০১:০৯ পি.এম
সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, যিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত রয়েছেন। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক প্রতিভা বিদ্যমান।
দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রচুর আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা করার দায়িত্ব সবার।
সোমবার (২৪ আগস্ট) অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাৎ শেষে ব্রিফিংয়ের সময়, তিনি দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: আমাদের সবার পরিচয় বাংলাদেশি, মুক্তিযুদ্ধ ও আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরলেন
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সাধারণ মানুষ চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নত রাস্তা ও বিদ্যুৎ চায়।
এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য বাণিজ্যকে মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে। দুই দেশের সম্পর্ক রাজনীতির মাধ্যমে এবং অর্থনীতির দিক থেকে দুইটি উপলব্ধি করা প্রয়োজন। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক ইস্যু থাকবেই, কিন্তু সাধারণ মানুষের উন্নতির জন্য চাওয়ার বিষয়টি অপরিহার্য। উন্নয়ন ছাড়া কিছুই হতে পারে না।
তিনি জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের সাধারণ মানুষ মেধাবী। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অনেক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য যা কিছু করণীয়, তাই করা হবে সবার দায়িত্ব।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘ইন্টারডিপেন্ডেন্সি’ বা পারস্পরিক নির্ভরশীলতা একটি স্থায়ী সমাধান। উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ভারতের ওপর এবং ভারত বাংলাদেশের ওপর নির্ভরশীল হবে।
আরও পড়ুন: দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: আবু হানিফ
এই নির্ভরতাই একটি পরিবারের মতো সম্পর্ক তৈরি করে।
তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনীতি এবং রাজনীতি দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তবে সাধারণ মানুষের চাওয়ার কিছু সীমাবদ্ধতা অবশ্যম্ভাবী। সাধারণ মানুষ শান্তি চায়। শান্তি থাকলে সমৃদ্ধি এসেছে। দুই দেশের জন্য তরুণ প্রজন্মকে শান্তি ও সমৃদ্ধি দেওয়া একটি গুরুতর দায়িত্ব।
দুই দেশেই তরুণ জনগণের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, তাই যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় তরুণদের কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দিতে হবে।
পোশাক খাতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রামপুরায় স্লুইস গেটের কাছে ৭৪ বছরের বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আসুন আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনৈতিক বিষয়ে রাজনৈতিক গতিশীলতা থাকবে।’ সাধারণ মানুষের প্রাপ্য যা কিছু, পরিবেশন করা দুই দেশের জন্য একটি কর্তব্য বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন এবং সার্বভৌম দেশ। এখানে কেউ বড় বা ছোট নয়, সকলেই সমান। এই সমতার ভিত্তিতে দুই দেশকে একসাথে কাজ করে যেতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন