবেদনশীল বিষয়গুলো সতর্কতার সঙ্গে মোকাবিলা করা। তিনি বলেন, সীমান্ত বিরোধকে এমনভাবে সামাল দিতে হবে, যাতে তা দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বেশিরভাগ কৌশলগত আলোচনার অচলাবস্থায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন মন্তব্য এসেছে। এর আগে চলতি মাসে ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জু ফেইহংও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বেঙ্গালুরুতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, চীন ও ভারতের মধ্যে সরকার পর্যায়ে প্রায় ৫০টি কৌশলগত আলোচনা রয়েছে। কিন্তু এর বেশিরভাগই এখনো বন্ধ অবস্থায় আছে।

সোমবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকের ফাঁকে ওয়াং ই ও অজিত ডোভালের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়, দুই নেতা সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছে বলেও মত দেন তারা। তবে বাস্তবে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া এখনো ধীরগতির। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালুর মতো বিষয়েও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে।

অনেক গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত আলোচনা এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এদিকে বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের পরবর্তী বৈঠকের জন্য অজিত ডোভালের বেইজিং সফরের প্রস্তুতিও চলছে। এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, এই সফরের মাধ্যমে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং ভারত সফর করবেন কি না, সে বিষয়েও কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে ওয়াং ই উল্লেখ করেন যে, চীন ও ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুটি দেশ এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তি। তিনি বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে কঠিন সময় পার করে উন্নয়নের পথে ফিরছে। ওয়াং ইর ভাষায়, চীন ও ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার। এটি দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল কৌশলগত সমঝোতা। তিনি বলেন, বিশ্বের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দুই দেশের উচিত দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়ানো।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ আবার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পরিস্থিতিও মোটামুটি শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি বলেন, এই অগ্রগতি সহজে আসেনি। তাই দুই দেশের উচিত এই অর্জনগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সম্পর্ক উন্নয়নে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। ওয়াং ইর মতে, দুই দেশ একে অপরের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সহযোগিতা করতে পারে। পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নেও একসঙ্গে ভূমিকা রাখতে পারে।

বৈঠকে ওয়াং ই বাণিজ্য, অর্থনীতি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা এবং গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন খাতে কৌশলগত আলোচনা ও যোগাযোগ দ্রুত চালুর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা গড়ে তুলতে হবে এবং পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে সামাজিক ও জনসমর্থনের ভিত্তি আরো শক্তিশালী করতে হবে। ব্রিকস প্রসঙ্গে ওয়াং ই বলেন, চীন, ভারত এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর উচিত একসঙ্গে কাজ করে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে আরো ন্যায়সঙ্গত ও ভারসাম্যপূর্ণ করার চেষ্টা করা।

চীনের বিবৃতিতে অজিত ডোভালের বক্তব্যও তুলে ধরা হয়েছে। ডোভাল বলেন, ভারত ও চীন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার। একটি স্থিতিশীল ও গঠনমূলক ভারত-চীন সম্পর্ক দুই দেশেরই স্বার্থ রক্ষা করে। তিনি বলেন, ভারত কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়নে কাজ করতে চায়। ডোভাল আরো বলেন, মতপার্থক্য থাকলেও সেগুলো শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা উচিত এবং এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে দুই দেশই লাভবান হতে পারে। চীনের বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ডোভাল ওয়াং ইকে বলেছেন যে, নতুন চীনকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর একটি ছিল ভারত। পাশাপাশি তাইওয়ান প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সাম্প্রতিক এই বৈঠক দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টায় নতুন গতি আনতে পারে। তবে সীমান্ত ইস্যুসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো পুরোপুরি সমাধান না হওয়ায় সম্পর্কের উন্নতি কতটা দ্রুত হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিটিএস তারকার বাড়িতে ১৩৩ বার বেল বাজানোর কারণে তরুণীর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪২ এম


বিটিএস তারকার বাড়িতে ১৩৩ বার বেল বাজানোর কারণে তরুণীর কারাদণ্ড

জনপ্রিয় বিটিএস তারকা জাংকুকের বাড়িতে বারবার অনুপ্রবেশ এবং বিরক্ত করার দায়ে এক ব্রাজিলীয় নারীকে স্থগিত কারাদণ্ড দিয়েছে সিউলের একটি আদালত।পুলিশের নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ওই নারী জাংকুকের বাড়ির দরজায় গিয়ে এক দিনেই ১৩৩ বার বেল বাজিয়েছিলেন। গায়কের প্রতি তীব্র ভালোবাসা থেকেই তিনি এমনটি করেছেন বলে জানা গেছে।

ওই নারী গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রথম সিউলে জাংকুকের বাড়ির সামনে যান। আদালতের তথ্যমতে, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর তিনি জাংকুকের বাড়ির চারপাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করেন, দেয়ালের ওপর দিয়ে জিনিসপত্র ভেতরে ছুঁড়ে মারেন এবং দরজার ফাঁক দিয়ে চিঠি ও ছবি গুঁজে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এর কয়েক দিন পর তিনি আবার এসে মাত্র এক দিনে ১৩৩ বার দরজার বেল বাজান, যাকে আদালত ‘চরম মাত্রার পাগলামি বা অন্ধ আসক্তির লক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পরবর্তীতে ১৩ ডিসেম্বর একজন ডেলিভারি বয়ের পিছু পিছু গেট দিয়ে জাংকুকের বাড়ির সীমানায় ঢুকে পড়লে পুলিশ ওই নারীকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন আর কখনো এই বাড়ির সীমানায় না আসার শর্তে তিনি মুক্তি পান। কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিনি যাতায়াত করলে পুলিশ তার ওপর ১০০ মিটারের মধ্যে আসার জরুরি নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তারপরেও নাছোড়বান্দা ওই নারী মোট ২২ বার জাংকুকের বাড়ির সীমানায় যান।

অবশেষে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করে। সিউলের একটি জেলা আদালত ওই নারীকে দুই বছরের জন্য স্থগিত রেখে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। অর্থাৎ, এই দুই বছর তিনি ভালো আচরণ করলে তাকে জেলে যেতে হবে না। তবে তিনি যদি এই রায়ের বিরুদ্ধে সফলভাবে আপিল করতে না পারেন, তবে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে তাকে বহিষ্কার বা নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিচারক জানিয়েছেন, ওই নারীর পুনরায় একই অপরাধ করার ঝুঁকি কম থাকায় সাজা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, তারকাদের বাড়িতে ভক্তদের এমন অনুপ্রবেশের ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত বছরের জুন মাসে জাংকুকের বাড়িতে জোর করে ঢোকার অভিযোগে এক চীনা নারীও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন সফরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৩শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


চীন সফরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে দিনভর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনে ব্যস্ত সময় কাটাবেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে তিনি দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সরকার প্রধান।

লোকাল সময়ের বিকেলে জলবায়ু বিষয়ক সেমিনারে তিনি যোগ দেবেন। এর পাশাপাশি, চীনের স্টেট কাউন্সিলের প্রিমিয়ার কর্তৃক স্বাগত সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করার কথাও রয়েছে তারেক রহমানের।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সময় চীনে পৌঁছান, কিছু সময় মালয়েশিয়া সফর শেষে।

দালিয়ানে দুই দিন সফরের পর বুধবার বিশ্ব আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি যোগদান করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিং যাবেন। সেখানে চীনে প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%