বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৪৮ এম
কামিল মিশারা ১০৮ রান করার সাফল্য পেয়েছেন বটে। তবে তাওহীদ হৃদয়ের ৫৪ রানের ইনিংসটির গুরুত্ব এ ক্ষেত্রে কম নয়। তার ২১ বলের ওই ইনিংসে ভর করেই জাফনা কিংস ২ উইকেটে ২৪২ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। লক্ষ্য তাড়াতে গল গ্যালান্টস ২৩০ রান করতে সক্ষম হয়েছিল। অবশেষে ১২ রানে জিতে জাফনা ফাইনালে উঠে যায়।
৮ আগস্টের ফাইনালে জাফনা গল ও কলম্বো ক্যাপসের মধ্যকার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে যে দলের জয় হবে তাকেই দেখা যাবে। ক্যাপস দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ওঠে এলিমিনেটরে ক্যান্ডি রয়্যালসকে হারিয়ে।
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের প্রথম কোয়ালিফায়ারে খাজা নাফে মাত্র ৩২ বলে ৫৪ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। হৃদয় যখন ব্যাটিংয়ে নামেন, তখন ১৬ ওভারে জাফনার রান ছিল ১৭৮। দুই বল পরেই সেঞ্চুরি তুলে নেন মিশারা। এরপর ঝড়টা তুলেন হৃদয়।
ছক্কার পসরা সাজিয়ে বসা হৃদয় দাসুন শানাকার করা ২০তম ওভারে ২২ রান তুলেন। ইনিংসে তিনি মোট ৫টি ছক্কা মারেন এবং ৩টি চারও মারেন। ৫৫ বলে মিশারা ৭টি ছক্কা মারেন এবং ১০টি চার হিট করেন। তার ওপেনিং সঙ্গী আভিস্কা ফার্নান্দো ১৯ রান করেন।
এরপর গলকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই আটকে রাখায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করেন মোহামেদ শিরাজ ও লিজাড উইলিয়ামস। ৩৪ রানে শিরাজ ৩ উইকেট আউট করেন এবং ৩৯ রানে উইলিয়ামস ২ উইকেট নেন। ব্যাটিংয়ের সুযোগ না পাওয়া সাকিব আল হাসান ৩ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে চামিকা করুনারত্নের উইকেটটি নেন। গলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন স্যাম হারপার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। একইসঙ্গে, সেখানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রকৃতিরও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এ বিষয়ে আবহাওয়া অফিসের প্রদান করা রাত ৯টা থেকে পরবর্তী দিন, অর্থাৎ রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এই পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরের জন্য ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রথমবারের মত পাটের দাম নির্ধারণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। চলতি মৌসুম থেকেই সোনালি আঁশ পাটের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে জানান, মঙ্গলবার আমরা ‘পাট খাত উন্নয়ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-৩১)’ বিষয়ক অংশীজনদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছি। সকলের মতামতের ভিত্তিতে পাটের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আলোকে খুব শিগগিরই অধিদপ্তর থেকে একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হবে। মন্ত্রণালয় সেই প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করবে এবং সংবাদ সম্মেলনে তা জানিয়ে দেবে।
নূরুল বাসির জানালেন, গত বছরের সময়ে কৃষকরা দাম ভালো পেয়েছিলেন। এই কারণে এবার তারা একটু বেশি আবাদ করেছেন। মঙ্গলবারের সভায় বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। সর্বনিম্ন দাম মণপ্রতি ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে থাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এবং সর্বোচ্চ দাম ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা এই দর থেকে একটি দর ঠিক করে মন্ত্রালয়ে পাঠাব। মন্ত্রণালয় তার পর চূড়ান্ত করবে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন জেলার চলতি মৌসুমের নতুন পাট ওঠা শুরু হয়েছে। ফরিদপুরের বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতি মণ নতুন পাট ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে, অন্যান্য পাট উৎপাদনকারী জেলা যেমন রাজবাড়ী, পাবনা, মাগুরা, কুষ্টিয়া, মাদারীপুর, যশোর, মেহেরপুর, গোপালগঞ্জ ও ঝিনাইদহে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। এসব জায়গায় দাম প্রায় একই রকম।
পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নূরুল বাসির জানান, এখনও পাটের পুরো মৌসুম শুরু হয়নি। বর্তমানে মাত্র কিছু পাট উঠতে শুরু করেছে এবং অল্প কিছু বেচাকেনা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় পুলিশ চার জন ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানায়, চক্রের সদস্যরা ভয়ংকর দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে ছিনতাইয়ের কার্যক্রম চালাতেন।
বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. ও রাজিব (২২), মো. মেহেদী হাসান (২৮) এবং আইনসংগত সংঘাতে জড়িত দুই শিশু।
মিরপুর মডেল থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র পথচারীদের গতিরোধ করে। তারা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকা-পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাইয়ের জন্য সেখানে অবস্থান নিয়েছিল। ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মিরপুর মডেল থানার পুলিশ টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছিনতাইকারীরা পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ধাওয়া করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মতপার্থক্য ও রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও শেখ হাসিনার প্রশ্নে আমরা জুলাই হয়েই বাঁচব চিরদিন। প্রয়োজনে আবারও রাজপথে নামব বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
বুধবার (০৫ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
আসিফ নজরুল লেখেন, আওয়ামী লীগ সম্পর্কে নানা বিতর্ক রয়েছে। তবু একটি বিষয় অস্বীকার করার উপায় নেই- এই দলটি মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেছিল এবং সেই যুদ্ধে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশে জনতার রুদ্ররোষে তাদের সমূলে উৎখাত হতে হয়েছে, একবার নয়, অন্তত দু’বার। কেন এমনটা হয়?
সাবেক আইন উপদেষ্টা লেখেন, এই প্রশ্নের উত্তর আওয়ামী লীগের খুঁজে বের করা দরকার। কিন্তু আমার ধারণা, এটি তারা করবে না। এই দলটির ডিএনএ-র মধ্যে আত্মসমালোচনা বা অনুশোচনার কোনো স্থান নেই। তারা ৩২ নম্বরকে ভাবে বাংলাদেশ, শেখ পরিবারকে ভাবে বাংলাদেশের মালিক, আর মুক্তিযুদ্ধকে মনে করে ভিন্নমতকে নিশ্চিহ্ন করার লাইসেন্স। এই মানসিকতাই তাদের জুলুম ও দমন-পীড়ন চালানোর সীমাহীন দুঃসাহস জুগিয়েছে।
তিনি লেখেন, বাংলাদেশে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও ধোয়া তুলসীপাতা নয়। তাদেরও ভুল আছে, সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের মতো এমন সীমাহীন অনাচার করার আত্মবিশ্বাস, ক্ষমতার মালিকানাবোধ এবং স্পর্ধা অন্য কোনো দলের মধ্যে আমি দেখিনি।
তিনি আরও লেখেন, শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণায় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী উৎফুল্ল হচ্ছেন। হোন। তাতে তার আপত্তি নেই। কিন্তু মনে রাখবেন, আওয়ামী লীগ ফিরবে না তাতে। বরং হাজারো মানুষকে হত্যার এবং আরও বহুগুণ মানুষকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার বিচার না হলে, প্রয়োজনে আমরা আবারও রাজপথে নামব। আমিও নামব।
আসিফ নজরুল যোগ করেন, আমাদের ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। আমরা মৃত্যুভয়কে জয় করেই বেঁচে আছি। আল্লাহ যেদিন চাইবেন, সেদিন চলে যাব। কিন্তু যতদিন বেঁচে থাকব, বাংলাদেশের শিশু ও তরুণদের বুকে গুলি চালানো খুনিকে একবিন্দুও ভয় করব না, এক মুহূর্তের জন্যও ক্ষমা করব না। জুলাই আমাদের পুনর্জন্মের নাম। নিজেদের মধ্যে ঝগড়া হবে, বিরোধ হবে। কিন্তু শেখ হাসিনার প্রশ্নে আমরা জুলাই যে হোক, চিরদিন বাঁচব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ