ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাগেরহাটে আটকা পড়া অজগর উদ্ধার করে সুন্দরবনে ছাড়ল বন বিভাগ


বাগেরহাটে আটকা পড়া অজগর উদ্ধার করে সুন্দরবনে ছাড়ল বন বিভাগ

 

সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে চলে আসা একটি বিশাল অজগর মাছ ধরার জালে আটকা পড়ার পর উদ্ধার করে আবারও সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মজিবর রহমান হাওলাদার খালে পেতে রাখা বুছনা জাল তুলতে গিয়ে আটকা পড়া অজগরটি দেখতে পান।

এ সময় খবর পেয়ে স্থানীয় সাপ উদ্ধারকারী রাসেল কবিরাজ ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি নিরাপদে উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

উদ্ধার হওয়া অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ ফুট এবং ওজন প্রায় ২০ কেজি। পরে এদিন বিকালে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের গুলিশাখালী টহল ফাঁড়ি এলাকায় বন বিভাগের উপস্থিতিতে অজগরটি অবমুক্ত করা হয়।

সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের গখালী টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাকিম বলেন, ‘সুন্দরবনসংলগ্ন মোরেলগঞ্জ উপজেলার চালিতাবুনিয়া গ্রামের মজিবর রহমান হাওলাদার মাছ ধরার জন্য খালে বুছনা জাল পেতে রেখেছিলেন।

সোমবার সকালে জাল তুলতে গিয়ে তিনি একটি বড় অজগর সাপকে জালে আটকা অবস্থায় দেখতে পান। এসময় খবর পেয়ে রাসেল কবিরাজ নামের এক ব্যক্তি অজগরটি নিরাপদে উদ্ধার করেন এবং উপজেলা সদরে নিয়ে আসেন। পরে বন বিভাগের সদস্যরা সেখানে গিয়ে অজগরটি নিজেদের হেফাজতে নেন। বিকেলে সেটিকে সুন্দরবনের গুলিশাখালী টহল ফাঁড়ি সংলগ্ন বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় খাদ্যের সন্ধানে বা জোয়ারের পানির সঙ্গে ভেসে মাঝে-মধ্যেই বন্য প্রাণী লোকালয়ে চলে আসে। এ ধরনের প্রাণী দেখতে পেলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগকে খবর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযান: সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, আটক ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযান: সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ, আটক ২০

 

রবিবার রাতে মাদক সেবনের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।

গাজীপুরের টঙ্গীর হাজী মাজার বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। রবিবার রাতে অভিযানে ২০ জন আটক হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের নিয়ে পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় কয়েকজন তাদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার জন্য পুলিশ চারটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সাউন্ড গ্রেনেডের কারণে উপস্থিত লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— খন্দকার সাকিব আহমেদ, মো. মেহেদী হাসান, হিমেল বিশ্বাস, মো. মাহাতিম ওয়াসিম, মো. হাবিবুর রহমান, মো. রাব্বী, মো. অনিক, মো. মোক্তারুল, মো. রহমত আলী, মো. রসুল মোল্লা, রমিন রহমান, জুলকার নাইন (অরিয়ান), মো. কাশফিয়ার রহমান জয়, মো. নাসির উদ্দিন, মো. মশিউর রহমান মিঠু, মো. জুনায়েদ, আরমান হোসেন বাদল, আবতাহি হোসেন প্রিয়ন্ত, আরিফ ও রাকিব আলী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, রবিবার রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ এবং গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যৌথ দলে হাজী মাজার বস্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মাদক সেবনের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে পুলিশ যখন তাদের গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে, তখন বিপুলসংখ্যক বস্তিবাসী তাদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও নিরাপত্তার জন্য পুলিশ চারটি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করাতে বস্তিবাসী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সাউন্ড গ্রেনেডের বিকট শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মো. আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, হাজী মাজার বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর সোমবার দুপুরে গাজীপুর আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মীয় উগ্রবাদ মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইলেন রুমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


ধর্মীয় উগ্রবাদ মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনা জানতে চাইলেন রুমিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার অংশগুলোর তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী এবং নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করণের উদ্দেশ্যে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, এ তথ্য জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

তিনি জানান, সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্যে জানান।

রুমিন ফারহানার লিখিত প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার অংশ বিশেষের ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি কার্যক্রম গ্রহণ বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এসময় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) এবং বিজয়নগর উপজেলার অংশগুলোর সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এবং এই লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নানামুখী সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত অঞ্চলের তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শান্তির বাণী ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’

মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ আরও বলেন, ‘যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক উন্নয়ন ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের জন্য স্থানীয় আলেম, ওলামা, ইমাম এবং খতিবদের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার ও সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হচ্ছে। এখানে উগ্রবাদ ও গুজবের কুফল সম্পর্কে তরুণদের সচেতন করা হয়।

এছাড়া, উক্ত এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি সুদৃঢ় রাখতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সমাবেশ নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয় এবং ভবিষ্যতে সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও সক্রিয় সহযোগিতায় যুব সমাজের জন্য এই ধরনের সচেতনতামূলক নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি কার্যক্রম আরও বেগবান করার পরিকল্পনা সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে।

এছাড়া, কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ জানিয়েছেন, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সচেতনামূলক কার্যক্রমে পুরোহিত ও সেবাইত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনামূলক ধর্মীয় শিক্ষা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির জন্য ছাত্র-যুবাদের জন্য নীতি-নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালা খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়মিত আয়োজন ও বাস্তবায়ন করে থাকে।

এছাড়া, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় নোবিপ্রবি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় নোবিপ্রবি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জোরদারের উদ্দেশ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) এর মাঝে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) নোবিপ্রবি উপাচার্যের কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। স্মারকে নোবিপ্রবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী এবং অন্যদিকে ডিপিডিটি’র পক্ষে স্বাক্ষর করেন মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন।

পরে নোবিপ্রবি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলে (আইকিউএসি) নোবিপ্রবির বিভিন্ন অনুুষদের ডিনবৃন্দ, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দের অংশগ্রহণে ট্রেনিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই ট্রেনিংয়ের মূল বিষয় ছিল 'পেটেন্টস টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (TISC) সার্ভিসেস'।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় নোবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, এই যৌথ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নোবিপ্রবির গবেষকদের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়ার সুযোগ হবে। এছাড়াও, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট সুরক্ষা সহজতর হবে।

এ সময় উপাচার্য আরও বলেন, প্রশিক্ষণ, জ্ঞান বিনিময় এবং গবেষণাগার ব্যবহারে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘শুধুমাত্র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাঝে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে না। আমরা সরকারের ভিশনকে সামনে রেখে দ্রুত নোবিপ্রবিতে 'পেটেন্টস টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (টিআইএসসি)’ চালু করব, যেখানে সমস্ত সুবিধা ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো থাকবে।' প্রশিক্ষণ পর্বে উপাচার্য গবেষণায় বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ তথা আইপি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

কর্মশালায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী জানান, গবেষণায় কারো মৌলিক অবদান যেন অন্য কেউ নিজের দাবি করতে না পারে, সেজন্য এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

প্রশিক্ষণ পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পেটেন্ট ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় সমঝোতা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে আমাদের গবেষণা ক্ষেত্রে নতুন একটি মাত্রা যুক্ত হলো। গবেষকের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করা সম্ভব হবে।

কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন ডিপিডিটির মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, 'বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষক ও উদ্ভাবকদের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা এবং ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে সহযোগিতা দিতে সরকার কাজ করছে। যদি ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে। গবেষকেরা আন্তর্জাতিক পেটেন্ট তথ্য এবং প্রযুক্তিগত সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।'

নোবিপ্রবি ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন এবং টিআইএসসি’র ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, 'টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার নোবিপ্রবিতে গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন এবং নকশার জন্য প্যাটেন্ট বা ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে প্রয়োজনীয় আইনি ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও উদ্ভাবকদের মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, প্যাটেন্ট অনুসন্ধান এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে গবেষণাকে বাণিজ্যিক রূপ দেওয়া যাবে। এটি একাডেমিক গবেষণাকে বাস্তব ও অর্থনৈতিক সফলতায় রূপান্তরের একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। এ ছাড়াও, এর মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেক্চুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন এর সঙ্গে নোবিপ্রবি গবেষকদের একটি ব্রিজ তৈরি হবে।'

নোবিপ্রবি আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ পর্বে রিসোর্স পার্সন হিসেবে ছিলেন ডিপিডিটি’র উপ-পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান এবং লুব-রেফ বাংলাদেশ লিমিটেড (BNO Lubricants) এর পরিচালক মো. সালাউদ্দিন ইউসুফ। এছাড়াও সেখানে টিআইএসসি’র সাচিবিক দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা, নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ) ইফতেখার হোসাইনও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টি কমার পরও পানি না কমায় দুর্ভোগে মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


বৃষ্টি কমার পরও পানি না কমায় দুর্ভোগে মানুষ

 

কিছুদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন পানির নীচে রয়েছে। এলাকায় ঘরবাড়ি, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবই তলিয়ে গেছে।

এদিকে, বৃষ্টি কমে এলেও আক্রান্ত এলাকার পানি নামছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এজন্য কার্যকর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার অভাবই দায়ী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শেয়ানপাড়া, গাজীর বাড়ি, মাঝের ঘাটা, চৌধুরী বাড়ি, ছমদ হাজীর বাড়ি, সোনা মিয়া সওদাগরের বাড়ি, সিদ্দিকীয়া আবাসিক এলাকা, বাহুলী, উত্তর গোবিন্দারখীল, গুয়াদণ্ডী এবং দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার বাসিন্দারা।

এসব এলাকায় কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমরসমান পানি জমে আছে।

এতে বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব পরিবারের শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে; কর্মজীবীরা কাজে যেতে পারছেন না। পানিবন্দি মানুষ বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সমস্যায় ভুগছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা বৃষ্টি হলেও উল্লেখিত এলাকার জলাবদ্ধতা নতুন কোনো সমস্যা নয়। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই অবস্থা দেখা দেয়। বছরের পর বছর ধরে ড্রেনেজব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন এবং পানি প্রবাহের পথ সচল রাখার দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে না। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ড্রেন-খাল দখল এবং অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

গাজী বাড়ির বাসিন্দা গাজী আমির হোসেন বলেন, "বৃষ্টি শুরু হলেই আমাদের দুশ্চিন্তা শুরু হয়।

ঘরে পানি উঠে যায়, আসবাবপত্র নষ্ট হয়। শিশু এবং বয়স্কদের নিয়ে আমাদের চরম কষ্টে থাকতে হয়। প্রতিবছর একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।"

পৌরবাসী আবদুস সবুর বলেন, "প্রতিবছর বর্ষা এলেই একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে। তবে স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক ড্রেন ও খাল ভরাট, দখল এবং অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না।"

এ বিষয়ে পটিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র বলেন, "টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অল্প সময়ে অতিরিক্ত পানি নেমে এসেছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে পানি নিষ্কাশনে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%