ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘ছাত্র-আন্দোলনকে দুষ্কৃতীরা বিপথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল’, ধর্মেন্দ্রের ইস্তফার পরে কেন এই বক্তব্য রবীনার?


‘ছাত্র-আন্দোলনকে দুষ্কৃতীরা বিপথে নিয়ে যেতে চেয়েছিল’, ধর্মেন্দ্রের ইস্তফার পরে কেন এই বক্তব্য রবীনার?

রবীনা চলতি আন্দোলনের পাশাপাশি অতীতে হওয়া পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়ে আন্দোলনের তুলনাও টানেন। তাঁর মতে, সেই সব আন্দোলন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেকই কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি। তবে এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে বলে তিনি মনে করেন।

মিজ়োরামের ছাত্র আন্দোলনের প্রশংসা করে অভিনেত্রী রবীনা টন্ডন বলেন, শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলন অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, দেশের কিছু রাজ্যে একই ধরনের আন্দোলন নাকি দুষ্কৃতী, রাজনৈতিক দল এবং সুযোগসন্ধানীরা অন্য দিকে চালিত করার চেষ্টা করেছে।

সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রবীনা ছাত্র আন্দোলন, পরিবেশ রক্ষার লড়াই এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে মানুষের মধ্যে আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। একাধিক ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, মানুষের কণ্ঠস্বর অবশেষে গুরুত্ব পাচ্ছে, তা দেখে তিনি খুশি। তাঁর আশা, এর ফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

রবীনা চলতি আন্দোলনের পাশাপাশি অতীতে হওয়া পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়ে আন্দোলনের তুলনাও টানেন। তাঁর মতে, সেই সব আন্দোলন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেকই কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি। তবে এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে বলে তিনি মনে করেন। পোস্টে রবীনা লেখেন, “খুব আনন্দ হচ্ছে যে মানুষের কণ্ঠস্বর অবশেষে শোনা হচ্ছে। এখন আশা জাগছে। এত দিন পরিবেশ, বন্যপ্রাণ, বন জঙ্গল কেটে ফেলার বিরুদ্ধে হওয়া আন্দোলন বারবার থমকে গিয়েছে। মানুষ এখন সচেতন হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বুঝতে হবে, আমাদের কাছে এই একটাই পৃথিবী আছে। এর কোনও বিকল্প নেই।”

মিজ়োরাম-সহ কয়েকটি রাজ্যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে রবীনা লেখেন, “মিজ়োরাম এবং অন্য কয়েকটি রাজ্যের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দেখিয়ে দিয়েছে, কী ভাবে সঠিক পথে প্রতিবাদ করা যায়। তাঁদের কুর্নিশ জানাই।”

তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন মানুষের সমর্থন পেলেও কিছু জায়গায় অশান্তি ছড়িয়েছে এমন কিছু মানুষ, যাঁরা ছাত্র নন এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেছেন। অভিনেত্রীর কথায়, “হিংসা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার ঘটনাগুলি অবশ্যই কিছু উশৃঙ্খল মানুষের কাজ। এরা ছাত্র নয়। এরাই আন্দোলনকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।”

পাশাপাশি রবীনা আশা প্রকাশ করেন, নিটকে ঘিরে ছাত্রদের আন্দোলনের পর দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে দুর্নীতি কমবে এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ আরও সহজ হবে। তাঁর কথায়, “এখন আশা করি এবং প্রার্থনা করছি, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসুক। সরকারি স্কুলগুলিতেও দুর্নীতি দূর হোক। সকলের জন্য শিক্ষার সুযোগ সহজ হোক।”

আরও পড়ুন: গণতন্ত্রের শর্ত ও রাজনৈতিক সংকটের গুরুত্ব: তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিতর্ক

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে দেশ জুড়ে আন্দোলন চলে দীর্ঘ দিন ধরে। টানা কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভের পর ২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্য দিকে, মিজ়োরামেও ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা আন্দোলনে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী যোগ দিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল নাসরে রোনালদোর ক্ষমতা কি আরও বাড়ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ এম


আল নাসরে রোনালদোর ক্ষমতা কি আরও বাড়ছে

আল নাসর ক্লাবে নিজস্ব প্রভাব ব্যবহার করে বড় পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তিনি ক্লাবের ট্রান্সফার বা দলবদলের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বাতিলের দাবি তুলেছেন।

এছাড়া, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে স্বদেশি মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজকে দলে ভেড়াতে তিনি নিজে উদ্যোগী হয়েছেন।

গোল ডট কমের প্রতিবেদনের অনুযায়ী, আল নাসরের ভবিষ্যৎ প্রকল্প সঠিক পথে রাখতে এবং নতুন মৌসুমের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে ক্লাব ব্যবস্থাপনায় নতুন কিছু শর্ত জুড়ে দিয়েছেন রোনালদো। পর্তুগিজ কিংবদন্তির প্রধান দাবি হলো, ক্লাবের দলবদল প্রক্রিয়ায় কোনো প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চলবে না। ক্রীড়া পরিচালক সিমেউ এবং নির্বাহী পরিচালক সেমেদুর জুটিকে দলবদলের বিষয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দিতে হবে।

কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ বাধা ছাড়া শুধুমাত্র কৌশলগত মানদণ্ডের ভিত্তিতে খেলোয়াড় কেনাবেচা নিশ্চিত করতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করেছেন রোনালদো।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তারকা ব্রুনো ফার্নান্দেজকে দলে ভেড়ানোর জন্য জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছে আল নাসর। ব্রুনোর আর্থিক চাহিদা এবং দলবদলের প্রাথমিক অবস্থা জানার জন্য পরিকল্পনা করছে সৌদি ক্লাবটির কর্তৃপক্ষ।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ব্রুনোর চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা আটকে থাকায় সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চান রোনালদো।

সৌদি প্রো লিগ প্রকল্পের ভবিষ্যৎ বোঝাতে নিজ দেশের সতীর্থকে আল নাসরে আসার জন্য তিনি নাকি নিজেই রাজি করাচ্ছেন।

যাহোক, রোনালদোকে বিপুল অংকের বেতন (বছরে ২১ কোটি ডলারের বেশি) এবং অন্যান্য তারকাদের পেছনে অত্যধিক খরচের কারণে আল নাসর বর্তমানে গুরুতর আর্থিক সংকটে জনিত হচ্ছে।

গত মৌসুমে আল নাসরের হয়ে সৌদি প্রো লিগ শিরোপা জিতেছেন রোনালদো। ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি আগামী বছরের জুন পর্যন্ত বৈধ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপগঞ্জবাসীর জমি আর তাদের হাতে নেই: এমপি দিপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ এম


রূপগঞ্জবাসীর জমি আর তাদের হাতে নেই: এমপি দিপু

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূইয়া বলেছেন, পূর্বাচল প্রকল্পের জন্য বিপুল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণের ফলে আজ রূপগঞ্জবাসী নিজেদের জমির মালিকানা হারিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, শুধু পূর্বাচল নয়, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন, কায়েতপাড়া ও দাউদপুর ইউনিয়নকেও ঢাকার আওতায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

দিপু ভূইয়া বলেন, '১৯৯৫ সালে যখন পূর্বাচল প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল, তখন যদি স্থানীয়রা ঢাকা থেকে রূপগঞ্জ পর্যন্ত বড় সড়ক নির্মাণের দাবি তুলতেন, তাহলে রূপগঞ্জবাসীর এত বিপুল পরিমাণ জমি হারাতে হতো না।'

তিনি বলেন, 'পূর্বাচল প্রকল্পের জন্য অনেকের শত শত বিঘা, আবার কারো আরো বেশি জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। তখন জমির মালিকদের একটি করে প্লট দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজও অনেকেই সেই প্লট পাননি।'

সংসদ সদস্য বলেন, 'সেই সময়ের ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত এখন রূপগঞ্জবাসীকে দিতে হচ্ছে। আজ রূপগঞ্জবাসীর নিজের জমিই আর রূপগঞ্জবাসীর হাতে নেই। বিভিন্ন মানুষ সেই জমির মালিক হয়ে গেছে।'

তিনি আরো বলেন, 'তখন যদি ১০০ বা ৩০০ মিটার প্রশস্ত সড়কের জন্য জমি নেওয়ার সিদ্ধান্ত হতো, তাহলে এত বিপুল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন পড়ত না। কিন্তু সেই ক্ষমতা যথাযথভাবে ব্যবহার না করে রূপগঞ্জবাসীর বিস্তীর্ণ জমি অধিগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।'

পূর্বাচলকে ঢাকার অধীনে নেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে দিপু ভূইয়া বলেন, 'তারা জানে, এ বিষয়ে সবচেয়ে বড় আন্দোলন আমি করব। এখন রূপগঞ্জ ইউনিয়ন, দাউদপুর ইউনিয়ন এবং কায়েতপাড়া ইউনিয়নকেও ঢাকার আওতায় নেওয়ার চেষ্টা চলছে।'

এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে আন্দোলনের ডাক দিয়ে তিনি বলেন, 'প্রয়োজনে রূপগঞ্জের প্রতিটি ঘর থেকে মানুষকে রাস্তায় নামতে হবে। আমি বেঁচে থাকতে রূপগঞ্জের মানুষকে উচ্ছেদ করার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেব না।'

তিনি বলেন, 'রূপগঞ্জবাসী আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তাদের কল্যাণে প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতেও আমি প্রস্তুত। আমাকে যত হুমকিই দেওয়া হোক না কেন, আমার সবচেয়ে বড় শক্তি রূপগঞ্জবাসী।'

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে দিপু ভূইয়া বলেন, 'আমি কোনো অন্যায় করিনি, কারো অধিকার নষ্ট করিনি। তাই আমি নির্ভয়ে চলাফেরা করি। আমি জানি, রূপগঞ্জবাসী সবসময় আমার সঙ্গে আছে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন গানে গানে বিউটি রাণীর সঙ্গে সংহতি জানাচ্ছেন দেশের শিক্ষকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ এম


কেন গানে গানে বিউটি রাণীর সঙ্গে সংহতি জানাচ্ছেন দেশের শিক্ষকরা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে সমালোচনার জেরে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা অভিনব সংহতি প্রদর্শন শুরু করেছেন। জনপ্রিয় গান ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হল আকাশে’, যা চার দশক আগে প্রেমের আবহে লেখা হয়েছিল, এখন শিক্ষিকাদের প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই ঘটনার সূচনা হয়েছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পালকে ঘিরে। গত ২৩ জুলাই, তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওতে তাঁকে ধীর পায়ে হাঁটতে দেখা যায়, সেই সঙ্গে হালকা বাতাসে শাড়ির আঁচল উড়িয়ে চলছেন তিনি। পেছনে গানটি বাজছিল ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’।

ভিডিওটি প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে একাংশের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে তার পর পরই একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষিকা এ গান ব্যবহার করে নিজেদের ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ করতে শুরু করেন। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, কর্মস্থল কিংবা ব্যক্তিগত পরিবেশে ধারণ করা এসব ভিডিওর মাধ্যমে তাঁরা বিউটি রাণীর প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন।

প্রতিবাদে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের যুক্তি হলো, শিক্ষকের পেশা একটি পেশা হলেও, একজন শিক্ষক প্রথমে একজন মানুষ। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাঁদের ব্যক্তিগত অনুভূতি, নান্দনিকতা ও সৃজনশীল প্রকাশের স্বাধীনতা আছে। সেই স্বাধীনতাকে সম্মান জানাতে তাঁরা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

ভিডিও পোস্ট করে মাদারীপুরের সহকারী শিক্ষিকা সামিয়া শিকদার লিখেছেন, ‘বিউটি রানী পাল ম্যাডামকে হেনস্তার চেষ্টা সফল হয়নি। আজ প্রতিটি সাহসী শিক্ষকই একেকজন বিউটি রানী পাল। আমরা মাথা নত করব না, সম্মান নিয়ে এগিয়ে যাব।’

কুমিল্লার শিক্ষিকা লায়লা নূর পিংকি জানিয়েছেন, ‘ডিজিটাল এ প্রতিবাদ প্রমাণ করে দিল যে, যেখানে অন্যায় হবে সেখানেই শিক্ষকরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করবে। আমাদের এ ঐক্য ধরে রাখতে হবে। সমালোচনা করুন, তবে তা হোক যৌক্তিক। আজাইরা সমালোচনার ফল তো দেখলেন? হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো সব শিক্ষকই বেরিয়ে এলেন। যেসব শিক্ষক কখনো ভিডিও দিতেন না, তাঁরাও সাহস করে সামনে এসেছেন। আগামীকাল থেকে আবার আমাদের শ্রেণিকক্ষে দেখা হবে।’

আরেক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে গানের ভিডিওর কারণে দেশবাসী অন্তত কিছুটা হলেও লায়লা, মামুন আর চাচাদের কটাক্ষপূর্ণ ভিডিও থেকে মুক্তি পেয়েছে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষকরা কিছুটা হলেও ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।’

পঞ্চগড়ের শিক্ষিকা ফেরদৌস লিখেছেন, ‘এরপর শাড়ি পরেই দিব শিক্ষকের সেই ভাইরাল নাচ!’ অন্যদিকে চট্টগ্রামের মতলব বাজারের শিক্ষিকা জয়ন্তী ভৌমিক প্রশ্ন তুলেছেন, ‘শিক্ষক যদি হাসেন, সমস্যা! সাজেন, সমস্যা! পরিপাটি থাকেন, সমস্যা! ভ্রমণে যান, সমস্যা! ছবি পোস্ট করেন, সমস্যা! তাহলে কি শিক্ষক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ হওয়ার অধিকারটাও জমা দিতে হবে?’

শিক্ষকদের এ উদ্যোগকে অনেকে পেশাগত পরিচয়ের বাইরে ব্যক্তিস্বাধীনতা ও পারস্পরিক সংহতির প্রকাশ হিসেবে দেখছেন। গত দুদিনে একই গান ব্যবহার করে হাজারো ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’ গানটি ১৯৮৭ সালের এক শ্রাবণে খুলনায় গীতিকার ও সুরকার আশরাফ বাবু লিখেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর আরেকটি শ্রাবণে এসে সেই প্রেমের গানই নতুন অর্থ পেয়েছে। ভালোবাসার আবেগকে ছাপিয়ে এটি এখন শিক্ষকদের সংহতি ও প্রতিবাদের ভাষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী সেপ্টেম্বরেই বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা যেতে পারে ফারহানকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ এম


আগামী সেপ্টেম্বরেই বাংলাদেশের জার্সিতে দেখা যেতে পারে ফারহানকে

বাংলাদেশ ফুটবলে যোগ হতে যাচ্ছে আরো একটি সম্ভাবনাময় নাম। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ফুলহ্যামের ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার ফারহান আলী ওয়াহিদকে আগামী সেপ্টেম্বরের ফিফা উইন্ডোতেই জাতীয় দলে দেখা যেতে পারে। যদি সব প্রক্রিয়া পরিকল্পনামাফিক এগোয়, তাহলে লাল-সবুজ জার্সিতে তার অভিষেক শুধু সময়ের ব্যাপার। নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও তার খেলার সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল।

সম্প্রতি নরউইচ সিটির বিপক্ষে প্রাক্-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচে ফুলহ্যামের মূল দলের হয়ে দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে নজর কাড়েন ফারহান। বাঁ প্রান্ত থেকে তার গতিময় দৌড়, ড্রিবলিং এবং বাঁকানো শট প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছে। যদিও দল ২-০ গোলে হারলেও, নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে আলোচনায় উঠে আসেন এই তরুণ।

ফারহানের জন্ম হয় ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডে, তবে তার পারিবারিক শিকড় সিলেটে। বাংলাদেশ দলে খেলানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ প্রায় শেষ করেছে বাফুফে। জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে, এবং এখন বাকি আছে বাংলাদেশি পাসপোর্টের বায়োমেট্রিক এবং ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অনাপত্তিপত্র।

বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, তারা সেপ্টেম্বর উইন্ডোতেই ফারহানকে দলে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। ফুলহ্যামের একাডেমিতে বেড়ে ওঠা এই উইঙ্গার মূল দলে সুযোগ পেলে হামজা চৌধুরীর পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে খেলার ইতিহাস গড়বেন।

এদিকে, ইংল্যান্ডপ্রবাসী ফরোয়ার্ড জায়ান হাকিমকেও জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে। বাফুফে সেপ্টেম্বরে সম্ভাব্য চারজাতি টুর্নামেন্টে একাধিক প্রবাসী ফুটবলারের অভিষেক ঘটিয়ে শক্তিশালী দল গড়ার লক্ষ্য নিয়েই এগোচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%