০৪:৪৪ পি.এম
ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চলে রুশ বাহিনী ড্রোনের মাধ্যমে তথাকথিত ‘ফ্রি হান্টিং’ বা মুক্ত শিকারের নির্দেশনা দিয়েছে। যেকোনো যানবাহনের ওপর এই শিকার চালানোর প্রতি নির্দেশ। এর মধ্যে ফাইবার অপটিক নির্দেশিত ড্রোনও অপরিহার্য।
ইলেকট্রনিক জ্যামিং এড়াতে সক্ষম এই ড্রোনগুলোর কারণে পুরো খেরসন অঞ্চলের বেসামরিক এবং সামরিক যানবাহন চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
যুক্তরাজ্যীয় ও ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি জানানো হয়েছে। রুশ বাহিনী এই অভিযানে প্রচলিত ড্রোনের পাশাপাশি আধুনিক ফাইবার অপটিক ক্যাবল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ড্রোন ব্যবহার করছে। এর ফলে ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রচলিত রেডিও ইলেক্ট্রনিক জ্যামিং (ইডব্লিউ) প্রযুক্তিকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত আঘাত হানার ক্ষমতা মুক্ত হয়।
আরও পড়ুন: ফ্যাসিবাদ ও বিএনপি একাকার হয়ে গেছে: সাদিক কায়েম
এই বিশেষ মিশন সফলভাবে পরিচালনার জন্য খেরসন অঞ্চলে রাশিয়ার ড্রোন অপারেটরদের এবং বিশেষ ড্রোন ইউনিটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। রুশ ড্রোন অপারেটরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এমন সব যানবাহন খুঁজে বের করার যেগুলো দূর থেকে ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামরিক পরিবহন হিসেবে মনে হতে পারে। কিন্তু সাধারণ বেসামরিক যানবাহন এবং বাস প্রতিনিয়তই আক্রান্ত হচ্ছে।
বাজার, গ্যাস স্টেশন এবং সুপারমার্কেটের মতো জনাকীর্ণ স্থানে যানবাহনের উপস্থিতি বেশী হওয়ায় সেখানেই হামলার ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে।
এই ড্রোনটি তার সরাসরি পাইলটের কাছে তথ্য পাঠায়। তাই সাধারণ ফার্স্ট পারসন ভিউ-এফপিভি ড্রোনের যেভাবে ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব, এটিকে সে ভাবে জ্যাম করা যায় না।
ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার লক্ষ্যে, স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্তৃপক্ষ রাস্তাঘাট এবং ভবনের প্রবেশমুখে ড্রোন-প্রতিরোধী জাল বা অ্যান্টি-ড্রোন মেশ স্ক্রিনের ব্যবহার বৃদ্ধি করেছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের খাদ্যশস্য সংরক্ষণ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাদ্যমন্ত্রী
স্থানীয় প্রশাসন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই অবিরাম ড্রোন নজরদারি এবং নির্বিচার হামলাকে একটি পরিকল্পিত ‘হিউম্যান সাফারি’ বা সন্ত্রাসবাদী অভিযান হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন