বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৭:০০ পি.এম
আমতলী থানার নবাগত অফিসার ইন চার্জ মো: ইয়াকুব হোসাইন এর সাথে স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টার সময় অনুষ্ঠিত হয়েছে । মত বিনিময় সভায় আমতলী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো; রেজাউল করিম, সহ সভাপতি মো: জসিম উদ্দিন হাওলাদার, এস,এম,নাসির মাহামুদ , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: মহসিন মাতুব্বর, জোসেব মাহাতাব, সাংবাদিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো: জাকির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো: হায়াতুজ্জামান মিরাজ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধরণ সম্পাদক মো: সজিব হোসেন, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো: মনিরুল ইসলাম, সাংবদিক হারুন অর রশীদ, জিয়া উদ্দিন সিদিদকি ,নাসরিন সিপু, আব্দুর রহমান, জিহাদ হোসেন (প্রমুখ) উপস্থিত ছিলেন । মত বিনিময় সভায় নবাগত ওসি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারের ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি বড় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত একটি সেমিনারে এই মন্তব্য করেন।
ওই সেমিনারে তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের তদারকিতে এবার ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্ব-স্ব মন্ত্রীদের অফিস এবং আইএসে এই ড্যাশবোর্ডটি থাকবে। প্রতিদিন প্রতিটি প্রকল্পের মুভমেন্ট কীভাবে হচ্ছে, তা সরকার সরাসরি মনিটর করবে। কোথাও কাজের গতি থমকে গেলে বা ল্যাপস হলে সঙ্গে সঙ্গে ড্যাশবোর্ডে তা ফ্ল্যাশ করবে এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই এর জবাবদিহি করতে হবে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকারের প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার ডেট বা ঋণ বর্তমান সরকারকে পরিশোধ করতে হবে। এতে ফিসক্যাল স্পেস (আর্থিক সক্ষমতার জায়গা) সংকুচিত হয়ে এসেছে। তা সত্ত্বেও, আগামীতে সরকারের ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির বড় লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাজেটের শতভাগ না হলেও অন্তত ৮০ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলায় উদ্ধারকাজের অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়া।
দেশটির বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট ও টেলিফোন সেবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে স্বজনদের খোঁজ পাওয়া এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানা কঠিন হয়ে উঠেছে।
বিবিসি মুন্দোর সাংবাদিক হোর্হে পেরেজ জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলা ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হলেও এবারের জোড়া ভূমিকম্প ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ।
রাজধানী কারাকাসে থাকা তার পরিচিত অনেক মানুষ আতঙ্কে রাতভর ঘুমাতে পারেননি।
তিনি বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আগে থেকেই সংকটে ছিল।
প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটত।
ভূমিকম্পের পর সেই সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।
ফলে তথ্য আদান-প্রদান এবং যোগাযোগ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা লাখো ভেনেজুয়েলানও চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছেন।
যেহেতু যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, তারা নিজেদের পরিবার ও স্বজনদের খোঁজ পাচ্ছেন না।
ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়ার ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিক সক্ষমতার মাত্র ৫৯ শতাংশে নেমে আসে।
পরে কিছুটা উন্নতি হলেও তা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
স্থানীয় সময় রাত ৩টা পর্যন্ত সংযোগ স্বাভাবিক অবস্থার প্রায় ৭৭ শতাংশে ফিরে এসেছে।
নেটব্লকসের মতে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে এই বিপর্যয় তৈরি হয়েছে, যা উদ্ধার তৎপরতাকেও ব্যাহত করছে।
একই সঙ্গে দুর্গত এলাকার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তথ্য অনুসন্ধান মিশন ভেনেজুয়েলার টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমের ওপর থাকা সব ধরনের বাধা তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সংস্থাটি বলেছে, এই সংকটে তথ্যপ্রাপ্তি জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াতে পারে।
উল্লেখ্য, লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় গত এক শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
রিখটার স্কেলে ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পে রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৯৭১ জন।
ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকায় প্রাণহানির সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রেকর্ড গড়ার পথে রয়েছেন বৈভব সূর্যবংশী। আগামীকাল তাঁর অভিষেক হতে পারে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে, যিনি ভারতের সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে এ ম্যাচে খেলতে নামবেন। টিম ইন্ডিয়া বেলফাস্টে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে।
ভারত ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ২৮ জুন, দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ শেষে। সূর্যবংশী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের ওই টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে রয়েছেন। এর মানে হচ্ছে, ১৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারকে ইংল্যান্ড সফরে আলাদা চেঞ্জিংরুম ব্যবহার করতে হবে।
নিউজ সিরিজটি অনুমোদিত ইভেন্ট হওয়ার কারণে আইসিসি এবং ইসিবির সুরক্ষা নীতিমালা কার্যকর থাকবে। এ নীতিমালার মোতাবেক, ১৬ বছরের কম বয়সী খেলোয়াড়রা প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে একই চেঞ্জিং রুম ব্যবহার করতে পারেন না। কিন্তু ম্যাচ চলাকালে সূর্যবংশী ভারতের ড্রেসিংরুমে থাকতে পারবেন এবং দলের বৈঠকেও অংশ নিলে কোনো বাধা থাকবে না। বিধিনিষেধ কেবল ম্যাচের আগে ও পরে পোশাক পরিবর্তনের সময় প্রযোজ্য হবে।
ইসিবি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এটি একটি আইসিসি ইভেন্ট, এজন্য এখানে সুরক্ষা নীতিমালা কার্যকর থাকবে এবং আমাদের বিষয়টির ওপর এখতিয়ার থাকবে। সুরক্ষা-সংক্রান্ত কোনো ঘটনা ঘটলে, কিছু ক্ষেত্রে তা আইসিসি পরিচালনা করতে পারে। ইসিবির ‘সেইফ হ্যান্ডস’ নীতিও সর্বদা কার্যকর থাকবে।’
ইংল্যান্ডের ক্রীড়াঙ্গনে এমন ব্যবস্থা নতুন নয়। উদাহরণস্বরূপ, ম্যাক্স দোম্যান ১৬ বছর পূর্ণ করার আগে পর্যন্ত আর্সেনাল দলের মূল চেঞ্জিং রুম ব্যবহার করতে পারতেন না। তবে ভারতে এমন নিয়ম প্রচলিত নেই। তাই রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএলে খেলার সময় সূর্যবংশী সতীর্থদের সঙ্গেই একই চেঞ্জিংরুম ব্যবহার করেছিলেন।
ইসিবি জানিয়েছে যে তারা বিসিসিআই এবং পাঁচটি ভেন্যুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, যাতে সব সুরক্ষা ব্যবস্থা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়। সূর্যবংশীর বাবা-মাও পুরো সফরে তাঁর সঙ্গে থাকবেন এবং তাদের একই হোটেলে থাকার বিশেষ অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশবিষয়ক নিরাপত্তা উপদেষ্টা টেস বি ব্রেসনান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে, টেস বি. ব্রেসনান বাংলাদেশে অবস্থানরত জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারি ও সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আইজিপি বলেন, বাংলাদেশে কর্মরত জাতিসংঘ এবং বিদেশি অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে পুলিশ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাংলাদেশ পুলিশের কার্যক্রম ও দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ