ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩১ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনার তালিকা প্রকাশ


৩১ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনার তালিকা প্রকাশ

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ইতিহাস সাক্ষী থাকে ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, মানবসভ্যতার অর্জন কিংবা অভিশাপ-আশীর্বাদ সবকিছুর। ইতিহাস আমাদের নতুন দিগন্তের সন্ধান দেয়।

আজ ৩১ অক্টোবর (শনিবার), ২০২৬। ইতিহাসের দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ঘটনাবলি

আরও পড়ুন: ৩০ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

৪৭৫ - পশ্চিম রোমান সম্রাট হিসেবে রোমুলাস অগাস্টুলাসের ঘোষণা হয়।

৬৮৩ - মক্কা অবরোধের সময় কাবা আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যায়।

৮০২ - সম্রাজ্ঞী ইরিন ক্ষমতাচ্যুত হয়ে লেসবসে নির্বাসিত হন। ষড়যন্ত্রকারীরা অর্থমন্ত্রী নিকেফোরোসকে বাইজেন্টাইন সিংহাসনে বসান।

৯৩২ - আব্বাসীয় খলিফা আল-মুকতাদিরের জেনারেল মু'নিস আল-মুজাফফরের বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিহত হন। তার ভাই আল-কাহির তার উত্তরসূরি নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন: ২৯ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

১৫১৭ - প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার: মার্টিন লুথার উইটেনবার্গের ক্যাসল চার্চের দরজায় ৯৫টি থিসিস প্রকাশ করেন।

১৫৮৭ - লাইডেন বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার ১৫৭৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

১৮২২ - সম্রাট আগুস্তিন দে ইতুরবিদে মেক্সিকান সাম্রাজ্যের কংগ্রেস ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

১৮৩৭ - যুক্তরাষ্ট্রে ট্রেইল অফ টিয়ার্স চলাকালে মনমাউথ স্টিমবোট দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০০ মাস্কোগি নিহত হন।

আরও পড়ুন: ২৮ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

১৮৬৩ - নিউজিল্যান্ড যুদ্ধ পুনরায় শুরু হয়, জেনারেল ডানকান ক্যামেরনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ বাহিনী ওয়াইকাটো আক্রমণ শুরু করে।

১৮৬৪ - নেভাডা ৩৬তম মার্কিন অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৮৯১ - জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি প্রাণহানি ঘটে।

১৮৯৫ - ১৮১২ সালের পর মধ্য-পশ্চিম যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প চার্লসটনের কাছে আঘাত হানে, এতে ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং অন্তত দুজন নিহত হন।

আরও পড়ুন: ২৪ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনাগুলো কী ছিল?

১৯০৩ - ইন্ডিয়ানাপোলিসে পারডু ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত হন, যার মধ্যে পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের ১৪ জন খেলোয়াড় ছিলেন।

১৯০৭ - ফিনল্যান্ডের সংসদ মদ নিষিদ্ধকরণ আইন অনুমোদন করে, কিন্তু জার দ্বিতীয় নিকোলাস অনুমোদন না করায় তা কার্যকর হয়নি।

১৯১৩ - যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্রথম অটোমোবাইল মহাসড়ক লিঙ্কন হাইওয়ে উদ্বোধন করা হয়।

১৯১৩ - ইন্ডিয়ানাপোলিস ট্রাম ধর্মঘট এবং পরবর্তী দাঙ্গা শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ২৩ অক্টোবর: ইতিহাসে আলোচিত ঘটনার সংকলন

১৯১৪ - কৃষ্ণসাগরে রাশিয়াকে আক্রমণ করে তুরস্ক।

১৯১৭ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: বিয়ারশেবার যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা ইতিহাসের ‘শেষ সফল অশ্বারোহী চার্জ’ হিসেবে পরিচিত।

১৯১৮ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: অ্যাস্টার বিপ্লব অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সমঝোতার অবসান ঘটায় এবং হাঙ্গেরি পূর্ণ সার্বভৌমত্ব অর্জন করে।

১৯১৮ - যুক্তরাষ্ট্র আর জাপানের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা বিশ্বে সে বছরে ব্যাপক ফ্লু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

আরও পড়ুন: ১৯ অক্টোবর: ইতিহাসের নানা দিকের উল্লেখযোগ্য ঘটনা

১৯১৮ - অষ্ট্রিয়ায় বিপ্লব শুরু হয়। অষ্ট্রিয়ার বিপ্লবী জনগণ অষ্ট্রিয়া প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেন। রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বিরাট মিছিলের আয়োজন করেন।

১৯২০ - ভারতের প্রথম শ্রমিক সংগঠন নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২২ - বেনিতো মুসোলিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

১৯২৩ - পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার মার্বেল বারে টানা ১৬০ দিন ১০০° ফারেনহাইট তাপমাত্রার প্রথম দিন।

১৯২৪ - ইতালির মিলানে প্রথম আন্তর্জাতিক সঞ্চয় ব্যাংক কংগ্রেসে বিশ্ব সঞ্চয় দিবস ঘোষণা করা হয়।

১৯৩৬ - কলকাতায় বাংলা ভাষায় মুসলমানদের প্রথম দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক আজাদ’ প্রকাশিত হয়।

১৯৩৮ - মহামন্দা: বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় পনেরো দফা কর্মসূচি প্রকাশ করে।

১৯৪০ - ব্রিটেনের যুদ্ধ শেষ হয়।

১৯৪১ - ১৪ বছর কাজের পর মাউন্ট রাশমোর নির্মাণ সম্পন্ন হয়।

১৯৪১ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: জার্মান ইউ-বোট আইসল্যান্ডের কাছে মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস রুবেন জেমস (ডিডি-২৪৫) টর্পেডো করে ডুবিয়ে দেয়, এতে শতাধিক মার্কিন নাবিক নিহত হন। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শত্রুপক্ষের হাতে ডুবে যাওয়া প্রথম মার্কিন নৌযান।

১৯৪৩ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: একটি এফ৪ইউ করসেয়ার মার্কিন নৌবাহিনী বা মেরিন কর্পসের বিমানের প্রথম সফল রাডার-নির্দেশিত বাধাদান সম্পন্ন করে।

১৯৫৬ - সুয়েজ সংকট: যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সুয়েজ খাল পুনরায় খোলার জন্য মিশরে বোমাবর্ষণ শুরু করে।

১৯৫৬ - হাঙ্গেরীয় বিপ্লবে: হাঙ্গেরিতে বিপ্লবী সদর দফতর প্রতিষ্ঠিত হয়। ইমরে নজের ঘোষণার পর নিষিদ্ধ অ-কমিউনিস্ট দলগুলো পুনর্গঠিত হয় এবং এমডিপি-র স্থলে এমএসজেডএমপি গঠিত হয়। ইয়োজেফ মিন্ডসেন্টি কারাগার থেকে মুক্তি পান। সোভিয়েত পলিটব্যুরো বিপ্লব দমনের সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯৫৮ - প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিখ্যাত লেখক বাস্ট্রেনাক নোবেল সাহিত্য পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।

১৯৬১ - সোভিয়েত ইউনিয়নে জোসেফ স্টালিনের মরদেহ লেনিনের সমাধি থেকে সরিয়ে ক্রেমলিন প্রাচীরের কাছে সমাহিত করা হয়।

১৯৬৩ - ইন্ডিয়ানা স্টেট ফেয়ারগ্রাউন্ডস কলিসিয়ামে গ্যাস বিস্ফোরণে ৮১ জন নিহত এবং প্রায় ৪০০ জন আহত হন।

১৯৬৬ - বিশিষ্ট সাঁতারু মিহির সেন পানামা খাল অতিক্রম করেন।

১৯৬৮ - ভিয়েতনাম যুদ্ধ: প্যারিস শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন উত্তর ভিয়েতনামে সকল বিমান, নৌ ও কামান বোমাবর্ষণ বন্ধের নির্দেশ দেন।

১৯৬৮ - ১৯৬৮ সালের মহা খরার মধ্যে জলবিদ্যুৎ সংকটের কারণে চিলির প্রেসিডেন্ট এদুয়ার্দো ফ্রেই মোন্তালভা দিবালোক সংরক্ষণ সময় চালুর নির্দেশ দেন।

১৯৭২ - ঢাকায় মেজর (অবঃ) এম এ জলিল এবং আসম রবের নেতৃত্বে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠিত হয়।

১৯৭৩ - অস্থায়ী আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির তিন সদস্য ডাবলিনের মাউন্টজয় কারাগার থেকে অনুশীলন প্রাঙ্গণে অবতরণ করা একটি ছিনতাইকৃত হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে যান।

১৯৭৯ - মেক্সিকো সিটিতে অবতরণের সময় ওয়েস্টার্ন এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ২৬০৫ বিধ্বস্ত হয়, এতে ৭৩ জন নিহত হন।

১৯৮০ - লন্ডনের ইভনিং নিউজ পত্রিকায় ‘বিদায় লন্ডন’ শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। যার ফলে এই শতাধিক ইতিহাস সম্পন্ন পত্রিকার বন্ধ হয়ে যায়। অব্যবস্থাপনার কারণে এই পত্রিকা অভূতপূর্ব আর্থিক সংকটে পড়ে।

১৯৮৪ - নিজের দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

১৯৮৮ - চার বোনকে একত্রে বিয়ে করে ভুটানের রাজা ওয়াংচুক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন।

১৯৯০ - ঢাকা শহরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-কারফিউ জারি হয়।

১৯৯৪ - চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বেজিং-সিউল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৪ - রোজলনের কাছে আমেরিকান ঈগল ফ্লাইট ৪১৮৪ বিধ্বস্ত হয়, এতে ৬৮ জন নিহত হন।

১৯৯৬ - ব্রাজিলের সাও পাওলোতে টিএএম ট্রান্সপোর্টেস এরেওস রিজিওনাইস ফ্লাইট ৪০২ বিধ্বস্ত হয়, এতে ৯৯ জন নিহত হন।

১৯৯৮ - ইরাক নিরস্ত্রীকরণ সংকট শুরু হয়: ইরাক জাতিসংঘের অস্ত্র পরিদর্শকদের সঙ্গে আর সহযোগিতা করবে না বলে ঘোষণা দেয়।

১৯৯৯ - নাবিক জেসি মার্টিন ১১ মাস একা, অবিরাম ও সহায়তা ছাড়া পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে মেলবোর্নে ফিরে আসেন।

১৯৯৯ - নানটাকেটের কাছে আটলান্টিক মহাসাগরে ইজিপ্টএয়ার ফ্লাইট ৯৯০ বিধ্বস্ত হয়, এতে ২১৭ জন নিহত হন।

২০০০ - সয়ুজ টিএম-৩১ উৎক্ষেপণ করা হয়, যা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে প্রথম স্থায়ী নভোচারী দলকে বহন করে। এরপর থেকে আইএসএস ক্রমাগত জনবসতিপূর্ণ রয়েছে।

২০০০ - তাইপেই থেকে উড্ডয়নের সময় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ০০৬ বিধ্বস্ত হয়, এতে ৮৩ জন নিহত হন।

২০০২ - টেক্সাসের হিউস্টনে একটি ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরি প্রাক্তন এনরনের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা অ্যান্ড্রু ফাস্টো-কে তার প্রাক্তন প্রতিষ্ঠানের পতনের সঙ্গে সম্পর্কিত ৭৮টি অভিযোগে অভিযুক্ত করে।

২০০৩ - মাহাথির বিন মোহাম্মদ স্বেচ্ছায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

২০১১ - বিশ্বের জনসংখ্যা সাতশ কোটিতে পৌঁছায়। এই দিনটি জাতিসংঘ কর্তৃক সাতশ কোটির দিন হিসেবে স্বীকৃত।

২০১৪ - রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিএসইসি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ভবনে আমার দেশ এবং এনটিভি, আরটিভিসহ বেশ কয়েকটি মিডিয়া হাউজ ছিল।

২০১৪ - পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের সময় ভার্জিন গ্যালাকটিকের মহাকাশযান ভিএসএস এন্টারপ্রাইজ মোহাভি মরুভূমিতে বিধ্বস্ত হয়।

২০১৫ - সিনাই উপদ্বীপের উত্তরাঞ্চলে মেট্রোজেট ফ্লাইট ৯২৬৮ বোমা হামলায় বিধ্বস্ত হয়, এতে ২২৪ জন নিহত হন।

২০১৭ - নিউ ইয়র্ক সিটির লোয়ার ম্যানহাটনে একটি ট্রাক জনতার মধ্যে ঢুকে পড়ে, এতে আটজন নিহত হন।

২০১৯ - ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ দুটি পৃথক রাজ্য হিসাবে পরিণত হয়।

২০২০ - প্রায় ১০ বছর বিলম্বের পর বার্লিন ব্রান্ডেনবুর্গ বিমানবন্দর উদ্বোধন করা হয়।

জন্ম

১৪৪৮ - জন অষ্টম পালাইওলগস, বাইজেন্টাইন সম্রাট।

১৭৯৫ - জন কিটস, ইংরেজি সাহিত্যের একজন রোম্যান্টিক কবি।

১৮২৮ - রসায়নবিদ ও বিদ্যুত বাতির উদ্ভাবক জোসেফ শোয়ান।

১৮৩৫ - এডলফ ভন বাইয়ের, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ।

১৮৭৫ - সর্দার বল্লভভাই পটেল, ভারতীয় পণ্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতা।

১৮৮০ - বীরেন চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি কমিউনিস্ট বিপ্লবী।

১৮৮৭ - চিয়াং কাই-শেক, চীনের রাষ্ট্রনায়ক।

১৮৯৫ - সি. কে. নাইডু, ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৮৯৫ - বি. এইচ. লিডডেল্‌হার্ট, ইংরেজ সৈনিক, ইতিহাসবিদ ও তাত্তিক।

১৯২৫ - জন পোপলে, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।

১৯৩১ - জপমালা ঘোষ, বাংলা ছড়ার গানের জনপ্রিয় গায়িকা।

১৯৩৭ - পীযূষকান্তি সরকার, প্রখ‍্যাত ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী। (মৃ.২০০১)

১৯৪৩ - ওমেন চন্ডি, কেরালার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৪৪ - কিংকি ফ্রিড্‌ম্যান, মার্কিন সংগীত শিল্পী, গীতিকার, লেখক, রাজনীতিবিদ ও কলাম লেখক।

১৯৪৬ - স্টিফেন রেয়া, আইরিশ অভিনেতা।

১৯৬৩ - দুঙ্গা, ব্রাজিলীয় ফুটবলের সাবেক মধ্যমাঠের রক্ষণাত্মক খেলোয়াড়।

১৯৬৫ - যশোধরা রায়চৌধুরী, বাঙালি ভারতীয় কবি।

১৯৭৬ - গুটি, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৮২ - অর্জুন বিজলানী, ভারতীয় অভিনেতা

১৯৮২ - জাস্টিন চ্যাটওয়িন, কানাডীয় অভিনেতা।

১৯৮৬ - পার্ণো মিত্র, বাঙালি ভারতীয় মডেল ও অভিনেত্রী।

২০০০ - ওয়িলও স্মিথ, আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।

মৃত্যু

১৭৪৪ - লিওনার্দো লিও, ইতালীয় সুরকার।

১৭৯৩ - জ্যাকুইম পিয়ে, ফরাসি উগ্রপন্থি নেতা।

১৯২৫ - মাক্স লিন্ডার, ফরাসি অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯২৬ - হ্যারি হুডিনি, হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ঐন্দ্রজালিক ও হুডিনি।

১৯৬০ - এইচ. এল. ডেভিস, মার্কিন ঔপন্যাসিক ও কবি।

১৯৭৫ - শচীন দেববর্মণ, বাঙালি সংগীত পরিচালক, সুরকার, লোকসংগীত শিল্পী।

১৯৮৪ - ইন্দিরা গান্ধী, ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।

১৯৮৬ - রবার্ট সেন্ডারসন মুল্লিকেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।

১৯৮৭ - রাজচন্দ্র বসু প্রখ্যাত ভারতীয় গণিতবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ ।

২০০২ - সিদ্ধার্থ ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি কল্পবিজ্ঞান লেখক।

২০০৬ - অমৃতা প্রীতম, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ভারতীয় লেখক ও কবি।

২০১৩ - জেরার্ড ডি ভিলিয়ার্স, ফরাসি সাংবাদিক ও লেখক।

২০১৬ - ফাদার পল দ্যতিয়েন, বেলজিয়ান লেখক ও যাজক, যিনি বাঙলা ভাষায় সাহিত্য রচনা করে সুখ্যাতি অর্জন করেন।

২০২০ - শন কনারি, স্কটিশ অভিনেতা, 'জেমস বন্ড' খ্যাত অভিনেতা।

২০২২ - জামশেদ জে ইরানি স্টিল ম্যান অফ ইন্ডিয়া নামে পরিচিত ভারতীয় শিল্পপতি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকাল থেকে টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১২ এম


সকাল থেকে টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত এবং বিদ্যুৎ লাইনের আশপাশের গাছের ডালপালা কাটার কারণে দেশের কিছু এলাকায় সকাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কোথাও কোথাও টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সদর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ফিডারে গাছের ডালপালা কাটা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ সময় কালিকাপুর, ফজলিতলা, আহম্মেদপুর বাজার, পার আহম্মেদপুর, কায়েম কোলা, খৌদ্দকাচুটিয়া, কুমরুল, বৃকাচুটিয়া, ভবানীপুর, রামাগাড়ি, কামারদহ, আটঘরিয়া, সুইচগেট, হাট গোবিন্দপুর ও শেখ পাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাজের পরিস্থিতি অনুযায়ী এ সময়সূচি কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

নেসকোর চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহের আবাসিক প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী জানিয়েছেন, শিবগঞ্জ ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের আশপাশের গাছের ডালপালা কাটার জন্য শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য নেসকো কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ জানিয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত এবং বিদ্যুৎ লাইনের আশপাশের গাছের ডালপালা কাটার জন্য লাকাতুরাস্থ ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। তবে কাজ শেষ হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হতে পারে।

এ সময় ১১ কেভি কাকুর্যাপাড়, এয়ারপোর্ট থানা, বাইশটিলা, ওসমানী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস, ধোপাগুলা, বনশ্রী, বাদামবাগিচা (আংশিক), পাহাড়িকা, বড় বাজার ও লাকাতুরা স্টেডিয়াম ফিডারের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। এসব এলাকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে লাকাতুরা বাজার, মুসলিম পাড়া, মালনীছড়া, বাঁশবাড়ী গলির মুখ, বাদাম বাগিচা, আব্দুরমিয়ার গলির মুখ, রূপসা আ/এ, খাসদবীর প্রাইমারী স্কুল, ইসরাইল মিয়ার গলি, দারুস সালাম মাদ্রাসা রোড, বড় বাজার, আবাদানি, বড়শালা বাজার মসজিদের পাশের আংশিক এলাকা, পর্যটন, ফরিদাবাদ, সিলভার সিটি, কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া চা-বাগান, ধোপাগুল, মহালদিক, উমদারপাড়া, আলাইবহর, লিলাপাড়া, দাপনাটিলা, সাহেবের বাজার, কালাগুল, লালবাগ, পীরেরগাঁও, ছালিয়া, রঙ্গিটিলা ও সালুটিকর ঘাট এবং আশপাশের এলাকা।

অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ জানিয়েছে, আম্বরখানাস্থ ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও গাছের ডালপালা কাটার জন্য সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কাজ শেষ হলে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হতে পারে।

এ সময় ১১ কেভি আই.জি.ডি ওভারহেড ফিডারের আওতাধীন আম্বরখানা মসজিদ, দত্তপাড়া, আম্বরখানা সরকারি কলোনী, মজুমদারী, কমলা বাগান, প্রভাতী, পূর্ব পীরমহল্লা, হাউজিং এস্টেট সম্পূর্ণ, ফরিদাবাদ আ/এ ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে ওজোপাডিকোর বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগ জানিয়েছে, ৩৩/১১ কেভি মহেশপুর সাব-স্টেশনে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের পাশাপাশি বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে থাকা গাছের শাখা-প্রশাখা কাটা হবে। এ কারণে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মহেশপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। নির্ধারিত কাজ শেষ হলে যেকোনো সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হতে পারে।

অন্যদিকে, নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর শিবপুর জোনাল অফিস জানিয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, নরসিংদীর অধীনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ইটাখোলা-মঠখোলা আঞ্চলিক মহাসড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এ জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তর করা হবে। ফলে শনিবার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত শিবপুর উপজেলার ১১ কেভি লাইনের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে খড়িয়া, বাজনাবো, ইটাখোলা, সৈয়দনগর, বন্যারবাজার, গোবিন্দি, তেলিয়া, কুমড়াদি, পুরানদিয়া, বাড়ৈআলগী, জামতলা, পালপাড়া, বড়কান্দা, ব্রাহ্মন্দি, শাষপুর, চন্দনদিয়া, হিজলিয়া, ত্রিশা, নোয়াদিয়া, লামপুর, চাঁদপাশা, ইটনা, খৈনকুট, শানখোলা, খড়কমাড়া, ঘাশিরদিয়া, কুন্দারপাড়া, শ্রিফুলিয়া, বিরাজনগর, জয়মঙ্গল, কুতুবেরটেক ও হলুদেরটেকসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা।

গোপালগঞ্জে ওজোপাডিকোর বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগ জানিয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হতে পারে। বিশেষ করে আরামবাগ, নিচুপাড়া, গুল্লিবাড়ির মোড়, নবীনবাগ, মেডিকেল কলেজ ও তেঘরিয়া এলাকায় এক ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হতে পারে।

সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: হেমায়েত হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: হেমায়েত হোসেন

মাদকের ভয়াবহ থাবা ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, তরুণদের আইকন, শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়াপ্রেমী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন।

তিনি বলেন, যুবসমাজকে ক্রীড়ামুখী করতে পারলে মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব। সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলার ৫ নম্বর বানা ইউনিয়নের বানা হাইস্কুল মাঠে উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ছয় ইউনিয়নব্যাপী ছয়টি ডে-নাইট ফুটবল (মিনিবার) টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর অংশ হিসেবে বানা ইউনিয়ন পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম। মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে যুবসমাজকে বাঁচাতে তরুণদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসতে হবে। ক্রীড়াচর্চা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করে। মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের বিকল্প নেই।

টুর্নামেন্ট আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেন বানা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আলহাজ মো. সিরাজুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আ. মান্নান মিয়া আব্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. নিয়ামত হোসেন পারভেজ ও আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মো. সুজন হোসেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান দাউদ, পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কদর, বিএনপি নেতা লিটন মোল্লাসহ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, কৃষক দল ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আ. জব্বার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদল নেতা মো. জিসান মিয়া এবং সঞ্চালনা করেন আলফাডাঙ্গা আদর্শ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাজহারুল ইসলাম লিমন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপে ৮৭ কোটি ডলারের বেশি অস্ত্র রপ্তানি করেছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১১ এম


ইউরোপে ৮৭ কোটি ডলারের বেশি অস্ত্র রপ্তানি করেছে ভারত

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশের জন্য ভারতের অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধের প্রথম চার বছরে, ভারত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ৮৭ কোটি ২০ লাখ ডলারের গোলাবারুদ ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানি করেছে। পূর্ববর্তী চার বছরে এই রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৪ কোটি ৯২ লাখ ডলার।

ভারতের প্রতিরক্ষা খাতের এই অগ্রগতির পেছনে ইউরোপের দেশগুলোর সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদের চাহিদা বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর, ইউরোপের দেশগুলো নিজেদের সামরিক মজুত বাড়াতে এবং ইউক্রেনকে সহায়তা অব্যাহত রাখতে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সংগ্রহ বৃদ্ধি করেছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্লুমবার্গের প্রকাশিত বাণিজ্যসংক্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে ডিফেন্স নিউজ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে।

প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে ভারতের রেকর্ড

ভারত মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের ১৩টি দেশে গোলাবারুদ ও সংশ্লিষ্ট পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়ার পরেই অবস্থান করছে। ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানির এই সম্প্রসারণ ইউরোপের অস্ত্র বাজারে দেশটির উপস্থিতি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার হামলা শুরু হওয়ার পর ইউরোপের দেশগুলো সামরিক প্রস্তুতি জোরদারে মনোযোগ দেয়। এর ফলে কামানের গোলা ও অন্যান্য গোলাবারুদের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে নিজেদের মজুত পুনর্গঠন এবং ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রয়োজনও রয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘রিআর্ম ইউরোপ’ উদ্যোগ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে আরো ত্বরান্বিত করেছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিরক্ষা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন রপ্তানি বাজার তৈরি হয়েছে।

ভারতের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা রপ্তানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিংয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের প্রতিরক্ষা পণ্য রপ্তানি বেড়ে রেকর্ড ৩৮ হাজার ৪২৪ কোটি রুপি হয়েছে। আগের অর্থবছরে এই পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার ৬২২ কোটি রুপি।

বর্তমানে ৮০টির বেশি দেশে প্রতিরক্ষা পণ্য রপ্তানি করে ভারত। দেশটির নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতার সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে এই সম্প্রসারণের সম্পর্ক রয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপে সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা বৃদ্ধি ভারতের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য বড় রপ্তানি সুযোগ তৈরি করেছে। তবে, এই বাজারে ভারতের অবস্থান কতটা শক্তিশালী হবে, তা নির্ভর করবে উৎপাদন সক্ষমতা, সরবরাহের ধারাবাহিকতা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা ধরে রাখার ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ এম


রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসছে বিদেশি শ্রমিক

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে পুলিশ। ইতোমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগসহ একাধিক দপ্তর এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতারণা, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধ করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিদেশি কিছু নাগরিক এ দেশে নানামুখী প্রতারণায় জড়িত। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা স্ক্যামিং, অনলাইন জুয়া ও সাইবার প্রতারণাসহ বিভিন্ন অপরাধে তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে। অনেকে অন-অ্যারাইভাল ভিসা অথবা ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে অনুমোদনহীনভাবে এ দেশে কাজ করছেন। এসব বিদেশি শ্রমিক বিপুল অঙ্কের কর ফাঁকি দিচ্ছেন এবং অবৈধভাবে বিপুল অর্থ বিদেশে নিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রতারণা, কর ফাঁকি ও অর্থপাচার প্রতিরোধে বিদেশি নাগরিকদের কিউআর কোড সংবলিত নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গত ২৯ আগস্ট রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পুলিশ সদর দপ্তর আয়োজিত কোয়াটারলি কনফারেন্সে প্রথম এই প্রস্তাব করেন বিশেষ শাখার (এসবি) তৎকালীন প্রধান। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, এসবি, বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো। তবে এখনো কাজটি প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসবির একজন ডিআইজি বলেন, ‘কিউআর কোড সংবলিত রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালুর বিষয়ে কাজ চলছে। এতে বিদেশিদের নিরাপত্তা দেওয়া সহজ হবে এবং কেউ কোনো অপরাধে জড়ালে তাকে সহজে শনাক্ত করা যাবে।’

জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়া উদ্দিন আহমেদ আমার দেশকে বলেন, ‘দেশে কর্মরত বিদেশি শ্রমিক ও নাগরিকদের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার কাজটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। এটা খুবই জরুরি।’

বর্তমানে কত বিদেশি শ্রমিক ও নাগরিক বাংলাদেশে অবস্থান করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হালনাগাদ তথ্য আমাদের কাছে নেই। হালনাগাদ তথ্য চেয়ে আমরা পুলিশের বিশেষ শাখাসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছি। চিঠির জবাব পেলে জানা যাবে।’

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, ভারত, চীন ও নাইজেরিয়াসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকরা বৈধ-অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। গত ৫ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়। সেখানে চীন ও তাইওয়ানের কয়েকজন নাগরিক চারটি আবাসিক হোটেল ভাড়া নিয়ে রীতিমতো ল্যাব বানিয়ে সাইবার প্রতারণা ও অনলাইন জুয়ার ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।

পুলিশ ওই চক্রের সদস্যদের মধ্যে চীনের ছয় নাগরিককে আটক করে। তাদের কাছ থেকে ১,৯৩৮টি আইফোন, ৪০টি ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, স্টারলিংক ডিভাইসসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করে। তবে চক্রের অপর সদস্যরা গা ঢাকা দেয়। পরে তদন্তের মাধ্যমে ২৮০ বিদেশি নাগরিকের তালিকা করে ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে পাঠিয়ে তাদের পাসপোর্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। এভাবে বিভিন্ন সময়ে নানা অপরাধের অভিযোগে বিদেশি নাগরিকরা গ্রেপ্তার হচ্ছে।

কাজের অনুমতি দেয় কারা

বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিক দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছে। তাদের অনেকেরই কাজের বৈধ অনুমতি নেই। কিন্তু এসব বিদেশির মাধ্যমে বিপুল অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। আবার কর ফাঁকির কারণে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। বাংলাদেশে পাঁচটি কর্তৃপক্ষ বিদেশি শ্রমিকদের কাজের অনুমতি দিত। বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বিদেশি কোম্পানির শাখা ও লিয়াজোঁ অফিসে কাজের অনুমতি দিত বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ড (বিডা)।

এছাড়া রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা), এনজিওতে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, অর্থনৈতিক অঞ্চলের আওতাধীন প্রযোজ্য বিনিয়োগ ও প্রতিষ্ঠানের বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেয় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। আর হাইটেক পার্কের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি বিডা, বেজা ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) এই তিনটি সংস্থা মিলে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে নতুন দপ্তর গঠন করা হয়েছে। এখন বিডা ও বেজার পরিবর্তে আইবি বিদেশি নাগরিকদের কাজের অনুমতি দিয়ে থাকে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ বিদেশি কর্মীর নিরাপত্তা ছাড়পত্র (সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স) পরিচালনা করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ভিসা ও অভিবাসনসংক্রান্ত কাজ করে। বাংলাদেশের বিদেশ দূতাবাস বা মিশন বিদেশি নাগরিকের ভিসা ইস্যু করে। বিজনেস ভিসা (বি-ভিসা) ও ট্যুরিস্ট ভিসায় (টি-ভিসা) আসা বিদেশিদের বাংলাদেশে কাজের সুযোগ নেই। এরপরও কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই এ দেশে অবস্থান করে অনেকেই কাজ করছেন। সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার না থাকায় তাদের সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

হালনাগাদ তথ্য নেই

বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা কত—এ বিষয়ে হালনাগাদ পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের একজন কর্মকর্তা কিছুদিন আগের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আমার দেশকে জানান, বাংলাদেশে অবস্থানরত বৈধ বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ১ লাখ ৭১৬৭। এর মধ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত ভিসায় এসেছেন ১০ হাজার ৪৮৫ জন, এমপ্লয়ি ভিসায় ১৪ হাজার ৩৯৯, স্টাডি ভিসায় ৬,৮২৭ এবং ট্যুরিস্ট ভিসায় এসেছেন ৭৫ হাজার ৪৫৬ জন। বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভারতীয় নাগরিক। তাদের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৪৬৪। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনের নাগরিক আছেন ১১ হাজার ৪০৪ জন।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘অনেকে বলে থাকেন, বাংলাদেশে ৪-৫ লাখ বিদেশি আছেন। যেহেতু অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা বা সংখ্যা আমাদের হাতে নেই, তাই বলা চলে এটা নিছক অনুমাননির্ভর।’

কারা কত অনুমতি দিয়েছে

সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত অর্থবছরে বিডা থেকে ১৫ হাজার ৮৯৮ বিদেশি নাগরিক নতুন অনুমতি ও নবায়ন করেছে। বেপজা থেকে ১,৮০০-এর বেশি এবং বেজা থেকে ১,৩৫০ জন অনুমতি নেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকের বর্তমান সংখ্যা ২০ হাজার ৯৮৮ জন। তবে সর্বশেষ আপডেট তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিদেশিদের আয়কর দেওয়া বাধ্যতামূলক

আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থান করে কাজ করলে আয়কর প্রদান ও কাজের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এ-থ্রি ভিসায় বহু বিদেশি বাংলাদেশে এসে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করেন। ২০০৬ সালে করা ভিসা নীতিমালায় কাজের অনুমতি গ্রহণের শর্ত না থাকায় এ-থ্রি ভিসাধারীরা কাজের অনুমতি নেন না। এতে তাদের জন্য আয়কর ফাঁকি দেওয়া সহজ হয়। কাজের অনুমতিবিহীন বা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসায় অবস্থানকারীরা যতদিনই অবস্থান করেন না কেন, মাত্র ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করতে পারেন। প্রদেয় করের চেয়ে জরিমানার হার কম হওয়ায় কেউ অনুমতি নেওয়ার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে না।

সমন্বয়হীনতার সুযোগ নিচ্ছে

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর বা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ সীমিত থাকা ও সমন্বয়হীনতার কারণে কাজের অনুমতিবিহীন বিদেশিরা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে অবস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন। তারা পুরোনো পাসপোর্টের স্থলে নিজ নিজ দেশের ঢাকা দূতাবাস থেকে নতুন পাসপোর্ট নিয়ে দেশ ছাড়ছে এবং পুনরায় আসার সুযোগ পাচ্ছেন। কালো তালিকাভুক্ত বিদেশিরাও নতুন পাসপোর্ট ব্যবহার করে নতুনভাবে ভিসা নিয়ে প্রবেশ করছেন।

যা বললেন এসবি প্রধান

এসবি প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি কামরুল আহসান আমার দেশকে বলেন, ‘এসবিতে যোগ দিয়েছি ১৮ সেপ্টেম্বর। আগের এসবি প্রধান বিদেশি শ্রমিকদের নিবন্ধনের বিষয়ে প্রস্তাব করে থাকতে পারেন। বিষয়টি খোঁজ নিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিদেশি শ্রমিকদের কাজের অনুমোদন দেয়। তারা এ বিষয়ে কাজ করছে। সেখানে রেগুলেশনে কিছু ঘাটতি আছে, সেই ঘাটতিগুলো পূরণে আমরা কাজ করছি। বিদেশিদের রেজিস্ট্রেশনের বিষয়টি অনেক জটিল। এটা চাইলেই হয়ে যাবে না।’

রেজিস্ট্রেশনের বিষয়টি ইতিবাচক

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনাটি ইতিবাচক উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক আমার দেশকে বলেন, ‘অনেক দিন থেকেই এ ধরনের উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিলাম। বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশিদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য রেজিস্ট্রেশন থাকাটা জরুরি। একটি কিউআর কোড সিস্টেম থাকলে সেখানে তার প্রাথমিক বায়োডাটা সংযুক্ত করা যায়। এতে তিনি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, কোথায় অবস্থান করেন সহজেই তা জানা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, রেজিস্ট্রেশন থাকলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও সহজে নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে। আবার বিদেশি নাগরিকদের কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তাকেও সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। রেজিস্ট্রেশনের মধ্যে থাকলে বিদেশিরাও অপরাধ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।

এই সমাজবিজ্ঞানী আরো বলেন, ‘বিদেশি নাগরিকরা একাই সহজে অপরাধে জড়াতে পারেন না। তাদের সঙ্গে দেশীয় চক্র বা সহযোগী থাকে। বিদেশিরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকলে তাদের বাংলাদেশি সহযোগীরাও সতর্ক হয়ে যাবে। সুন্দর রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম থাকলে দুপক্ষই উপকৃত হবে।’

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%