প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়লা ও আবর্জনা যত্রতত্র ফেলা থেকে বেরিয়ে এসে, বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর এবং টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মহাপরিকল্পনার আওতায়, দেশের প্রতিটি পৌরসভায় পর্যায়ক্রমে ম্যাটেরিয়াল রিকভারি ফ্যাসিলিটি (এমআরএফ) সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে।
এসব এমআরএফ সেন্টারে পৌর এলাকার দৈনন্দিন বর্জ্য সংগ্রহ, বাছাই, পুনর্ব্যবহার এবং জৈব বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনসহ প্লাস্টিক পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভবিষ্যতে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় জমি বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোর আওতায় আনতে সরকার নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কাছে এক নির্দেশনা পাঠিয়েছে, যাতে দেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে যেসব পৌরসভায় ডাম্পিং স্টেশন বা ডাম্প ইয়ার্ড নেই, সেসব পৌরসভার জন্য প্রয়োজনীয় খাস জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব ড. আশফিকুন নাহার স্বাক্ষরিত পত্রে জেলা প্রশাসকদের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠানো হয়। একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থায়ী বন্দোবস্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী ভিত্তিতে সরকারি খাস জমি ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে বর্জ্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নগর উন্নয়ন শাখার অতিরিক্ত সচিব ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার যুগে প্রবেশ করবে।
তিনি আরও বলেন, বহুদিন ধরে দেশের প্রতিটি পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় জনগণের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া চলছে। সকলেই চাচ্ছিলেন পৌর শহরগুলোতে প্রকাশ্যে বর্জ্য ফেলা না হয় এবং সরকার যাতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। অবশেষে বর্তমান বিএনপি সরকার জনগণের চাহিদার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে দৃশ্যমান কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেছেন, আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে দেশব্যাপী আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি দৃশ্যমান রূপ দেখতে পাবে বাংলাদেশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন