০১:৫৭ এম
তুরস্কে অনুষ্ঠিত হতে চলছে ন্যাটোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন। এই সম্মেলনের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এটি বিশ্বের দুটি বড় সংঘাত সমাধানের চেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রবিবার হোয়াইট হাউস এই সংবাদটি জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যে, আগামী বুধবার বিকালে ট্রাম্প উক্ত বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করবেন।
তুরস্কের শহর আঙ্কারায় ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে চলছে এবং এই যুদ্ধ থামানোর জন্য জোর প্রয়াস চালানো হচ্ছে। আমেরিকার এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প যুদ্ধ কিভাবে শেষ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করবেন। যুদ্ধ থামানো দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের প্রধান লক্ষ্য। জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও যোগাযোগ করবেন।
আরও পড়ুন: জাতিসংঘে মানবাধিকারভিত্তিক অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের আহ্বান বাংলাদেশ
গত শনিবার, আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন ও জেলেনস্কি। এর পূর্বে, জুন মাসে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানে নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ থামানোর জন্য চাপ বাড়ানোর বিষয়ে সমতা ব্যক্ত করেন। কিন্তু, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে কিছু উত্তেজনাও দেখা গিয়েছিল। সেই সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে জেতার ক্ষমতা জেলেনস্কির নেই।
অন্যদিকে, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট শারার সঙ্গেও ট্রাম্পের বৈঠক অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ হবে। বর্তমানে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধ চলমান। ট্রাম্প পূর্বে মন্তব্য করেছিলেন, সিরিয়া সেখানে সামরিক দিক থেকে জড়িয়ে পড়তে পারে। তবে প্রেসিডেন্ট শারা এটি অস্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন, সিরিয়া লেবাননের সঙ্গে কেবল অর্থনৈতিক সম্পর্ক চায়, সামরিক সম্পর্ক নয়। গত বছর ট্রাম্প সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট শারাকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন