প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্ট এসকে হাইনিক্স স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের ২৬ বছরের শীর্ষ অবস্থান দখল করে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায়, বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ১.৩৫ ট্রিলিয়ন ডলারে। ফলে, দুই দশক আগে দেউলিয়া হতে বসা কোম্পানিটি এখন দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পৌঁছে গেছে।
এসকে হাইনিক্স দেশে একটি শীর্ষ টেক জায়ান্ট কোম্পানি; এক সময় ঋণের ভারে দেউলিয়া হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে ব্যবহৃত এইচবিএম (হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি) চিপের বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। সোমবার (২২ জুন) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে স্যামসাংকে টপকে শীর্ষস্থান দখল করে এসকে হাইনিক্স।
৫ দশমিক ৭ শতাংশ শেয়ারের দাম বৃদ্ধির পর কোম্পানিটির বাজার মূলধন দাঁড়ায় ১.৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার। একই দিনে ০.৪ শতাংশ শেয়ারদর বাড়লেও শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেনি স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স।
বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এনভিডিয়া ও গুগলের মতো কোম্পানির এআই সিস্টেমে ব্যবহৃত হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি চিপের প্রধান সরবরাহকারী এখন এসকে হাইনিক্স। এআই প্রযুক্তির প্রসারের ফলে চলতি বছরেই কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৩৪০ শতাংশেরও বেশি, যেখানে স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের শেয়ার বেড়েছে প্রায় ২০০ শতাংশ।
স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স মেমোরি চিপের পাশাপাশি স্মার্টফোন ও টেলিভিশন উৎপাদনে মনোযোগী হলেও, হাইনিক্স দীর্ঘদিন ধরে শুধুমাত্র মেমোরি চিপ প্রযুক্তিতেই বিশেষায়িত ছিল। এই কৌশলগত ফোকাসই তাদের বর্তমান সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।
১৯৮৩ সালে হুন্দাই ইলেকট্রনিক্স নামে কোম্পানিটির যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালে এসকে গ্রুপের শেয়ার অধিগ্রহণের পর এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় এসকে হাইনিক্স।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন