বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৭:৪৪ পি.এম
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বৃহস্পতিবার সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে অনুমতি ছাড়া যেকোনো জাহাজ চলাচল করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলাকালে ইরান যে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল, সেই প্রণালীর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা এখন তেহরান ও ওয়াশিংটনের চলমান আলোচনার অন্যতম প্রধান বিতর্কিত বিষয় হয়ে উঠেছে।
ইরান সংবাদ প্রকাশ করে জানিয়েছে, প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে তারা ‘সামুদ্রিক সেবা ফি’ আদায় করতে চায়, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, হরমুজ একটি আন্তর্জাতিক জলপথ। ফলে সেখানে কোনো ফি বা টোল আরোপ করা উচিত নয়।
এএফপি সূত্রে তেহরান থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য একমাত্র অনুমোদিত পথ হলো ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান ঘোষিত রুট।’
বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, অনুমতি ছাড়া যে কোনো ধরনের নৌযাত্রা ‘গ্রহণযোগ্য নয় এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক’। এই ধরনের জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।
আইআরজিসি ‘কিছু কর্তৃপক্ষ’ কর্তৃক ঘোষিত নতুন একটি নৌপথের সমালোচনা করেছে, যদিও তাদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
ইরান এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে অবস্থিত হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সবচেয়ে সরু অংশে প্রণালীটির প্রস্থ মাত্র ৩০ কিলোমিটার। বর্তমানে ইরানের অনুমোদিত একমাত্র নৌপথটি দেশটির উপকূলঘেঁষা একটি করিডোর অনুসরণ করছে।
গত সপ্তাহে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, আগামী ৬০ দিন বাণিজ্যিক জাহাজগুলো কোনো ধরনের ফি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে। তবে এই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কী ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
হরমুজ প্রণালীর তীরবর্তী রাষ্ট্র ইরান ও ওমান মঙ্গলবার জানায়, তারা যৌথভাবে পারস্পরিক আলোচনা করে প্রণালীর প্রশাসনিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কতো পরিমাণ ‘খরচ’ আদায় করা হবে তা পর্যালোচনা করবে।
অন্যদিকে, চলতি সপ্তাহে উপসাগরীয় দেশগুলো সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্টভাবে জানান, হরমুজ প্রণালীতে কোনো ধরনের টোল বা ফি আরোপ যুক্তরাষ্ট্র মেনে নেবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা তৃতীয় দিনের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমে গেছে। এই পতনের ফলে এখন আউন্স প্রতি সোনার দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে অবস্থান করছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৫৪ মিনিটে স্পট মার্কেটে ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৩ হাজার ৯৮২ দশমিক ৪৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে আগস্টে ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৯৭ দশমিক ৬০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই তথ্যটি এসেছে রয়টার্সের মাধ্যমে।
ট্রাডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস জানান, ‘ফেডের কড়া নীতিগত অবস্থান এবং এর ফলে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাই মূলত সোনার দরপতনের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে।’
গত সপ্তাহে ফেডের বৈঠকের পর থেকে সোনার দাম ৬ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। সবশেষ বুধবার (২৪ জুন) প্রথমবারের মতো গত বছরের নভেম্বরের পর সোনার দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে চলে গেছে।
সোনার দাম কমার সাথে সাথে রুপা এবং প্লাটিনামের দামেও পতন দেখা গেছে। রুপার দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৫৭ দশমিক ২৬ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া, প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭১ দশমিক ৯৫ ডলারে।
এদিকে, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) সই করা হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকটি বুধবার (২৫ জুন) বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই (Diaoyutai) অতিথি ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে এই স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।
বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) হুমায়ুন কবির এবং চীন কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং স্মারকে সই করেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। উল্লেখযোগ্য যে, এটি ছিল দুই দলের মধ্যে প্রথমবারের মতো করা একটি সমঝোতা স্মারক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুসলিম সমাজে যুগ যুগ ধরে আশুরার রোজা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তবে এই রোজা একদিন রাখা যথেষ্ট, নাকি দুইদিন রাখা আবশ্যক, এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা দেখা যায়।
এবং যদি আমরা হাদিস, ফিকহ, মুজতাহিদ ইমামদের ব্যাখ্যা এবং সমকালীন ফতোয়া বোর্ডগুলোর সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করি, তাহলে এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান পাওয়া যায়।
আশুরার রোজার ভিত্তি সহিহ হাদিস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন মদিনায় এসে উপস্থিত হন, তখন তিনি দেখতে পান যে, ইহুদিরা ১০ মহররমে রোজা পালন করছে। যখন তিনি তাদের কারণে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তারা জানায় যে, এ দিন আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা আ. ও বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং ফেরাউনকে ধ্বংস করেছিলেন।
এখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মুসার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক তোমাদের চেয়ে অধিক।’ এরপর তিনি নিজে আশুরার রোজা পালন করেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দেন। (সহিহ বুখারি: ২০০৪, সহিহ মুসলিম: ১১৩০)
এখন দেখা যাচ্ছে, এই হাদিসে ১০ মহররমের রোজা হিসেবে আশুরার মূল রোজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে এ দিন রোজা রেখেছেন এবং এর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। পরে তিনি আশুরার রোজার ফজিলত সম্পর্কেও বলেন, আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহের কাফফারা হবে। (সহিহ মুসলিম: ১১৬২)
অর্থাৎ, আশুরার দিনের রোজা নিজেই একটি স্বতন্ত্র সুন্নত এবং মহান ফজিলতের আমল।
তবে রাসূলুল্লাহ (সা.) জীবনের শেষ দিকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। হজরত ইবনে আব্বাস রা. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমি যদি আগামী বছর জীবিত থাকি, তাহলে অবশ্যই নবম তারিখও রোজা রাখব। (সহিহ মুসলিম: ১১৩৪)
এই হাদিসের ব্যাখ্যায় মুহাদ্দিস ও ফকিহরা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ১০ মহররমের রোজা বাদ দেওয়ার কথা বলেননি, বরং ১০ তারিখের সঙ্গে ৯ তারিখ যুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।
তার উদ্দেশ্য ছিল যে মুসলিম উম্মাহকে ইহুদিদের থেকে স্বতন্ত্র পরিচয় দেওয়া এবং ইবাদতে অতিরিক্ত গুরুত্বারোপ করা।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই ইচ্ছা প্রকাশ করার পরবর্তী মহররম আসার আগেই ইন্তেকাল করেন। ফলে তিনি বাস্তবে ৯ ও ১০ মহররম একত্রে রোজা পালন করতে পারেননি। কিন্তু তার এই ইচ্ছা ও নির্দেশনা থেকেই ফকিহগণ দুদিন রোজা রাখাকে অধিক উত্তম বলে উল্লেখ করেছেন।
চার মাজহাবের ইমামদের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কোনো মাজহাবই শুধু ১০ মহররমের রোজাকে অগ্রহণযোগ্য বলেনি। হানাফি, মালেকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি সব মাজহাবের আলেমরা একমত যে, শুধু ১০ মহররমের রোজা রাখলেও আশুরার সুন্নত আদায় হয়ে যায় এবং এর ফজিলত লাভ করা যায়। তবে ৯ ও ১০ মহররম একত্রে রোজা রাখা অধিক উত্তম এবং সুন্নতের অধিক পরিপূর্ণ অনুসরণ।
ইমাম নববী রহ. আশুরার রোজার স্তর বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, সর্বোত্তম হলো ৯, ১০ ও ১১ মহররম তিনদিন রোজা রাখা। এরপর ৯ ও ১০ মহররম। এরপর ১০ ও ১১ মহররম। আর শুধু ১০ মহররম রোজা রাখাও একটি সুন্নত ও ফজিলতপূর্ণ কাজ।
সমকালীন বিশ্বের প্রধান ফতোয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থানও একই। মিশরের দারুল ইফতা, সৌদি আরবের স্থায়ী ফতোয়া কমিটি, দারুল উলুম দেওবন্দ, পাকিস্তানের মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি, শাইখ ইবনু বায, শাইখ ইবনু উসাইমীনসহ অসংখ্য আলেম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, শুধুমাত্র ১০ মহররমের রোজা রাখা বৈধ, সুন্নত এবং ফজিলতপূর্ণ। কিন্তু ৯ ও ১০ মহররম একত্রে রোজা রাখা অধিক উত্তম।
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ইচ্ছা, সাহাবিদের আমল এবং ফকিহদের ব্যাখ্যার আলোকে ৯ ও ১০ মহররম একত্রে রোজা রাখা অধিক উত্তম, আরও পরিপূর্ণ এবং সুন্নতের পরিপন্থী নয়।
ইসলামের সৌন্দর্য এখানেই যে, এটি মানুষের জন্য সহজতা ও ভারসাম্যের পথ উন্মুক্ত রাখে। যে ব্যক্তি দুইদিন রোজা রাখবেন, তিনি অতিরিক্ত সওয়াব ও সুন্নতের পূর্ণতার দিকে অগ্রসর হবেন। আর যে ব্যক্তি শুধুমাত্র ১০ মহররম রোজা রাখবেন, তিনিও আশুরার সুন্নত থেকে বঞ্চিত হবেন না।
উভয় আমলই শরিয়তের স্বীকৃত পরিসরের অন্তর্ভুক্ত, তবে মর্যাদার দিকে থেকে দুইদিন রোজা রাখা অধিক উত্তম ও অধিক পরিপূর্ণ সুন্নত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার লালমোহন উপজেলায় গত দুই দিনে কুকুরের কামড়ে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে থেকে দুপুর পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে সাতজন বিমার চিকিৎসা নেয়। এর পূর্বে বুধবার আরো ১৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশ বদরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছে।
এছাড়া, কিছু কুকুরকে রোগাক্রান্ত অবস্থায় দেখা গেলেও সেগুলোর চিকিৎসা বা নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই এই অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কুকুরের আক্রমণের ভয়ে শিশু, নারী ও বয়স্করা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছে না। বিশেষ করে সকাল এবং সন্ধ্যার সময়ে কুকুরের উপদ্রব বেশি দেখা যাচ্ছে।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবু মাহমুদ তালহা উল্লেখ করেছেন, কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা আক্রান্তদের বিনামূল্যে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেছেন, সামনে কুকুরের প্রজনন মৌসুম আসছে তাই সকলকেই সতর্কতার সাথে চলাফেরা করতে হবে। সচেতনতা ও সাবধানতা অবলম্বন করলে কুকুরের কামড়ের ঝুঁকি অনেকভাবে এড়ানো সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ