ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামের ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী


চট্টগ্রামের ত্রাণ বিতরণের মঞ্চ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করার সময় মঞ্চ ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অনেকে প্রচন্ডভাবে পড়ে যান। কিন্তু, আশ্চর্যজনকভাবে, এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হননি।

এটি ঘটে শুক্রবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দোহাজারী পৌরসভা এলাকার একটি অনুষ্ঠানে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে গাড়ি থেকে নেমে মন্ত্রী মঞ্চে ওঠার সময় অতিরিক্ত সংখ্যক নেতাকর্মী এবং অতিথিগণ মঞ্চে উঠে গেলে সেটি ধসে পড়ে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

এই ঘটনায় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমদ, পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, বোয়ালখালী আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ সহ অন্যান্য নেতারাও পড়েন। তবে, তারা সবাই নিরাপদে উঠতে সক্ষম হন এবং কারো গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর অর্থমন্ত্রী পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে সাতকানিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

অন্যদিকে, মন্ত্রী চলে যাওয়ার পর স্থানীয় নেতারা ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম শুরু করলে উপকারভোগীদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিতে ঠেলাঠেলিতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নির্দেশনা অনুযায়ী আহতদের চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে গিয়ে চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান জানান, যখন মন্ত্রী ত্রাণ বিতরণের জন্য মঞ্চে ওঠেন, তখন অতিরিক্ত লোকজনের কারণে সেটি ভেঙে পড়ে। মঞ্চে থাকা সবাই পড়লেও কেউ আহত হননি। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয়।

আরও পড়ুন: শাকিলের জানাজায় এমপির বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেট ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : মন্ত্রী আরিফুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৪ পি.এম


সিলেট ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : মন্ত্রী আরিফুল

সিলেট ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে উল্লেখ করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, সম্প্রীতি বজায় রাখতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে সিলেটের চালিবন্দর মহাশ্মশান কমপ্লেক্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি তরুণদের মাদকমুক্ত রাখার জন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘ধর্মীয় রীতিনীতি, আচার-অনুষ্ঠান এবং ধর্মীয় গুরুদের দিকনির্দেশনার মাধ্যমে যুবসমাজকে নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যাতে তারা বিপথগামী না হয়, সে বিষয়ে সকলকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং ভারতের সহকারী হাইকমিশনারসহ শ্মশান কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয় সরকারকে উৎখাতে ষড়যন্ত্রে সাংবাদিক জড়িত!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৬ পি.এম


বিজয় সরকারকে উৎখাতে ষড়যন্ত্রে সাংবাদিক জড়িত!

বিজয় থালাপাতির নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত মাসের শেষদিকে এই ষড়যন্ত্রের কথা ফাঁস হওয়ার পর তদন্তে নামে চেন্নাই পুলিশের একটি বিশেষ তদন্ত দল।

এ ঘটনাতে জড়িত সন্দেহে একজন সিনিয়র টেলিভিশন সাংবাদিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তের সময় তামিলনাড়ুর পূর্ববর্তী ক্ষসতাসীন দল ডিএমকের সাথে সম্পর্কিত কিছু প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সাবেক মন্ত্রী ও ডিএমকে নেতা সেন্থিল বালাজি এবং তার ভাই অশোক বালাজিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে চেন্নাই পুলিশ।

সিনেসার জনপ্রিয় নায়ক থেকে জননায়ক বনে যাওয়া জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থালাপাতি বিজয় নামে পরিচিত, গত ১০ মে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

তারপরের মাসেই তার সরকারকে উৎখাত করার উদ্দেশ্যে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়। সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ও ইউটিউবার তিরুনাভুক্কারাসুকে সামনে রেখে বিজয় সরকারকে উৎখাতের জন্য ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য এবং তাদের বিভিন্ন ডিভাইসের ফরেনসিক বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, এ ষড়যন্ত্রের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘প্রজেক্ট মেঘালয়া’। ষড়যন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য উপলব্ধি করা হয়েছে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিজয়ের দলের টিভিকের অন্তত ১৫ জন বিধায়ককে কিনে ফেলা।

ফ্লোর ক্রসিঙের আইনী জটিলতা থেকে এড়াতে সরকার বিরোধী অনাস্থা না এনে প্রথমে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার ষড়যন্ত্র হবে এবং এরপর ১৫ জন বিধায়ক একসাথে পদত্যাগ করলে বিজয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবে।

গত নির্বাচনে টিভিকে ১০৮টি আসন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ হয়েছে। তবে ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য দরকার ছিল ১১৮টি আসন। কয়েকটি ছোট দলের সমর্থনে বিজয় তামিলনাড়ুর ইতিহাসে প্রথমবারের মত জোট সরকার গঠন করেছেন।

জুন মাসের শেষ সপ্তাহে উথানগারাই কেন্দ্রের টিভিকে বিধায়ক এন ইলাইয়ারাজার সাথে তিরুনাভুক্কারাসু যোগাযোগ করেন। তিনি একটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের বড় নেতাদের নাম উল্লেখ করে ইলাইয়ারাজাকে বিধানসভায় দলীয় হুইপের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোট দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এর বিনিময়ে ৩৫ কোটি রুপি দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। বিধায়ক ইলাইয়ারাজা সরাসরি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। এরপর ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের খুনের হুমকি দিতে শুরু করেন। যাইহোক, হুমকিকে ভয় না পেয়ে বিধায়ক ইলাইয়ারাজা ২৯ জুন চেন্নাই পুলিশ কমিশনারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই সময়ে ‘প্রজেক্ট মেঘালয়া’র খবর ফাঁস হয়।

পুলিশ মূল অভিযুক্ত তিরুনাভুক্কারাসুসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ফোন, চ্যাট রেকর্ড এবং ডিজিটাল ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষায় পুলিশ দেখতে পায়, মূল অভিযুক্ত তিরুনাভুক্কারাসুর সাথে পুথিয়া থালাইমুরাই চ্যানেলের সিনিয়র সাংবাদিক বিজয়নের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। গত বৃহস্পতি ও শুক্রবার পুলিশ বিজয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং তার ফোনটি জব্দ করেছে। তবে চেন্নাই প্রেসক্লাব পুলিশের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে এটিকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দমন করার চেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। ক্লাবটি জানিয়েছে যে, ১৫ জুলাই গভীর রাত পর্যন্ত বিজয়নেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সঠিক প্রক্রিয়া ছাড়াই তার ফোন জব্দ করা হয় এবং পর দিন আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। যদিও পুলিশ দাবি করেছে, তারা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজয়নকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে সাবেক মন্ত্রী ও ডিএমকে নেতা সেন্থিল বালাজি এবং তার ভাই অশোক বালাজির সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তাদের জন্য জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে পুলিশ। সেন্থিল বালাজির সাথে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সম্পর্কের বৈরিতা পুরোনো। গত বছর সেপ্টেম্বরে কারুরে বিজয়ের একটি নির্বাচনী জনসভায় পদদলিত হয়ে ৪১ জন মারা যান, সেই ঘটনায় বিজয় ডিএমকে এবং সেন্থিলকে দায়ী করেছিলেন। সেন্থিল কারুর এলাকায় প্রভাবশালী বিধায়ক। তবে ডিএমকে এ ধরনের ষড়যন্ত্রের সাথে নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে উৎসবমুখর রথযাত্রা, নিরাপত্তায় বিএনপি-ছাত্রদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৮ পি.এম


বরিশালে উৎসবমুখর রথযাত্রা, নিরাপত্তায় বিএনপি-ছাত্রদল

বরিশালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবের অংশ হিসেবে হাজারো ভক্ত-অনুরাগীর মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বিএনপি এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলের দিকে নগরীর শ্রীশ্রী শংকর মঠ প্রাঙ্গণ থেকে রথযাত্রার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। উৎসবকে কেন্দ্র করে নগরীতে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেই লক্ষ্য নিয়ে রথযাত্রার শুরু থেকেই তারা মাঠে থেকে সার্বিক তদারকি সম্পন্ন করেন।

একই সঙ্গে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও সড়কের শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করছেন মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তীব্র গরমে ভক্তদের তৃষ্ণা মেটাতে তাদের পক্ষ থেকে দিনভর পানি বিতরণ কর্মসূচিও চালানো হয়।

কেন্দ্রীয় নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মাকীম আবেদিন প্রিম বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় আমরা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং যেকোনো উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে আমরা সর্বদা কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও আমাদের এই সেবা ও তদারকি অব্যাহত থাকবে।’

বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. এনামুল হাসান তাসনিম উল্লেখ করেন, ‘ছাত্রদল সবসময় জনগণের অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পক্ষে রাজপথে রয়েছে। রথযাত্রার মতো একটি বড় উৎসবে যাতে সাধারণ মানুষের কোনো ভোগান্তি না হয় এবং ভক্তরা যেন শান্তিতে উৎসব পালন করতে পারেন, সেজন্য আমাদের নেতাকর্মীরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে সব ধরনের শৃঙ্খলার কাজে যুক্ত ছিলেন।’

রথযাত্রায় জগন্নাথ দেব, বলদেব ও সুভদ্রা দেবীকে পৃথক তিনটি সুসজ্জিত রথে বসিয়ে নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করানো হয়। এ সময় হাজারো পুণ্যার্থী দড়ি টেনে রথ এগিয়ে নেন, যা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

শ্রীশ্রী শংকর মঠ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি লিমন কৃষ্ণ সাহা কানু জানান, শংকর মঠ থেকে যাত্রা শুরু করে রথগুলো নতুনবাজার, অমৃত লাল দে সড়ক, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক, নগর ভবন, চকবাজার, বাজার রোড, নাজিরপুল ও জেলখানা মোড় ঘুরে নতুনবাজারের অমৃতাঙ্গনে গিয়ে শেষ হয়।

তিনি আরও জানান, আগামী শুক্রবার (২৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে উল্টো রথযাত্রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে ১ হাজার একর জমি প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১৯ পি.এম


বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে ১ হাজার একর জমি প্রদান

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে (বিএসএফ) ১ হাজার একরের বেশি জমি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে হস্তান্তর করা হয়েছে। মে মাসে রাজ্যে নতুন সরকারের ক্ষমতায় আসার পর এই জমি দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে এ তথ্য জানান।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং সীমান্তকে শক্তিশালী করা আমাদের সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।’ ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বেড়া নির্মাণের লক্ষ্যে বিএসএফের কাছে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৭২ দশমিক ৬ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত মোট ১ হাজার ২৪ দশমিক ৭৫ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরিত হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত জেলাভিত্তিক তালিকা অনুসারে, সীমান্ত বেড়া নির্মাণের জন্য সবচেয়ে বেশি জমি মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রদান করা হয়েছে, যা মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল। এই জেলায় ৪৫ দশমিক ৪ কিলোমিটার সীমান্তের জন্য বিএসএফকে দেওয়া হয়েছে ৩৩৭ একর জমি, যা মোট জমির হস্তান্তরের প্রায় ৩৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা, যেখানে ৪২ দশমিক ৭ কিলোমিটারের জন্য ২৪১ দশমিক ০৩ একর জমি দেওয়া হয়েছে।

অন্য জেলার মধ্যে কোচবিহারে ১৩৫ দশমিক ৩৩ একর, মালদহে ১৭৬ দশমিক ৭৮ একর, নদীয়ায় ৯৫ দশমিক ১১ একর, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২৬ দশমিক ৪১ একর, দার্জিলিংয়ে ৪ দশমিক ৩১ একর, উত্তর দিনাজপুরে ৬ দশমিক ৬১ একর এবং জলপাইগুড়িতে ২ দশমিক ১৭ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফের হাতে প্রদান করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমাদের নাগরিকদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুনিশ্চিত পরিবেশ তৈরি করতে এই প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যে আমরা আমাদের সিদ্ধান্তে অবিচল রয়েছি।’

২০১৫ সালে যখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকর হয়েছিল, সে সময় ভারত ১০ হাজার একরের কিছু বেশি জমি বাংলাদেশকে ছেড়ে দেয়। তখন পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও আপত্তি উঠেছিল। কিন্তু বর্তমান সময়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল পরিমাণ কৌশলগত জমি প্রদান করা হলেও, এখন পর্যন্ত রাজ্যের নাগরিক সমাজ বা কোনো সংগঠনের পক্ষ থেকে বড় কোনো আপত্তি কিংবা প্রশ্ন তোলা হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%