ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের এগিয়ে আসার আহ্বান


ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের এগিয়ে আসার আহ্বান

রাজনীতি

সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল উদযাপন কমিটির উদ্যোগে, গত মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মাহফিলের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবুল হাসনাত মো. আব্দুল হালিম। মাহফেলে প্রধান আলোচক হিসেবে ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি আলী হাসান উসামা।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মসিউল আলমের সভাপতিত্বে এবং অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমানের পরিচালনায় এই সীরাত মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট আবদুর রাজ্জাক, অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন, অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট খালিদ আহমেদ, সিনিয়র অ্যাডভোকেট আবদুল হক, সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন, অ্যাডভোকেট এস এম জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাডভোকেট আবদুল করিম, অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন এবং অ্যাডভোকেট আব্দুল কাইয়ুম ভুঁইয়া প্রমুখ।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবুল হাসনাত মো. আব্দুল হালিম বলেন, মহানবী হযরত মোহম্মদ (সা.) যে আদর্শ নিয়ে এসেছেন, সেই আদর্শ অনুসরণ করে মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার আইনজীবীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি আইনজীবী সমাজকে এই দুটি বিষয় নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মহানবীর আদর্শে মানবাধিকার ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

প্রধান আলোচক মুফতি আলী হাসান উসামা কোরআনের আয়াত উল্লেখ করে বলেন, আইনজীবীদের শপথ নিতে হবে যে, আমরা কোনো বিশ্বাসঘাতকের পক্ষে মামলায় লড়বো না এবং কোনো বাতিলের हाथকে শক্তিশালী করবো না। তিনি আইনজীবীদের প্রেরণা দিয়ে বলেন, রিজিকের মালিক আল্লাহ। অন্যায়ের সাথে আপস করা যাবে না, ন্যায়ের পক্ষে থাকতে এবং মজলুমদের সহযোগিতা করতে আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিলের উদ্দেশ্য হলো, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠা করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুম প্রতিরোধে কার্যকর আইন আনার প্রতিশ্রুতি রাখেনি সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:২২ এম


গুম প্রতিরোধে কার্যকর আইন আনার প্রতিশ্রুতি রাখেনি সরকার

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এনসিপির আয়োজিত মানবাধিকার কমিশন ও গুম আইনবিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী। 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, সরকার মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধের পূর্ববর্তী অধ্যাদেশগুলো বাতিল করে দিয়েছে। বর্তমান খসড়া আইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় কমিশনের স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। এমন বাহিনীর হাতে গুমের ঘটনায় তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ থাকতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার বরং উল্টো পথে পা বাড়িয়ে ভালো আইন আনার পরিবর্তে।

মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচা ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ খসড়া আইন, ২০২৬: আইনি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

বৈঠকে আখতার হোসেন বলেন, গুমের ভুক্তভোগী কোনো পরিবার অভিযোগ করতে গেলেও, অভিযোগ যদি মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তাহলে পাঁচ বছরের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ফলে গুমের ঘটনা ঘটলেও ভুক্তভোগী পরিবারকে ভয় দেখানোর সুযোগ তৈরি হবে। আমাদের দেশে একটি ন্যায্য ও ফেয়ার সিস্টেম প্রতিষ্ঠা চাই। একটি জবাবদিহি চাই। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে সাধারণ নাগরিকদের মতামতকে ধারণ করে আইনগুলো নতুনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, শুধু আমলা ও বাহিনীর মতামতের ভিত্তিতে নয়। বর্তমান খসড়া আইন এভাবে যদি সংসদে পাস হয়, তাহলে মানবাধিকার সুরক্ষায় যে অগ্রগতি হয়েছিল, তা থেকে বাংলাদেশ আবারও পিছিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, অতীতে বাহিনীগুলো গুম করত এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটাত, তারা দায়মুক্তি পেয়ে যেত। তবে সামনে কি আমরা আবারও এরকম দৃশ্য দেখতে চাই? অতীতের মতো দায়মুক্তির সংস্কৃতি পুনরায় ফিরিয়ে আনা উচিত নয় এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান তৈরি করতে হবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, একটি জাতি বা রাষ্ট্রের শক্ত আদর্শগত ভিত্তির প্রয়োজন রয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ছাড়া শুধুমাত্র রাজনৈতিক দল বা নেতৃত্বের পরিবর্তন দ্বারা কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীন ও কার্যকর না করলে সমস্যার সমাধান হবে না। গুম প্রতিরোধ, মানবाधিকার কমিশন, এবং পুলিশ কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল বা দলীয়করণ করা হলে, এগুলো তাদের কাঙ্ক্ষিত ভূমিকায় সফল হতে পারবে না।

গুমের ঘটনায় পুলিশের ওপর তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী প্রশ্ন উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, বিএনপি তাদের প্রতিশ্রুতি ও জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে। বিচার বিভাগ, মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন এবং পুলিশ কমিশনের মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণে আসা উচিত নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি এই ভুল পথ থেকে সরে এসে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করবে।

আলোকচিত্রী, লেখক ও মানবাধিকার কর্মী শহীদুল আলম বলেন, স্বৈরাচার চলে যাওয়ার পর একটি ভিন্ন বাংলাদেশ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল। দায়িত্বশীল রাজনীতি নিশ্চিত করা জরুরি এবং রাজনীতিবিদরা ক্ষমতায় গেলে জনগণের কথা যেন ভুলে না যান, তা নিশ্চিত করা জনগণের দায়িত্ব। নিরাপত্তা বাহিনী সংক্রান্ত অভিযোগে এনএইচআরসির স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা বহাল রাখতে হবে, কমিশনার বাছাই প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে এবং গুম আইনের দুর্বলতা সংশোধন করা প্রয়োজন। নতুন সরকার অতীতের পথ থেকে সরে এসেছে, এটি শুধু কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ড. শরীফ ভূঁইয়া বলেন, মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধের মতো প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনা। জুলাই সনদ ও নির্বাচনি ইশতেহারে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার কমিশন ও সংসদ সদস্যদের স্বাধীনতার বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। আপনারা ভোটের আগে বলেছেন, ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করবেন, সুপ্রিম কোর্ট স্বাধীন করবেন, মানবাধিকার স্বাধীন করবেন। নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখ রয়েছে যে, মানবাধিকার কমিশন স্বাধীন হবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য মানদণ্ড মেনে প্রতিষ্ঠা করা হবে। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতির প্রতি অঙ্গীকার করছেন না।

বৈঠকে শিক্ষাবিদ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং গুমসংক্রান্ত কমিশনের সাবেক সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক তিনটি আইনি পরিবর্তনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে। মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত ক্ষমতা সীমিত করা এবং অভিযোগ অভিযুক্ত বাহিনীর কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা এর উদাহরণ। র‍্যাবের ক্ষেত্রেও প্রস্তাবিত তদন্ত কাঠামো স্বাধীন তদন্ত নিশ্চিত করে না।

তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের সুরক্ষার যুক্তিতে স্বাধীন তদন্ত বন্ধ করা ঠিক নয়। দীর্ঘদিন পরও পুরোনো অপরাধের ঘটনায় কর্মকর্তারা আইনের আওতায় আসতে পারেন। এমনকি বহু বছর পরও সামান্য একটি সূত্র ধরে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ উদ্ধার করা সম্ভব। তবে সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় অভিযানের ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করি। এজন্য স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা বাতিল না করে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আলাদা আইনি কাঠামো করা উচিত বলে মত দেন। তার মতে, স্বাধীন তদন্তের ক্ষমতা খর্ব করলে কর্মকর্তাদের প্রকৃত সুরক্ষা হবে না; বরং ভবিষ্যতে তারা বেশি ঝুঁকিতে পড়বেন।

এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলোর পুরোনো খাসলত বদলায় না কেন, এটি বোঝা জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলো অনেক কিছু ওয়াদা করে, কিন্তু বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করে না। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে মানবিক মর্যাদার উল্লেখ রয়েছে। তবে মানুষকে অধিকার না দিলে তার মর্যাদা দেওয়া সম্ভব নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় আনতে পুলিশ কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে, তাও বাস্তবায়িত হয়নি। রাষ্ট্রের সংকট কাটাতে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রয়োজন, যার ভিত্তি হবে ক্ষমতার কাঠামো আলাদা করা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা।

এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক অ্যাডভোকেট আরমান হুসাইনের সঞ্চালনায় গোলটেবিল বৈঠকে আরও অংশ নেন আইনজীবী ও সাবেক বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য তানিম হোসেন শাওন, গণভোট বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরামের আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুর, এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির উপ-প্রধান সারোয়ার তুষার, মানবাধিকার কর্মী রুবি আমাতুল্লাহ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত সাড়ে ৮ লাখ লেবানিজ ফিরেছে ঘরে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ এম


ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত সাড়ে ৮ লাখ লেবানিজ ফিরেছে ঘরে

ইসরায়েলি বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া ৮ লাখ ৫০ হাজারের বেশি লেবানিজ তাদের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে গেছে বলে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে। তবে সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে যে, দেশটিতে মানবিক সংকট এখনো কাটেনি।

মঙ্গলবার একটি বিবৃতির মাধ্যমে ইউএনএইচসিআর জানায়, প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার মানুষ তাদের নিজ এলাকায় ফিরে এলেও, এখনো প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে অন্তত ২২ হাজার মানুষ যৌথ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। অনেকে স্বজনদের বাড়িতে কিংবা অতিরিক্ত জনবহুল ভাড়া বাসায় থাকছেন।

সংস্থাটি আরও জানায়, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা থাকলেও, গত সপ্তাহে দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলার ফলে আবারও মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ইসরায়েলি আগ্রাসনের সময় সংঘাতের তীব্র পর্যায়ে লেবাননের অভ্যন্তরে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ছিল। ইউএনএইচসিআর বলছে, সংঘাতের তীব্রতা কমলেও, বিমান হামলা এখনো মানুষের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে রয়েছে।

পাশাপাশি, চলাচলে বিধি-নিষেধ, সামরিক তৎপরতা ও অবিস্ফোরিত যুদ্ধাস্ত্রের ঝুঁকি দক্ষিণ লেবানন এবং বেকা অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় মানুষের নিরাপত্তা ও স্থায়ী পুনর্বাসনের পথে বাধা হয়ে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেশাগত প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ আইনজীবী তৈরি হচ্ছে না: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৭ এম


পেশাগত প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ আইনজীবী তৈরি হচ্ছে না: আইনমন্ত্রী

বর্তমানে শর্টকাটে অনেকেই আইনজীবী হয়ে যাচ্ছেন। তবে পেশাগত প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ আইনজীবী গড়ে উঠছে না, এমনটাই বলেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে আইনজীবীদের জন্য বেসরকারি এক ব্যাংকের উপশাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ১৭ হাজার আইনজীবী থাকলেও চূড়ান্ত শুনানি করার মতো পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনজীবী তৈরি করা যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে আইন পেশাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে হলে যা করা সম্ভব আমরা সেটা করতে চাই, তবে এ জন্য বার কাউন্সিলের সদস্য ও আইনজীবীদেরও দায়িত্ব রয়েছে।

আইনমন্ত্রী আইজীবীদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় সরকারের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, পেশার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরকারের কাছে দাবি জানাতে হয়। কিন্তু গত ছয় মাসে আমার কাছে এ রকম কোনো দাবি জানানো হয়নি।

আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য পর্যায়ক্রমে ৮০ হাজার আইনজীবীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এটা একমাত্র প্রফেশন যাদের কোনো ট্রেনিং হয় না। সরকারি চাকরিজীবী ও বিচারকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও আইনজীবীদের জন্য পেশাগত প্রশিক্ষণের তেমন কোনো কাঠামো নেই।

আইনজীবীরা আইন পেশার সনদ নিয়ে সিনিয়রের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে একদিন নিজেও সিনিয়র হয়ে যান। এর মাঝে তার আর কোনো ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা নেই।

আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী।

তিনি উল্লেখ করেন, নিজেদের সমৃদ্ধ, প্রস্তুত ও প্রশিক্ষিত করার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বার কাউন্সিলের যে প্রশিক্ষণব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন, বিগত বছরগুলোতে তা করা সম্ভব হয়নি।

আমরা initiative নিয়েছি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে ঢেলে সাজাবো। বাংলাদেশের আইন পেশাকে ঢেলে সাজাতে চাই।

মো. আসাদুজ্জামান জানান, আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নামে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

পর্যায়ক্রমে প্রতিবছর এই বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে বলেও তিনি জানান।

আইনজীবীদের পেশাগত পরিসরও ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ এখন নানান ধরনের বিরোধের সমাধান নিজেরাই করার চেষ্টা করছেন।

বিচার বিভাগ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় ও বিচার বিভাগের বাজেট নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোর্ট ফি ও ওকালতনামার মাধ্যমে বিচার বিভাগ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা আয় হলেও পুরো বিচার বিভাগের জন্য বার্ষিক বাজেট দুই হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি।

তার মতে, সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দও খুবই অপ্রতুল। আইনজীবী পেশার মর্যাদা বাড়াতে বার কাউন্সিলকে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন এবং সদস্য বদরুদ্দোজা বাদল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫১ এম


সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামীর মৃত্যু

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ আর নেই।

তিনি মারা গেছেন মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড)। তাঁর মৃত্যুতে আমরা "ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন" বলা ছাড়া অন্য কিছু বলার পারে না।

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তৌফিক নেওয়াজ দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর দাফন ও জানাজার বিষয়ে আজ বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন টিপু।

তৌফিক নেওয়াজ ২০১৯ সালে স্ট্রোক করেছিলেন। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দি স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল স্বজনেরা। তৌফিক নেওয়াজ পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ধ্রুপদী সংগীতের চর্চাও করতেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%