ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঈদগাহ মাঠের দেয়ালে আটকা ৪০ পরিবার, চলাচল নিয়ে সংকট


ঈদগাহ মাঠের দেয়ালে আটকা ৪০ পরিবার, চলাচল নিয়ে সংকট

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের একটি গ্রামে বসবাসকারী গ্রামের মানুষদের বহু বছরের একটি চলাচলের একমাত্র রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কারণে ওই গ্রামের কৃষক, চাকরিজীবী, নারী, শিশু, শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৪০টি পরিবার তাঁদের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে উক্ত পরিবারগুলো চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো গ্রামপ্রধানদের কাছে কোনো প্রতিকার না পেয়ে বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন: জিয়ানগরে ইউপি নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল জলিল শেখের সমর্থকদের নিয়ে জনসংযোগ ও পথসভা

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান নিশ্চিত করেছেন।

লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের এলাকার আশেপাশে ৪০টি পরিবারের সদস্যরা বংশপরম্পরায় বসবাস করে আসছেন। মূলত এই পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে ঈদগাহ মাঠের পাশ দিয়ে চলাচলের ওই রাস্তায় ফসল আনা-নেওয়া, রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতসহ যাবতীয় কাজে এই রাস্তা ব্যবহার করে যাচ্ছেন। আবার একই পথে থাকা মনোহরপুর জামে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেছিলেন পরিবারের মুসল্লীরা। অথচ গ্রামের কতিপয় গ্রামপ্রধান স্থানীয়দের চলাচলের একমাত্র রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে ঈদগাহ মাঠের আশেপাশের ৪০টি পরিবারের সদস্যরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

গ্রামপ্রধান মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, ওই পরিবারগুলোর চলাচলের জন্য অন্য একটি রাস্তা রয়েছে। তারা সেখান দিয়েই চলাচল করবে।

ভুক্তভোগী পরিবারের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, বিকল্প রাস্তাটি অত্যন্ত সরু এবং সেখানে একজন মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলার ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে ৯ মাসে ‘মব’ সহিংসতায় নিহত ১৮৭ জন

ঈদগাহ মাঠের পাশ দিয়েই চলাচলের একমাত্র রাস্তা দাবি করে মো. শাহআলম প্রাং, মোছা. জমিনা খাতুন, মোছা. লাইলী খাতুনসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, "ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণ হোক এটা আমরাও চাই। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমরা ৪০টি পরিবারের মানুষ একমাত্র এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে আসছি। অথচ ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে আমাদের পরিবারগুলোকে অনেকটা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছি। আর প্রাচীর নির্মাণ হলে আমাদের বের হওয়ার কোনো উপায় থাকবে না। ছেলে-মেয়েরাও স্কুলে যেতে পারবে না। তাই ভুক্তভোগী ৪০ পরিবারের সদস্যদের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ তাড়াশ ইউএনও বরাবর দাখিল করেছি।"

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান বলেন, "লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হাতকড়া গর্বের প্রতীক মনে করি’: কাদের সিদ্দিকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


‘হাতকড়া গর্বের প্রতীক মনে করি’: কাদের সিদ্দিকী

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা সংক্রান্ত একটি ঘটনায় গ্রেপ্তার করার পর সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে হাতকড়া পরানোর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তার ছোট ভাই কাদের সিদ্দিকী।

তিনি হাতকড়াকে নববধূর চুড়ির সঙ্গে তুলনা করে মন্তব্য করেন, ‘এ নিয়ে কোনো কথা বলার নেই। এটা সরকার বুঝবে। আমাদের হাতে বহুবার হাতকڑا পড়েছে। আমরা খুব খারাপ কিছু মনে করি না। বিয়ের সময় মেয়ের হাতে চুড়ি যেমন দেওয়া হয়, আমরা তেমনই মনে করি।’

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব বলেছেন।

কাদের সিদ্দিকী আরো বলেন, নিষ্পাপ একজন মানুষকে অন্যায়ভাবে আসামি করায় প্রতিবাদ জানাতে এসেছি। আদালতে প্রত্যেক অভিযুক্ত কথা বলতে পারেন। এটা তার অধিকার। লতিফ সিদ্দিকীও তেমন কথাই বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সুযোগ দেওয়া হয়নি। আমি মনে করি সম্মানী ব্যক্তিদের সম্মান দেওয়া উচিত।

লতিফ সিদ্দিকীর অভিযোগ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বয়স ৮৭ বছর হয়ে গেছে। এখন যদি কোনো অপরাধের দায়ে (যা তিনি করেননি) তার ফাঁসি হয়, তাহলে আমরা সাদরে গ্রহণ করব। কারণ আল্লাহ তায়ালা তাকে তখন মুক্তি দেবেন।

শাপলা চত্বরে গণহত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে লতিফ সিদ্দিকীকে আসামি করা হয়েছে, এমন একটি প্রশ্নে কাদের সিদ্দিকী জানান, পরিকল্পনাকারী বলা যায় না। কারণ তিনি ‘কিচেন কেবিনেটেও’ ছিলেন না। তিনি তখন পাটমন্ত্রী ছিলেন। পাট নিয়ে হত্যা চলে না। ওই সময় আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার কাছে কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্কিত ছিলেন তিনি।

এছাড়াও, রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বৃহস্পতিবার লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনাল-২ কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান সংঘাতে বিপুল অর্থনৈতিক চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


ইরান সংঘাতে বিপুল অর্থনৈতিক চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের ওপর হামলা চালান, তখন তার ধারণা ছিল এই যুদ্ধ অচিরেই, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু পাঁচ মাস অতিক্রম করার পরও এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং, যুদ্ধের দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে মার্কিন করদাতাদের ওপর আর্থিক চাপ ক্রমশ বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে। এই তথ্য জানা গেছে যুক্তরাজ্যের দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ এ কথা স্বীকার করেছেন যে, যুদ্ধ পরিচালনায় এ পর্যন্ত সরকারের অন্তত ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়ে গেছে এবং এ জন্য পেন্টাগনের বরাদ্দকৃত অর্থ দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।

তবে অর্থনীতিবিদ ও সামরিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, পেন্টাগনের এই খরচ হিসাব আসলে বাস্তব খরচের খুব সামান্য অংশ। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং যুদ্ধবিষয়ক অর্থনীতিবিদ লিন্ডা জে বিলমস বলেছেন, ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের হিসাব শুধুই হিমশৈলের চূড়া। যদি মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন আনুসাঙ্গিক খরচ যোগ করা হয়, তাহলে এই যুদ্ধের চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতি ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।

‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে, ২৪ জুলাই পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের কারণে মার্কিন অর্থনীতির প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। যদি সংঘাত এভাবে চলতে থাকে, তবে চলতি বছরের শেষ হওয়ার আগেই তা ৩১১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে আরও জানানো হয়েছে যে, এই সংঘাতের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আমেরিকার সাধারণ মানুষের ওপর। দ্রব্যমূল্যেরও ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটছে। যুদ্ধ না থাকলে যে দামে তেল পাওয়ার কথা ছিল, এর তুলনায় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম ২১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ডিজেলের দাম ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।

আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি তেলের অনিয়ন্ত্রিত দাম মার্কিন জনগণের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। ফলস্বরূপ, আগামী নির্বাচনে এই যুদ্ধ ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে আসতে যাচ্ছে। ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ইতিপূর্বে মাইনাস ১১ শতাংশে থাকলেও, যুদ্ধ শুরুর পর তা নেমে মাইনাস ১৯ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি, সামরিক এবং মানবিক দিক থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনাসদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে, যদিও এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর নিহত চার সেনাকে পেন্টাগন তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেনি।

অতিরিক্তভাবে, প্রতিবেদনটি জানায় যে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০টি সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত তিনটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম) সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্পদ ও মনোযোগের অপচয় প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও রাশিয়াকে বৈশ্বিক রাজনীতিতে সুবিধা দিচ্ছে। কারণ, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে আমেরিকার সামরিক শক্তি সরে যাওয়াই চীনের সবচেয়ে বড় উপকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন দিনে হিলি বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করল ২০০০ টন পাথর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


তিন দিনে হিলি বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করল ২০০০ টন পাথর

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত তিন দিনে ভারত থেকে ৫৩ ট্রাকে ২ হাজার ১২০ মেট্রিকটন পাথর আমদানি হয়েছে।

দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পাথর আমদানি বন্ধ থাকার পর সোমবার (২৭ জুলাই) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়।

মেসার্স ম্যাক্স ইনফ্রা নামে একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের বিহারের পাকুর থেকে এসব পাথর আমদানি করছেন।

হিলি স্থলবন্দরে কর্মরত শ্রমিক মিনহাজুল ইসলামসহ কয়েকজন শ্রমিক বলেন, গত কয়েক বছর থেকে এই বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ ছিলো। যার জন্য বন্দরে তেমন কোনো কর্মচাঞ্চল্য ছিল না। বর্তমানে বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি হচ্ছে। পাথরের পাশাপাশি যদি অন্যান্য পণ্য আমদানি হতো তাহলে আমাদের আয় অনেকটাই বৃদ্ধি পেত। পাথরের ট্রাকে শ্রমিকদের তেমন কোনো কাজ না থাকলেও আশার আলো দেখছেন কর্মরত শ্রমিকরা।

হিলি স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, ভারতে পার্কিং চার্জ বৃদ্ধি ও ওভারলোডিং বন্ধসহ নানা জটিলতায় ২০২২ সালে হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সাড়ে ৫ বছর পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। আমরা বন্দরের ব্যবসায়ীরা পাথর আমদানির জন্য সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। আশা করছি আগামীতে আরও বেশি পরিমাণ পাথর আমদানি হবে।

পাথর রপ্তানিকারক সাগর শেন বলেন, ভারত থেকে ইতোমধ্যে আমরা পাথর রপ্তানি শুরু করেছি। রপ্তানিকৃত পাথর বাংলাদেশের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হবে।

কাস্টমস ও বিজিবির সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগামীতে এই বন্দর দিয়ে পাথর রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলেও জানান তিনি।

হিলি কাস্টমসের সহাকরি কমিশনার খন্দকার সোলায়মান বলেন, হিলি স্থলবন্দর উত্তর বঙ্গের একটি বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র। এই স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। গত তিন দিনে ২ হাজার ১২০ মেট্রিক টন পাথর আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত পাথর দ্রুত খালাসপূর্বক সব ধরনের সহযোগিতা করছে হিলি কাস্টমস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎​সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: মোহাম্মদ নূর

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


সুনামগঞ্জে শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

সুনামগঞ্জে একটি প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার সাইফুল হককে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সুনামগঞ্জ শহর উত্তাল হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের আলফাত স্কয়ারে (ট্রাফিক পয়েন্টে) বুড়িস্তল এলাকার নাগরিক বিভাগ ও স্থানীয় নানা সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন যুবদল নেতা আব্দুল লতিফ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বুড়িস্তল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শামসুদ্দিন, সহকারী শিক্ষক নাঈমা সুলতানা, এবং হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিলনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ববৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তারা বুড়িস্তল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই শিশু শিক্ষার্থীর ওপর ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তারা প্রশাসনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত সাইফুল হককে সর্বোচ্চ ও কঠোর দণ্ড নিশ্চিত করার দাবিতে উচ্চারণ করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের সাদেকপুর (বুড়িস্তল) গ্রামের ২৫ বছর বয়সী যুবক সাইফুল হক ওই শিশুটিকে ফুসলিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে নির্যাতনের চেষ্টা করেছিল। এই অবস্থায় শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে। অনেক উত্তেজিত জনতা সাইফুলকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। মারাত্মক আহত ও আতঙ্কগ্রস্ত ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যুবদল নেতা আব্দুল লতিফ বলেন, আমাদের কোমলমতি শিশুরা যদি আজ নিজেদের গ্রামে নিরাপদ না থাকে, তবে সমাজ হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব চরম হুমকির মুখে। বুড়িস্তল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির এক অবুজ শিশুর ওপর যে ঘৃণ্য নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, তা কোনো সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ মেনে নিতে পারে না। অভিযুক্ত সাইফুল যে জঘন্য অপরাধ করে, তা পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে।

আমরা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি— আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযুক্ত সাইফুলের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার দুঃসাহস না পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%