শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫২ পি.এম
তাইওয়ানে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়ার জন্য আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ‘চুং হুয়া রোটারি এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ ২০২৭’-এর জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে তাইওয়ানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছে ২০ অক্টোবর ২০২৬।
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল তাইওয়ান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এই বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। মেধাবী ও আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহায়তা করাই এই বৃত্তির প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিনিময়, সেবা ও শান্তির চেতনা গড়ে তোলাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
বৃত্তিতে যা থাকছে
বৃত্তির আওতায় টিউশন ফি ও গবেষণার খরচে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ডিগ্রির স্তর অনুযায়ী বছরে ১ লাখ ৩৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার নিউ তাইওয়ান ডলার পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হবে।
এছাড়া টিউশন, বই, আবাসন ও দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচও এই বৃত্তির আওতায় থাকবে। প্রত্যেক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর জন্য একটি রোটারি ক্লাব ও একজন পরামর্শক নির্ধারণ করা হবে। তারা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন।
বৃত্তিপ্রাপ্তরা রোটারির বিভিন্ন অনুষ্ঠান, আলোচনা এবং সাবেক শিক্ষার্থীদের কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। বৃত্তির মেয়াদে অন্তত একটি আলোচনা বা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। ২০২৭ সালের মে মাসের শেষ নাগাদ পড়াশোনা ও তাইওয়ানে অবস্থানের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
আবেদনকারীর যোগ্যতা
আবেদনকারীকে তাইওয়ানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর বা পিএইচডি পর্যায়ে ভর্তি থাকতে হবে।
আবেদনের সময় বয়স ৩৫ বছরের কম হতে হবে।
আবেদনকারী রোটারিয়ান, কোনো রোটারিয়ানের সরাসরি বংশধর বা রোটার্যাক্টর হতে পারবেন না।
বৃত্তির মেয়াদে অন্য কোনো বৃত্তি গ্রহণ করা যাবে না।
ভালো একাডেমিক ফলাফল, নেতৃত্বের সম্ভাবনা এবং সামাজিক বা স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
যেসব কাগজপত্র লাগবে
আবেদনের সঙ্গে অনলাইনে পূরণ করা আবেদনপত্রের দুই কপি, হালনাগাদ জীবনবৃত্তান্ত এবং বৈধ পাসপোর্ট বা জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি জমা দিতে হবে। এছাড়া আত্মজীবনী, পড়াশোনার উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন কার্যক্রম বা স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ জমা দিতে হবে।
আরো প্রয়োজন হবে—
শিক্ষকের বা তত্ত্বাবধায়কের সুপারিশপত্র
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
ভর্তি বা অধ্যয়নরত থাকার প্রমাণপত্র
পাসপোর্ট ও এলিয়েন রেসিডেন্ট সার্টিফিকেটের (এআরসি) কপি
গত এক বছরের মধ্যে তোলা দুই কপি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট আকারের ছবি
সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের স্বাক্ষরসহ গবেষণা প্রস্তাব
বৃত্তির অর্থ কিভাবে ব্যয় করা হবে, তার বাজেট পরিকল্পনা
যেভাবে আবেদন করবেন
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের হার্ড কপি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ক দপ্তরের আন্তর্জাতিক ভর্তি বিভাগে জমা দিতে হবে। আবেদনকারীদের নথিপত্র যাচাইয়ের পর প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের সাক্ষাৎকারের জন্য ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করা হবে। নির্বাচিত না হলে আলাদাভাবে জানানো হবে না। বৃত্তিটি এনডিএইচইউ অ্যাওয়ার্ড, এনডিএইচইউ সাউথবাউন্ড স্কলারশিপ, এনডিএইচইউ এলিট স্কলারশিপ, এনডিএইচইউ এক্সিলেন্ট পিএইচডি স্কলারশিপ, এমওই এলিট স্কলারশিপ, এমওই তাইওয়ান স্কলারশিপ এবং এমওএফএ তাইওয়ান স্কলারশিপের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত দেখে আবেদন করা যাবে।
আবেদনের শেষ সময় : ২০ অক্টোবর ২০২৬।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুর, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে আজ পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতাল, পৌর এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
আজ শনিবার এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ।
অভিযানের আওতায় পিরোজপুর জেলা সদর হাসপাতালের চারপাশের বিভিন্ন ড্রেন ও নালা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি হাসপাতালের কোয়ার্টার, হাসপাতাল ভবন এবং সংলগ্ন স্থানগুলো থেকে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এর সাথে পিরোজপুর পৌর এলাকার ময়লা-আবর্জনা অপসারণ, ড্রেন ও নালা পরিষ্কারের কার্যক্রম এবং পরিবেশের অব্যবস্থাপনা দূর করার উদ্যোগও জোরদার করা হয়েছে।
এ সময় জেলা প্রশাসক সিও অফিস মোড় পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে সরেজমিন পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় সড়কের দুই পাশে থাকা ময়লা-আবর্জনা দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি অবৈধ স্থাপনা, ভাসমান দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের অব্যবস্থাপনা দ্রুত অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান, পিরোজপুর পৌর প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও সাংবাদিকরা।
ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর, সুন্দর ও নাগরিকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সতর্ক করেছে যে, জ্বালানির ‘মূল্য সংকটের’ মুখোমুখি হতে পারে।
শুক্রবার ইইউভুক্ত দেশের জ্বালানিমন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠিতে জোটের জ্বালানি কমিশনার ড্যান জর্গেনসেন উল্লেখ করেন, ‘আমরা সরবরাহ সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি মূল্য সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি।’
২০২১ সালের শীতের তুলনায় এবারের শীতের জন্য ইইউ অনেক ভালোভাবে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান জর্গেনসেন। তিনি বলেন, ওই সময় রাশিয়া ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ার ফলে জ্বালানিসংকট তীব্র হয়ে উঠেছিল।
তবে চলতি শীতের জন্য প্রস্তুতি আরো জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি সদস্য দেশগুলোর প্রতি। ইইউর জ্বালানি কমিশনার সরকারগুলোকে গ্যাসের মজুদ বাড়ানোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদা কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রয়োজন যত দিন থাকবে, তত দিন এসব পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনের ফলে ভিটে মাটি হারানো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
আজ শনিবার ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ। তিনি এ সময় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে চাল ও নগদ অর্থ তুলে দেন।
কর্মসূচিতে বক্তারা উল্লেখ করেন, দুর্যোগ ও সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পুনর্বাসন এবং চিকিৎসায় এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এ সময় ফরিদপুর জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওমর সানীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও ট্রল দেখা যায়। তবে ঢালিউডের এই জনপ্রিয় নায়ক এসব নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। বরং তিনি দাবি করেন, তার জীবনে এমন কোনো কাজ নেই, যা নিয়ে ট্রল করা সম্ভব।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল ও সমালোচনার বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ওমর সানী। এ সময় তিনি সরাসরি কথা বলার অভ্যাস, জীবনযাপন এবং ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করেন।
ট্রল প্রসঙ্গে ওমর সানী বলেন, "আসলে আমাকে নিয়ে ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ আমি আমার জীবনেও করিনি। হয়তো বা আমার কর্মকাণ্ডকে ট্রলের মতো করে ওরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কতগুলো ফালতু লোক আছে, যাদের অনেকে বট বাহিনীও বলে—যারা ট্রলের মতো করে। কিন্তু ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ আমার নেই।"
নিজের প্রতিবাদী স্বভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, "আমি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করি। এই সরাসরি কথা বলাটা অনেকের ভালো লাগে না। যাদের আঁতে ঘা লাগে, তারা এসব ছড়ায়। এসবে তাই পাত্তা দিই না। যারা এসব করে, তারা ফালতু লোক।"
সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যবহৃত একটি ঘড়ি নিয়েও তিনি কথা বলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দামি ঘড়ি নিয়ে মানুষের নানা ধরনের প্রচার-প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "অনেকেই বাংলাদেশে বলছে, ‘ভাই, আমার ঘড়িটা দেখছেন? এই ঘড়িটা কিন্তু প্রায় ২৯ লাখ টাকার।’ আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনটা দেখেছি। আমার হাতেও একটা ঘড়ি আছে। হয়তো আমি ওমর সানীকে এই ঘড়ি পরতে দেখে অনেকের কাছে খুব দামি মনে হচ্ছে। আসলে এটার দাম অত না, এটা মাত্র ১১০০ টাকা।"
নিজের সম্পদ নিয়ে বাড়তি জাহির করার অভ্যাস নেই বলেও জানান এই চিত্রনায়ক। তার ভাষ্য, "আমি এটা প্রাউডলি বলতে পারি, কোনো দিন কোনো কিছুতে আলগা বাহাদুরি করিনি। আমার মার্সিডিজ থাকার পরও আমি ফুটানি করি না। এটা নিয়ে বড় করে কথা বলার কিছু নেই।"
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া কোনো পোস্ট বা মন্তব্যের কারণে কখনো সেটি মুছে ফেলেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "না, এ রকম কখনো মনে হয়নি। কারণ, আমি পোস্ট কখনো ডিলিট করার মতো করিনি। একবার হয়তো বা করেছিলাম কিংবা দুবার করেছিলাম। কিন্তু আমি কাউকে ছোট করে কখনো পোস্ট করিনি। কেউ এমনটা দেখাতেও পারবে না।"
এ সময় শিল্পীদের কথা বলা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ওমর সানীর মতে, শিল্পীরা যেখানে তুলনামূলক কম কথা বলেন, সেখানে শিল্পী নন—এমন অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশি কথা বলেন।
১৯৯৪ সালের ২ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া দীলিপ সোম পরিচালিত ‘দোলা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় জুটি বাঁধেন ওমর সানী ও মৌসুমী। এরপর ‘আত্ম অহংকার’, ‘প্রথম প্রেম’, ‘মুক্তির সংগ্রাম’, ‘হারানো প্রেম’, ‘গরিবের রানি’, ‘প্রিয় তুমি’, ‘সুখের স্বর্গ’, ‘মিথ্যা অহংকার’, ‘ঘাত প্রতিঘাত’ ও ‘লজ্জা’সহ বহু সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। পর্দার এই জুটি বাস্তব জীবনেও ঢালিউডের পরিচিত তারকা দম্পতি হিসেবে দর্শকের ভালোবাসা পেয়ে আসছেন। ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই তারকা দম্পতি। তাঁদের দুই সন্তান ফারদিন ও ফাইজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ