ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোদির বিস্ফোরক মন্তব্য দেশভাগ নিয়ে


মোদির বিস্ফোরক মন্তব্য দেশভাগ নিয়ে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, "দেশভাগের সময় অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অংশ করার একটি সুনির্দিষ্ট ষড়যন্ত্র হয়েছিল।" একই সাথে তিনি বাংলাদেশ অঞ্চলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, "রক্তপাত ও দেশভাগের পরও বাংলা তার নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্যকে কখনো ধ্বংস হতে দেয়নি।" এই খবরটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) পশ্চিমবঙ্গ দিবসের রাজ্য পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইতিহাস ও রাজনীতির প্রসঙ্গ একসঙ্গে তুলে ধরেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে বিশেষ কৃতিত্ব দেন এবং বলেন যে, "পরবর্তী সরকারগুলোর বিরুদ্ধে সেই গৌরবময় উত্তরাধিকারকে আড়াল করার অভিযোগ উঠে।"

দেশভাগের আগের পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে মোদি অভিযোগ করেন, "তৎকালীন সময়ে পুরো অবিভক্ত বাংলাকে পাকিস্তানের অংশ করার একটি গভীর চক্রান্ত হয়েছিল।" সেই সময় কংগ্রেস ‘ষড়যন্ত্রকারী শক্তির’ কাছে পুরোপুরি নতি স্বীকার করেছিল এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি এর বিরুদ্ধে তীব্র সোচ্চার হন।

আরও পড়ুন: এই দেশে আমার যতটা অধিকার, আপনাদেরও ততটুকু: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের মণ্ডপে

মোদি বলেন, "মুখার্জি ‘বাঙালি হিন্দু হোমল্যান্ড’ আন্দোলন শুরু করেছিলেন এবং এই প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে জোরালো জনমত গড়ে তুলেছিলেন।" এই আন্দোলনে বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা, ইতিহাসবিদ আর সি মজুমদার ও যদুনাথ সরকার, ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি যুক্ত হয়েছিলেন। এছাড়া বিশিষ্ট শিল্পপতি জিডি বিড়লা এবং মতুয়া নেতা পি আর ঠাকুরও এই আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছিলেন।

মোদি আরও দাবি করেন, "এই আন্দোলনের ফলে ভারতবিরোধী শক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছিল যে পুরো বাংলাকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা সম্ভব নয় এবং পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থেকে যায়।" বর্তমান বাংলাদেশ অঞ্চলের ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৪৬ সালের কলকাতার সহিংসতা ও নোয়াখালীর দাঙ্গায় বহু নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন। তবে এত রক্তপাত ও দেশভাগের চরম ট্র্যাজেডির পরও বাংলা তার নিজস্ব অনন্য সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্য ধরে রাখতে পেরেছে।

পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব বারবার নতুন করে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, "নতুন প্রজন্মের জানা উচিত সেই সময় কী ঘটেছিল।" তার ভাষায়, "২০ জুন কেবল ক্যালেন্ডারের একটি সাধারণ দিন নয়, এটি বাংলার ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের স্মারক।"

কংগ্রেস, বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে মোদি অভিযোগ করেন, "রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ইতিহাস ও গুরুত্বকে ইচ্ছাকৃতভাবে খাটো করা হয়েছে।" তার দাবি, "দেশভাগের সময় যে কংগ্রেস বাংলা ত্যাগ করতে প্রস্তুত ছিল, পরবর্তীতে তারাই রাজ্যে তুষ্টিকরণের রাজনীতি করেছে।" এছাড়া দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করেছে এবং অনুপ্রবেশকে উৎসাহিত করেছে বলেও দাবি করেন নরেন্দ্র মোদি।

আরও পড়ুন: মোদি: ভারত ভাঙার চক্রান্ত ব্যর্থ করতে হবে

তিনি অভিযোগ করেন, "বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান চলে গেছে, ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়েছে, কর্মসংস্থান কমেছে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা সম্পদের ওপর দখল নিয়েছে।" কংগ্রেস, বাম ও তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গকে গড়ে তোলার পরিবর্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে তিনি অতীতের ভুল পুনরাবৃত্তি না করার এবং নতুন ইতিহাস গড়ার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জামিন পেয়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক জামিন পেয়েছেন

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায়, দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজাওয়ানুর ইসলাম জামিন পেয়েছেন।

রোববার (২১ জুন) বগুড়ার সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানজিম আল মেজবা জানান, দুপুরে জামিন আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত রেজাওয়ানুর ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেন। সেই সময় তিনি কারাগারে ছিলেন।

এর আগে, ১৮ জুন রাতে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল গাজীপুরের বোর্ডবাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার নথি অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ফলে গত ১৫ জুন মামলাটি দায়ের করেন বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও দ্য নিউ নেশন পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন। মামলায় পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, বার্তা সম্পাদক, প্রতিবেদকসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিককে আসামি করা হয়।

এজাহারে অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন।

তবে ঘটনার পর, গত শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, তাঁকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেছেন, তার নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে দাবি করে কেউ যেন ব্যক্তিগতভাবে কোনো মামলা, বিবৃতি কিংবা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করেন, কারণ এসব উদ্যোগে তার কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনা নেই।

বিবৃতিতে তিনি অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের দ্রুত মুক্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, মামলার বাদীও একজন সাংবাদিক এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ, তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজে যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনার মগড়া নদীর বাঁচার ‘আর্তনাদ’ কেউ শুনছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


নেত্রকোনার মগড়া নদীর বাঁচার ‘আর্তনাদ’ কেউ শুনছে না

নেত্রকোনা শহরকে সাপের মতো পেঁচিয়ে ফেলা মগড়া নদীটি উদ্ধারের জন্য কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বছর বছর দখলে শীর্ণকায় ঐতিহ্যবাহী মগড়া নদী এখন মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছে। শহরবাসীও এটিকে ময়লার ভাগাড়ে পরিণত করেছে, যার ফলে বর্ষা মৌসুমে পানিতে ভরলেও তার ব্যবহার উপযোগী নয়। শুকনো মৌসুম আসলে পানিই থাকে না।

দীর্ঘদিনের আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে নদী পুনঃজীবিতকরণ প্রকল্প পাস হয়ে গেলেও মেয়াদের অর্ধেক সময় চলে গেলেও কার্যক্রম শুরুই হয়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, সময়ের মধ্যেই এর কাজ শুরু হবে।

দখলে দূষণের কারণে এক সময়ের খরস্রোতা ঐতিহ্যবাহী মগড়া নদী এখন মৃতপ্রায় অবস্থায় দেখা দিয়েছে। এই নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল নেত্রকোনা শহর। কিন্তু কয়েক দশক ধরে নদীর দুই পাড়ে দখল করে গড়ে উঠেছে কয়েকশত অবৈধ স্থাপনা।

নদীর বুকে ফেলা হচ্ছে বাসাবাড়ি, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ময়লাসহ বিভিন্ন আবর্জনা, যা বর্ষাকালে পানিকে দূষিত করে। এ বিষয়ে দখল উচ্ছেদ এবং খননসহ সৌন্দর্যবর্ধনের দাবি জানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো আন্দোলন করছে, কিন্তু কোনো সরকারই উদ্যোক্তা হয়নি।

বিগত ২০২০ সালের তথ্যে ওয়েবসাইটে ৩১৬টি দখল চিহ্নিত করা হলেও গত ৫ বছরে দখলের সংখ্যা বেড়ে ৫ শতাধিক হয়েছে। সে সময়ের সংশ্লিষ্টরা দেখানোর জন্য কাগজে পত্রে দুই শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদের কথা বললেও বাস্তবে সবগুলোই পুনর্দখলে রয়েছে। কিছু স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হলেও পরে সেগুলো আবার পুরো বিল্ডিংয়ে রূপ নিয়েছে। পাশাপাশি ধর্মীয় ও ক্লাবসহ নানা প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি মালিকানাধীন হয়ে শহরের নাগড়া, সাতপাইসহ বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে। শহরের মোট ৬ কিলোমিটার এলাকায় অবৈধ স্থাপনা নিয়ে প্রশাসন দখলদারদের মধ্যে ইঁদুর বিড়াল খেলা চলছে।

বারবার সভা ও সেমিনার আয়োজন করা হলেও তা তালিকা তৈরির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। সারা দেশে সিএস মূলে আদালতের নির্দেশনা থাকলেও নেত্রকোনায় প্রভাবশালী মহল এর তোয়াক্কা করছে না। এই কারণে প্রশাসন নিস্প্রভ হয়ে পড়েছে।

এদিকে, দশক ধরে নদী পাড়ের বাসিন্দা এবং সচেতন নাগরিক ও পরিবেশবাদীরা নদী উদ্ধার নিয়ে নানা আন্দোলন সংগ্রাম করে নেত্রকোনা মগড়া নদী পুনঃজীবিত করার দাবি জানাচ্ছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় নদী পুনঃজীবিত করার প্রকল্প ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুমোদিত হয়েছে, তবে কাজ এখনও সভা সেমিনারের পর্যায়ে চলছে। ২০২৭ সালের জুনে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনও কাজ শুরু হয়নি।

স্থানীয় বাবন তালুকদার বলেন, ‘শহরের একমাত্র সৌন্দর্য এই নদী। এই নদীর মাধ্যমেই শহরের প্রসার ঘটেছিল। দেশব্যাপী চলাচলের একমাত্র মাধ্যম ছিল নৌপথ। লঞ্চ, স্টিমার ও পাল তোলা নৌকা দেখে বড় হয়েছি। বর্তমান পরিস্থিতি নদীটি মৃত হয়ে গেছে। এই নদীর দাফন মাত্র বাকি রয়েছে।’

নদীপাড়ের বাসিন্দা অপু সরকার, শুভ বণিক, মুরিদা রহমান জানান, নদী এখন ময়লা আবর্জনার ভাগাড় হয়ে গেছে। এর পানি দুষিত হয়ে গেছে এবং কেউ স্নান বা গোসল করতে পারেনা। শরীরে চুলকানি হয়। অথচ এই নদী ছিল পানির অন্যতম মাধ্যম।

পরিবেশকর্মী মো. অহিদুর রহমান বলেন, ‘এই নদীর মৃত্যু সনদ কে দেবে? বুড়িগঙ্গাসহ অনেক নদীর ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনার মাধ্যমে উচ্ছেদ কার্যক্রম করা হলেও এই নেত্রকোনায় হচ্ছে না। সবাই জানে এখানে বাধা কোথায়। কিন্তু কেউ দখলদারদের বিপক্ষে যায় না। একবার উদ্যোগ নিয়েও সফলতা আসেনি। এখানে দখলদাররা সরকারের তুলনায় কার্যত শক্তিশালী। নদী একটি জীবন্ত সত্ত্বা। যদিও একটি প্রকল্প এসেছে, এখন একটি বছর শেষ। আগামী বছরের জুনে মেয়াদ শেষ হচ্ছে কিন্তু কোনো কাজ শুরু হয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একার দ্বারা সম্ভব নয়। স্থানীয় প্রশাসনের উচ্ছেদ কাজে সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু কবে তা হবে, কেউ জানেনা। আদৌ তারা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে নদীর জীবন ফিরিয়ে আনবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।’

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দখল চিহ্নিতকরণের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং দ্রুত সময়ে কাজ শুরু হবে।

অপরদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার বলেছেন, ‘আদালতে মামলা থাকায় তালিকাসহ অন্যান্য কাজ চলছে। তবে উচ্ছেদ একটি জটিল কাজ, জনপ্রতিনিধিদের নিয়েই কাজ করতে হবে। আমাদের পক্ষে একা করা সম্ভব নয়।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘৪৯টি মামলা চলমান রয়েছে, নিস্পত্তির কাজ দ্রুত করা হচ্ছে। অনেকগুলো রায় আমাদের পক্ষে আসার পরও আবার কিছু আপিল হয়েছে। এসব কাজ শেষ করে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে একটি স্টেকহোল্ডার সভা করেই কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

পাউবো সূত্রে জানা যায় যে, ৪৮ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নেত্রকোনা সদর থেকে আটপাড়া পর্যন্ত ৪১ কিলোমিটার খনন কাজ করা হবে। দখলদারদের দায়ের করা মামলা চলমান রয়েছে ৪৯টি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ লেবাননের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ইসরাইলি হামলার নিন্দা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


দক্ষিণ লেবাননের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ইসরাইলি হামলার নিন্দা

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইল হামলা জোরদার করায়, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক শনিবার নাবাতিয়েহ শহরে ব্যাংকটির একটি শাখায় চালানো ইসরাইলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ব্যাংকটি এ হামলাকে ‘সরাসরি ও পরিকল্পিত’ আঘাত বলে অভিহিত করেছে। এক বিবৃতিতে ব্যাংক জানায়, ‘ইসরাইলি বাহিনী নাবাতিয়েহে ব্যাংক অব লেবাননের একটি শাখাকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করেছে।’ বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এটি ‘একটি সরকারি ভবনের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত হামলা’, যা লেবাননের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবিচ্ছেদ্য অংশ। ব্যাংকটির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় ভবনটি খালি ছিল। এতে শুধু স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেসামরিক নাগরিক ও লেবাননের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শনিবার জানায়, ইসরাইল প্রায় ২০টি স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, নাবাতিয়েহ এলাকায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ: চালক গুরুতর আহত, পিকআপ বিধ্বস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


গোপালগঞ্জে বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ: চালক গুরুতর আহত, পিকআপ বিধ্বস্ত

গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনের প্রধান মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপের চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পিকআপ ভ্যানটি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হয়েছে।

রোববার (২১ জুন ২০২৬) সকালে ঢাকা থেকে পিরোজপুরগামী ওয়েলকাম পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের তীব্রতায় পিকআপ ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং এর চালক মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠান।

দুর্ঘটনায় বাসটির সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বাসে থাকা কোনো যাত্রী হতাহত হননি বলে জানা গেছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%