ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের


বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে চলমান বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু সমবেদনা জানিয়েছেন। রবিবার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি একটি পোস্টে সমবেদনা জানান।

পোস্টে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেছেন, "চলমান মৌসুমি বন্যা ও ভূমিধসের ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় মালদ্বীপ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সরকার এবং জনগণের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা ও শোক প্রকাশ করছি।"

তিনি আরো বলেন, "যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, সেই পরিবারগুলোর এবং যাদের জীবিকা ব্যাহত হয়েছে, তাদের সবার প্রতি আমাদের সমবেদনা ও প্রার্থনা রইল।" এই কঠিন সময়ে মালদ্বীপ বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকল জনগণের নিরাপত্তা, শক্তি ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁর মহাদেবপুরে বাড়ি থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


নওগাঁর মহাদেবপুরে বাড়ি থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর মহাদেবপুর থেকে থানা পুলিশ স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে উপজেলার সফাপুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রাম থেকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- লোকমান মন্ডল (৫৫) ও তার স্ত্রী দেলোয়ারা (৫০)। স্থানীয় বাসিন্দা রাজু আহমেদ জানান, নিহত দম্পতি ছেলে ও মেয়েসহ ওই বাড়িতে বাস করতেন। আজ ভোর ৪টার দিকে তাঁদের ছেলে মুক্তার হোসেন নিকটাত্মীয়দের ফোন করে জানান, তার বাবা-মা দু’জনেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফোন ছেড়ে মুক্তার চিৎকার শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। ঘরের দরজা খুলে ভিতরে তারা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

মহাদেবপুর থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, নিহত দুজনের শরীরের আঘাতের তেমন কোনো চিহ্ন নেই। স্থানীয়দের বরাতে ওসি আরও জানিয়েছেন, এই দম্পতির মৃত্যুর কারণ প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। তবে জানা যায়, তাদের ছেলে মুক্তার অনলাইন জুয়ায় আসক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে বাবা-মাকে টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের সমর্থন থাকলে দেশ পুনর্গঠনে কোনো বাধাই টিকবে না: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


জনগণের সমর্থন থাকলে দেশ পুনর্গঠনে কোনো বাধাই টিকবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, 'বর্তমান বিএনপি সরকারের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। তাই জনগণের সমর্থন যতক্ষণ থাকবে এবং জনগণ যতক্ষণ পাশে থাকবে, বিএনপি কোনো বাধাই মানবে না।'

তিনি আরও বলেন, 'আমরা এই দেশটাকে পুনর্গঠন করতে চাই, সামনে এগিয়ে নিতে চাই। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশটাকে একদিন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ।'

আজ সকালে গৌরনদীর বাটাজোরে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত নারীদের ডেকে জানতে চান, 'আপনি ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন? এই কার্ড নিয়ে কী কী উপকার পেয়েছেন?'

এ সময় পারুল আখতার নামে এক নারী মঞ্চে গিয়ে বলেন, 'এই কার্ড পেয়ে অনেক উপকার পেয়েছি। আমার সংসারের অভাব দূর হয়েছে। আমি আশা করি, আগামীতেও প্রধানমন্ত্রী আমাদের এরকম সহযোগিতা করে যাবেন। বিপদে-আপদে সবসময় আমাদের পাশে থাকবেন।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এখানে ৬০০-এর মতো পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। আমি জানি, আরও অনেক পরিবার আছে, যারা এখনও কার্ড পায়নি। তবে আগামীতে তারাও পাবে। সারাদেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ধীরে ধীরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী পাঁচ বছরে সকল পরিবারের কাছে কার্ড পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব।'

তিনি আরও বলেন, 'আজ মা-বোনদের কাছে শুনলাম, ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পরে সংসারের কাজগুলো গুছানোর জন্য একটু হলেও তাদের সুবিধা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্যই হলো, আমাদের মায়েরা যাতে ভালো থাকতে পারেন, দেশের মানুষ যাতে একটু হলেও ভালো থাকতে পারেন।'

তারেক রহমান বলেন, 'দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দেশের প্রত্যেক মা ও প্রত্যেক নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে সকলের সাহায্য, সমর্থন ও সহযোগিতা বর্তমান সরকারের প্রয়োজন।'

বিএনপি সরকারকে পাশে থাকতে দেশের নারীসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আপনারা সকলে যদি সরকারকে সহযোগিতা করে পাশে থাকেন, তাহলে আমরা আস্তে আস্তে সারাদেশেই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পারব।'

তিনি আরও বলেন, 'আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আমরা সমাজে বিরাট পরিবর্তন আনতে সক্ষম হব। ধীরে ধীরে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে আমাদের নারীরা। একই সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবেও তারা শক্তিশালী হবে।'

দেশের সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে ভালো থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা দেশের সকল নাগরিক এবং সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে শান্তিতে চলতে চাই। আমরা ধৈর্যশীল হলে এই বাংলাদেশকে আমাদের প্রত্যাশিত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান যে ধর্মের অনুসারীই হই, আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য সকল ধর্মের মানুষ মিলে শান্তিতে বসবাস করার। কাজেই বর্তমান ও ভবিষ্যতেও ধর্মীয় ভেদাভেদ না করেই চলতে চাই। সবাইকে মানবিকতার ভিত্তিতে বিচার করে এই দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই আমরা।'

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা একটি কথা বলে থাকি, "করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"। এবার আরেকটি কথা বলতে চাই, 'করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ"। আগামী দিনে সবাই যাতে একটু ভালো থাকতে পারি, সবাই যাতে একটু ভালোভাবে চলতে পারি সেটিই হচ্ছে বর্তমান সরকারের রাজনীতি এবং আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।'

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় নেতারা।

এরপর প্রধানমন্ত্রী গৌরনদী থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। তিনি সেখানে ত্রিশ গোডাউনের বধ্যভূমি-সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটি ছোট্ট সেতুর অপেক্ষায় কয়েক গ্রামের মানুষ, স্বাধীনতার পরও সাঁকোই ভরসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


একটি ছোট্ট সেতুর অপেক্ষায় কয়েক গ্রামের মানুষ, স্বাধীনতার পরও সাঁকোই ভরসা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের দক্ষিণ চর হাজীপুর মাঝি বাড়ি থেকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মাস্টার বাজার পর্যন্ত যাতায়াতের পথে আজও উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছায়নি। স্বাধীনতার এত বছর পরেও ব্রহ্মপুত্র নদের একটি শাখা খালের ওপর একটি ছোট সেতুর অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হতে হচ্ছে কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ হলো, হোসেনপুর উপজেলার অংশে খালের ওপর একটি সেতু না থাকায় প্রতিদিন কৃষক, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যেতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। জরুরি অসুস্থ রোগী পরিবহনেও দেখা দেয় চরম ভোগান্তি।

এলাকাবাসী জানান যে, জিনারী ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের অধিকাংশ ফসলি জমি খালের ওপারে। কৃষকদের উৎপাদিত ধান, পাটসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য মাঠ থেকে ঘরে তুলতে প্রতিনিয়ত অতিরিক্ত সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সোমবার(১৩ জুলাই) সরেজমিনে কথা হলে সাবেক গ্রাম সরকার আবেদ আলী বলেন, "স্বাধীনতার পর থেকে আমরা শুধু আশ্বাসই শুনে আসছি। একটি ছোট্ট সেতুর অভাবে কয়েকটি গ্রামের মানুষ বছরের পর বছর কষ্ট করছে। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের একটাই দাবি—দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হোক।"

স্থানীয় কৃষক মোসারফ বলেন, "আমাদের জমি খালের ওপারে। ধান, পাটসহ সব কৃষিপণ্য এই সাঁকো দিয়ে আনা-নেওয়া করতে হয়। এতে সময়, শ্রম ও খরচ অনেক বেড়ে যায়। অনেক সময় কৃষিপণ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।"

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাসুম বলেন, "এটি শুধু একটি গ্রামের নয়, কয়েকটি গ্রামের মানুষের প্রাণের দাবি। একটি সেতু হলে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। আমরা দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।"

ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এনামুল হক মাঝি বলেন, "এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্ভোগ সহ্য করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি জনস্বার্থকে গুরুত্ব দেয়, তাহলে দ্রুত এই স্থানে একটি সেতু নির্মাণ সম্ভব। আমরা অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ চাই।"

ক্ষুদে শিক্ষার্থী আশিক বলে, "প্রতিদিন স্কুলে যেতে এই সাঁকো পার হতে খুব ভয় লাগে। বর্ষাকালে আরও বেশি ভয় হয়। আমরা চাই এখানে একটি ভালো সেতু হোক, তাহলে নিরাপদে স্কুলে যেতে পারব।"

স্থানীয়দের ভাষ্য, অতীতে সেতু নির্মাণের জন্য একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাদের প্রত্যাশা, জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ করা হোক, যাতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটে।

এলাকাবাসীর দাবি হলো, একটি ছোট্ট সেতুই বদলে দিতে পারে কয়েকটি গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা। সহজ হবে শিক্ষা, কৃষি, চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলেও প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান। সভার চলাকালে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, সড়ক নিরাপত্তা, বাজার তদারকি, বল্য বিবাহ, জননিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সরকারি সেবার মানোন্নয়ন সহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদার, ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইব্রাহিম মোল্লা, ২নম্বর নদমূলা-শিয়ালকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবা উদ্দিন আরিফ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান হাওলাদার, ৭ নম্বর গৌরীপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আঃ রহমান, শাহাবুদ্দিন সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম, সাংবাদিক শাহজাহান হোসেন, তরিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

সভায় বক্তারা উপজেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%