০৫:১৮ পি.এম
পাবনা জেলা বিএনপি সারজিস আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার আলমকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের জন্য এই আহ্বান জানানো হয়েছে। এই আহ্বানটি সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে পাবনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পাবনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ৯ জুলাই এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার পাবনা সদর ও চাটমোহরে রাজনৈতিক সফর করেন। একটি গণতান্ত্রিক দলের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ প্রশাসনকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল এবং বিএনপি সহযোগিতামূলক মনোভাবও দেখিয়েছিল।
মাসুদ খন্দকার অভিযোগ করেন, ওই সফরের বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। তিনি দাবি করেন, অনতিবিলম্বে এই মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং শিমুল বিশ্বাসের নামে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে পাবনার জনগণের হৃদয়ে যে ক্ষত সৃষ্টি করেছে, তার জন্য পাবনাবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন
অন্যথায়, পাবনার জনগণ পাবনার যেকোনো সভা-সমাবেশে সারজিস আলম ও সারোয়ার তুষারকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করবে। মাসুদ খন্দকার এনসিপি নেতাদের বক্তব্যে জামায়াতের ইন্ধন রয়েছে বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, তাদের (এনসিপি) যে ভাষা আর জামায়াতের যে ভাষা, দুই ভাষা একই ভাষা। জামায়াত ও এনসিপির ভাষার মধ্যে ব্যাপক মিল রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবু, পাবনা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান মাস্টার, বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা, আবু ওবায়দা সেখ তূহিন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু এবং বর্তমান জেলা আহ্বায়ক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত ৯ জুলাই পাবনা সফর শেষে ১০ জুলাই নাটোরের পদযাত্রায় সারোয়ার তুষার একজন অভিযোগ করেন- শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পাবনায় ছাত্র-জনতাকে সরাসরি গুলিবর্ষণ করে দুই শিক্ষার্থীকে হত্যাকারী আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাইদ খান ওরফে সাঈদ চেয়ারম্যানসহ পাবনার আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন