ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিলিস্তিনি বন্দিদের কারাগার কুমির দিয়ে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা ইসরায়েলের


ফিলিস্তিনি বন্দিদের কারাগার কুমির দিয়ে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা ইসরায়েলের

ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বন্দিদের রাখার জন্য একটি কুমিরঘেরা বিশেষ কারাগার নির্মাণের বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়েছে। দেশটির পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রী ইদিত সিলমান এই সপ্তাহে নীল নদের কুমিরের আইনি অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভিরের কারাগারের নিরাপত্তায় কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনার বাস্তবায়নের বিষয়টি সামনে এসেছে। হিব্রু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার নেওয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রচুর বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কারণ, ইসরায়েলের প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে কারাগার বা আটক কেন্দ্রের চারপাশে কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। চ্যানেল ১৩-এর তথ্য অনুযায়ী, কট্টর-ডানপন্থী নেতা বেন গভির গত ডিসেম্বরে কারা বিভাগের প্রধান কোবি ইয়াকোবির সঙ্গে এক বৈঠকে প্রথম ফিলিস্তিনি নিরাপত্তা বন্দিদের কুমিরঘেরা আটক কেন্দ্রে রাখার প্রস্তাব দেন। তবে ইতামার বেন গভির এই পরিকল্পনার পক্ষে গতিবিধিতে দৃঢ় অবস্থান নিলেও এবং কারা বিভাগের কর্মকর্তারা উত্তর ইসরায়েলের হামাত গাদের কুমির খামার পরিদর্শন করলেও, প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ এর বিরোধিতা করে এসেছে। কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান আইন অনুযায়ী কুমির শুধু শিক্ষা ও গবেষণার উদ্দেশ্যে রাখা যেতে পারে। তবে কুমিরকে নতুনভাবে শ্রেণিভুক্ত করার ফলে এগুলোকে চিড়িয়াখানা বা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ছাড়াও অন্য ধরনের স্থাপনাতেও রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ওয়াইনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা দুই ডানপন্থী মন্ত্রীকে বলছেন, ‘কুমিরদের সুরক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমাদের সুরক্ষার জন্য তাদের ব্যবহার করার কথা আইনের উদ্দেশ্য নয়।’ নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান নির্দিষ্ট শর্তে কুমিরগুলোকে কিছু আটক কেন্দ্রে রাখার অনুমতি দিতে পারবেন। তবে এ বিষয়ে কুমিরগুলোর দেখভাল ও ব্যবস্থাপনার নিয়ম প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের পরিচালক নির্ধারণ করবেন। হিব্রু প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেন গভির প্রথমে কুমিরগুলোকে দক্ষিণ ইসরায়েলের কেৎজিওত কারাগারে ছাড়ানোর চেষ্টা করছেন, যেখানে প্রধানত ফিলিস্তিনি বন্দিদের রাখা হয়। কয়েক সপ্তাহ আগে, জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গভির ও পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের প্রধান রায়া সোরাকি এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তারা কারাগারের নিরাপত্তায় কুমির ব্যবহারের পরিকল্পনার পক্ষে অবস্থান নেন। ওয়াইনেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টা সিলমানকে সতর্ক করে জানান, কারাগারে কুমির ব্যবহারের জন্য একতরফাভাবে আইনি ভিত্তি তৈরি করার ক্ষমতা তার নেই। তবে সেই সতর্কতা অগ্রাহ্য করে সিলমান এই বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত জারি করেন। প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ সভা শিগগিরই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমানের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হবে। সমালোচকদের অভিযোগ, তিনি এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজের মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টার আপত্তি উপেক্ষা করেছেন। এর আগে জানুয়ারিতে কারা বিভাগের কর্মকর্তারা উত্তর ইসরায়েলের হামাত গাদের কুমির খামার পরিদর্শন করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল কারাগারের নিরাপত্তায় কুমির ব্যবহারের সম্ভাবনা যাচাই করা। চ্যানেল ১৩-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারা বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন এবং তারা গ্যালিলি সাগরের দক্ষিণে হামাত গাদের এলাকার কাছে কুমিরঘেরা একটি আটক কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেন গভিরের এই পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটি বিতর্কিত আটক কেন্দ্র থেকে অনুপ্রাণিত, যা 'অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ' নামে পরিচিত এবং সেখানে কুমির-অধ্যুষিত একটি এলাকায় নির্মিত হয়েছিল। সেখানে অভিবাসীদের রাখা হতো, কিন্তু কেন্দ্রটি খারাপ পরিবেশ, মানবাধিকার উদ্বেগ এবং আইনি জটিলতা নিয়ে পরিবেশবাদী ও আদিবাসী গোষ্ঠীগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজরুল কেবল আমাদের গর্ব নন, তিনি মুসলিম রেনেসাঁর এক অনন্য রূপকার : ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


নজরুল কেবল আমাদের গর্ব নন, তিনি মুসলিম রেনেসাঁর এক অনন্য রূপকার : ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু মন্তব্য করেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম শুধু বাংলাদেশে গর্বের বিষয় নন, বরং তিনি মুসলিম রেনেসাঁর একটি অনন্য রূপকার।

তিনি আরও বলেন, নজরুলের সৃষ্টি, চিন্তা ও সাহিত্যকর্ম উপমহাদেশের মানুষের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করেছে।

তার লেখা রণসঙ্গীত ‘চল চল চল’ বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ১১টি দেশে পরিবেশন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিখ্যাত দেশগুলো হলো ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান এবং ইরান।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানার বিপরীতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে নবনির্মিত ‘নজরুল ভিলেজ’-এর ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা জানান, যা শনিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত হয়।

রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নির্মাণ করা হওয়া ‘নজরুল ভিলেজ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাজশাহীতে ‘নজরুল ভিলেজ’ স্থাপনের ফলে নজরুল গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চর্চার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে এবং এটি স্থানীয় সংস্কৃতি বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করবে।

ভূমিমন্ত্রী আরও জানান, ‘নজরুল ভিলেজ’-এর কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজশাহীতে এনে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করানো হবে। এ সময় তিনি জাতীয় কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত হয়, যেখানে ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীসমাজ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের পরে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং ভূমিমন্ত্রী ‘নজরুল ভিলেজ’ চত্বরে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা রোপণ করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘নজরুল ভিলেজ’ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রথম দিকে বিভিন্ন উৎস থেকে ২৫ লাখ টাকার তহবিল সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘নজরুল মঞ্চ’ নির্মাণে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্প এলাকায় কোনো বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে না এবং এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক চর্চার স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে যেকোনো দল বা গোষ্ঠী নজরুলের নাটক, পালাগান, কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা নিয়ে চর্চা করতে পারবেন।

নজরুল চর্চাকে নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিতে ইতোমধ্যে একটি ‘নজরুল ক্যালেন্ডার’ প্রণয়ন করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী সারা বছর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন যুক্ত করা হবে। আগামী মাসের নির্ধারিত অনুষ্ঠানগুলো যাতে এই প্রাঙ্গণে আয়োজন করা যায়, সেই লক্ষ্যে দ্রুত ‘নজরুল মঞ্চ’-এর নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় কবির সাহিত্য, কবিতা ও গান নতুন প্রজন্মের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই ‘নজরুল মঞ্চ’ ও ‘নজরুল কর্নার’ নির্মাণের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে স্কিল আইটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে স্কিল আইটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি বলেছেন, যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে বাগেরহাটের স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (স্কিল আইটি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আজ সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীতে লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশন চত্বরে আয়োজিত স্কিল আইটির নির্মাণ ফলক উন্মোচন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ ধরনের আধুনিক আইটি প্রতিষ্ঠান দেশের দক্ষ জনশক্তি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো ও কার্যক্রম দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বক্তব্যে বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের জীবনমান উন্নয়ন। দক্ষ, কর্মঠ ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ গড়ে তুলতে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। বেকার শিক্ষিত যুবকদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে জাতীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, যুবসমাজকে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে উৎপাদনশীল কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তারা দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে। তিনি মরহুম আব্দুল লতিফ মাস্টারের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তিনি এ অঞ্চলের শিক্ষার প্রসারে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ও আলোকবর্তিকা ছিলেন।

এছাড়াও বৃত্তি প্রদান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বাগেরহাটের সার্বিক উন্নয়নে পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিপিএ মো. রফিকুল ইসলাম (জগলু), বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আয়শা সিদ্দিকা মানি, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্য সচিব মোজাফফর রহমান আলম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ ইখতিয়ার উদ্দিন এবং অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম।

লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিপিএ মো. রফিকুল ইসলাম (জগলু) জানান, স্কিল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে প্রাথমিকভাবে নয়টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে আইটি, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোরিয়ান ও জাপানি ভাষা শিক্ষা, সেলাই, ড্রাইভিংসহ বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণ। প্রতিটি ট্রেডে ৯০ জন প্রশিক্ষণার্থী তিন ও ছয় মাস মেয়াদি কোর্সে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রশিক্ষণকালীন ভাতা, সরকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সনদ এবং ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের মাধ্যমে তারা দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ লাভ করবেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি বাগেরহাটবাসীর মাঝে দুই হাজার ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন। পরে তিনি বাগেরহাট আইনজীবী সমিতি ও জেলায় কর্মরত আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেজিস্ট্রেশন এমপ্লয়ীজ অ্যাসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও নোয়াখালী জেলা কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


রেজিস্ট্রেশন এমপ্লয়ীজ অ্যাসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও নোয়াখালী জেলা কমিটি গঠন

নোয়াখালীতে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন এমপ্লয়ীজ অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সম্মেলনটির সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হেলেনা খাতুন, যিনি নতুন কমিটির ঘোষণা করেন।

নতুন বিভাগীয় কমিটিতে নোয়াখালী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারি আলাউদ্দিন আলোকে সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারি এরাদত উল্লাহকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়।

নোয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রেশন এমপ্লয়ীজ অ্যাসোসিয়েশনের কমিটিতে নতুন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নোয়াখালী বেগমগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী আহসান উল্লা। সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন নোয়াখালী চাটখিল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারি সাহাব উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন চাটখিল উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার গিয়াস উদ্দিন দুলাল এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নোয়াখালী জেলা রেকর্ডরুমের সহকারী রেকর্ড কিপার মোঃ নুরুল আমিন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন এমপ্লয়ীজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বায়োজিদ, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল মোতালেব আপেল, নোয়াখালী জেলা বিএনপি'র সদস্য আবু নাসের, নোয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন এবং নোয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাবের আহমেদ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের প্রথম বেসরকারি স্পেস রকেট ‘বিক্রম-১’ এর সফল উৎক্ষেপণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


ভারতের প্রথম বেসরকারি স্পেস রকেট ‘বিক্রম-১’ এর সফল উৎক্ষেপণ

ভারতের বেসরকারি খাতে তৈরি প্রথম কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম রকেট ‘বিক্রম-১’ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। শনিবার অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটায় অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্রে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

এই সফল উৎক্ষেপণকে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ শিল্পের জন্য বড় একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি দেশটির বাণিজ্যিক মহাকাশ কর্মসূচির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। রকেটটি তৈরি করেছে হায়দরাবাদভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্কাইরুট অ্যারোস্পেস। ‘মিশন আগমন’ নামে পরিচালিত এই অভিযান ছিল কোনো ভারতীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রথম কক্ষপথে উপগ্রহ পাঠানোর চেষ্টা।

উৎক্ষেপণের পর স্কাইরুট অ্যারোস্পেস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানায়, বিক্রম-১ সফলভাবে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে পৌঁছেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, রকেটটি শেষ ধাপের জ্বালানি পোড়ানোর কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করে। এর পরে এটি প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় কক্ষপথে বহন করা সব পেলোড সফলভাবে স্থাপন করে। পেলোড বলতে বোঝায় রকেট যে জিনিসগুলো মহাকাশে নিয়ে যায় এবং নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছে দেয়।

স্কাইরুটের দাবি, এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে বেসরকারি উদ্যোগে কক্ষপথে রকেট উৎক্ষেপণের সক্ষমতা অর্জন করল। রকেটটি শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় উৎক্ষেপণের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগে পরিকল্পনা অনুযায়ী কাউন্টডাউন কিছু সময়ের জন্য থামিয়ে দেয় মিশন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। এতে উৎক্ষেপণে সামান্য বিলম্ব হয়। পরে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে বিক্রম-১ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।

উৎক্ষেপণের সময় মিশন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবন কুমার চান্দানা ও নাগা ভারত ডাকা। তারা দুজনই ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর সাবেক বিজ্ঞানী। এ সময় ইসরোর চেয়ারম্যান ভি. নারায়ণন, সংস্থাটির সাবেক কয়েকজন প্রধান, ভারতীয় মহাকাশচারী শুভাংশু শুক্লা এবং অন্ধ্র প্রদেশের মন্ত্রী নারা লোকেশও উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানায়, সফল উৎক্ষেপণের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফোন করে স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের প্রতিষ্ঠাতাদের অভিনন্দন জানান।

সফল উৎক্ষেপণের পর স্কাইরুট অ্যারোস্পেস এক্সে লিখেছে, 'বিক্রম-১ সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছেছে। রকেটটি ৪৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তার সব পেলোড স্থাপন করেছে। ভারতের বেসরকারি মহাকাশ কর্মসূচির জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন।' আরেকটি পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি লিখেছে, 'স্বাগতম মহাকাশ, আমরা এসে গেছি। ভারতের বেসরকারি খাতের প্রথম কক্ষপথগামী মহাকাশ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।'

এই অভিযানে বিক্রম-১ পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে একাধিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের পেলোড বহন করে। এর মধ্যে ছিল গ্রাহা স্পেস, কসমোসার্ভ স্পেস, ডিসিকিউবড এবং স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের নিজস্ব পরীক্ষামূলক পেলোড। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রকেটটি কয়েকটি স্মারক সামগ্রীও বহন করেছে। এর মধ্যে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে লেখা ‘বন্দে মাতরম’ লেখা একটি পোস্টকার্ড, ভারতীয় বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও মহাকাশচারীদের পোস্টকার্ড, ১৮ ক্যারেট সোনার তৈরি একটি ক্ষুদ্র রকেট এবং একটি ক্ষুদ্র শিল্পকর্ম। ওই শিল্পকর্মে ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির অগ্রদূত বিক্রম সারাভাই, নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী স্যার সি. ভি. রমন এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালামের ক্ষুদ্র ভাস্কর্য রাখা হয়েছে। স্কাইরুট জানায়, ভারতের বিজ্ঞান ও মহাকাশ গবেষণায় তাদের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতেই এসব স্মারক বহন করা হয়েছে।

স্কাইরুট অ্যারোস্পেস জানিয়েছে, এই প্রথম উড্ডয়ন থেকে সংগ্রহ করা সব তথ্য বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করা হবে। এর মাধ্যমে রকেটের দিকনির্দেশনা, নেভিগেশন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রযুক্তির কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এসব তথ্য ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক মহাকাশ উৎক্ষেপণ আরো উন্নত করতে কাজে লাগানো হবে। এ ছাড়া বাস্তব উড্ডয়নে বিক্রম-১-এর হালকা কার্বন কম্পোজিট কাঠামো এবং ত্রিমাত্রিক (৩ডি) মুদ্রণ প্রযুক্তিতে তৈরি ইঞ্জিনও সফলভাবে পরীক্ষা হয়েছে।

স্কাইরুট অ্যারোস্পেস ২০২২ সালে ‘বিক্রম-এস’ নামে একটি সাবঅরবিটাল রকেট সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছিল। তবে বিক্রম-১ই কোম্পানির প্রথম রকেট, যা পৃথিবীর কক্ষপথে পেলোড স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। এই সাফল্যের মাধ্যমে স্কাইরুট এখন সাবঅরবিটাল পরীক্ষা থেকে পূর্ণাঙ্গ কক্ষপথে বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণের পর্যায়ে প্রবেশ করল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফল উৎক্ষেপণ ভারতের বেসরকারি মহাকাশ শিল্পের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ বাজারেও ভারতের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%