ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের ১৭০ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের


ইরানের ১৭০ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

চলমান উত্তেজনার মধ্যে গত গত দু দিনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে যে, ইরানের প্রায় ১৭০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। মার্কিন বাহিনী বলছে, এসব হামলার ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে তেহরানের বিরুদ্ধে নেওয়া ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় এবং ধারাবাহিক সামরিক অভিযানগুলোর একটি।

এছাড়া সেন্টকম জানিয়েছে, সামরিক অভিযানটি আরও বৃহৎ আকারে পরিচালনা করা হতে পারে। হামলাগুলোর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার পর ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া হবে।

এদিকে, গত দুদিন রাতের সামরিক অভিযানে তেহরানে অবস্থিত আইআরজিসি-র সদর দপ্তর এবং একটি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় ধরনের হামলার বিষয়ে একাধিক অনির্ভরযোগ্য খবর পাওয়া গেছে। এই অভিযানে আইআরজিসি প্রধান আহমাদ ওয়াহিদি নিহত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে বর্তমানে এই তথ্যটি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পর ৭ জুলাই চালানো প্রথম দফার অভিযানে দেশটির ৮০টিরও বেশি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

সেন্টকমের তথ্যমতে, মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার স্থাপনা, জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের অবস্থান এবং হরমুজ প্রণালী ও এর আশপাশে সক্রিয় আইআরজিসির ৬০টিরও বেশি ছোট নৌযানে আঘাত হেনেছে।

পেন্টাগন জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত জ্বালানি পরিবহন রুটে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পরের রাতেই অভিযানের দ্বিতীয় ধাপটি পরিচালিত হয়; এতে মার্কিন বাহিনী ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে আরও প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

সেন্টকম জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রতি ইরানের হুমকি সৃষ্টির সক্ষমতা আরও কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই হামলাগুলো করা হয়েছে। হামলায় মূলত ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত কেন্দ্র, নৌ-সক্ষমতা এবং সামরিক রসদ ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার উদ্দেশ্যে আঘাত হানা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার সংঘাত যখন বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার গণ্ডি অতিক্রম করে বৃহত্তর আঞ্চলিক দ্বন্দ্বে রূপ নিচ্ছে, ঠিক তখনই এই সামরিক অভিযানগুলো পরিচালিত হয়েছে। ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে কুয়েত, বাহরাইন ও অন্যান্য মিত্র দেশের ঘাঁটিও অন্তর্ভুক্ত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

নতুন করে শুরু হওয়া এই সংঘাত ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিকে আরও দুর্বল করে তুলেছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আনা-নেওয়া হয়, এমন অবস্থায় সেখানে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও তীব্র হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নতুন দল নয়, অপেক্ষায় জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড-আফগানিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নতুন দল নয়, অপেক্ষায় জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড-আফগানিস্তান

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বার্ষিক সভায় শিগিগির টেস্ট চ‍্যাম্পিয়নশিপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ফলে তিন টেস্ট খেলুড়ে দেশ, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তানের এই প্রতিযোগিতায় খেলার জন্য অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হলো।

স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় আইসিসি সভা শেষে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ।

বর্তমানে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশসহ মোট নয়টি দেশ। র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা নয়ের বাইরে থাকা জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান সেখানে নেই। টেস্ট ক্রিকেটের প্রতিযোগিতায় এই তিন দেশকে যুক্ত করার বিষয়ে একটি জোরালো আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দল বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি আইসিসি।

এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটকে ৫০ ওভার থেকে ৪০ ওভারে নামিয়ে আনার বিষয়েও আলোচনা ছিল। কিন্তু এই বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা।

একই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সদস্যপদ স্থগিত রাখা হয়েছে। সদস্যপদ স্থগিত না করে সতর্ক করা হয়েছে ফ্রান্স ক্রিকেট বোর্ডকে। পাশাপাশি মরিশাস ক্রিকেট ফেডারেশনকে সহযোগী সদস্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে আইসিসি। ফলে সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা হলো ১১১টি, এর মধ্যে ১২টি পূর্ণ সদস্য এবং বাকি ৯৯টি সহযোগী সদস্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

স্পেনের বিপক্ষে ভ-য় পাচ্ছে না ফ্রান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


স্পেনের বিপক্ষে ভ-য় পাচ্ছে না ফ্রান্স

বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার আগে ফ্রান্স যথেষ্ট সমীহ করছে প্রতিপক্ষকে। তবে ফরাসি ডিফেন্ডাররা সেই সমীহকে ভয় বলতে রাজি নন। তাদের বিশ্বাস, যদি সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে পারে, তাহলে দিদিয়ে দেশমের দল জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে পারবে।

বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায় ফাইনাল উঠার লক্ষ্যে স্পেন ও ফ্রান্স মুখোমুখি হবে।

চলতি আসরে ফ্রান্স আক্রমণভাগে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। ছয় ম্যাচে ১৬ গোল করেছে তারা, যা টুর্নামেন্টের অন্যতম সফল আক্রমণভাগ হিসেবে গড়ে উঠেছে। অপরদিকে, স্পেনও আক্রমণে পিছিয়ে নেই। লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল ছয় ম্যাচে ১১ গোল করেছে। তবে স্পেনের রক্ষণে শ্রেষ্ঠত্ব আরও স্পষ্ট। তারা ছয় ম্যাচে মাত্র একটি গোল হজম করেছে এবং পাঁচ ম্যাচে ক্লিনশিট রেখেছে।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও স্পেনের পক্ষে কথা বলছে। ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং উয়েফা নেশন্স লিগের সেমি-ফাইনালে স্প্যানিশদের কাছে ফ্রান্স হেরেছিল। তাই এখন সুযোগ পাচ্ছে দেশোঁর দল, বিশ্বকাপের সেমিতে সেই হতাশা কাটানোর জন্য।

ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী সুরে কথা বলেছেন ফরাসি সেন্টার-ব্যাক ইব্রাহিমা কোনাতে। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আপনি কাউকে ভয় পেতে পারেন না। আমরা সম্ভাব্য সেরা উপায়ে প্রস্তুতি নেব এবং আশা করি, দিনের শেষে ফল আমাদের পক্ষেই থাকবে।’

কোনাতে স্বীকার করেছেন স্পেনের শক্তির কথা, ‘তাদের দলে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ভরপুর অনেক খেলোয়াড় আছে। আমরা শুধু একজনকে নিয়ে ভাবছি না। তবে লামিন ইয়ামাল অসাধারণ ফুটবলার।’

ফ্রান্সের আরেক সেন্টার-ব্যাক ম্যাক্সিম লাকোয়াও স্পেনকে যথেষ্ট সম্মান দেওয়ার কথা বলেছেন, কিন্তু তিনি জানিয়েছেন যে, ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। তিনি বলেছেন, ‘আমি ভয় শব্দটি ব্যবহার করব না। তবে তাদের মান সম্পর্কে আমরা ভালোভাবেই অবগত। কেইপ ভার্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ছাড়া তারা সবগুলো ম্যাচ জিতেছে। তাদের দলে উচ্চমানের খেলোয়াড় আছে। আমরা তাদের সম্মান করি, তবে আমাদের লক্ষ্য জয়।’

চলতি বিশ্বকাপে লামিন ইয়ামাল এখনও নিজের সেরাটা প্রদর্শন করতে পারেননি। বর্তমান পর্যন্ত তার ঝুলিতে আছে একটি গোল। অন্যদিকে, স্পেনের সর্বোচ্চ গোলদাতা মিকেল ওইয়ারসাবাল চার গোল করেছেন।

তবুও ইয়ামালকে নিয়ে সতর্ক লাকোয়া। তিনি বলেছেন, ‘আমরা সেরা উপায়ে রক্ষণ সামলানোর চেষ্টা করব। লামিন খুবই ভালো খেলোয়াড়। এই বিশ্বকাপে সে দেখিয়েছে, যেকোনো সময় প্রতিপক্ষকে বিপদে ফেলতে পারে। তাকে থামাতে প্রয়োজন সবকিছুই আমরা করার চেষ্টা করব।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চশিক্ষায় ৫ শতাংশ কর হ্রাসে গুণগত মান বাড়বে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


উচ্চশিক্ষায় ৫ শতাংশ কর হ্রাসে গুণগত মান বাড়বে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, সরকারের ৫ শতাংশ কর হ্রাসের সিদ্ধান্তকে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষা হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য গবেষণাকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় গবেষণা ইকো-সিস্টেম গড়ে তোলার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

গতকাল অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলি বলেছেন। আজ ইউজিসি থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর থেকে ৫ শতাংশ কর হ্রাস শুধুমাত্র একটি আর্থিক সুবিধা নয়, বরং এটি উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের একটি বড় আভাস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই সাশ্রয় হওয়া অর্থ শিক্ষক-শিক্ষার্থীর দক্ষতা উন্নয়ন, চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা এবং মানসম্মত গবেষণার জন্য ব্যয় করবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনও মূলত পাঠদাননির্ভর রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে গবেষণায়ও নেতৃত্ব দেওয়া। মানসম্মত গবেষণা ছাড়া জাতীয় সমস্যার সমাধান এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ আরও জানান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকারি সহায়তা পায় না এমন ধারণা সঠিক নয়। গত অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেটের আওতায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার জন্য ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ইউজিসি সেইসব গবেষণায় সহায়তা অব্যাহত রাখবে, যা দেশের সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়ন করছে, এবং তাদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ইউজিসি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বৈষম্য করেনা। উভয় ধারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষা হাব হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে গবেষণাকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ঘোষণা করে তিনি বলেছেন, জাতীয় গবেষণা রিপোজিটরি এবং সমন্বিত গবেষণা ইকো-সিস্টেম গড়ে তোলার কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এটি গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারণ, তথ্য সংরক্ষণ এবং একই ধরনের গবেষণার পুনরাবৃত্তি এড়াতে সহায়তা করবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী হবে এবং দেশীয় শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষার জন্য বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতাও কমবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান সরকার উচ্চশিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে স্থান দিয়েছে। জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা, শিল্প এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, ইন্টার্নশিপ এবং উদ্যোক্তা তৈরির মতো বিষয়গুলো এখন জাতীয় অগ্রাধিকার।

তিনি সরকারি বিনিয়োগের চিত্র তুলে ধরে জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরে দেশের ৫৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির জন্য প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে গবেষণার জন্য ২৩৮ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন প্রকল্পসহ মোট ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে গবেষণা খাতে।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এপিইউবি’র সভাপতি মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদিন, ভাইস চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ এবং বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি, উপাচার্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা অটুট: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা অটুট: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, 'দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে।'

তিনি এই সময় বলেছেন, 'জাতীয় সংকট মোকাবিলা, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।'

আজ সকালে, সকাল সাড়ে ১১টায় বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য আসে।

ছবিটি পিএমও এর।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় সেনাসদস্যদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন। তিনি জঙ্গলের ভেতরে দায়িত্ব পালনরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নেন এবং নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

সেনাসদস্যদের শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে তাঁদের প্রতি বিশেষ মর্যাদা তৈরি করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে পেশাদার প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখতে হবে।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি এক সেনা পরিবারে বড় হয়েছি। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে আমার ভীষণ ভালো লাগে। শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে যায়।'

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আগামী দিনে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে আরও সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, 'সেনাবাহিনীর সক্ষমতা, আধুনিকায়ন এবং সুনাম বৃদ্ধির জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।'

এ সময় প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে বিস্তীর্ণ জঙ্গলজুড়ে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুর্গম ও ঘন জঙ্গলের ভেতরে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, চলাচল এবং বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতির উপযোগী বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে মহড়ার বিভিন্ন দিক এবং সেনাসদস্যদের কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় শত্রুপক্ষের ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সংশ্লিষ্ট সেনা কর্মকর্তারা তাঁকে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যপদ্ধতি ও যুদ্ধক্ষেত্রে এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেন।

একপর্যায়ে তিনি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মাটিতে বসে কিছু সময় কাটান। তিনি তাঁদের প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব ও মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য যুদ্ধক্ষেত্রের পরিবেশে তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কৌটার মধ্যে মোম জ্বালিয়ে তৈরি আগুনে রান্না করা সাদা ভাত, ডাল, আলুভর্তা, চিংড়ি মাছ ও ডিমের তরকারি পরিবেশন করা হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%