মোঃ আব্দুল মোছাব্বির মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
০৯:৩৫ পি.এম
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে লায়েছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে আলী হোসেন সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি লায়েছ ভূঁইয়া কল্যাণ ট্রাস্টের সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মধ্যনগর উপজেলা শাখার সেক্রেটারি। প্রকাশিত সংবাদে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষের বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আলী হোসেন জানান, গত ৬ আগস্ট দৈনিক সুনামগঞ্জের খবর পত্রিকাতে লায়েছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং তার সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদটি ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, লায়েছ ভূঁইয়া কল্যাণ ট্রাস্টের জনকল্যাণমূলক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাকে ও প্রতিষ্ঠানকে হেয় করার উদ্দেশ্যে এই সংবাদটি প্রকাশ করেছে।
আলী হোসেন বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. শাহীন উদ্দিনের বক্তব্যও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তার দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে অধ্যক্ষের কথোপকথন বা কল রেকর্ডের বক্তব্য পরিবর্তন করে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, সংবাদটি প্রকাশের আগে তার বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি এবং সংবাদ প্রকাশের পূর্বে তার বক্তব্য নেওয়া হয়নি। এর ফলে তিনি দাবি করেন, প্রতিষ্ঠানের সুনাম এবং প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক হিসেবে তার সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
“সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ জাতির দর্পণ। কোনো অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য নিয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা উচিত।” এ সময় তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই না করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ মো. শাহীন উদ্দিন বলেন, লায়েছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রতিবছর ভালো ফলাফল করে এবং এটি শিক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টের সঙ্গে সমন্বয় করে তিনি প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে কাজ করছেন।
অধ্যক্ষ আরও দাবি করেন, সংবাদ প্রকাশের আগে সাংবাদিক আতাউর বাশার তাকে ফোন করেছিলেন, কিন্তু তিনি অসুস্থ থাকায় অফিসে আসতে বলেছিলেন। এতে তিনি অভিযোগ করেন, সাংবাদিক অফিসে না এসে তার বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রকাশ করেছেন এবং এই ধরনের সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান অধ্যক্ষ।
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই আলী হোসেনের লায়েছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার অবদানের কারণে একটি মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাকে ও প্রতিষ্ঠানকে হেয় করার চেষ্টা করছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আলী হোসেন জানান, “মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।” তিনি প্রশাসনের কাছে প্রকাশিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার আহ্বান জানান এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবু তাহের বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল ও আদর্শিক রাজনৈতিক দল। দলের উপজেলা সেক্রেটারি আলী হোসেনকে জড়িয়ে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হলে এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লায়েছ ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বাংলা প্রভাষক সাইদুল ইসলাম, ইসলামের ইতিহাসের প্রভাষক আলামিন, অফিস সহকারী সুমন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আব্দুল মুসাব্বির, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট আলম, দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আবু হানিফা, মধ্যনগর সদর ইউনিয়ন সভাপতি কবির শাহ, চামরদানী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আবু তাহেরসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এই গল্পটি শুধু সাহসিকতার নয়, এটি অসম্ভবকে জয় করার এবং বিশ্বাসের একটি জাদুকরী উপাখ্যান। এক পায়ে ভর দিয়ে, হাতে ক্রাঞ্চ আর লাঠি নিয়ে যিনি রুখে দাঁড়িয়েছিলেন দুর্বৃত্তদের দলের বিরুদ্ধে, সেই বীরের নাম শেখ রহিমুল্লাহ। নেপালের রৌহতহাট জেলার রামপুরের এই ৩২ বছর বয়সী মানুষটি হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি যে, তাঁর জীবনের এই মুহূর্তটি একদিন তাকে নিয়ে যাবে সোজা পবিত্র মক্কায়।
মাসকয়েক আগে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ করে ছড়িয়ে পড়ে। যেখানে দেখা যায়, এক প্রতিবন্ধী মুসলিম যুবক জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে মসজিদটি রক্ষার চেষ্টা করছেন। এক পা নেই তো কি হয়েছে, তবে তাঁর মনোবল তো পাহাড়সম! এই ভিডিওটি মুহূর্তেই গোটা মুসলিম বিশ্বে ভাইরাল হয়ে যায়। সৌদি আরবের সাধারণ কর্মী ও অ্যাক্টিভিস্টদের হৃদয়ে গভীর রেখাপাত করে ওই দৃশ্য। তারা সিদ্ধান্ত নেন, এই বীরকে খুঁজে বের করতেই হবে। ডিজিটাল দুনিয়ায় শুরু হয় বিরল এক সন্ধান।
অবশেষে সেই খোঁজ সফল হয়! গত ৫ আগস্ট, ২০২৬। সৌদি দাতা এবং আয়োজকদের উদ্যোগে অলৌকিক এক স্বপ্ন বাস্তব হয়ে ওঠে। যখন শেখ রহিমুল্লাহ তাঁর বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে সৌদি আরবের মাটিতে পা রাখেন, তখন সেখানে মক্কা ও মদিনার সাধারণ মানুষ এবং বাসিন্দারা তাঁকে উপচে পড়া ভালোবাসা ও উপহারের ডালি দিয়ে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। এসময় কৃতজ্ঞতা ও ওমরাহ পালনের পবিত্র মুহূর্তগুলোর কথা মনে করে আজও এই বীরের চোখে জল আসে।
তবে এখানেই শেষ নয়। কেরালার তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটর মোহাম্মদ রফির কথায়, সৌদি যুবকদের এই উদ্যোগ কেবল ওমরাহর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বদর অ্যাসোসিয়েশন স্বেচ্ছায় রহিমুল্লাহর পাশে এসেছে। হারানো একটি পায়ের বদলে খুব শীঘ্রই রহিমুল্লাহকে একটি আধুনিক কৃত্রিম অঙ্গ বা প্রোস্টেটিক লিম্ব দেওয়া হবে। যা তাঁর বাকি জীবনটা পরিবর্তন করে দেবে।
গত ১৪ আগস্ট, বুকভরা কৃতজ্ঞতা নিয়ে রহিমুল্লাহ এবং তাঁর পরিবার নেপালে ফিরে গেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় ভূমধ্যসাগরে অন্তত এক হাজার ৬৬৮ জন অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেশি।
সমুদ্রপাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ, ইরিত্রিয়া, সুদান, পাকিস্তান এবং মিসরের অভিবাসীরা।
ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রা এবং সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতায় বাধা এই বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে যে, এই সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুটা বিশেষভাবে প্রাণঘাতী ছিল।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের মধ্যে ভূমধ্যসাগরে এক হাজার ৬৬৮ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ৩৫ জন।
নিহত বা নিখোঁজদের মধ্যে ৮৭২ জন সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে বিভিন্ন পথে যাত্রা করার সময় প্রাণ হারিয়েছেন। এসব রুটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পথটি হল উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো, বিশেষ করে লিবিয়া থেকে লাম্পেদুসা দ্বীপ হয়ে ইতালির সঙ্গে যুক্ত।
ইউরোপে যাওয়ার জন্য অভিবাসীদের জন্য প্রধান ট্রানজিট ও যাত্রার দেশ হিসেবে এখনও প্রথম অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া।
৯ আগস্ট প্রকাশিত এনজিও অ্যালার্ম ফোনের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এনজিও এসওএস মেদিতারানের ২০২৫ সালের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে যাত্রা করা অভিবাসীদের মধ্যে শীর্ষে আছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীরা। এটি মোট অভিবাসীর ২৬ শতাংশ। এর পর রয়েছে ইরিত্রিয়ার ১৬ শতাংশ, সুদানের ১৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ১২ শতাংশ এবং মিসরের ৯ শতাংশ নাগরিক।
২০১৬ সাল থেকে নাইজেরিয়া, আইভরি কোস্ট, গিনি এবং মালি থেকেও এই পথে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে লিবিয়া ও টিউনিশিয়া থেকে যাত্রা করে ২৬ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ ইউরোপে পৌঁছেছেন। আগের বছরগুলোর তুলনায় এই সংখ্যা কমেছে। তবে এর সঙ্গে নিহত বা নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
এপ্রিলের শুরুতে সমুদ্রপথে অভিবাসন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আরনো বানস ইনফোমাইগ্রেন্টসকে বলেছিলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বহির্সীমান্তে অভিবাসীদের যাত্রা ঠেকানো হচ্ছে ক্রমবর্ধমানভাবে।একই সময়ে আমরা দেখছি, সমুদ্রপথে যাত্রা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ইউরোপের উপকূলে পৌঁছাতে পারছে কম মানুষ। কিন্তু মারা যাচ্ছে বেশি। ইনফোমাইগ্রেন্টস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এটি শনিবার (১৫ আগস্ট) মধ্যনগর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটিতে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন মধ্যনগর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আবুল হাসান আখঞ্জি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মধ্যনগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবে হায়াত, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম মজনু, আবুল বাশার ও মোশাহিদ তালুকদার, কামাল হোসেন। এছাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম সাইফুল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান উদ্দিন সোহেল এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান জিয়া আছেন।
উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিছবাহ, সাধারণ সম্পাদক আলামিন তালুকদার, সহসভাপতি আব্দুল কাদির, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খসরুজ্জান খসরুও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিনু, সদস্যসচিব মুসাব্বির তালুকদার সাগর, যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরিদ ও বাপ্পি হাসান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সাইদুল ইসলাম সেফুল, শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল জলিল এবং সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময়, তারা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
পাশাপাশি, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, কল্যাণ এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ায় জামায়াত এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটেছে।
এটি ঘটে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরকে নিয়ে এমপি আমির হামজার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায়, শহরের সাড়ে ছয় রাস্তার মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, সমাবেশ শেষে বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে সভাপতি সমাপনী বক্তব্য দেওয়ার সময় এমপি আমির হামজার গাড়িটি ওই এলাকায় পৌঁছায়।
এ সময় স্থানীয় জামায়াত সমর্থক ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি এবং হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং উভয় পক্ষ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় জড়িয়ে পড়ে।
এদিকে, সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, এনএস রোড ও আশপাশের এলাকায় দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং উত্তেজনা চলছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাতব্বর হোসেন বলেন, সংসদ সদস্যের নিরাপত্তার স্বার্থে তার বাড়ির আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিকেল সাড়ে ৫টার পর বাড়িটি ঘেরাও হতে পারে—এমন একটি আশঙ্কার খবর পেয়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ