ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় নোবিপ্রবি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় নোবিপ্রবি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জোরদারের উদ্দেশ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) এর মাঝে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) নোবিপ্রবি উপাচার্যের কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। স্মারকে নোবিপ্রবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী এবং অন্যদিকে ডিপিডিটি’র পক্ষে স্বাক্ষর করেন মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন।

পরে নোবিপ্রবি ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলে (আইকিউএসি) নোবিপ্রবির বিভিন্ন অনুুষদের ডিনবৃন্দ, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দের অংশগ্রহণে ট্রেনিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই ট্রেনিংয়ের মূল বিষয় ছিল 'পেটেন্টস টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (TISC) সার্ভিসেস'।

আরও পড়ুন: উখিয়ায় ১৫ ঘণ্টা পরও জ্বলছে গ্যাসের আগুন, ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় নোবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, এই যৌথ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নোবিপ্রবির গবেষকদের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পাওয়ার সুযোগ হবে। এছাড়াও, এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের উদ্ভাবনের পেটেন্ট সুরক্ষা সহজতর হবে।

এ সময় উপাচার্য আরও বলেন, প্রশিক্ষণ, জ্ঞান বিনিময় এবং গবেষণাগার ব্যবহারে সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘শুধুমাত্র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাঝে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে না। আমরা সরকারের ভিশনকে সামনে রেখে দ্রুত নোবিপ্রবিতে 'পেটেন্টস টেকনোলজি এন্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার (টিআইএসসি)’ চালু করব, যেখানে সমস্ত সুবিধা ও প্রয়োজনীয় জনবল কাঠামো থাকবে।' প্রশিক্ষণ পর্বে উপাচার্য গবেষণায় বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ তথা আইপি সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

কর্মশালায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী জানান, গবেষণায় কারো মৌলিক অবদান যেন অন্য কেউ নিজের দাবি করতে না পারে, সেজন্য এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

প্রশিক্ষণ পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পেটেন্ট ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় সমঝোতা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে আমাদের গবেষণা ক্ষেত্রে নতুন একটি মাত্রা যুক্ত হলো। গবেষকের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: তাহিরপুরে প্রবাসীর স্ত্রী ও পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে উধাও নাজমুল, পরিবার উদ্বিগ্ন

কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রেখেছেন ডিপিডিটির মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি জানান, 'বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষক ও উদ্ভাবকদের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা এবং ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে সহযোগিতা দিতে সরকার কাজ করছে। যদি ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে। গবেষকেরা আন্তর্জাতিক পেটেন্ট তথ্য এবং প্রযুক্তিগত সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।'

নোবিপ্রবি ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন এবং টিআইএসসি’র ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ বলেন, 'টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন সাপোর্ট সেন্টার নোবিপ্রবিতে গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন এবং নকশার জন্য প্যাটেন্ট বা ট্রেডমার্ক নিবন্ধনে প্রয়োজনীয় আইনি ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এটি প্রতিষ্ঠিত হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও উদ্ভাবকদের মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, প্যাটেন্ট অনুসন্ধান এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে গবেষণাকে বাণিজ্যিক রূপ দেওয়া যাবে। এটি একাডেমিক গবেষণাকে বাস্তব ও অর্থনৈতিক সফলতায় রূপান্তরের একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। এ ছাড়াও, এর মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেক্চুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন এর সঙ্গে নোবিপ্রবি গবেষকদের একটি ব্রিজ তৈরি হবে।'

নোবিপ্রবি আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুন নবীর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ পর্বে রিসোর্স পার্সন হিসেবে ছিলেন ডিপিডিটি’র উপ-পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান এবং লুব-রেফ বাংলাদেশ লিমিটেড (BNO Lubricants) এর পরিচালক মো. সালাউদ্দিন ইউসুফ। এছাড়াও সেখানে টিআইএসসি’র সাচিবিক দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা, নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ) ইফতেখার হোসাইনও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘দাদা ভাই বাহিনী’র বন্দুকযুদ্ধে ৫ জেলে উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টি কমার পরও পানি না কমায় দুর্ভোগে মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


বৃষ্টি কমার পরও পানি না কমায় দুর্ভোগে মানুষ

 

কিছুদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের পটিয়া পৌরসভার বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন পানির নীচে রয়েছে। এলাকায় ঘরবাড়ি, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সবই তলিয়ে গেছে।

এদিকে, বৃষ্টি কমে এলেও আক্রান্ত এলাকার পানি নামছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এজন্য কার্যকর পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার অভাবই দায়ী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জলাবদ্ধতায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শেয়ানপাড়া, গাজীর বাড়ি, মাঝের ঘাটা, চৌধুরী বাড়ি, ছমদ হাজীর বাড়ি, সোনা মিয়া সওদাগরের বাড়ি, সিদ্দিকীয়া আবাসিক এলাকা, বাহুলী, উত্তর গোবিন্দারখীল, গুয়াদণ্ডী এবং দক্ষিণ গোবিন্দারখীল এলাকার বাসিন্দারা।

এসব এলাকায় কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমরসমান পানি জমে আছে।

এতে বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবার ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব পরিবারের শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে; কর্মজীবীরা কাজে যেতে পারছেন না। পানিবন্দি মানুষ বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সমস্যায় ভুগছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা বৃষ্টি হলেও উল্লেখিত এলাকার জলাবদ্ধতা নতুন কোনো সমস্যা নয়। প্রতি বর্ষা মৌসুমেই একই অবস্থা দেখা দেয়। বছরের পর বছর ধরে ড্রেনেজব্যবস্থার উন্নয়ন, খাল পুনঃখনন এবং পানি প্রবাহের পথ সচল রাখার দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে না। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ড্রেন-খাল দখল এবং অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

গাজী বাড়ির বাসিন্দা গাজী আমির হোসেন বলেন, "বৃষ্টি শুরু হলেই আমাদের দুশ্চিন্তা শুরু হয়।

ঘরে পানি উঠে যায়, আসবাবপত্র নষ্ট হয়। শিশু এবং বয়স্কদের নিয়ে আমাদের চরম কষ্টে থাকতে হয়। প্রতিবছর একই দুর্ভোগের শিকার হলেও স্থায়ী সমাধান মিলছে না।"

পৌরবাসী আবদুস সবুর বলেন, "প্রতিবছর বর্ষা এলেই একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে। তবে স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক ড্রেন ও খাল ভরাট, দখল এবং অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বৃষ্টির পানি দ্রুত নামতে পারছে না।"

এ বিষয়ে পটিয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল চন্দ্র বলেন, "টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অল্প সময়ে অতিরিক্ত পানি নেমে এসেছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে পানি নিষ্কাশনে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ রয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমনের বীজ ও সার বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমনের বীজ ও সার বিতরণ

 কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় জেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উফশী রোপা আমন বীজ, সার এবং গ্রীস্মকালীন বিভিন্ন জাতের সবজির বীজসহ কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কনফারেন্স রুমে কৃষি উপকরণ বিতরণ ও একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

এই সভায় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বকুল হোসেন সঞ্চালনা করেন এবং সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপি’র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি এবং উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফলন বৃদ্ধি করতে এ প্রণোদনা কর্মসূচি বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। বিনামূল্যে বীজ ও আধুনিক কৃষি উপকরণ পাওয়ার ফলে আমাদের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা আরো বেশি উৎসাহী হবেন। এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে তিনি বলেন, এ উপকরণ এবং সার নিয়ে কেউ বাড়িতে ফেলে রাখবেন না। সকলকে এসব বীজ মাঠে চাষ করতে হবে।

আলোচনা শেষে উফশী আমন ধানের ১ হাজার ২৫০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি করে ধান বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

এই সঙ্গে ৩ হাজার ৩শ’ কৃষকের প্রত্যেককে সবজির উপকরণ দেয়া হয়। সবজির উপকরণের মধ্যে রয়েছে ১৫ কেজি ডিএপি, ১৫ কেজি এমওপি, কলমি শাক, হাইব্রিড লাউ, হাইব্রিড চাল কুমড়া, পুইশাক, হাইব্রিড বেগুন, হাইব্রিড শশা এবং মিষ্টি কুমড়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় টাঙ্গাইলে আসামির ১০ বছর জেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় টাঙ্গাইলে আসামির ১০ বছর জেল

টাঙ্গাইলে বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে একটি মামলায় আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে বিচারক আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইলের কারাগারে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে, টাঙ্গাইলের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক হাফিজুর রহমান এই রায় প্রদান করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে ওয়াজ উদ্দিন, যিনি বয়সে ৪৮ বছর।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌসুঁলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ২০২১ সালের ২৭ জুন সকালে ওয়াজ উদ্দিন একটি দোকানে গিয়ে চারটি স্পিড কোমলপানীয় কিনে দোকানদারকে এক হাজার টাকার নোট দেন। দোকানদার নোটটি জাল মনে হলে, তা উপস্থিত লোকজনকে দেখান। উপস্থিত লোকজনও নোটটি সম্পর্কে সন্দিহান হন। এরপর, দেলদুয়ার থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ওয়াজ উদ্দিনকে আটক করে।

জিজ্ঞাসাবাদের সময়, তার দেহ তল্লাশি করে আরো চারটি এক হাজার টাকার জাল নোট পাওয়া যায়।

এই ঘটনায় দেলদুয়ার পশ্চিমপাড়া গ্রামের দোকানদার জয়েন উদ্দিন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। ২০২২ সালের ২ মার্চ, পুলিশের পক্ষ থেকে আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে, আসামিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন বিচারক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করব কাজ, গড়বো দেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


করব কাজ, গড়বো দেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

‘করব কাজ, গড়বো দেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ। এটা যেমন আমরা বলি- তেমন একইভাবে বলি, করব কাজ, গড়বো দেশ-সবার জন্য বাংলাদেশ’ — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মন্তব্যটি করেছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে তিনি এই কথা বলেন।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্ম ও পেশার মানুষের বসবাস। আমরা সব ধর্ম ও পেশার মানুষ একসঙ্গে মিলে দেশের জন্য কাজ করব। সবাই মিলে আমরা এ দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। এই ক্ষমতা যতক্ষণ বিএনপির সঙ্গে থাকবে ততক্ষণ দেশকে এগিয়ে নিতে বিএনপি কোন বাধা মানবে না।’

এ সময় তিনি জানান, আগামী বছরের মধ্যে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দিন সরকার পরিকল্পনা করেছে।

এর আগে তিনি গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নে নবখনন করা সরিকল খালের পাড়ে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছ লাগাবে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বেশি বেশি গাছ লাগানোর গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%