বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের ওপর হামলা চালান, তখন তার ধারণা ছিল এই যুদ্ধ অচিরেই, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু পাঁচ মাস অতিক্রম করার পরও এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং, যুদ্ধের দীর্ঘায়িত হওয়ার ফলে মার্কিন করদাতাদের ওপর আর্থিক চাপ ক্রমশ বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে। এই তথ্য জানা গেছে যুক্তরাজ্যের দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ এ কথা স্বীকার করেছেন যে, যুদ্ধ পরিচালনায় এ পর্যন্ত সরকারের অন্তত ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়ে গেছে এবং এ জন্য পেন্টাগনের বরাদ্দকৃত অর্থ দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।
তবে অর্থনীতিবিদ ও সামরিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, পেন্টাগনের এই খরচ হিসাব আসলে বাস্তব খরচের খুব সামান্য অংশ। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং যুদ্ধবিষয়ক অর্থনীতিবিদ লিন্ডা জে বিলমস বলেছেন, ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের হিসাব শুধুই হিমশৈলের চূড়া। যদি মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন আনুসাঙ্গিক খরচ যোগ করা হয়, তাহলে এই যুদ্ধের চূড়ান্ত আর্থিক ক্ষতি ১ ট্রিলিয়ন (এক লাখ কোটি) ডলারে পৌঁছে যেতে পারে।
‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে যে, ২৪ জুলাই পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের কারণে মার্কিন অর্থনীতির প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। যদি সংঘাত এভাবে চলতে থাকে, তবে চলতি বছরের শেষ হওয়ার আগেই তা ৩১১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
প্রতিবেদনটিতে আরও জানানো হয়েছে যে, এই সংঘাতের সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আমেরিকার সাধারণ মানুষের ওপর। দ্রব্যমূল্যেরও ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটছে। যুদ্ধ না থাকলে যে দামে তেল পাওয়ার কথা ছিল, এর তুলনায় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রলের দাম ২১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ডিজেলের দাম ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।
আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি তেলের অনিয়ন্ত্রিত দাম মার্কিন জনগণের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। ফলস্বরূপ, আগামী নির্বাচনে এই যুদ্ধ ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে আসতে যাচ্ছে। ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ইতিপূর্বে মাইনাস ১১ শতাংশে থাকলেও, যুদ্ধ শুরুর পর তা নেমে মাইনাস ১৯ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছেছে।
অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি, সামরিক এবং মানবিক দিক থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনাসদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে, যদিও এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর নিহত চার সেনাকে পেন্টাগন তাদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেনি।
অতিরিক্তভাবে, প্রতিবেদনটি জানায় যে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২০টি সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত তিনটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেম) সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই সম্পদ ও মনোযোগের অপচয় প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও রাশিয়াকে বৈশ্বিক রাজনীতিতে সুবিধা দিচ্ছে। কারণ, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে আমেরিকার সামরিক শক্তি সরে যাওয়াই চীনের সবচেয়ে বড় উপকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত তিন দিনে ভারত থেকে ৫৩ ট্রাকে ২ হাজার ১২০ মেট্রিকটন পাথর আমদানি হয়েছে।
দীর্ঘ সাড়ে ৫ বছর পাথর আমদানি বন্ধ থাকার পর সোমবার (২৭ জুলাই) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পাথর আমদানি শুরু হয়।
মেসার্স ম্যাক্স ইনফ্রা নামে একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের বিহারের পাকুর থেকে এসব পাথর আমদানি করছেন।
হিলি স্থলবন্দরে কর্মরত শ্রমিক মিনহাজুল ইসলামসহ কয়েকজন শ্রমিক বলেন, গত কয়েক বছর থেকে এই বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি বন্ধ ছিলো। যার জন্য বন্দরে তেমন কোনো কর্মচাঞ্চল্য ছিল না। বর্তমানে বন্দর দিয়ে পাথর আমদানি হচ্ছে। পাথরের পাশাপাশি যদি অন্যান্য পণ্য আমদানি হতো তাহলে আমাদের আয় অনেকটাই বৃদ্ধি পেত। পাথরের ট্রাকে শ্রমিকদের তেমন কোনো কাজ না থাকলেও আশার আলো দেখছেন কর্মরত শ্রমিকরা।
হিলি স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, ভারতে পার্কিং চার্জ বৃদ্ধি ও ওভারলোডিং বন্ধসহ নানা জটিলতায় ২০২২ সালে হিলি বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর আমদানি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সাড়ে ৫ বছর পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। আমরা বন্দরের ব্যবসায়ীরা পাথর আমদানির জন্য সর্বদা প্রস্তুত রয়েছি। আশা করছি আগামীতে আরও বেশি পরিমাণ পাথর আমদানি হবে।
পাথর রপ্তানিকারক সাগর শেন বলেন, ভারত থেকে ইতোমধ্যে আমরা পাথর রপ্তানি শুরু করেছি। রপ্তানিকৃত পাথর বাংলাদেশের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হবে।
কাস্টমস ও বিজিবির সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগামীতে এই বন্দর দিয়ে পাথর রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে বলেও জানান তিনি।
হিলি কাস্টমসের সহাকরি কমিশনার খন্দকার সোলায়মান বলেন, হিলি স্থলবন্দর উত্তর বঙ্গের একটি বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র। এই স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। গত তিন দিনে ২ হাজার ১২০ মেট্রিক টন পাথর আমদানি হয়েছে। আমদানিকৃত পাথর দ্রুত খালাসপূর্বক সব ধরনের সহযোগিতা করছে হিলি কাস্টমস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জে একটি প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার সাইফুল হককে সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সুনামগঞ্জ শহর উত্তাল হয়ে উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে পৌর শহরের আলফাত স্কয়ারে (ট্রাফিক পয়েন্টে) বুড়িস্তল এলাকার নাগরিক বিভাগ ও স্থানীয় নানা সামাজিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন সঞ্চালনা করেন যুবদল নেতা আব্দুল লতিফ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বুড়িস্তল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শামসুদ্দিন, সহকারী শিক্ষক নাঈমা সুলতানা, এবং হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক মিলনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ববৃন্দ।
মানববন্ধনে বক্তারা বুড়িস্তল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই শিশু শিক্ষার্থীর ওপর ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তারা প্রশাসনের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত সাইফুল হককে সর্বোচ্চ ও কঠোর দণ্ড নিশ্চিত করার দাবিতে উচ্চারণ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের সাদেকপুর (বুড়িস্তল) গ্রামের ২৫ বছর বয়সী যুবক সাইফুল হক ওই শিশুটিকে ফুসলিয়ে ঘরে ডেকে নিয়ে নির্যাতনের চেষ্টা করেছিল। এই অবস্থায় শিশুটির চিৎকারে আশেপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে। অনেক উত্তেজিত জনতা সাইফুলকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। মারাত্মক আহত ও আতঙ্কগ্রস্ত ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
যুবদল নেতা আব্দুল লতিফ বলেন, আমাদের কোমলমতি শিশুরা যদি আজ নিজেদের গ্রামে নিরাপদ না থাকে, তবে সমাজ হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব চরম হুমকির মুখে। বুড়িস্তল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির এক অবুজ শিশুর ওপর যে ঘৃণ্য নির্যাতন ও ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে, তা কোনো সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ মেনে নিতে পারে না। অভিযুক্ত সাইফুল যে জঘন্য অপরাধ করে, তা পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে।
আমরা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি— আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে অভিযুক্ত সাইফুলের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন অপরাধ করার দুঃসাহস না পায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যে ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে গেছে।
শীতের দেশে গ্রীষ্মের দাবদাহ এখন নতুন আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ৯২ শতাংশ বাড়ি অতিরিক্ত গরমের কারণে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে বলে সতর্কবার্তা পেয়েছে। মে মাসের এক প্রতিবেদনে জলবায়ু পরিবর্তন কমিটি (সিসিসি) এ সমস্যার কথা জানিয়েছিল। বাস্তবতায় মে ও জুনের রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহের কারণে অতিরিক্ত প্রায় তিন হাজার প্রাণেরও ক্ষতি হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সংস্থা (ইউকেএইচএসএ) বুধবার জানিয়েছে, ইংল্যান্ডে তীব্র গরমের কারণে ২,৮৭৭ জনের অতিরিক্ত মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে মে মাসে ৭৫৩ জন এবং জুনে রেড এলার্ট চলাকালীন ২,১২৪ জন মারা যান। এই সংখ্যা ২০২৫ সালের পুরো গ্রীষ্মের (১,৫০৪ জন) তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ, যা জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক আঘাত হিসাবে দেখা দিয়েছে। ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিনের সাথে শীতল দিনের মৃত্যুর তুলনামূলক হিসাব করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
ইউকেএইচএসএ-এর বিজ্ঞানী রস থম্পসন বলেছেন, জনস্বাস্থ্যে গরমের এই প্রভাব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শীতকালীন অসুস্থতায় অভ্যস্ত যুক্তরাজ্যে গ্রীষ্মের দাবদাহ হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে, জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইভেট কুপার।
চলমান জুলাইয়ের দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের হিসাব এখনও যুক্ত হয়নি। ফলে সংস্থাটির আশঙ্কা রয়েছে যে ২০২৬ সাল হতে পারে সর্বোচ্চ তাপজনিত মৃত্যুর বছর। এর আগে ২০২২ সালের গ্রীষ্মে সর্বোচ্চ ২,৯৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সিসিসি গত বছর জানিয়েছিল যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য মোটেও প্রস্তুত নয়। সুতরাং, ইউকেএইচএসএ গ্রীষ্মের শুরু থেকেই প্রস্তুতির ওপর জোর দিয়েছে। চরম পরিস্থিতি এড়াতে তারা কর্মক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার সীমা নির্ধারণ এবং স্কুল-হাসপাতালে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) চালুর সুপারিশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে ব্রাজিল হেরে শেষ ষোলোতে বিদায় নিয়েছিল। সেই হতাশা ভুলে নতুন দল তৈরির কাজ শুরু করেছেন কার্লো আনচেলত্তি ২০২৮ কোপা আমেরিকা ও ২০৩০ বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের জন্য।
এসময় তিনি নতুন প্রজন্মের ওপর আস্থা রাখার ইঙ্গিত দেন। ব্রাজিল কোচ জানান, নেইমার, দানিলো ও কাসেমিরোর জাতীয় দলের অধ্যায় হয়েছে সমাপ্ত।
গ্লোবোএসপোর্তে–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এটা তিনি বলেছেন।
কার্লো আনচেলত্তি মন্তব্য করেন, "২০২৬ বিশ্বকাপের মাধ্যমে ব্রাজিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজন্মের সমাপ্তি ঘটেছে।"
নেইমার, দানিলো, কাসেমিরো—বিশ্বকাপে ৩০ বছরের বেশি বয়সী যেসব খেলোয়াড় ছিলেন, তাদের সময় শেষ হয়ে গিয়েছে।
নেইমার জুনিয়র গতকাল আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ৩৫ বছর বয়সী দানিলো ও ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরো এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরের ঘোষণা না দিলেও আনচেলত্তির বক্তব্য স্পষ্ট করে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাদের আর রাখা হচ্ছে না।
ব্রাজিল কোচ আরও বলেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকার জন্য একটি নতুন ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ দল তৈরি করা।"
তিনি উল্লেখ করে বলেন, "আমরা নতুন খেলোয়াড় খুঁজে বের করব, যারা দ্রুত দলে এসে অবদান রাখতে পারবে।"
তিনি ২০৩০ সালের বিশ্বকাপের কথাও বলেননি। তার প্রথম লক্ষ্য ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকায় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা।
এছাড়া আনচেলত্তি গোলকিপারের ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতের কথা ভাবছেন।
আলিসন ও এডারসনের অভিজ্ঞতা প্রশংসা করলেও নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আনচেলত্তির ভাষ্য, "আমার মনে হয় আমাদের নতুন গোলকিপারদের দেখা উচিত।" ব্রাজিলিয়ান লিগে তরুণ গোলকিপাররা খেলছেন। নতুন গোলকিপারদের নিয়ে খুব সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করাই আমাদের পরিকল্পনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ