ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য


সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্কের নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন নিরাপত্তা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি এই আঞ্চলিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

তিনি ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, এটা দেখে তিনি খুব খুশি যে সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান সম্প্রতি এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।

তিনি লিখেছেন, এটি দেখায় যে মধ্যপ্রাচ্য কীভাবে একত্রিত হচ্ছে এবং দেশগুলো অবশেষে আরও অর্থপূর্ণ উপায়ে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হবে। তিনি এটিকে একটি ‘বড়, সাহসী, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৬ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আহ্বান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি এমন এক সময়ে স্বাক্ষরিত হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ এই অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই সহিংসতার মধ্যে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলাও রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার সংঘাত নিরসনে প্রচেষ্টায় তিনটি দেশ অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে।

এই চুক্তির অধীনে, তিনটি দেশ তাদের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জেনারেল স্টাফ বা সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের সম্পৃক্ত করে কৌশলগত রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছে।

সামরিক সহযোগিতা ক্রমান্বয়ে প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা কমান্ড-পোস্ট ও ফিল্ড মহড়া দিয়ে শুরু হয়ে পরবর্তীতে স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং চালকবিহীন ব্যবস্থা ব্যবহার করে যৌথ মহড়ায় উন্নীত হবে।

আরও পড়ুন: সবজি কিনতে গেলে মনে হয় মাংস কিনছি, গরু-ইলিশের কথা মানুষ ভুলে যাবে: আসিফ মাহমুদ

সৌদি আরব, যার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং তেল স্থাপনাগুলো ইরানের যুদ্ধের অংশ হিসেবে আক্রমণের শিকার হয়েছে, তারা তাদের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে।

সেপ্টেম্বরে, পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিতে যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। গাজা নিয়ে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরান ও লেবাননের যুদ্ধসহ অন্যান্য আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবন্ধী ইশরাকের পাশে দাঁড়াল বরিশাল সিটি করপোরেশন, দিল চাকরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


প্রতিবন্ধী ইশরাকের পাশে দাঁড়াল বরিশাল সিটি করপোরেশন, দিল চাকরি

এক হাত ও এক পা অচল অবস্থায় থাকা ইশরাক হোসেন, যে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে মোকাবিলা করে আসছিলেন বরিশালের এলাকার বাসিন্দা।

তিনি তার মায়ের একমাত্র সন্তান। যখন তার মায়ের চিকিৎসার খরচ ও সংসারের ব্যয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়, তখন বরিশাল সিটি করপোরেশন মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইশরাক হোসেনকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ শাখায় চাকরি দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। ইশরাককে জনসংযোগ দপ্তরে সহকারী হিসেবে কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইশরাক নগরীর কলেজ এভিনিউ এলাকার শওকত হোসেনের ছেলে। অসুস্থতার কারণে তার ডান হাত ও ডান পা অকেজো হয়ে গেছে। শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও তিনি এক হাতে কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ।

ইশরাকের মা জানান যে, তার স্বামী অনেক আগেই মারা গেছেন। সংসারে একমাত্র সন্তান ইশরাককে নিয়ে তার জীবন কাটছে। ছেলের একদিকে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছিল। একমাত্র সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন তিনি।

তরুণ ইশরাকের চাকরির আশায় তার মায়ের পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়। মানবিকভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসক তাকে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে আমার ডান হাত ও ডান পা অকেজো। তারপরও কাজ করার ইচ্ছা ছিল। এখন সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ শাখায় সহকারী হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এতে আমি এবং আমার মা অনেক উপকৃত হব।’

সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, কয়েক দিন ধরে তিনি লক্ষ্য করেছিলেন, একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নারী তার শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে অফিস কক্ষে দাঁড়িয়ে থাকতেন। বিষয়টি জানার পর, ওই নারী তাদের অসহায়ত্বের কথা জানান।

পরে মানবিক দিক বিবেচনা করে ইশরাকের চাকরির ব্যবস্থা করা হয়। প্রশাসক বলেন, ‘ইশরাক এক হাতে ভালোভাবে কম্পিউটার পরিচালনা করতে পারে। তাই তার সক্ষমতা বিবেচনা করে তাকে জনসংযোগ দপ্তরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

চাকরির নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে ইশরাকের চোখেমুখে ছিল স্বস্তির ছাপ। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়ের পর কাজের সুযোগ পাওয়ায় তিনি নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। তার মা-ও যেন ফিরে পেয়েছেন ভরসার জায়গা—অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে আর শুধু অসহায় হয়ে থাকতে হবে না, এবার নিজের যোগ্যতায় ইশরাকও দাঁড়াতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেরোবির আওয়ামীপন্থী দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা কে কোথায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৩ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেরোবির আওয়ামীপন্থী দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা কে কোথায়

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতা দ্বারা সংঘটিত রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান এবং শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগের পুণ্যভূমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) রাজনীতি ও প্রশাসন এক নতুন ও রহস্যময় মোড় নিয়েছে। এখানে পতিত স্বৈরাচারের দোসর এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে প্রকাশ্য ও গোপনে বিরোধিতা করা চরম আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা শুধু যে আত্মগোপনে আছেন তা নয়; বরং তাদের একটি বড় অংশ বর্তমান প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নিয়ে ক্যাম্পাসে পুনর্বাসিত হচ্ছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কেউ রয়েছেন দায়িত্বে, আবার কেউ গোপনে আড়ালে রয়েছেন।

ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ, জাতীয় গণমাধ্যম এবং নির্ভরযোগ্য গোপন তথ্যানুযায়ী বেরোবির বিতর্কিত ও তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থানের সর্বশেষ চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো। শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ ও রক্তক্ষয়ী জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বেরোবির চরম আওয়ামীপন্থী শিক্ষক সংগঠন ‘নীল দল’-এর দুই বারের সাবেক সভাপতি ড. নিতাই কুমার ঘোষকে কলা অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বর্তমানে প্রশাসন। আরও উল্লেখযোগ্য হল, ঐ সময়ে পরিবহন পরিচালকের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এখন হল প্রভোস্ট হিসেবে কাজ করছেন।

২৪ সালের চরম উত্তাল সময় প্রশাসনের সাথে সরাসরি যুক্ত থেকে শিক্ষার্থীদের বিরোধিতা করেছেন ঐ সময়ের পুরো প্রক্টরিয়াল বডি। যার মধ্যে প্রক্টর শরিফুল ইসলামকে দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি সহকারী প্রক্টররা ৫ আগস্টের পর পরেই আবার প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের সময় তৎকালীন প্রশাসনের সহযোগী হিসেবে কাজ করা সহকারী প্রক্টর মো. ইসমাইল হোসেন (সহযোগী অধ্যাপক, গণিত বিভাগ) পটপরিবর্তনের পরেও সম্পূর্ণ নিরাপদ ও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। শোনা যায়, বর্তমান উপাচার্যের (ভিসি) সরাসরি সাবেক ছাত্র হওয়ার সুবাদে এই সুবিধা তিনি পেয়েছেন বলে অনেকে মন্তব্য করেন।

এছাড়া জুলাই বিপ্লবের সময় ছাত্রদের চরম বিপদে পাশে না দাঁড়িয়ে স্বৈরাচারের পক্ষে দালালি করা তৎকালীন ছাত্র উপদেষ্টা, নীল দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ারুল আজিম ৫ আগস্টের পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেও বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ 'ধরাছোঁয়ার বাইরে' চলে গেছেন। সেই সাথে তৎকালীন বহিরাঙ্গন পরিচালক এবং শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের ঘনিষ্ঠ সাব্বীর আহমেদ চৌধুরীও রয়েছেন ধরাছোয়ার বাহিরে। যিনি জুলাই বিপ্লবের পর শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়ে নিজেকে বাঁচাতে এক অভিনব কৌশল গ্রহণ করে ক্যাম্পাস থেকে গা-ঢাকা দেন। এমফিল করতে ঢাকায় অবস্থান করেন ১ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর শাখা ছাত্রদল তাঁকে দৌড়ানি দেয় বলেও শোনা গেছে।

হাসিনাকে ফেরানোর গোপন তৎপরতায় জড়িত থাকার কারণে শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় নাম আসায় চরম আওয়ামীপন্থী শিক্ষক আসাদ মন্ডল ও ড. মশিউর রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে, এবং তারা দুজনেই পলাতক রয়েছেন। এছাড়া ঐ সময়ে বিভিন্ন দায়িত্ব প্রাপ্ত নীল ও হলুদ দলের কিছু শিক্ষক এখনও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

এই বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন বলেন, "আমরা এই বিষয়ে অবগত আছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বলেছি ফ্যাসিস্ট শিক্ষামন্ত্রী এর শিক্ষক ইতোমধ্যে প্রশাসনের কাছে গেছিলো, আমরা তখন প্রতিবাদ করেছি। আমরা ছাত্রদল সবসময় ফ্যাসিস্টের দোসর যারা বিশ্ববিদ্যালয় সঠিকভাবে পরিচালনা করতে দিচ্ছে না তাদের শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রশাসনকে বলেছি। আমরা দেখবো প্রশাসন কতটুকু ব্যবস্থা নেয়। প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে আমরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবো। পাশাপাশি যারা সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে চাকরি পেয়েছে তাদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং চাকরিচ্যুত করতে হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা শিবিরের নেতা শিবলী সাদিক বলেন, "জুলাই বিপ্লবের আজ দীর্ঘ দুই বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক বিষয় হলো, শহীদ আবু সাইদের ক্যাম্পাস বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে এখনো ফ্যাসিস্টের দোসর শিক্ষকরা খোলস পাল্টে নানাভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আবু সাইদ বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার জন্য জীবন দিলেও তার বিশ্ববিদ্যালয় এখনো ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি, এটি সত্যিই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এরই মধ্যে আমরা বিশ্বস্ত গণমাধ্যমের সূত্রে জানতে পেরেছি, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন শিক্ষক স্বৈরাচার হাসিনাকে পুনর্বাসনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নামমাত্র তদন্ত কমিটি গঠন করলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো দৃশ্যমান ফলাফল পাওয়া যায়নি।"

তিনি আরও বলেন, "এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি—দ্রুত ফ্যাসিস্টের দোসর শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে তারা যদি কোনো প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করে থাকেন, সেসব পদ থেকেও তাদের অব্যাহতি দিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।"

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনে ৫৫টি পদ আছে। আমাদের তো ৫৫ জন শিক্ষক দরকার, কাওকে না কাওকে তো দায়িত্ব দিতে হবে। অনেকেই জাতীয়তাবাদী ফোরামের শর্ত পূরণ করেছেন, এটা তাদের গনতান্ত্রিক অধিকার। সারাজীবন কেউ আওয়ামী লীগের রাজনীতি করবে এমন তো নয়। অনেক বড় বড় নেতারা তাদের রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করে এখন বিএনপি করেন। আমাদের সবাইকে নিয়েই চলতে হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয় তো বন্ধ রাখা যাবে না।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাত এক নজিরবিহীন এবং বিধ্বংসী রূপ ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উভয় দেশই একে অপরের ওপর স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এই হামলার ফলে দুই দেশের সাধারণ বেসামরিক নাগরিক এবং অর্থনৈতিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ইউক্রেন, চলতি বছরের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা রাশিয়ার ভূখণ্ড লক্ষ্য করে চালিয়েছে। এই হামলার জবাবে রাশিয়াও ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার রাতে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে অন্তত ১৭টি অঞ্চল লক্ষ্য করে ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ড্রোন হামলা সম্পন্ন করেছে।

রুশ প্রশাসনের দাবির ভিত্তিতে জানা যায়, ইউক্রেনের ৮২২টিরও বেশি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রাশিয়া। এর মধ্যে মস্কো অঞ্চলকে নিশানা করেই প্রায় ৬০০ ড্রোন হামলা হয়েছে।

মস্কোর কাছাকাছি পোডলস্ক এলাকায় রাশিয়ার সর্ববৃহৎ ই-কমার্স জায়ান্ট ওয়াইল্ডবেরিজের গুদামে ইউক্রেনীয় ড্রোন আঘাত হানে। আড়াই লাখ বর্গমিটারের বিশাল এই স্থাপনাটিতে ভয়াবহ আগুন ধরিয়া যায়।

ইউক্রেনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, রাশিয়া এই বাণিজ্যিক গুদামগুলোকে সামরিক রসদ সরবরাহের কাজে ব্যবহার করছে। সাম্প্রতিক হামলায় ওয়াইল্ডবেরিজের ১০টি প্রধান লজিস্টিক কেন্দ্রের মধ্যে ৭টিকে তারা অচল করে দিয়েছে।

ইউক্রেন সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ অঞ্চল এবং মস্কোসহ নানা স্থানে ইউক্রেনীয় হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে মস্কো অঞ্চলে ৮৩ বছর বয়সী বৃদ্ধ এবং বেলগোরোদের একটি বেসামরিক বাসে হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ইউক্রেনের ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায়, রুশ বাহিনীও ইউক্রেনের বেসামরিক, শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে কয়েকশ ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে রাতভর হামলা চালিয়েছে।

ক্রিভি রিহরে, অন্যতম বৃহৎ ইস্পাত উৎপাদন কারখানা ‘আর্সেলরমিত্তালে’ রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে ২ জন নিহত এবং ১৩ জন কর্মী আহত হয়েছেন। উল্লেখ্য, এই কারখানাটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নিজ শহর।

কিয়েভে রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় চার বার বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। রুশ হামলার ফলে কিয়েভের ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় ‘পোচাইন’ বইয়ের বাজারটি আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। এতে বহু দুর্লভ বই এবং ভিনাইল রেকর্ড ধ্বংস হয়েছে।

এছাড়া, ওডেসা অঞ্চলের দানিয়ুব নদী সংলগ্ন বন্দরের অবকাঠামোতেও রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।

রাশিয়ার এই সর্বশেষ হামলায় ইউক্রেনজুড়ে অন্তত ৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৫১ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, উভয় পক্ষই এখন স্থলযুদ্ধের পাশাপাশি আকাশযুদ্ধকে মূল কৌশল হিসেবে গ্রহণ করেছে। তারা একে অপরের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তেজনা না বাড়াতে সৌদিকে হুতিদের কড়া হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


উত্তেজনা না বাড়াতে সৌদিকে হুতিদের কড়া হুঁশিয়ারি

সৌদি আরবকে ‘ইয়েমেনি জনগণের ওপর অবরোধ’ বৃদ্ধি না করার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

সোমবার গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘সৌদি আরব কর্তৃক ইয়েমেনের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার, তাদের সামরিক তৎপরতা বন্ধ করা এবং ইয়েমেনি জনগণকে তাদের নিজের সম্পদের ব্যবহারাধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।’

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৪ সালে রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের বিস্তৃত এলাকা দখল করে নেয় আনুষ্ঠানিকভাবে আনসারুল্লাহ নামে পরিচিত ইরান-সমর্থিত হুতিরা। এর পর থেকেই তারা এডেনভিত্তিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি-সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রিয়াদ তেল রপ্তানির জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালীর দিকে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু গত ২০ জুলাই হুতিরা সৌদি আরবের ওপর নৌ অবরোধ ঘোষণা করলে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়।

সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%