প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রথমবারের মত পাটের দাম নির্ধারণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। চলতি মৌসুম থেকেই সোনালি আঁশ পাটের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর নির্ধারণ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. নূরুল বাসির।
বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে জানান, মঙ্গলবার আমরা ‘পাট খাত উন্নয়ন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা (২০২৬-৩১)’ বিষয়ক অংশীজনদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছি। সকলের মতামতের ভিত্তিতে পাটের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এর আলোকে খুব শিগগিরই অধিদপ্তর থেকে একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হবে। মন্ত্রণালয় সেই প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করবে এবং সংবাদ সম্মেলনে তা জানিয়ে দেবে।
নূরুল বাসির জানালেন, গত বছরের সময়ে কৃষকরা দাম ভালো পেয়েছিলেন। এই কারণে এবার তারা একটু বেশি আবাদ করেছেন। মঙ্গলবারের সভায় বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। সর্বনিম্ন দাম মণপ্রতি ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকার মধ্যে থাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। এবং সর্বোচ্চ দাম ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। আমরা এই দর থেকে একটি দর ঠিক করে মন্ত্রালয়ে পাঠাব। মন্ত্রণালয় তার পর চূড়ান্ত করবে।
এদিকে দেশের বিভিন্ন জেলার চলতি মৌসুমের নতুন পাট ওঠা শুরু হয়েছে। ফরিদপুরের বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতি মণ নতুন পাট ২ হাজার ৮০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।
অন্যদিকে, অন্যান্য পাট উৎপাদনকারী জেলা যেমন রাজবাড়ী, পাবনা, মাগুরা, কুষ্টিয়া, মাদারীপুর, যশোর, মেহেরপুর, গোপালগঞ্জ ও ঝিনাইদহে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। এসব জায়গায় দাম প্রায় একই রকম।
পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নূরুল বাসির জানান, এখনও পাটের পুরো মৌসুম শুরু হয়নি। বর্তমানে মাত্র কিছু পাট উঠতে শুরু করেছে এবং অল্প কিছু বেচাকেনা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন