মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:
১২:৫২ এম
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৬৬টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদার। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজা উদযাপনে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
আবু তাহের তালুকদারের নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও আয়োজকদের সঙ্গে পূজার প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
পরিদর্শনকালে আবু তাহের তালুকদার বলেন, “ধর্ম যার যার, বাংলাদেশ সবার। এ অঞ্চলের মানুষ যুগ যুগ ধরে হিন্দু-মুসলিম মিলেমিশে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতিই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। সবাই যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য আমাদের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবেন।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ বাবুল আলম তালুকদার, যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, সাইদ আল মামুন শহিদ ফকির, সেলিম উদ্দিন, আনোয়ারুল ইসলাম আনার, আব্দুল গফুর তালুকদার ও আশ্রাফ উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ মুনসুর আজাদ, খোকন আকন্দ, সাইদুল ইসলাম কাবুল ও শফিকুল ইসলাম শফিক এবং ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাজু আহমেদসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতাদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পূজামণ্ডপ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তাঁদের মতে, উৎসবের সময় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতির এমন উদ্যোগ সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার আহ্বান জানিয়েছেন নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের কুমারী পূজা পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় তিনি উপস্থিত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানান। বক্তব্যে কায়সার কামাল বলেন, দুর্গাপুর অঞ্চলে গারো, হাজং, হিন্দু, মুসলমান ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করছেন। প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধর্মীয় রীতিনীতি ও সংস্কৃতি স্বাধীনভাবে পালন করছেন। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও পারস্পরিক সহমর্মিতা মানুষকে এক বন্ধনে আবদ্ধ করেছে।
তিনি বলেন, এক ধর্মের মানুষের প্রতি অন্য ধর্মের মানুষের ভালোবাসা ও সম্মানই প্রকৃত বাংলাদেশের পরিচয়। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং বাংলাদেশের সন্তান হিসেবেই প্রত্যেক নাগরিকের পরিচয়।
সব ধর্মের শিক্ষা ও অনুশাসনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, পূজা, রোজা, ঈদ কিংবা বড়দিন—প্রতিটি ধর্মীয় আয়োজন মানুষকে ভালো শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে চলতে উদ্বুদ্ধ করে। শত বছরের ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে এলাকার উন্নয়নে সবাইকে হাতে হাত ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংসদ সদস্য বলেন, সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে হবে এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। একজন শিক্ষিত মা একটি শিক্ষিত জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। শিক্ষিত জাতি গড়ে তুলতে পারলেই বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমদে সাদাত, দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যের শেষে কায়সার কামাল উপস্থিত সবাইকে আবারও শারদীয় শুভেচ্ছা জানান এবং সকলের মঙ্গল কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর রামপুরায় স্লুইস গেটের নিকটে ভাসমান অবস্থায় এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃদ্ধের নাম আলম মুন্সি, বয়স ৭৪।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা ব্রিজের সংলগ্ন স্লুইস গেট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠানো হয়েছে।
রামপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আলম মুন্সি একজন ভবঘুরে ছিলেন। তার বাড়ি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ী মুন্সিবাড়ি এলাকায়। তিনি রাজধানীতে ভাসমান জীবনযাপন করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বার্ধক্যজনিত কারণে পানিতে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। পানির স্রোতে ভেসে মরদেহটি স্লুইস গেটের কাছে এসে আটকে ছিল।
এসআই আরও জানান, দুই বছর আগে তিনি বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। তখন তার পরিবার সংশ্লিষ্ট থানায় নিখোঁজের বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। আজ তার মরদেহ উদ্ধারের পর ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রামে তার বাড়িতে খবর দেয়া হলে পরিবারের সদস্যরা এসে পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং এসব তথ্য জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বড় ব্যবধানে পরাজিত হলেও, শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন বাংলাদেশের শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার। আইসিসির সর্বশেষ নারী ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে উভয়ের অবস্থান উন্নত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা যায়, শারমিন পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২৫তম স্থানে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, স্বর্ণা ১৬ ধাপ উন্নতি করে বর্তমানে যৌথভাবে ৮৬তম স্থানে রয়েছেন।
ব্রিসবেনে সিরিজের শেষ ম্যাচে শারমিন ৯৩ বলে ৫০ রান সংগ্রহ করেন। স্বর্ণা ৭১ বলে ৫৪ রান করেন। তবে, তাদের লড়াকু ইনিংস বাংলাদেশকে হার থেকে রক্ষা করতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি ৯ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয়।
ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার এলিস পেরি ও অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডও ব্যাট হাতে উজ্জ্বল ছিলেন। পেরি অপরাজিত ৬৫ রান করেন এবং সাদারল্যান্ড অপরাজিত ৭৪ রান করেন। র্যাঙ্কিংয়ে চার ধাপ উন্নতি করে ক্যারিয়ার সেরা ১৩তম স্থানে পৌঁছেছেন সাদারল্যান্ড। পেরি এক ধাপ উন্নতি করে নবম স্থানে রয়েছেন।
নারী ওয়ানডে ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছেন ভারতের স্মৃতি মান্ধানা। বোলারদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালানা কিং এবং অলরাউন্ডারদের তালিকায় অ্যাশ গার্ডনার শীর্ষে অবস্থান করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়লাভ করেছে স্বাগতিক পাকিস্তান। রাওয়ালপিন্ডিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে আগে ব্যাটিং করতে পাঠায়। যদিও শুরুতে পাকিস্তানের ব্যাটিং ভালো হয়নি, তবে হাসান নেওয়াজ ও আরাফাত মিনহাসের দুর্দান্ত জুটিতে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩০২ রানের একটি বড় পুঁজি গড়ে পাকিস্তান। ইংল্যান্ডের ইনিংস ২১৫ রানে শেষ হয়। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বল হাতেও অসাধারণ পারফর্ম করেন আরাফাত মিনহাস, যিনি একাই ৬ উইকেট নেন।
টসের পর ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান ১০০ রানের আগেই ৪ উইকেট হারায়। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন হাসান নেওয়াজ ও আরাফাত মিনহাস। নেওয়াজ ৭৪ বলে ৭৯ রান এবং মিনহাস ৫৮ বলে ৫৯ রান করেন। এছাড়া, ফাহিম আশরাফ ৩৯, সাদ বেগ ৩৫ এবং বাবর আজম ৩৪ রান সংগ্রহ করেন।
ইংল্যান্ডের পক্ষে সনি বেকার ৩ উইকেট নেন। গাস অ্যাটকিনসন ২ উইকেট পান এবং উইল জ্যাক্স, ওভারটন, রশিদ ও কারান প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।
ইংল্যান্ডের ইনিংস শুরু হয় দারুণভাবে। ব্যান্টন ও ডাকেটের ওপেনিং জুটি ৯১ রান সংগ্রহ করে। তবে এই জুটি ভাঙার পর ইংলিশরা পথ হারিয়ে ফেলে। ডাকেট ৪৫ রান করে আউট হন, যেখানে ব্যান্টন দলের সর্বোচ্চ ৫৭ রান করেন। জো রুট ৩৩ রান করলেও এরপর কেউ আরাফাত মিনহাসের স্পিনের সামনে দাঁড়াতে পারেননি।
মিনহাস ৮.৪ ওভারে মাত্র ৪০ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন। এর ফলে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। শেষ ১৮ রানে তারা ৫ উইকেট হারায়। পাকিস্তান ইংল্যান্ডকে ২১৫ রানে অল আউট করে ৮৭ রানের বিশাল জয় পায়। মিনহাসের ৬ উইকেট ছাড়াও হারিস রউফ ২ উইকেট নেন, নাসিম শাহ্ একটি উইকেট পান এবং একটি রান আউট হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ