ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খামেনির জানাজার ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তাৎপর্য কী?


খামেনির জানাজার ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তাৎপর্য কী?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পরগত চার মাস পরে অবশেষে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শুরু হয়েছে। সপ্তাহব্যাপী এই শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের সঙ্গে এখন সরকার বিশেষ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে ক্ষমতায় থাকা এই সরকার নিজেদের সমর্থকদের মধ্যে একতা রক্ষার জন্য এবং নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের জন্য নানা ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহার করছে। উল্লেখযোগ্য যে, খামেনির মৃত্যুর পর গত মার্চ মাসে তার ছেলে মোজতবা খামেনি দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

এই জানাজা অনুষ্ঠানের সরকারি স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘আমাদের জাগতে হবে’। আর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহর জন্য জাগো’। প্রচারণার মধ্যে খামেনির একটি মুষ্টিবদ্ধ হাতের ছবি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। ১৯৮১ সালের একটি বোমা হামলার ফলে খামেনির ডান হাত অবশ হয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

মোজতবা খামেনি একবার্তায় জানান, মৃত্যুর সময় খামেনির সুস্থ হাতটি মুষ্টিবদ্ধ ছিল। সেখান থেকেই এই জেদি হাতের ছবি তৈরি করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তার কারণে নতুন নেতা মোজতবা ব্যক্তিগতভাবে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত নয়।

অনুষ্ঠানে শোক এবং প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে কালো ও লাল রঙ ব্যবহার করা হয়েছে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় একটি বিশাল লাল পতাকা উড়ানো হয়েছে। এতে আরবিতে লেখা, ‘হে হোসেনের প্রতিশোধ গ্রহণকারীরা’। এইভাবে কারবালার ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে খামেনির মৃত্যুকে সংযুক্ত করে আমেরিকা ও ইসরায়েলের প্রতি প্রতিশোধ গ্রহণকে ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

খামেনির মরদেহ বহনের পথটিতে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। মরদেহটি তেহরান থেকে শিয়াদের পবিত্র শহর কোম, এরপর ইরাকের নজফ ও কারবালা হয়ে ইরানের মাশহাদে দাফন করা হবে। এই পথটি মূলত শিয়া মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোকে সংযুক্ত করেছে।

জানাজার অনুষ্ঠানে লেবাননের হিজবুল্লাহ, ফিলিস্তিনের হামাস এবং ইয়েমেনের হুতিদের মতো প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে একেক দেশের প্রতিনিধিদের সামনে কোরআনের একেকটি আয়াত পড়ে শোনানো হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের প্রতিনিধিদের সামনে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের আয়াত পড়া হয়েছে, যা নিয়ে বর্তমানে যথেষ্ট আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অফসাইডের কারণে বাতিল হলো নরওয়ের গোল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২১ এম


অফসাইডের কারণে বাতিল হলো নরওয়ের গোল

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণের মনোভাব নিয়ে ফুটবল খেলছে নরওয়ে। ম্যাচের শুরুতেই ব্রাজিলের রক্ষণে একের পর এক চাপ তৈরি করেছে ইউরোপের এই দলটি।

তৃতীয় মিনিটে প্যাট্রিক বার্গ বলটি জালে পাঠালেও, সহকারী রেফারির অফসাইডের সিদ্ধান্তের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে ব্রাজিল শুরুতেই পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা থেকে রক্ষা পায়।

এরপরও নরওয়ে তাদের আক্রমণের ধরন কমায়নি। আলেকজান্ডার সোরলোথের প্রচেষ্টায় ষষ্ঠ মিনিটে তারা একটি কর্নার আদায় করেছে। কর্নার থেকে আর্লিং হালান্ডকে লক্ষ্য করে আক্রমণের চেষ্টা করা হলেও, শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের রক্ষণ বিপদমুক্ত থাকে।

অন্যদিকে, ম্যাচের শুরুতে নিজেদের খেলা খুঁজে পেতে কিছুটা সময় নিচ্ছে ব্রাজিল। হলুদ জার্সিধারী ফুটবলাররা এখন পর্যন্ত নরওয়ের আক্রমণ সামলাতেই বেশি ব্যস্ত। তবে চোট থেকে সেরে উঠে দলে ফিরে আসা রাফিনিয়াকে বদলি হিসেবে মাঠে নামানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারেনি ব্রাজিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৩ এম


পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারেনি ব্রাজিল

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে গোলের সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছে ব্রাজিল।

ম্যাচের ১২ মিনিটে বক্সের ভেতরে মাতেউস কুনিয়াকে ফাউল করেন নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্তোফার আয়ের। প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বললেও পরে ভিডিও সহকারী রেফারির সহায়তায় সিদ্ধান্ত বদলে ব্রাজিলকে পেনাল্টি দেন ম্যাচ কর্মকর্তা।

পেনাল্টি নিতে আসেন ব্রুনো গিমারাইস। তবে তার নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক অরিয়ান নিল্যান্ড। ফলে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

এর আগে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল নরওয়ে। তৃতীয় মিনিটে প্যাট্রিক বার্গ বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপর ষষ্ঠ মিনিটে সোরলোথের প্রচেষ্টায় কর্নার পেলেও সেখান থেকে গোল করতে পারেনি নরওয়ে।

অন্যদিকে ১০ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বাম দিক দিয়ে ব্রাজিলের প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণ গড়ে তুললেও তার ক্রস গোললাইন পেরিয়ে বাইরে চলে যায়। ম্যাচের শুরুতে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও এখন পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমপি ও ওসির স্বাক্ষর জাল করে চাঁদাবাজির অভিযোগে একজন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৫ এম


এমপি ও ওসির স্বাক্ষর জাল করে চাঁদাবাজির অভিযোগে একজন গ্রেফতার

গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে এমপি ও কোনাবাড়ী থানার ওসির স্বাক্ষর জাল করে বাংলাদেশ অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ফেডারেশনের নামে ভুয়া অনুমতিপত্র বানিয়ে চাঁদাবাজি করার অভিযোগে আ. মমিন নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে সফিপুর এলাকায় স্থানীয়রা তাকে আটক করেন এবং পরে পুলিশকে সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় শ্রমিক নেতা মাসুদ বাদী হয়ে কালিয়াকৈর থানায় মমিনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আ. মমিন নিজেকে বাংলাদেশ অটোরিকশা-অটোটেম্পু শ্রমিক ফেডারেশন, কোনাবাড়ী থানা শাখার চেয়ারম্যান বলে পরিচয় দিতেন। তার কাছে একটি অনুমতিপত্রে গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য, কোনাবাড়ী থানার ওসি এবং কালিয়াকৈর উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম ও স্বাক্ষর জাল করা একটি লিফলেট ধরা পড়েছে।

অনুমতিপত্রে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নামে স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের কথা উল্লেখ থাকলেও, এই কাগজ ব্যবহার করে তিনি অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা তুলতেন। রোববারও (৫ জুলাই) সফিপুর এলাকায় এই অনুমতিপত্র দিয়ে চাঁদাবাজি করার সময় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করেন। পরে কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায় স্বাক্ষরগুলো জাল ছিল।

এক ভুক্তভোগী জানান, মমিন প্রশাসনের অনুমতি রয়েছে বলতেন। চাঁদা না দিলে গাড়ি আটক করবে, মামলা করবে বলেও হুমকি দিতেন, যা শোনার পর অনেকেই ভয়ে তাকে টাকা দিয়েছেন। কালিয়াকৈর থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৯ এম


তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়

 

ইবনু আবি মুলায়কাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করা হয়েছে যে, দুজন নারী একটি ঘর কিংবা একটি কক্ষে সেলাই করছিল। এর মধ্যে হাতের তালুতে সুই বিদ্ধ হয়ে তাদের একজন বেরিয়ে পড়ল এবং অপর একজনের বিরুদ্ধে সুই ফুটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে।

বিষয়টি ইবনু আব্বাস (রা.)-এর কাছে পেশ করা হলে তিনি বললেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি শুধু দাবির ওপর ভিত্তি করে মানুষের দাবি পূরণ করা হয়, তাহলে তাদের জান ও মালের নিরাপত্তা কোনোভাবেই থাকবে না। সুতরাং তোমরা বিবাদীদের আল্লাহর নামে শপথ করাও এবং এ আয়াত (আলে ইমরানের ৭৭ নম্বর আয়াত) তার সম্মুখে পাঠ করো।

এরপর তারা তাকে শপথ করানোর পর সে নিজ দোষ স্বীকার করল। ইবনু আব্বাস (রা.) বললেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, শপথ বিবাদীকে করতে হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৫৫২)।

হাদিসে উদ্ধৃত আয়াতটি হলো- ‘যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে পরকালে তাদের কোনো অংশ নেই। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে চাইবেন এবং তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না; তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ৭৭)।

হাদিসের শিক্ষা

উল্লিখিত হাদিসের আলোকে প্রাজ্ঞ আলেমরা কয়েকটি শিক্ষা ও বিধান বর্ণনা করেন। যা হলো-

১. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের অধিকার রক্ষা করা আবশ্যক।

২. অভিযোগ অন্যায় প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়, বরং সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তা প্রমাণিত হওয়া আবশ্যক।

৩. যথাযথভাবে অনুসন্ধান করার পর বিচারক রায় দেবেন। কেবল অভিযোগ শুনেই তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন না।

৪. বিচার ও সালিসের জন্য প্রাজ্ঞ লোকদের বেছে নেওয়া আবশ্যক। যেভাবে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.)-কে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

৫. হাদিস দ্বারা বোঝা যায়, নারীদ্বয় পৃথক ঘরে কাজ করছিল। সুতরাং ইসলামী সমাজে নারীর কর্মক্ষেত্র পৃথক হবে। যেখানে নারী-পুরুষের মিশ্রণ নেই এবং পরিবেশ নিরাপদ সেখানে নারী কাজ করতে পারে।

৬. শুধু পার্থিব শাস্তির ভয় নয়, বরং অভিযুক্ত ব্যক্তির ভেতর আল্লাহভীতি জাগিয়ে তোলাও প্রয়োজন।

৭. শরিয়তে শপথ দাবি প্রমাণের একটি মাধ্যম। শর্ত হলো শপথকারী মিথ্যাবাদী হবে না।

৮. আল্লাহর অবাধ্য হওয়া তার সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার ভঙ্গের শামিল। কেননা রুহের জগতে সবাই আল্লাহর আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছিল।

৯. মিথ্যা শপথের প্রতিবিধান হলো তাওবা ও কাফফারা প্রদান করা।

১০. তাওবা মানুষকে পরকালের শাস্তি থেকে মুক্তি দেয়। গুনাহের পর তাওবা না করলে পরকালে শাস্তি ভোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%