বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:১৭ এম
নবম জাতীয় পে-স্কেলের পূর্ণ বাস্তবায়নের প্রত্যাশা বেড়ে গেল। পে-স্কেল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সুপারিশমালা এখনো চূড়ান্ত করতে পারেনি সচিব কমিটি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে গতকালও এ সংক্রান্ত একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে। কিন্তু গতকালও বাস্তবায়ন সুপারিশমালা চূড়ান্ত করতে পারেনি সচিব কমিটি।
অন্যদিকে, আর্থিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করে নতুন পে-স্কেল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। নতুন পে-স্কেল, যা পয়লা জুলাই বাস্তবায়ন দেখানো হচ্ছে, সেই গেজেট প্রকাশের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।
প্রথম ধাপে বেসিক এবং পরের দুই ধাপে অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্য হবে ২১ লাখ সরকারি চাকরিজীবী। অর্থ বিভাগের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গতকালের বৈঠকে পে-স্কেল বাস্তবায়নের নানা প্রতিবন্ধকতা, সরকারের মধ্যে আর্থিক সংকট, বাস্তবায়নের ধাপ এবং খুঁটিনাটি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এ কমিটি সরকারের জন্য একটি সুপারিশমালা প্রস্তুত করবে।
সেই সুপারিশ অনুসারে মূলত নতুন এ পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। কিন্তু গতকালের বৈঠকেও তা চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। এজন্য পরের সপ্তাহে আবারও বৈঠক করবে সচিব কমিটি।
এদিকে, আইএমএফ এর একটি প্রতিনিধিদল ১২ জুলাই থেকে ঢাকা সফর করছে। তারা অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে আলোচনা করেছে।
সেখানে চলমান আর্থিক সংকটের মধ্যে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিরোধিতা করেছে প্রতিনিধিদলটি। তাদের মতে, এতে কিছু গোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।
সূত্র জানাচ্ছে, গতকালের সভায় পে-কমিশনের সুপারিশকৃত নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত ২০টি গ্রেড নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সেখানে গ্রেডের সংখ্যা কমানো যায় কি না, সে বিষয়ে মতামত উঠে এসেছে। সুপারিশ অনুযায়ী ২০তম গ্রেডের বেতন হবে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা। এবং প্রথম গ্রেডের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
অর্থ বিভাগের সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, কত সময় লাগবে বা কয়টা বৈঠক হবে, তা তাদের স্বাধীনতা। তারা এমনিতেই কাজ করছেন। তাদের সুপারিশ পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এজন্য আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
অর্থ বিভাগ সূত্রগুলো জানায় যে, নতুন পে-স্কেল ঘোষণা হলেও বর্তমান বিএনপি সরকার বাস্তবায়নে বেশ আন্তরিক। এজন্য সদ্য শুরু হওয়া ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট বরাদ্দ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। নতুন পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়ন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা এবং পেনশনভোগীদের সুবিধা দিতে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সূত্র বলছে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও আর্থিক সংকটের কারণে এত উচ্চ হারের বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য সরকারের হাতে যথেষ্ট আয়ের সংস্থান আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আইএমএফ। তারা মনে করে, অর্থের উৎস ঠিক না করে এই বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে গেলে সংকট আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি চাপ বৃদ্ধি পাবে বলে তাদের শঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে-স্কেলের মূল বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসংক্রান্ত হিসাব কষতে নির্বাচিত বিএনপি সরকার প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে। উচ্চপর্যায়ের কমিটি বারবার বৈঠক করে বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পারছে না। বাধ্য হয়ে কিছু কাটছাঁট করে পরবর্তী সুপারিশ করা হতে পারে।
এ জন্য সুপারিশে গ্রেডগুলির মূল বেতন ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা এবং ভাতাদিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অনুসারে প্রস্তাবিত পে-স্কেল বাস্তবায়ন তিন ধাপে করা হতে পারে, যদিও এতে প্রযুক্তিগত কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেসব অসুবিধা কাটিয়ে তিন ধাপে বাস্তবায়নের সুপারিশ করবে সচিব কমিটি। প্রথম ধাপে মূল বেতন বাড়ানো হবে। পরে অন্যান্য সুবিধা কার্যকর করবে সরকার। তবে ১ জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন দেখিয়ে সরকারি চাকরিজীবীরা বেতন-ভাতা পাবেন।
জানা গেছে, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। সে অনুযায়ী সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে পরিবর্তিত অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বর্তমান সরকার সেই সুপারিশ গ্রহণ করেনি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি দেশের রাজস্ব, মূল্যস্ফীতি, বাজেট ঘাটতি, সরকারি ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন খসড়া তৈরি করেছে। বর্তমানে সেই খসড়ার ভিত্তিতেই গেজেট চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—
জোহরের নামাজের সময় শুরু ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের নামাজের সময় শুরু ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিবের নামাজ শুরু ৬টা ৫২ মিনিটে।
এশার নামাজের সময় শুরু ৮টা ১৬ মিনিটে।
আগামীকাল ফজরের নামাজ শুরু ৩টা ৫৮ মিনিটে।
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ১৯ মিনিটে।
সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে দ্বিতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আপনি আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পুনঃপ্রচার দেখতে পারবেন টি স্পোর্টসে।
ক্রিকেটের অধীনে:
দ্বিতীয় ওয়ানডে:
ইংল্যান্ড ও ভারত,
সন্ধ্যা ৬টা, সনি স্পোর্টস ১।
ফুটবল বিভাগে:
বিশ্বকাপের পুনঃপ্রচার:
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড,
সকাল ১০টা, টি স্পোর্টস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার মধ্যে এবং হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কায়, আন্তর্জাতিক বাজারে টানা চতুর্থ দিনের মতো তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের ঝুঁকি উঁচুতে উঠায়, বাজারে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচারের দাম ৩৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বাড়িয়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৫ দশমিক ২৮ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ফিউচারের দাম ৪২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ দশমিক ০২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এর আগের দিন, বুধবার, উভয় সূচকের দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। এটি তেলের দাম মঙ্গলবার স্পর্শ করা এক মাসের সর্বোচ্চ অবস্থানের নিকটবর্তী করছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বুধবার ইরানের বন্দরে নতুন করে নৌ অবরোধ আরোপের পর দেশটির উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটায়। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায়, ইরান জানায় যে তারা আরও আঞ্চলিক জ্বালানি রফতানি বন্ধ করার হুমকি দিয়ে বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘অস্তিত্বের যুদ্ধে’ লিপ্ত রয়েছে।
নিসান সিকিউরিটিজ ইনভেস্টমেন্টের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর ফলে তেল কেনার ধরণ শক্তিশালী হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং বাজারের সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি হলো, পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা এখনো কম। তবে, সংঘাতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ থেকে ৮৭ ডলারের মধ্যে পৌঁছাতে পারে।
এই সপ্তাহে, মূলত হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানোর কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে, বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হতো।
গত সপ্তাহে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত আবারও নতুন পর্যায়ে প্রবাহিত হয়েছে। কয়েক মাসের লড়াইয়ের পর জুনে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, সেই চুক্তিও নতুন সংঘাতে দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা ইয়েমেনের হুথি মিত্রদের ব্যবহার করে লোহিত সাগরের বাব এল-মানদেব প্রণালীর প্রবেশপথ বন্ধ করার চেষ্টা করতে পারে। এমন হলে, ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে নতুন একটি সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হবে এবং বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জ্বালানি সরবরাহ পথও বিপদে পড়তে পারে।
এদিকে, গোল্ডম্যান স্যাক্স জানিয়েছে, যদি উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রফতানি স্বাভাবিক হতে দেরি করে, তবে চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে, উত্তেজনা যদি কমে যায় এবং উৎপাদন প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত বাড়ে, তাহলে বছরের শেষে দাম ৬০ ডলারের দিকে নেমে আসতে পারে।
অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, ১০ জুলাই শেষ হওয়া সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের মজুত ১৭ লাখ ব্যারেল কমেছে। বিভিন্ন বিশ্লেষকরা বলছেন, তারা মজুতের ২৬ লাখ ব্যারেল কমার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। সাধারণত টানা বৃষ্টিতে বাতাসের মান উন্নত হয়। কিন্তু, এবার কয়েক দিনের বর্ষণের পরও মেগাসিটি ঢাকা বায়ুর মানে কোনো উন্নতি লক্ষ্য করা যায়নি। শহরের বায়ুর মান একটি সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে ঢাকার স্কোর ছিল ১৪১। এসময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১১তম ছিল।
একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকায় ১৮২ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। দ্বিতীয় অবস্থানে ১৭৯ স্কোর নিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, তৃতীয়স্থানে ১৭৮ স্কোর নিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেপলিস, চতুর্থ অবস্থানে কাতারের রাজধানী দোহা, যার স্কোর ১৬৭, আর পঞ্চমস্থানে রয়েছে কানাডার টরেন্টো, যার স্কোর ১৫৯।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের মূল উৎস হলো যানবাহন থেকে নিঃসৃত কালো ধোঁয়া, নির্মাণ কাজের ধুলাবালি, ইটভাটা ও শিল্পকারখানার নির্গমন।
তাদের মতে, এসব উৎস থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ না নিলে, বায়ুর মানে স্থায়ী উন্নতি আনা সম্ভব হবে না।
আইকিউএয়ারের স্কোর ০ থেকে ৫০ ভালো হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর মাঝারি হিসেবে ধরা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে, সেটিকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু অভিব্যক্তি হিসেবে মনে করা হয়।
এছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এই অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে হলে তাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলা হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ