প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন নিরাপত্তা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি এই আঞ্চলিক ত্রিপক্ষীয় চুক্তিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
তিনি ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, এটা দেখে তিনি খুব খুশি যে সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান সম্প্রতি এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
তিনি লিখেছেন, এটি দেখায় যে মধ্যপ্রাচ্য কীভাবে একত্রিত হচ্ছে এবং দেশগুলো অবশেষে আরও অর্থপূর্ণ উপায়ে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হবে। তিনি এটিকে একটি ‘বড়, সাহসী, গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।
৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তিটি এমন এক সময়ে স্বাক্ষরিত হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ এই অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে দিয়েছে। এই সহিংসতার মধ্যে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলাও রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার সংঘাত নিরসনে প্রচেষ্টায় তিনটি দেশ অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে।
এই চুক্তির অধীনে, তিনটি দেশ তাদের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জেনারেল স্টাফ বা সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের সম্পৃক্ত করে কৌশলগত রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করেছে।
সামরিক সহযোগিতা ক্রমান্বয়ে প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। যা কমান্ড-পোস্ট ও ফিল্ড মহড়া দিয়ে শুরু হয়ে পরবর্তীতে স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং চালকবিহীন ব্যবস্থা ব্যবহার করে যৌথ মহড়ায় উন্নীত হবে।
সৌদি আরব, যার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং তেল স্থাপনাগুলো ইরানের যুদ্ধের অংশ হিসেবে আক্রমণের শিকার হয়েছে, তারা তাদের প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে।
সেপ্টেম্বরে, পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তিতে যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণকে উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। গাজা নিয়ে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরান ও লেবাননের যুদ্ধসহ অন্যান্য আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন