বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৩৬ পি.এম
অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট করে ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ নিজেদের দিনটি সম্পূর্ণভাবে নিজেদের করে নিয়েছে।
জবাবে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ৯৬ রান তুলে, স্বাগতিকদের চেয়ে ১০২ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দলটি।
ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের পুরো আলোটা কেড়ে নেন হাসান মাহমুদ। ডানহাতি এই পেসার ৫৫ রান খরচ করে ৬ উইকেট গ্রহণ করেন, যা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে কোনো বাংলাদেশি বোলারের সেরা বোলিং ফিগার। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন চৌধুরী, যারা প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট নেন। টেস্ট ইতিহাসে এটি দ্বিতীয়বার, যখন বাংলাদেশি পেসাররা প্রতিপক্ষের ১০টি উইকেটই ভাগাভাগি করে নিলেন।
এর আগে টস জিতে উইকেটের আর্দ্রতা কাজে লাগাতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তবে প্রথম ঘণ্টার শেষ দিকেই জোড়া আঘাত হানেন হাসান। ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন জ্যাক ওয়েদারাল্ড (২৩) ও ট্রাভিস হেডকে (২২)। মধ্যাহ্ন বিরতির ঠিক আগে মার্নাস লাবুশেনকে ইবাদত ও ক্যামেরন গ্রিনকে তাসকিন সাজঘরে পাঠিয়ে দেন, ফলে ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা চাপে পড়ে যায়।
দ্বিতীয় সেশনে স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স কেয়ারি ৫৫ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে কেয়ারিকে (১৯) বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন ইবাদত। এরপর নতুন স্পেলে ফিরে এসে হাসান দ্রুত প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে সাজঘরের পথ দেখান। একপ্রান্ত আগলে রাখা স্মিথ ৭১ রান করে হাসানের শর্ট বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে শেষ করেন অজিদের মূল প্রতিরোধ। শেষ পর্যন্ত ৫৩ ওভারে ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই জীবন পান তানজিদ হাসান তামিম। রানের খাতা খোলার আগেই নাথান লায়ন সহজ ক্যাচ মিস করলে তিনি বেঁচে যান। তবে অন্য ওপেনার সাদমান ইসলাম (২০) বেশি দূর এগোতে পারেননি, তিনি মিচেল স্টার্কের বলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন।
এরপর উইকেটে এসে ইতিবাচক ব্যাটিং শুরু করেন মুমিনুল হক। তামিমকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বাকি সময়টি নিরাপদভাবে কাটিয়ে দেন। প্রথম দিনের শেষে মুমিনুল ৩৫ ও তামিম ৩২ রানে অপরাজিত আছেন। তাদের অবিচ্ছিন্ন দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে মূল্যবান ৬০ রান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. সাইদুজ্জামান যিনি ‘দাতাল বাবু’ নামে পরিচিত (৪৬) এবং তার সহযোগী রতন (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ১টার সময় যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাইদুজ্জামান যশোর শহরের আরবপুর বিমানবন্দর সড়ক এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে, তার সহযোগী রতন শহরের কাজীপাড়া কাঠালতলা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, যশোর উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলোক কুমার দের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল বুধবার দিবাগত রাতে শহরের ঝুমঝুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসায়। এ সময়েই সাইদুজ্জামান ও রতন গ্রেপ্তার হন।
যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিরাজুল ইসলাম জানান, সাইদুজ্জামান যিনি ‘দাতাল বাবু’ নামে পরিচিত, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামি। তিনি দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় আতঙ্কের এক প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাড়ি আত্মসাতের মামলায় জামিন পেয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। জামিন পাওয়ার পরপরই আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মামলার ঘটনাকে তিনি ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। এর আগে, গত ১২ জুলাই একই আদালত তাকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনা অনুসরণ করেই এদিন তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন লাভ করেন।
আদালত প্রাঙ্গণে তিশা মন্তব্য করেন, যিনি তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা ব্যবহার করে আমার সঙ্গে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং সেই নারী আমাকে অনেক ধরনের হুমকিও দিয়েছে, যা আমি প্রকাশ করব। সেই বিষয়গুলো আমার কাছে আছে এবং আমি সময়মতো সেগুলো প্রকাশ্যে আনব।
তিনি মামলার পরিস্থিতিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলার পাশাপাশি আরও বলেন, আজ মাত্র ২৭ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য আমাকে অভিযোগের সম্মুখীন করা হচ্ছে, যে আমি নাকি আত্মসাৎ করেছি! বিগত ১৫ বছর ধরে আমি সততার সঙ্গে বিনোদনজগতে কাজ করে চলেছি। আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে একটা শাড়ির জন্য আমাকে আদালতে দাঁড়াতে হচ্ছে, এটা আমার বা কোনো শিল্পীর জন্য কাম্য হতে পারে না।
বাদীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তার একটি ছোট মেয়ে আছে, তারও সংসার ও ব্যক্তিগত জীবন আছে। এজন্য একজন নারীকে অন্য নারীর বিরুদ্ধে এইভাবে হয়রানি করা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আর কাউকে এমন কুপ্রয়াসে হয়রানি করা না হয়। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির আশা করি।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের নভেম্বরে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ঢাকার আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, শাড়িটি নেওয়ার পর তার মূল্য পরিশোধ না করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তানজিন তিশা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বর্তমানে এসব যানবাহনের লাইসেন্সিং এবং নিবন্ধনের জন্য একটি সমন্বিত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করা হচ্ছে, পাশাপাশি বিদ্যমান বিধিমালা সংশোধনেরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সভায় নগর ব্যবস্থাপনা, যান চলাচলে শৃঙ্খলা, সড়ক নিরাপত্তা এবং বিদ্যমান বাস্তবতার আলোকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা এ বিষয়ে বিভিন্ন মতামত এবং সুপারিশ তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। যদি এ নীতিমালা সুষ্টুভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং এবং নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হলে একদিকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আসবে, অন্যদিকে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করার জন্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এজন্য প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স প্রদানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে 'স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ধারা এবং তফসিল ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে।
এর আগে সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর 'সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৫' জারি করে। এরপরে ১৭ ডিসেম্বর এটা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত দেন।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ময়না খাতুন (২০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং তার লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিষয়ে ধামাচাপা দিতে, গৃহবধূর মরদেহ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে।
ময়না খাতুনের পরিবার অভিযোগ করেছেন যে, স্বামী শামীম সরকার ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহত ময়না খাতুনের স্বামী শামীম সরকার আত্মগোপনে রয়েছেন।
এটি ঘটেছে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের লক্ষ্মীখোলা ঝুরঝুড়ি আমসারা গ্রামে। নিহত ময়না খাতুন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কালিয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের একমাত্র কন্যা।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ৩ বছর আগে সামাজিকভাবে শামীম সরকারের সাথে ময়না খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ পারিবারিক নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে স্বামী শামীম ও তার পরিবারের সদস্যরা ময়নাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে স্বামী শামীম সরকার, শ্বশুর এবং শাশুড়ি একজোট হয়ে ময়নাকে মারধর করে হত্যা করেছে। এরপর ঘটনার শেষকে আত্মহত্যা হিসেবে পরিচালনার জন্য নিহতের লাশ ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে পুরো পরিবার বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা যখন ঘরের ভেতর লাশ ঝুলতে দেখে তখন নিহতের পরিবার ও পুলিশে খবর দেয়।
নিহতের মা কহিনুর বেগম ও বাবা নজরুল ইসলাম কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, "আমাদের মেয়ে কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারে না। জামাই শামীম ও তার মা-বাবা মিলে মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং ঘাতকদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের দাবি জানাই।"
কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনা সম্পর্কে বলেন, "মরদেহের সুরুত হালে ময়না খাতুনের গলায় ছিল রক্তাক্ত জখম। ফাঁসিতে নিহত হলে গলার নিচ দিয়ে কালো দাগের চিহ্ন থাকে কিন্তু গলায় কোন কালো দাগ দেখা যায়নি।"
এ বিষয়ে নিহত ময়না খাতুনের খালু বলেন, "জীবনে অনেক আত্মহত্যার মরদেহ দেখেছি কিন্তু রক্তাক্ত জখম দেখিনি। এতেই প্রমাণিত হয় যে, ময়না খাতুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার প্রচার চালানোর অপকৌশল হয়েছে। আমি আশা করছি, সঠিক ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে ভিক্টিম ন্যায় বিচার পাবে।"
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযানে পুলিশ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ