০৭:৩৪ এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান থেকে হামলার পরিকল্পনা বাতিল করায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে গেছে। এর ফলে আগের দিনের দরপতন আরও বৃদ্ধি হয়েছে। একই সাথে, সপ্তাহের শুরুতে পাল্টাপাল্টি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বৃদ্ধির আশঙ্কা কিছুটা কমেছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখিত আছে যে, শুক্রবার (১২ জুন) ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২১ ডলার বা ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৮৯ দশমিক ১৭ ডলারে নেমে এসেছে।
অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ২৩ ডলার বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে দাঁড়াচ্ছে ব্যারেলপ্রতি ৮৬ দশমিক ৪৮ ডলারে। সাপ্তাহিক হিসাবে ব্রেন্টের দাম ৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমে গেছে।
আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে
মূলত ইরানকে ‘খুব কঠোরভাবে’ আঘাত হানার হুমকি দেয়ার পরও বৃহস্পতিবার পরিকল্পিত হামলা থেকে সরে আসেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হয়েছে। তবে তেহরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে যে, তেহরান এখনও কোনো চুক্তির খসড়ায় অনুমোদন দেয়নি।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আইজি'র বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, ‘এটি হয়তো আরেকটি মিথ্যা আশাও হতে পারে, কিন্তু বাজারের প্রতিক্রিয়া ছিল দ্রুত এবং স্পষ্ট।’
এর আগে বুধবার, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়ে জানায়, যে কোনো জাহাজের ওপর গুলি চলবে, যদি তারা এ পথ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করে। তেহরানের মাসব্যাপী এই অবরোধের কারণে তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।
তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে যে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখনো এই জলপথ ব্যবহার করে চলাচল অব্যাহত রেখেছে।
আরও পড়ুন: ঘিওরের ধলেশ্বরী নদীতে দুই দিন নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার
টনি সাইকামোরের মতে, তেলের দাম কমলেও বাজারে ঊর্ধ্বমুখী ঝুঁকি এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তিনি বলেছেন, দাম যদি ৮০ ডলারের নিম্ন সাপোর্ট লেভেলের ওপরে অবস্থান করে, তবে বাজারের ঝুঁকি দৃঢ়ভাবে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন