প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শাড়ি আত্মসাতের মামলায় জামিন পেয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। জামিন পাওয়ার পরপরই আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। মামলার ঘটনাকে তিনি ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করেন তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেছেন। এর আগে, গত ১২ জুলাই একই আদালত তাকে সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনা অনুসরণ করেই এদিন তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন লাভ করেন।
আদালত প্রাঙ্গণে তিশা মন্তব্য করেন, যিনি তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তিনি একজন নারী। তার স্বামীর ক্ষমতা ব্যবহার করে আমার সঙ্গে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং সেই নারী আমাকে অনেক ধরনের হুমকিও দিয়েছে, যা আমি প্রকাশ করব। সেই বিষয়গুলো আমার কাছে আছে এবং আমি সময়মতো সেগুলো প্রকাশ্যে আনব।
তিনি মামলার পরিস্থিতিকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলার পাশাপাশি আরও বলেন, আজ মাত্র ২৭ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য আমাকে অভিযোগের সম্মুখীন করা হচ্ছে, যে আমি নাকি আত্মসাৎ করেছি! বিগত ১৫ বছর ধরে আমি সততার সঙ্গে বিনোদনজগতে কাজ করে চলেছি। আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে একটা শাড়ির জন্য আমাকে আদালতে দাঁড়াতে হচ্ছে, এটা আমার বা কোনো শিল্পীর জন্য কাম্য হতে পারে না।
বাদীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, তার একটি ছোট মেয়ে আছে, তারও সংসার ও ব্যক্তিগত জীবন আছে। এজন্য একজন নারীকে অন্য নারীর বিরুদ্ধে এইভাবে হয়রানি করা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে আর কাউকে এমন কুপ্রয়াসে হয়রানি করা না হয়। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির আশা করি।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছরের নভেম্বরে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ঢাকার আদালতে এই মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, শাড়িটি নেওয়ার পর তার মূল্য পরিশোধ না করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তানজিন তিশা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন