প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রবীনা চলতি আন্দোলনের পাশাপাশি অতীতে হওয়া পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়ে আন্দোলনের তুলনাও টানেন। তাঁর মতে, সেই সব আন্দোলন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেকই কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি। তবে এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে বলে তিনি মনে করেন।
মিজ়োরামের ছাত্র আন্দোলনের প্রশংসা করে অভিনেত্রী রবীনা টন্ডন বলেন, শান্তিপূর্ণ এই আন্দোলন অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, দেশের কিছু রাজ্যে একই ধরনের আন্দোলন নাকি দুষ্কৃতী, রাজনৈতিক দল এবং সুযোগসন্ধানীরা অন্য দিকে চালিত করার চেষ্টা করেছে।
সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রবীনা ছাত্র আন্দোলন, পরিবেশ রক্ষার লড়াই এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে মানুষের মধ্যে আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। একাধিক ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, মানুষের কণ্ঠস্বর অবশেষে গুরুত্ব পাচ্ছে, তা দেখে তিনি খুশি। তাঁর আশা, এর ফলে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
রবীনা চলতি আন্দোলনের পাশাপাশি অতীতে হওয়া পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়ে আন্দোলনের তুলনাও টানেন। তাঁর মতে, সেই সব আন্দোলন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেকই কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি। তবে এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে বলে তিনি মনে করেন। পোস্টে রবীনা লেখেন, “খুব আনন্দ হচ্ছে যে মানুষের কণ্ঠস্বর অবশেষে শোনা হচ্ছে। এখন আশা জাগছে। এত দিন পরিবেশ, বন্যপ্রাণ, বন জঙ্গল কেটে ফেলার বিরুদ্ধে হওয়া আন্দোলন বারবার থমকে গিয়েছে। মানুষ এখন সচেতন হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বুঝতে হবে, আমাদের কাছে এই একটাই পৃথিবী আছে। এর কোনও বিকল্প নেই।”
মিজ়োরাম-সহ কয়েকটি রাজ্যে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করে রবীনা লেখেন, “মিজ়োরাম এবং অন্য কয়েকটি রাজ্যের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দেখিয়ে দিয়েছে, কী ভাবে সঠিক পথে প্রতিবাদ করা যায়। তাঁদের কুর্নিশ জানাই।”
তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন মানুষের সমর্থন পেলেও কিছু জায়গায় অশান্তি ছড়িয়েছে এমন কিছু মানুষ, যাঁরা ছাত্র নন এবং বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করেছেন। অভিনেত্রীর কথায়, “হিংসা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার ঘটনাগুলি অবশ্যই কিছু উশৃঙ্খল মানুষের কাজ। এরা ছাত্র নয়। এরাই আন্দোলনকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।”
পাশাপাশি রবীনা আশা প্রকাশ করেন, নিটকে ঘিরে ছাত্রদের আন্দোলনের পর দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে দুর্নীতি কমবে এবং সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ আরও সহজ হবে। তাঁর কথায়, “এখন আশা করি এবং প্রার্থনা করছি, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসুক। সরকারি স্কুলগুলিতেও দুর্নীতি দূর হোক। সকলের জন্য শিক্ষার সুযোগ সহজ হোক।”
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে দেশ জুড়ে আন্দোলন চলে দীর্ঘ দিন ধরে। টানা কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভের পর ২৫ জুলাই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্য দিকে, মিজ়োরামেও ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা আন্দোলনে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী যোগ দিয়েছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন