বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:২৭ এম
দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চাঁদপুরের বড় স্টেশন মাছঘাট। জুলাই মাস থেকেই শুরু হয়েছে ইলিশের ভরা মৌসুম। কিন্তু এবারের ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে। নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ ধরা পড়ছে না। এ সময়ে যেখানে ব্যবসায়ীদের ইলিশ বেচাকেনায় ব্যস্ত থাকার কথা, সেখানে পাইকারি বাজারে ইলিশের হাহাকার অব্যাহত রয়েছে। ফলে ইলিশের দামও আগে মতো কমছে না। ইলিশের উৎপত্তিস্থল হিসেবে পরিচিত চাঁদপুরে ইলিশের অভাব থাকায় দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।
ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ এবং এ বিষয়ে সরকারের করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে পাঁচ সদস্যের সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) একটি বিশেষজ্ঞ দল অনুসন্ধানে নেমেছে।
এদিকে, সরকার ২০০৭ সাল থেকে জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষা কর্মসূচির আওতায় জেলে পরিবারগুলোকে খাদ্যসহায়তা, প্রণোদনা এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে আসছে। তবুও ইলিশের উৎপাদন দিন দিন ঝরছে। কোনোভাবে উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। জুলাই মাস থেকেই শুরু হয়েছে ইলিশের ভরা মৌসুম। অথচ সেহেতু চাঁদপুরে তেমন ইলিশ মিলছে না। ভরা মৌসুমেও পদ্মা ও মেঘনায় কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন জেলে, আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা। মাছের দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারাও হতাশ হয়ে মাছ না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই অনলাইনে ইলিশ কিনে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। এতে দুর্নামের ভাগিদার হচ্ছেন চাঁদপুর বড় স্টেশন মাছঘাটের ব্যবসায়ীরাও।
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, অন্যান্য বছর এই সময় বাজারে প্রতিদিন এক থেকে দেড় হাজার মণ ইলিশ কেনাবেচা হতো। এখন সেখানে প্রতিদিন মাত্র ৪০ থেকে ৫০ মণ ইলিশও আসছে না। এর পাশাপাশি, এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ আগে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় পাওয়া গেলেও এখন সেই ইলিশের দাম সাড়ে ৩ হাজার টাকা হয়ে গেছে। এছাড়া, ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় এবং ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়া এবং দাম বেড়ে যাওয়ায় বেচাকেনাও কমেছে। ফলে অনেক মৎস্য ব্যবসায়ী এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যুক্ত হচ্ছেন। বাজারে যে অল্প পরিমাণ ইলিশ আসছে, তার দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
মাছঘাটের ইলিশ ব্যবসায়ী ও মৎস্য বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী শবেবরাত জানান, চাহিদার তুলনায় মাছের সরবরাহ কম। তাই দামও বেড়ে যাচ্ছে। সরকার ইলিশ রক্ষায় অনেক প্রকল্প নিয়েছে। কিন্তু ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমে যাচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো, সাগর অঞ্চল থেকে বিভিন্ন কারণে ইলিশ নদীতে প্রবেশ করতে পারছে না। এদিকে, কারেন্ট জালের ব্যবহার, নদীদূষণ এবং মেঘনা নদীর বিভিন্ন ডুবোচরের কারণে ইলিশের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ইলিশের চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় ফলে দাম কমছে না।
এখন ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে সিইজিআইএসের পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে।
ড. আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে, আগের তুলনায় ইলিশের সরবরাহ কম এবং বড় আকারের ইলিশের সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে। তবে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে না। নদীর পানির গুণগত মান, স্রোত, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন, মাছের চলাচলের পথসহ বিভিন্ন বিষয় বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা হবে। সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা শেষে মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে একটি সুপারিশভিত্তিক প্রতিবেদন প্রদান করা হবে।
চাঁদপুর নদীবেষ্টিত এলাকা হওয়ায় এখানে জেলের সংখ্যা বেশি। স্থানীয় মৎস্য কর্মকর্তারা বিশেষজ্ঞ দলের কাছে অভিমত দিয়েছেন যে, কারেন্ট জালের ব্যবহার, নদীদূষণ এবং মেঘনা নদীর বিভিন্ন ডুবোচরের কারণেই ইলিশের উৎপাদন কমে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) নতুন কমিশনার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ডিআইজি মো. সাজ্জাদুর রহমানকে।
এ তথ্যটি বুধবার (২৯ জুলাই) অবগত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষর করেছেন। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে এপিবিএনের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. সাজ্জাদুর রহমান। তাকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার পদে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সেনাদের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টগুলো ইরানকে হামলার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে এবং ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নে সহায়তা করছে বলে সতর্ক করেছেন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। এই কারণে, অঞ্চলটিতে মোতায়েন কিছু সেনার কাছ থেকে মোবাইল ফোন জমা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রয়টার্স।
রয়টার্সের হাতে আসা একটি চিঠিতে কুপার সেনাদের অপারেশনাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং সেনাদের প্রকাশ করা ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ইরান হামলার সফলতা অথবা ব্যর্থতা দ্রুত মূল্যায়ন করতে সক্ষম হচ্ছে।
চিঠির মধ্যে তিনি উল্লেখ করেন, উন্মুক্ত তথ্যের মাধ্যমে ইরান কার্যত হামলার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র পেয়ে যায়, যা ভবিষ্যতে হামলার পরিকল্পনায় কাজে লাগতে পারে।
কুপার ১৭ জুলাই জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলার সময়ের একটি ঘটনার উল্লেখ করেছেন। সে সময়ে এক মার্কিন সেনা স্মার্ট চশমা ব্যবহার করে ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে সেটি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তার অবস্থান ও আশ্রয় নেওয়ার স্থানও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।
রয়টার্সের দুটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানে মোতায়েন কয়েকজন মার্কিন সেনাকে শিগগিরই মোবাইল ফোন জমা দিতে বলা হতে পারে। তবে এই ব্যবস্থা পুরো অঞ্চলে কার্যকর করা হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
সোর্স: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে সর্বভারতীয় নিট (NEET) পরীক্ষার অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা নজিরবিহীন ছাত্র-যুব আন্দোলনের মুখে, দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তবে, কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই আন্দোলনের প্রকৃত প্রভাব একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে সীমাবদ্ধ নয়। বরং, এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা ‘অপরাজেয়’ ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, মোদির ভাবমূর্তি রক্ষার চেষ্টা
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক অপূর্বানন্দের লেখা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ভারতের বর্তমান শাসনব্যবস্থায় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে কারণে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের চেয়ে মোদির রাজনৈতিক ভাবমূর্তি রক্ষার পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। টানা এক দশকের বেশি সময় ধরে মোদিকে ঘিরে যে ‘অলৌকিক’ এবং ‘অধরা’ ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছিল, তরুণদের প্রতিবাদ, ব্যঙ্গচিত্র এবং উপহাসে তা ভেঙে পড়তে শুরু করেছে বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ ও প্রতিবাদের নতুন ভাষা
বিশ্লেষণে বলা হয়, আন্দোলনের পেছনে শুধু শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম নয়, তরুণদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও সামাজিক অবমূল্যায়নও কাজ করেছে। ভারতের প্রধান বিচারপতির বেকার তরুণদের ‘কাকরোচ’ বা তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করে করা মন্তব্যের জবাবে আন্দোলনকারীরা ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ (CJP) গড়ে তোলেন। তারা হাতে লেখা প্ল্যাকার্ড, পিচবোর্ড এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মিমের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই ভাঙল ভয়
আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়, মূলধারার গণমাধ্যম যখন সরকারের প্রচারণায় ব্যস্ত, তখন সাধারণ তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেই তাদের প্রধান রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত করেন। ২০ জুলাই, পার্লামেন্ট অভিমুখে মিছিলে পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও লাঠিচার্জ করলেও আন্দোলনকারীরা পিছু হটেনি। পরে, প্রধানমন্ত্রী মোদি তরুণদের ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করলে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জবাব দেন, ‘আমরা আপনার বন্ধু নই।’ বিশ্লেষণে বলা হয়, এই প্রতিক্রিয়াই মোদিকে ঘিরে তৈরি কর্তৃত্বের ভাবমূর্তিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছে।
ভারতের রাজনীতিতে নতুন বার্তা
আল জাজিরার বিশ্লেষণে বলা হয়, কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থা টিকে থাকে জনগণের ভয় এবং অন্ধ আনুগত্যের ওপর। দিল্লির যন্তর মন্তরে তরুণদের আন্দোলন সেই ভয় ভাঙার প্রতীক হয়ে উঠেছে। আন্দোলনকারীরা রাজপথ ছেড়ে গেলেও তারা যে প্রতিবাদের ভাষা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরী করেছে, তা সহজে মুছে যাওয়ার নয়। বিশ্লেষণের মতে, ভারতের তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে, শাসক যত শক্তিশালীই হোক, জনগণের সোচ্চার কণ্ঠের কাছে শেষ পর্যন্ত তাকে জবাবদিহি করতেই হয়।
সূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিশেষ দূত সার্জিও গর। কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার প্রেক্ষাপটে সফরটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, আঞ্চলিক কৌশলগত অবস্থান এবং ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, সফরের প্রথম দিনে সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের নেতা, পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়েরও সম্ভাবনা রয়েছে। সফরের শেষ দিনে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন।
কূটনৈতিক সূত্র মতে, সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বর্তমান অগ্রাধিকার, চীন, ভারত এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি আলোচনা করা হবে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়গুলিও গুরুত্ব পেতে পারে।
জেনেভায় জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ সুফিউর রহমান মন্তব্য করেন, নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অভিমুখ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতেই সার্জিও গরের এই সফর। তাঁর মূল্যায়ন হবে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিনির্ধারণে বাংলাদেশ নিয়ে একটি প্রভাব ফেলতে পারে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেন, বিশেষ দূত হিসেবে সার্জিও গরের প্রথম বাংলাদেশ সফর দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের আগস্টে ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা সার্জিও গরকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেন। ওই পদে নিয়োগের পর থেকেই তিনি ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। এ বছরের জানুয়ারিতে তিনি দিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ শুরু করেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের প্রেক্ষাপটে এই বিশেষ দূত হিসেবে তাঁর নিয়োগকে অর্থনৈতিক অংশীদারি, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশলকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ