বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:০২ এম
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে জনমত গঠনের লড়াইয়ে ইসরাইল ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে। তিনি এই মন্তব্যটি করেছেন জনপ্রিয় মার্কিন পডকাস্টার জো রোগানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে। ওই সাক্ষাৎকারের সময়, তিনি দুই দেশের সম্পর্ক এবং বর্তমানে বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
সাক্ষাৎকার চলাকালে, জেডি ভ্যান্স ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন। তবে তিনি অকপটে স্বীকার করেন যে, যদিও ইসরাইল একটি মিত্র দেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইসরাইলের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "তারা কি আমেরিকার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করে? হ্যাঁ, করে।" তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, বিশ্বের অন্যান্য বেশিরভাগ দেশের তুলনায় ইসরাইল এই রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর এবং পারদর্শী।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টানা পঞ্চম দিনের মতো ইরান অভ্যন্তরে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করার অপচেষ্টার সঙ্গে সম্পর্কিত লক্ষ্যবস্তুগুলোতেই মূলত এই নতুন দফার হামলা পরিচালিত হয়েছে।
তবে চলমান সামরিক সংঘাতের মাঝে চরম অজনপ্রিয় এই যুদ্ধ থেকে বের হয়ে আসার একটি সম্মানজনক পথ খুঁজছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে ইরানের ওপর এই সামরিক হামলা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি এই দাবিও করেছেন যে ইরানের পক্ষ থেকে মার্কিন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই তীব্র সহিংসতার পরেও ট্রাম্প যে যেকোনো মূল্যে আলোচনার পথটি খোলা রাখতে চান, তা তার এই বক্তব্য থেকেই অনেকটা পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র কতটা মরিয়া হয়ে এই আলোচনা সফল করতে চাইছে, এটি তারই একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য এটি মূলত তার প্রশাসনের উপর চেপে বসা চরম অজনপ্রিয় একটি যুদ্ধ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার এবং একটি নিরাপদ প্রস্থান বা ‘এক্সিট র্যাম্প’ নিশ্চিত করার একটি মোক্ষম উপায় হিসেবে কাজ করছে।
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। নাগরিকরা আগামী ১৫ দিন নতুন ভোটার হওয়ার এই সুযোগ পাচ্ছেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে ১৮ বছর পূর্ণকারীদের জন্য এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে ইসি ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে এবং ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে। গতকাল ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করলে তাদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হবে।
এই ক্ষেত্রে ৯ আগস্টে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। ওই তালিকাটি ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা এবং উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসসমূহে প্রদর্শনের জন্য থাকবে। তালিকা থেকে যদি কেউ বাদ পড়েন বা কোনো তথ্য ভুল থাকলে, তারা ২৪ আগস্টের মধ্যে ভোটার অন্তর্ভুক্তি বা ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ৩১ আগস্ট প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবরে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের মাধ্যমে তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে চান। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে তফসিল ঘোষণা হতে পারে।
বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নবম জাতীয় পে-স্কেলের পূর্ণ বাস্তবায়নের প্রত্যাশা বেড়ে গেল। পে-স্কেল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সুপারিশমালা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি সচিব কমিটি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গতকালও এ সংক্রান্ত একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে। কিন্তু গতকালও বাস্তবায়ন সুপারিশমালা চূড়ান্ত করতে পারেনি সচিব কমিটি।
অন্যদিকে, আর্থিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করে নতুন পে-স্কেল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। নতুন পে-স্কেল, যা পয়লা জুলাই বাস্তবায়ন দেখানো হচ্ছে, সেই গেজেট প্রকাশের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।
প্রথম ধাপে বেসিক এবং পরের দুই ধাপে অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হবে ২১ লাখ সরকারি চাকরিজীবী। অর্থ বিভাগের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গতকালের বৈঠকে পে-স্কেল বাস্তবায়নের নানা প্রতিবন্ধকতা, সরকারের মধ্যে আর্থিক সংকট, বাস্তবায়নের ধাপ এবং খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এ কমিটি সরকারের জন্য একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করবে।
সেই সুপারিশ অনুসারে মূলত নতুন এ পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। কিন্তু গতকালের বৈঠকেও তা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। এজন্য পরের সপ্তাহে আবারও বৈঠক করবে সচিব কমিটি।
এদিকে, আইএমএফ এর একটি প্রতিনিধিদল ১২ জুলাই থেকে ঢাকা সফর করছে। তারা অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে আলোচনা করেছে।
সেখানে চলমান আর্থিক সংকটের মধ্যে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিরোধিতা করেছে প্রতিনিধিদলটি। তাদের মতে, এতে কিছু গোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।
সূত্র জানাচ্ছে, গতকালের সভায় পে-কমিশনের সুপারিশকৃত নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত ২০টি গ্রেড নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে গ্রেডের সংখ্যা কমানো যায় কি না, সে বিষয়ে মতামত উঠে এসেছে। সুপারিশ অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের বেতন হবে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা। এবং প্রথম গ্রেডের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, কত সময় লাগবে বা কয়টা বৈঠক হবে, তা তাদের স্বাধীনতা। তারা এমনিতেই কাজ করছেন। তাদের সুপারিশ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এজন্য আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
অর্থ বিভাগ সূত্রগুলো জানায় যে, নতুন পে-স্কেল ঘোষণা হলেও বর্তমান বিএনপি সরকার বাস্তবায়নে বেশ আন্তরিক। এজন্য সদ্য শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। নতুন পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা এবং পেনশনভোগীদের সুবিধা দিতে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সূত্র বলছে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও আর্থিক সংকটের কারণে এত উচ্চ হারের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য সরকারের হাতে যথেষ্ট আয়ের সংস্থান আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আইএমএফ। তারা মনে করে, অর্থের উৎস ঠিক না করে এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে গেলে সংকট আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি চাপ বৃদ্ধি পাবে বলে তাদের শঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে-স্কেলের মূল বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসংক্রান্ত হিসাব কষতে নির্বাচিত বিএনপি সরকার প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে। উচ্চপর্যায়ের কমিটি বারবার বৈঠক করে বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পারছে না। বাধ্য হয়ে কিছু কাটছাঁট করে পরবর্তী সুপারিশ করা হতে পারে।
এ জন্য সুপারিশে গ্রেডগুলির মূল বেতন ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা এবং ভাতাদিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অনুসারে প্রস্তাবিত পে-স্কেল বাস্তবায়ন তিন ধাপে করা হতে পারে, যদিও এতে প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেসব অসুবিধা কাটিয়ে তিন ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করবে সচিব কমিটি। প্রথম ধাপে মূল বেতন বাড়ানো হবে। পরে অন্যান্য সুবিধা কার্যকর করবে সরকার। তবে ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন দেখিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন-ভাতা পাবেন।
জানা গেছে, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। সে অনুযায়ী সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে পরিবর্তিত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বর্তমান সরকার সেই সুপারিশ গ্রহণ করেনি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি দেশের রাজস্ব, মূল্যস্ফীতি, বাজেট ঘাটতি, সরকারি ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন খসড়া তৈরি করেছে। বর্তমানে সেই খসড়ার ভিত্তিতেই গেজেট চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—
জোহরের নামাজের সময় শুরু ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ শুরু ৬টা ৫২ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু ৮টা ১৬ মিনিটে।
আগামীকাল ফজরের নামাজ শুরু ৩টা ৫৮ মিনিটে।
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১৯ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ