০৩:৪৯ এম
বৃষ্টির কারণে আফগানিস্তান-ভারত ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচটির দৈর্ঘ্য কমে গিয়ে ২৫ ওভারে নেমে এসেছিল। আগে ব্যাটিং করা আফগানিস্তানের পক্ষে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ। তিনি ব্যাট হাতে ভারতের বোলারদের কচুকাটা করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির সঙ্গে এক অভিজাত তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। তবে শুভমান গিলের নেতৃত্বাধীন দলের বিরুদ্ধে আফগানরা ম্যাচটি জিততে পারেননি।
শনিবার (১৩ জুন) হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তান ৭ উইকেটে পরাজিত হয়েছে। বৃষ্টির কারণে ২৫ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আফগানিস্তান রহমানউল্লাহ গুরবাজের ৪৮ বলে হাঁকানো সেঞ্চুরির মাধ্যমে ২৪.৫ ওভার শেষে ১৯৪ রানে অলআউট হয়ে যায়।
ভারতের জবাবে অধিনায়ক শুভমান গিলের ৬৬ বলে ৮৪ রানের ইনিংসের মাধ্যমে ১৩টি বল হাতে রেখে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্য পূর্ণ করে।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত সিগারেট জব্দ, মূল্য ২৭ লাখ টাকা
আফগানিস্তানের সংগ্রহের সিংহভাগই এসেছে গুরবাজের ব্যাট থেকে। ওপেনিংয়ে নেমে তিনি আফগানিস্তানের পক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন। গুরবাজ শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৮টি করে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে ১০২ রান করে নীতিশ কুমার রেড্ডির বলে বোল্ড হয়ে যান।
গুরবাজের এই ঝোড়ো ইনিংস তাকে ভারতের বিপক্ষে দ্রুততম ওয়ানডে সেঞ্চুরির তালিকায় স্থান এনে দিয়েছে। তিনি মাত্র ৪৮ বলে শতক পূর্ণ করেন, ফলে গুরবাজ ভারতীয় দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় দ্রুততম ওয়ানডে সেঞ্চুরিয়ান হয়ে যান।
এই উইকেটকিপার সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির রেকর্ড ভাঙার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। আফ্রিদি ২০০৫ সালে কানপুরে ভারতের বিপক্ষে মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ১০টি ছক্কা।
গুরবাজ ছাড়া আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ তেমনভাবে বড় অবদান রাখতে পারেনি। অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শাহিদি ৩০ বলে ২৭ রান করেন, যেখানে ৩টি চার ছিল। আজমতুল্লাহ ওমরজাই ১৬ বলে ৩ ছক্কায় ২৬ রানের ইনিংস খেলেন।
আরও পড়ুন: জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রতিবাদ: নারী উদ্যোক্তা সাথী আক্তার গ্রেপ্তার
ভারতের পক্ষে গুরনুর ব্রার ও হার্শ দুবে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন। বাকি ৪ উইকেট সমানভাবে ভাগ করে নেন আর্শদীপ সিং ও নীতিশ কুমার।
জবাবে ভারতীয় দলের পক্ষে রহিত শর্মা ১৬ রান করে আউট হলেও ইশান কিশানকে নিয়ে অধিনায়ক গিল দলকে সুবিধাজনক জায়গায় নিয়ে যান। কিশান ২২ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ রান করে বিদায় নেন।
শ্রেয়াস আইয়ার ১২ রানে থামেন। গিল চতুর্থ উইকেট জুটিতে কেএল রাহুলকে নিয়ে ম্যাচটি শেষ করে দেন। গিল ৬৬ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। রাহুল মাত্র ১৯ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৩ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
আরও পড়ুন: চীনে পাচারের চেষ্টা, ১২ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন