ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ড্রোন হামলা, তদন্ত করবে ইরাক


কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ড্রোন হামলা, তদন্ত করবে ইরাক

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে গত রাতে একটি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ইরাকি সরকার তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে।

অন্যদিকে, ইরান মন্তব্য করেছে যে, এই হামলাটি দুই দেশের সম্পর্ক নষ্ট করার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছে বলে তারা ধারণা করেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে জানা গেছে, কুর্দিস্তান অঞ্চলের কর্তৃপক্ষ হামলার জন্য আগে থেকেই ইরানকে দায়ী করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের গোয়েন্দাপ্রধানের বাড়িতেও হামলা পরিচালিত হয়েছে, এবং দুটি ড্রোন ইরানের ভূখণ্ড থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: নাগরিক সমাজের আহ্বান, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে পরামর্শ ও সংস্কার প্রয়োজন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে কুর্দিস্তান অঞ্চলটি ১ হাজারেরও বেশি হামলার শিকার হয়েছে। এইসব হামলা মধ্যে মার্কিন সেনা, বিভিন্ন দেশের তেল কোম্পানি এবং ইরান থেকে নির্বাসিত কুর্দি বিদ্রোহীদের উপস্থিতি রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে এসব হামলা ইরান ও ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে।

কুর্দিস্তানের ক্ষমতা কেন্দ্র এরবিলের আকাশে এর আগে বেশ কয়েকবার ড্রোন আটক করা হয়েছে। কিছু ড্রোন কুর্দি বিদ্রোহীদের ঘাঁটিতে এবং মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালিয়ে থাকে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, তিনি কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রী মাসরুর বারজানির দপ্তরে হামলার উৎস এবং ড্রোনগুলো উড়ানোর স্থান শনাক্ত করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই হামলাটির নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত সন্দেহজনক এবং সকলকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে দুই রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে শান্তিরক্ষা ও মানবাধিকার আলোচনা

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সোমবার ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আরাকচি বলেন, বারজানির দপ্তরে এমন বিস্ফোরণ হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে সাজানো কিংবা 'ফলস-ফ্ল্যাগ' হামলাটি সম্পর্কে কুর্দি বন্ধুদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ইরাকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত টম ব্যারাক হামলাটির নিন্দা করে বলেন, বারজানি একজন বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ কুর্দি অংশীদার। হামলাটি 'অগ্রহণযোগ্য' এবং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, ইরাকের পূর্ব কুর্দিস্তানের একটি পেট্রোলিয়াম পণ্য সংরক্ষণাগারে বিস্ফোরণে ১৮ জন আহত হয়েছেন। তবে বিস্ফোরণের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। সুলাইমানিয়াহ প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের উপপরিচালক হিরশ সালিম রুদাওকে জানিয়েছেন যে, এ ঘটনায় কেউ নিহত হননি।

আরও পড়ুন: ইরানে হামলার প্রস্তুতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে, ইরাক সরকার ইরানের সমর্থনে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অস্ত্র সমর্পণের সময়সীমা ঘোষণা করেছে। একই সময় মার্কিন নেতৃত্বাধীন জঙ্গিবিরোধী জোটের ইরাকের অভিযান শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরাকে ইরান-সমর্থিত বেশ কয়েকটি শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী রয়েছে এবং এসব গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও আর্থিক প্রভাব বহু বছর ধরে বেড়ে উঠেছে। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাকে হামলার পর এসব গোষ্ঠীর অনেকগুলোর উত্থান ঘটে এবং ২০১৪ সালের পরে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময়ে তারা আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

দীর্ঘদিন ধরে এসব গোষ্ঠী মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে এবং প্রায়ই মার্কিন সেনাদের অবস্থান করা ঘাঁটিতে হামলাও চালিয়ে থাকে। কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী রাষ্ট্রের কাছে অস্ত্র হস্তান্তরে সহযোগিতা করার ঘোষণা দিলেও অন্যরা যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি নয়।

কুর্দিস্তান কর্তৃপক্ষ এর আগে সোমবার জানিয়েছিল যে, দুটি ইরানি ড্রোন বারজানির দপ্তর এবং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের গোয়েন্দাপ্রধানের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে এক্সপ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ

বারজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, কুর্দিস্তান কাউন্টার-টেররিজম ইউনিটের তদন্তে জানা গেছে, দিনের শুরুতে তাঁর ব্যক্তিগত দপ্তর এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাড়িতে ইরানি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এটি ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ এবং কুর্দিস্তান অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি একটি হুমকি।

আঞ্চলিক কাউন্টার-টেররিজম অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, হামলায় কেউ হতাহত হননি। অধিদপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরক বহনকারী হাদিদ-১১০ মডেলের দুটি ড্রোন ইরান সীমান্তের ওপার থেকে কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত দপ্তর এবং পারাস্তিন গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের বাসভবনের দিকে পাঠানো হয়েছিল।

ইরানের অভিযোগ মতে, নির্বাসিত কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠীগুলো পশ্চিমা দেশ ও ইসরাইলের স্বার্থে কাজ করছে। এপ্রিল মাসে আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও ইরান এসব গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে ওই যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে।

আরও পড়ুন: মিরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হোতা তিন ভাই গ্রেফতার

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কুর্দিস্থানে থাকা এসব গোষ্ঠী তাদের বেশিরভাগ ঘাঁটি ও শিবির সরিয়ে নিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা ‘গুরুত্বপূর্ণ’: জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


নিরাপত্তার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতা ‘গুরুত্বপূর্ণ’: জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মঙ্গলবার মন্তব্য করেছেন যে, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য সহযোগিতা ‘গুরুত্বপূর্ণ’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিউলের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দেওয়ার ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এ ব্যাপারে সংশয় তৈরি হওয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি সিডনি থেকে খবরটি জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা শিনজিরো কোইজুমি বলেছেন, ওয়াশিংটন ও প্রতিবেশী সিউলের সঙ্গে যৌথ নিরাপত্তা সহযোগিতার তিনি শক্তিশালী সমর্থন দেন। ওয়াশিংটন জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সহযোগী।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কোইজুমি বলেছিলেন, ‘যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে গুরুতর ও জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া জাপানের জন্য আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

ক্যানবেরায় জাপান-অস্ট্রেলিয়া বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে, ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার সম্পর্কের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে, দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ওয়াশিংটনকে সহযোগিতা না করার জন্য তিনি সমালোচনা করেন।

ট্রাম্পের মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস বলেছেন, ‘উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচির পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন। আমরা ধারাবাহিকভাবে এ বিষয়টি বলে আসছি।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘আমরা একটি চ্যালেঞ্জপূর্ণ বিশ্বে বাস করছি। সেখানে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জের বেশ কিছু উত্তর কোরিয়া সৃষ্টি করেছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আল আমিনকে বড় ধরনের শাস্তি দিল ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


আল আমিনকে বড় ধরনের শাস্তি দিল ফিফা

ফিফা থেকে ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের স্ট্রাইকার আল আমিন। এছাড়া, মিরাজুলকেও নতুন করে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার।

জুন মাসে মালদ্বীপে চার জাতির টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিল বাংলাদেশ। ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ এবং স্বাগতিক মালদ্বীপের মধ্যে একটি ম্যাচের এক পর্যায়ে উভয় দলের খেলোয়াড়রা মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। মালদ্বীপের কয়েকজন ফুটবলার মারমুখী আচরণ করেন এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের ওপর শারীরিক আঘাতও করেন।

রেফারিং ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর ফিফা বাংলাদেশের ম্যানেজার ও ফুটবলার মিরাজুলকে এক দফা শাস্তি দেওয়ার মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করে। আল আমিনের বিষয়টি নজরদারিতে রেখে, ফিফা ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছেন।

নতুন নিয়মে প্রথম শাস্তি পেলেন নেইমার। মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে 'ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে' আয়োজন করেছে দেশটি। গত ৭ জুন রাতে, স্বাগতিক মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ অলিম্পিক দলের একটি বাঁচা–মরার ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যা যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

রেফারির একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত উত্থাপন করায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, যা পরে হাতাহাতি এবং মারামারিতে গড়ায়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, বাংলাদেশের আল-আমিন এবং মিরাজুল ইসলাম লাল কার্ড দেখেন। মাঠে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে গ্যালারিতেও।

ঘটনাটি ঘটেছিল যোগ করা সময়ে। বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে মালদ্বীপের হাসান ইনাজ মাঠে পড়ে যান। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন সঙ্গে সঙ্গেই মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দেন, এতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

সাইড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে মাঠের ভিডিও রেফারির সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করায় আল-আমিনও লাল কার্ড পান। লাল কার্ড দেখার পর তিনি নিজের মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে রেফারিকে ধাক্কা দেন।

হট্টগোলে খেলা বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হলেও মাঠের পরিস্থিতি ছিল চরম উত্তপ্ত। কিছুক্ষণ পর বাংলাদেশের অর্ধে বল দখলের লড়াইয়ে মালদ্বীপের ইব্রাহিম নাসির এবং বাংলাদেশের মনজুরুর রহমান বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে দুই দলের খেলোয়াড়েরা সেখানে জড়ো হয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হন।

শুরু হয় তুমুল হাতাহাতি ও মারামারি। মাঠের এই পরিস্থিতি দেখে গ্যালারিতে থাকা বাংলাদেশি সমর্থকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শেষে, দুই দলের কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শেষ অব্দি ১-১ গোলের সমতা নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা অর্ধনমিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


চীনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির প্রতি শ্রদ্ধা, পতাকা অর্ধনমিত

সংস্কারপন্থী সাবেক চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির প্রতি মঙ্গলবার পতাকা অর্ধনমিত রেখে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্মরণ করতেও বিশেষ প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে ৯৭ বছর বয়সে মারা যাওয়া এই নেতার শেষকৃত্যের আগে এসব কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া পাঁচ বছরব্যাপী প্রধানমন্ত্রিত্বকালে চীনের অর্থনীতিতে দৃঢ় হাতে পুনর্গঠন চালানোর জন্য তিনি পরিচিত ছিলেন। গত বুধবার তার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া তাকে ‘একজন অসাধারণ সর্বহারা বিপ্লবী ও রাষ্ট্রনায়ক’ হিসেবে প্রশংসা করেছে। বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর সম্প্রচার করেছে। এএফপির সাংবাদিকরা জানান, মঙ্গলবার বেইজিংয়ের বিভিন্ন সরকারি ভবনে পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত তিয়েনআনমেন স্কয়ারেও পতাকা অর্ধনমিত অবস্থায় ছিল। বিশাল এই স্থানটি ছিল কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত। চীনের মাইক্রোব্লগিং সাইট ওয়েইবোতে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে শ্রদ্ধা জানানোর প্রসঙ্গটি শীর্ষ আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়। ওয়েইবোতে একজন ব্যক্তি লিখেছেন, ‘এই দেশের জন্য আপনি যা কিছু করেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ—আমরা আপনাকে সবসময় মনে রাখব।’ সিনহুয়া রোববার জানিয়েছে, মঙ্গলবার বেইজিংয়ে ঝুর মরদেহ দাহ করা হবে। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতিতে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর একটি অনুষ্ঠানও আশা করা হচ্ছে। দেশটির প্রচলিত প্রটোকল অনুযায়ী এ ধরনের অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। ১৯২৮ সালে মধ্য চীনে জন্মগ্রহণকারী ঝু ১৯৪৯ সালে মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বে বিপ্লবের চূড়ান্ত বিজয়ের পর ধীরে ধীরে দলের বিভিন্ন পদে উঠে আসেন। তার রাজনৈতিক জীবনে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো সাংহাইয়ের মেয়র, জাতীয় পর্যায়ে উপপ্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন। তার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন জিয়াং জেমিন। চশমা পরা ও প্রাণবন্ত স্বভাবের এই অর্থনৈতিক সংস্কারক ২০২২ সালে মারা যান। ঝু দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অভিযান, অদক্ষ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে দেওয়ার বিতর্কিত উদ্যোগ এবং চীনকে বৈশ্বিক অর্থনীতির সঙ্গে একীভূত করার প্রচেষ্টার জন্য পরিচিত ছিলেন। একবার এক সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তিনি কীভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে চান। জবাবে ঝু বলেছিলেন, ‘আমি শুধু আশা করি, দায়িত্ব ছাড়ার পর দেশের মানুষ বলবে, ‘তিনি একজন সৎ কর্মকর্তা ছিলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত ছিলেন না-এতেই আমি খুব সন্তুষ্ট হব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এখন আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। এটি বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর সময়ও।

ভঙ্গুর অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরের সকল কার্যক্রমের সাফল্যের উপর সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের সফলতা অনেকাংশেই নির্ভরশীল।

আজ মঙ্গলবার সকালে, রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬ এ প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেয়ার সময় তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই সম্মেলনের আয়োজন করে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ এখন এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রত্যাশা করছে। বিশেষভাবে করদাতাগণ এনবিআরকে তাদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়।

দক্ষ এবং টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জন আস্থা অর্জন সম্ভব জানিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেটি আপনাদের বক্তব্য থেকে উঠে এসেছে।” করদাতাদের সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব আপনাদের অবশ্যই নিতে হবে। বর্তমান সরকার এনবিআর তথা রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অভিশাপ থেকে রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও মুক্ত থাকতে পারেনি। নীতি নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারো প্রতি বিরূপ মনোভাব এবং রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতা করে এনবিআরকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছিল। এনবিআরের ওপর মানুষের আস্থা বিনষ্টের অন্যতম কারণ ছিল এ ধরনের বিষয়গুলো। কিন্তু এখন ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। একের পর এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ধরণ পরিবর্তন পাচ্ছে। নতুন নতুন ব্যবসায়িক মডেল তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন রকম চ্যালেঞ্জও আমাদের সামনে রয়েছে। আন্তর্জাতিক কর বা রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তিত বিশ্বের অর্থনৈতিক সমস্যা, সম্ভাবনা, সুবিধা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন এখন সময়ের দাবি।

তিনি বলেন, ডিজিটাল ইকোনমি, ই-কমার্স, ট্রান্সফার প্রাইসিং, ইন্টারন্যাশনাল ট্যাক্সেশন, ট্রেড ফাইনান্সিয়াল ক্রাইম, মানি লন্ডারিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জন এখন অত্যন্ত প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান দেশে ট্যাক্স জিডিপি রেশিও এখনো সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম। অর্থনীতির একটি বড় অংশ এখনো আনুষ্ঠানিক নয়। নিয়মিত করদাতার ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। করদাতা ও রাজস্ব প্রশাসনের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, সারা বিশ্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আধুনিক কর প্রশাসনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বেশি কর আদায় করা নয়। বরং বেশি সংখ্যক মানুষকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত করা। একজন করদাতা যিনি নিম্ন কর আদায় করছেন রাষ্ট্র অবশ্যই তাকে সম্মানিত করবে, এবং যিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কর পরিহার করছেন তাকেও কর প্রদানের জন্য উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

কর ব্যবস্থাপনা বা কর আদায় পদ্ধতি সহজ, দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত হওয়া প্রয়োজন এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাতে মানুষ স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে কর দেয় এবং কর দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। একই করদাতাদের ওপর বারবার করের বোঝা বৃদ্ধি করা রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য টেকসই পদ্ধতি নয়। বরং কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের ঠিকভাবে করের আওতায় আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এজন্য ডিজিটালি আধুনিক ডাটাভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ভ্যাট আধুনিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজস্ব উৎস। তবে ভ্যাট ব্যবস্থাপনার সফলতা নির্ভর করে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। ভ্যাট প্রশাসনের জটিলতার কারণে যাতে ব্যবসা-বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত না হয় সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কাস্টমস, ভ্যাট বা ট্যাক্স আদায় কেবল জোর করার বিষয় নয়। বরং রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপর করদাতাগুলোর আস্থা এবং বিশ্বাস তৈরি হলে রাজস্ব আহরণ অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে এমনভাবে গড়ে তোলা প্রয়োজন যেখানে মানুষ এই প্রতিষ্ঠানকে ভয় না করে বরং বিশ্বাস করে।

উপস্থিত রাজস্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করি দেশের স্বার্থে আপনারা এনবিআরকে জনগণের কাছে আরও বিশ্বস্ত এবং আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারবেন। ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে প্রতিষ্ঠান তথা দেশের স্বার্থ রক্ষা করা আগে প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সরকার চায় সবাইকে নিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। প্রত্যেকের অবদানকে সম্মানের সঙ্গে দেখতে চায় সরকার। সমস্যা আছে, থাকবে। আমরা আলোচনা করে ধীরে ধীরে সমস্যার সমাধান বের করার প্রচেষ্টা করবো।

তারেক রহমান সরকারের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বলেন, আপনারা নিরাপদে ও স্বস্তি নিয়ে দেশ গঠনে কাজ করুন। সরকারের অবস্থান থেকে আমরা অবশ্যই চেষ্টা করবো দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে।

তিনি উল্লেখ করেন, গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত সময়ে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ কার্যত ইতিবাচক ছিল। এটি প্রমাণ করে, আপনারা (রাজস্ব কর্মকর্তারা) পারবেন। অবশ্যই পারবেন ইনশাল্লাহ। আমাদের সকলের প্রয়োজন দেশপ্রেম এবং আন্তরিকতা। আসুন সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বার্থে আমরা সবাই মিলে একটি শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলি।

এর আগে সম্মেলনের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর রাজস্ব আদায় নিয়ে মুক্ত আলোচনা চলে। পরে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন। এরপর তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রদর্শনীতে ডিজিটাল স্ক্রিনে বিভিন্ন উপস্থাপনা দেখেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%