ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুুর্নীতির অভিযোগ, আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের উৎস নিয়ে প্রশ্ন?


সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুুর্নীতির অভিযোগ, আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের উৎস নিয়ে প্রশ্ন?


 সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) দেশের অন্যতম বৃহৎ অবকাঠামো বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছর হাজার হাজার কোটি টাকার সড়ক নির্মাণ, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সংস্থাটি। ফলে এ খাতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

সম্প্রতি সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে ঘিরে টেন্ডার ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক প্রভাব, কমিশন গ্রহণ, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ সামনে এসেছে। বিভিন্ন অভিযোগপত্র, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ঠিকাদার এবং অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব অভিযোগ উত্থাপন করেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, কক্সবাজার, মুন্সিগঞ্জ, রাজশাহী ও রংপুরে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পরিবেশ তৈরি করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, দরপত্রের কারিগরি শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হতো যাতে প্রতিযোগিতা সীমিত হয়ে পড়ে এবং নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পায়।

আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত

সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুযায়ী, সব সরকারি ক্রয় প্রতিযোগিতামূলক ও স্বচ্ছ হওয়ার কথা। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট টেন্ডার নথি, মূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদন, কার্যাদেশ এবং ই-জিপি রেকর্ড পর্যালোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সওজের একাধিক কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রকল্পে প্রশাসনিক ও কারিগরি অনুমোদনের আগে কমিশন দেওয়ার চাপ থাকত। অভিযোগকারীদের দাবি, কমিশন ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ফাইলের অগ্রগতি ব্যাহত হতো।


নিম্নমানের নির্মাণকাজের অভিযোগ> কয়েকটি সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কার প্রকল্পে কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে অনেক সড়ক দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

প্রকৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রকল্পের পরিমাপ বই (Measurement Book), ল্যাব টেস্ট রিপোর্ট, গুণগত মান পরীক্ষার নথি এবং অডিট রিপোর্ট পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: বগুড়ায় 'হাত ধোয়ার নায়ক হোন' শ্লোগানে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সম্পদের উৎস নিয়ে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, গত এক দশকে তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ গড়ে উঠেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এসব সম্পদের সঙ্গে সরকারি চাকরিজীবনের বৈধ আয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া ব্যাংক হিসাব, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র এবং সম্ভাব্য বিদেশি সম্পদের বিষয়েও অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

এ ছাড়ও কিছু অভিযোগপত্রে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। অর্থ পাচারের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সমন্বিত অনুসন্ধান প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, পদায়ন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রভাব বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ রয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।

আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ


অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা সংস্থার মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অডিট, উন্মুক্ত দরপত্র, ডিজিটাল নজরদারি এবং জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা জরুরি। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থের সুরক্ষা যেমন নিশ্চিত হবে, তেমনি সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনআস্থাও বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৭৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সিএনএনের প্রতিবেদন

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারে চাপ, দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডারে চাপ, দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা নিয়ে শঙ্কা

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অস্ত্রভান্ডার দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। পরিস্থিতি যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে ওঠে, তাহলে ভবিষ্যতে চীন বা উত্তর কোরিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার সামর্থ্য দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘোষণা করার পর এ বিষয়ে উদ্বেগের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এবং অবসরপ্রাপ্ত মেরিন কর্নেল মার্ক কানসিয়ান বর্ণনা করেন, যদি বর্তমান হারে যুদ্ধ অব্যাহত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত এমন পর্যায়ে নেমে যেতে পারে, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করবে।

সিএনএনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে, যুদ্ধের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র কয়েক হাজার দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। সিএসআইএসের হিসাবে, গত এপ্রিল পর্যন্ত দেশটি তাদের অন্তত অর্ধেক থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর, প্রায় অর্ধেক প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রায় ৩০ শতাংশ টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের গবেষক মাইকেল ও'হ্যানলনের মন্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত প্রত্যাশার তুলনায় অনেক দ্রুত কমে গেছে এবং এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘাটতি পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। বর্তমানে পেন্টাগন প্রতি মাসে গড়ে মাত্র ১৫টি টমাহক এবং ২০টি নতুন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে। তাছাড়া ২০২৬ সালের মধ্যে নতুন কোন থাড ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই।

সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা এলেন ম্যাককাসকার জানিয়েছেন, অধিকাংশ অস্ত্রের মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দুই থেকে পাঁচ বছরের মতো সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিশেষজ্ঞ জন ফেরারির মতে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরও নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য কংগ্রেস অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দেয়নি, যার কারণে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে নেই।

এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধের ব্যয় নির্বাহের জন্য হোয়াইট হাউস কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত অর্থ চেয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের গতি বাড়াতে ‘ডিফেন্স প্রোডাকশন অ্যাক্ট’ প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন প্রক্রিয়াকে দ্রুত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পদক্ষেপের সুফল তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে না। নতুন উৎপাদন লাইন চালু করতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন। প্রতিবেদনে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, জাপানে একটি প্যাট্রিয়ট কারখানা নির্মাণ করতে তিন বছর লেগেছে। অন্যদিকে, জার্মানি ২০২২ সালে নির্মাণকাজ শুরু করলেও এখনও উৎপাদনে সফল হয়নি।

পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল দাবি করেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী এখনও যুক্তরাষ্ট্রেরই এবং প্রয়োজন হলে যে কোনো সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র ও সক্ষমতা তার হাতে রয়েছে। অন্যদিকে, মাইকেল ও'হ্যানলনের মূল্যায়ন, বর্তমানে চীন বা উত্তর কোরিয়াকে প্রতিহত করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। তবে একটি বিশেষ সীমার পর সেই সক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। সেই সীমা কোন জায়গায় তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা কঠিন, কারণ বিষয়টি অনেকাংশেই সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়নের ওপরে নির্ভরশীল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটির বরকলে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


রাঙামাটির বরকলে বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় বিজিবি

রাঙামাটির সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ সোমবার সকালে জেলার বরকল উপজেলার ছোট হরিণা সীমান্তের বিভিন্ন গ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে বিজিবির ছোট হরিণা ১২ ব্যাটালিয়ন।

ছোট হরিণা ১২ ব্যাটালিয়নের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদীর নেতৃত্বে বিজিবির সদস্যরা সীমান্ত নিয়ন্ত্রীত এ্যারাবুনিয়া ও আমতলা এলাকার ৬০টি বন্যাকবলিত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেন।

বিতরণ করা ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, আটা, তেল, চিড়া, মুড়ি, গুড়, বিস্কুট, খাবার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, মোমবাতি ও দিয়াশলাইসহ বিভিন্ন শুকনো খাদ্যসামগ্রী।

জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মানুষের যেকোনো দুর্যোগে পাশে থাকা বিজিবির দায়িত্বের অংশ। তিনি জানান, টানা ভারী বর্ষণে ছোট হরিণা ব্যাটালিয়ন সদরসহ কয়েকটি বিজিবি ক্যাম্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পরেও সদস্যরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গত মানুষের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা সংকটময় পরিস্থিতিতে বিজিবি সবসময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে অটোরিকশার গ্যারেজে আগুন নেভাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


ভৈরবে অটোরিকশার গ্যারেজে আগুন নেভাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইমন মিয়া (৩০) নামে এক যুবক জীবন হারিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার সময় উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়নের মধ্যেরচর গ্রামে ঘটে। নিহত যুবক ইমন মিয়া মধ্যেরচর গ্রামের ব্যাপারী বাড়ির মেরাজ মিয়ার সন্তান।

স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ১২টার দিকে ইমন মিয়া জাহিদ মিয়ার মালিকানাধীন অটোরিকশার গ্যারেজের ভিতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে। তিনি দ্রুত গ্যারেজ মালিককে এই ব্যাপারে জানান। গ্যারেজ মালিক তখন দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করেন এবং ইমনও তাকে সহায়তা করতে গ্যারেজে ঢোকেন। এসময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানান, হাসপাতাল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজেরা ঠিক না রাখলে, অন্য কেউ এই দেশ ঠিক করে দেবে না: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ পি.এম


নিজেরা ঠিক না রাখলে, অন্য কেউ এই দেশ ঠিক করে দেবে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের দেশের যত্ন আমাদেরকেই নিতে হবে এবং আমাদের দেশকে আমাদেরই গড়ে তুলতে হবে। সুতরাং, সবাই যদি মিলে চেষ্টা করি এবং সচেতন হই, তাহলে আমরা পরিবেশকে সুন্দর করতে পারবো। যদি আমাদের পরিবেশটা সুন্দর হয়, তাহলে ভবিষ্যতের বংশধররা একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর জায়গায় থাকতে পারবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে, বৃষ্টিমুখর আবহাওয়ার মধ্যে বরিশালের গৌরনদীর সরিকল-বাটাজোর খালের পাশে বৃক্ষরোপণের একটি অনুষ্ঠানে আড়াই হাজার গাছের চারা রোপণে অংশগ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি এসময় বলেন, আপনারা জনগণ এই দেশের মালিক। সুতরাং, এই দেশের জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে ঘরের যত্ন আমাদের সবারই নিতে হবে।

বক্তব্য চলাকালে, সামনের খালে ভাসতে থাকা প্লাস্টিকের বোতল দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেললে খাল-বিল সব বন্ধ হয়ে যাবে। আর খাল-বিল যদি সচল থাকে ও পানি প্রবাহিত হয়, তাহলে এলাকার মানুষের উপকার হবে।

অর্থাৎ, যদি সারা দেশের খাল-বিল ঠিকঠাক থাকে, তাহলে বন্যার সময় ক্ষতি কম হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রাস্তা দিয়ে আসার সময় তিনি দেখলেন, যেখানে যেখানে বাজার আছে, সেখানকার আশপাশে বিভিন্ন ধরনের কাগজ, পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং বোতল ফেলা হয়ে পরিবেশকে নষ্ট করা হচ্ছে। তিনি বললেন, পরিবেশ যদি নষ্ট হয়, তাহলে ক্ষতি আমাদেরই হবে। ঢাকা শহরে গাড়ির ধোঁয়া ও ময়লার কারণে মানুষের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কিন্তু গ্রামে আসলে কিছুটা ভালো লাগে এবং বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায়। তবে যদি আবর্জনা দিয়ে সব জায়গা ভরে যায়, তাহলে গোটা দেশের পরিবেশ নষ্ট হবে।

তখন ছোট-বড় সব মানুষের ক্ষতি হবে, শ্বাস নিতে কষ্ট হবে, এবং বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ হবে। প্রধানমন্ত্রী মিডিয়ার ভাই-বোনদের মাধ্যমে দেশের সমগ্র মানুষকে অনুরোধ করেন—আসুন, আমরা চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে। আমাদের ব্যবহার্য যেকোনো জিনিসের ব্যবহার শেষ হলে, অর্থাৎ পানি খেয়ে বোতল কিংবা প্যাকেট ফেলে দিতে হলে সেটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, এবং পরিবেশ নষ্ট হলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি, আমাদের সন্তানেরা পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি আমরা নিজেদের ঘরকে পরিষ্কার না রাখি, এবং নিজ দেশের যত্ন না নিই, তাহলে বাইরের দেশ থেকে কেউ এসে আমাদের ঠিক করে দেবে না।

তিনি বলেন, আমাদের দেশকে সুন্দর করতে হলে সকলকে চেষ্টা করতে হবে। একটি ঘর যদি ৪/৫ জন মানুষ অপরিষ্কার রাখে, তবে একজন মানুষের জন্য তা পরিষ্কার রাখা অসম্ভব। দেশের ক্ষেত্রেও একইভাবে। তিনি সকলকে আহ্বান জানান, আসুন, আজ থেকে আমরা চেষ্টা করি যত্রতত্র ময়লা ফেলবো না। প্রয়োজন হলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতেও হবে। এই প্রতিজ্ঞা ও চেষ্টা আমাদের করতে হবে।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%