বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল ব্যবস্থাপনায় একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। বর্তমানে এসব যানবাহনের লাইসেন্সিং এবং নিবন্ধনের জন্য একটি সমন্বিত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করা হচ্ছে, পাশাপাশি বিদ্যমান বিধিমালা সংশোধনেরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার, সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সভায় নগর ব্যবস্থাপনা, যান চলাচলে শৃঙ্খলা, সড়ক নিরাপত্তা এবং বিদ্যমান বাস্তবতার আলোকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা এ বিষয়ে বিভিন্ন মতামত এবং সুপারিশ তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। যদি এ নীতিমালা সুষ্টুভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং এবং নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হলে একদিকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আসবে, অন্যদিকে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।
এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো উল্লেখ করেন, এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করার জন্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এজন্য প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স প্রদানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে 'স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ধারা এবং তফসিল ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে।
এর আগে সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর 'সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৫' জারি করে। এরপরে ১৭ ডিসেম্বর এটা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা এবং সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত দেন।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ময়না খাতুন (২০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং তার লাশ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিষয়ে ধামাচাপা দিতে, গৃহবধূর মরদেহ ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে।
ময়না খাতুনের পরিবার অভিযোগ করেছেন যে, স্বামী শামীম সরকার ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিহত ময়না খাতুনের স্বামী শামীম সরকার আত্মগোপনে রয়েছেন।
এটি ঘটেছে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের লক্ষ্মীখোলা ঝুরঝুড়ি আমসারা গ্রামে। নিহত ময়না খাতুন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের কালিয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের একমাত্র কন্যা।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ৩ বছর আগে সামাজিকভাবে শামীম সরকারের সাথে ময়না খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকসহ পারিবারিক নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে স্বামী শামীম ও তার পরিবারের সদস্যরা ময়নাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে স্বামী শামীম সরকার, শ্বশুর এবং শাশুড়ি একজোট হয়ে ময়নাকে মারধর করে হত্যা করেছে। এরপর ঘটনার শেষকে আত্মহত্যা হিসেবে পরিচালনার জন্য নিহতের লাশ ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখে পুরো পরিবার বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। প্রতিবেশীরা যখন ঘরের ভেতর লাশ ঝুলতে দেখে তখন নিহতের পরিবার ও পুলিশে খবর দেয়।
নিহতের মা কহিনুর বেগম ও বাবা নজরুল ইসলাম কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বলেন, "আমাদের মেয়ে কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারে না। জামাই শামীম ও তার মা-বাবা মিলে মেয়েকে পিটিয়ে হত্যা করেছিল। আমরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং ঘাতকদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের দাবি জানাই।"
কালিয়াহরিপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম ঘটনা সম্পর্কে বলেন, "মরদেহের সুরুত হালে ময়না খাতুনের গলায় ছিল রক্তাক্ত জখম। ফাঁসিতে নিহত হলে গলার নিচ দিয়ে কালো দাগের চিহ্ন থাকে কিন্তু গলায় কোন কালো দাগ দেখা যায়নি।"
এ বিষয়ে নিহত ময়না খাতুনের খালু বলেন, "জীবনে অনেক আত্মহত্যার মরদেহ দেখেছি কিন্তু রক্তাক্ত জখম দেখিনি। এতেই প্রমাণিত হয় যে, ময়না খাতুনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার প্রচার চালানোর অপকৌশল হয়েছে। আমি আশা করছি, সঠিক ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসলে ভিক্টিম ন্যায় বিচার পাবে।"
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের অভিযানে পুলিশ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সুতরাং, দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আবহাওয়ার সতর্কবাতায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে অবস্থিত লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে এবং ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর অবস্থান করছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে আরো ঘনীভূত হতে পারে, যার ফলে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার পর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
অতএব, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই ছুটির সুযোগ ঈদে মিলাদুন্নবীকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে।
আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এরপরের দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) যথারীতি অফিস খোলা থাকবে। তবে সার্বিকভাবে বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে, ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর তারিখ নির্ধারণ করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
আরো পড়ুন। পে স্কেল নিয়ে সচিব কমিটির সভা শেষে যেসব সিদ্ধান্ত এসেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেমের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে সন্ধ্যা ৭টায় (বাদ মাগরিব) এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
যেভাবে মিলবে চার দিনের ছুটি। চাঁদ দেখার ওপর ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি নির্ভর করছে। আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) যদি ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি হয়, তাহলে এরপরের দিন বৃহস্পতিবার অফিস খোলা থাকবে।
তবে এর পরের দুই দিন যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার (২৮-২৯ আগস্ট) সাপ্তাহিক ছুটি। সেই হিসেবে বৃহস্পতিবার এক দিনের ব্যক্তিগত ছুটি নিতে পারলেই পাওয়া যাবে টানা চার দিনের ছুটি।
একইভাবে যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরাও একইভাবে টানা চার দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন আরও তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। ২০২৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশের পায়রা, মোংলা এবং হিরণ পয়েন্ট এলাকায় নতুন এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো নির্মাণের কথা ভাবা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, "দেশ এখন এক ধরনের বিদ্যুতের ঘাটতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে রাতের বেলা বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে ব্যাটারিচালিত রিকশার চার্জিং।"
মন্ত্রী জানান, সরকার বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে বহুমুখী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জ্বালানি খাতে কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। কিছু বিষয় সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলেও দিনরাত এটি নিয়ে কাজ চলছে এবং খুব দ্রুতই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, শিল্প খাতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ ও সংকট কাটিয়ে উঠতে ইতোমধ্যে তিনবার শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে সরকার। এই কঠিন সময়ে কাজের গতি ত্বরান্বিত করতে সকলের নৈতিক সমর্থন আহ্বান জানান মন্ত্রী।
এছাড়া, নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, "সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে জাতীয় পর্যায়ের বিশাল বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে আসবে।" সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সুযোগ ও উৎসকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী শিল্পকারখানা সচল রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বলেন, "ইন্ডাস্ট্রি না চললে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থমকে যাবে।" তাই সরকার সব দিক থেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ শিল্প খাতের দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের আয় কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ইতোমধ্যে কারখানাগুলোর উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ কমে গেছে।"
এই ব্যবসায়ী নেতা আরও বলেন, "বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকঠাক না থাকলেও বিল ও কর্মীদের বেতন নিয়মিত পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিল্পমালিকদের লোকসান ও দায় কে নেবে? সরকার পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু তার খেসারত জনগণ বা ইন্ডাস্ট্রি কেন দেবে?" তিনি অবিলম্বে উদ্যোক্তাদের সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ