ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতায় মডেল মসজিদগুলোতে কার্যক্রম চলছে: ধর্মমন্ত্রী


ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতায় মডেল মসজিদগুলোতে কার্যক্রম চলছে: ধর্মমন্ত্রী

ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের সচেতন করতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর উপজেলার কিছু অংশে তরুণ সমাজকে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ধর্মবিষয়কমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই তথ্য জানান। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ধর্মমন্ত্রীর পক্ষে সংসদে প্রশ্নোত্তর উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

আরও পড়ুন: শুধু ৯ দেশ-ই নয়, বিশ্ব এক হলেও হারবে? কারণ- ইয়েমেনের জন্য নবী (সা.) দোয়া করেছিলেন!

বৈঠকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা জানতে চান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইল-আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর উপজেলার আংশিক এলাকায় ধর্মীয় উগ্রবাদ, গুজব ও সামাজিক বিভাজন প্রতিরোধে তরুণদের জন্য সচেতনতামূলক ধর্মীয় শিক্ষা এবং সম্প্রীতির কার্যক্রম গ্রহণে সরকার কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে?

জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য সামাজিক শান্তি, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা অক্ষুণ্ণ রাখা। এ উদ্দেশ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বহুমুখী সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন চলছে।

তরুণ সমাজকে ধর্মীয় উগ্রবাদ, অপপ্রচার ও সামাজিক বিভাজন থেকে দূরে রেখে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা, সহনশীলতা ও নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার জন্য স্থানীয় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোকে কার্যক্রমের মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

একই প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী জানান, যুবসমাজের মধ্যে উগ্রবাদবিরোধী সচেতনতা গড়ে তুলতে স্থানীয় আলেম, ইমাম ও খতিবদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। তাদের মাধ্যমে জুমার খুতবা, নিয়মিত ধর্মীয় সেমিনার, আলোচনা সভা ও সম্প্রীতি সমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে ধর্মের অপব্যাখ্যা, উগ্রবাদ, গুজব ও সামাজিক বিভেদের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তরুণদের সচেতন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জাপান বাংলাদেশে সাড়ে ৭৭ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের ঘোষণা

তিনি আরো বলেন, শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে নয়, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর নেতাদের অংশগ্রহণে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও সম্প্রীতি সভারও আয়োজন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যের পরামর্শ ও সহযোগিতায় ভবিষ্যতে যুবসমাজের জন্য নৈতিক শিক্ষা, ধর্মীয় সচেতনতা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ে কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে বিভিন্ন ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টও নিজ নিজ পরিসরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে পুরোহিত ও সেবাইতদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যেখানে সামাজিক সম্প্রীতি, নৈতিক মূল্যবোধ ও উগ্রবাদ প্রতিরোধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।

অন্যদিকে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ছাত্র-যুবকদের জন্য নিয়মিত নীতি-নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সম্প্রীতি বিষয়ক কর্মশালা আয়োজন ও বাস্তবায়ন করছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: এমপি নুরুল আমিন

ধর্মমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা আরো জোরদার করতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উগ্রবাদ প্রতিরোধ, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং তরুণদের নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সরকার।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত এবং বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের চলমান কর্মসূচির আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। ইতিমধ্যে ১৩ হাজার ৯৪৯ জনের অনুকূলে সম্মানি দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর নাকি পুশব্যাক, ভারতের সিদ্ধান্ত কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


শেখ হাসিনাকে হস্তান্তর নাকি পুশব্যাক, ভারতের সিদ্ধান্ত কী?

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায়, দেশে ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হবে।

তিনি রোববার (১২ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই কথা উল্লেখ করেন।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ পাঠিয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, তিনি যদি ভারত সরকারের অধীনে থাকেন, তাহলে তার নিজে নিজে আসার কোনও সুযোগ নেই। তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য হয় প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে, অথবা তাকে পুশব্যাক করা হবে। আর শেখ হাসিনা (রয়টার্সে) বলেছেন, তিনি এবং তার দলীয় নেতাকর্মীরা একসঙ্গে এসে আত্মসমর্পণ করবেন। কিন্তু এই বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। কারণ, তিনি এখন স্বাধীন নন অথবা তার নিয়ন্ত্রণ নেই এবং আত্মগোপনেও নেই।

চিফ প্রসিকিউটর আরও যোগ করেন, আমাদের কাছে মনে হয় তার বক্তব্যের কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে তার নেতাকর্মীদের কিছুটা উজ্জীবিত রাখা অথবা একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা।

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশের পরবর্তী আপিল প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনের সেকশন ২১ এর ৩ স্পষ্ট বলে ৩০ দিনের পর আর কোনো আপিল হবে না। যদি শেখ হাসিনাকে কোনোভাবে বাংলাদেশে আনা হয় কিংবা তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায়, তিনি প্রথমে জেলে যেতে বাধ্য হবেন। জেলে যাওয়ার পর, আপিল করার সুযোগ থাকবে কিনা, সেটি নিষ্পত্তি হবে। যদি আপিলের সুযোগ না থাকে, তাহলে সাজাবাহাল থাকবে। যদি আপিল করা যায়, তাহলে আপিল নিষ্পত্তির সাপেক্ষে যা হবে, তাই হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চোটের কারণে সেমিতে অনিশ্চিত নিকোলাস গঞ্জালেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


চোটের কারণে সেমিতে অনিশ্চিত নিকোলাস গঞ্জালেস

গোড়ালির চোটের কারণে সেমিফাইনালে খেলা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে নিকোলাস গঞ্জালেসের।

 

বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। থ্রি লায়ন্সদের বিপক্ষে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে ইনজুরি নিয়ে উদ্বেগের পরিবেশ বিরাজ করছে।

কোয়ার্টার ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে গোড়ালি চোট পান এই লেফট উইঙ্গার। কানসাসে সেমিফাইনালের পূর্বের প্রথম অনুশীলনে তার ওপর সতর্ক দৃষ্টি রেখেছিলেন চিকিৎসকরা।

কানসাস সিটিতে অবস্থিত স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টারে অনুশীলন চলাকালীন তাকে চিকিৎসক ও ফিজিওরা অন্যান্যদের থেকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। অন্য খেলোয়াড়দের তুলনায় তাকে বেঞ্চে বিশ্রামে রাখা হয়েছিল।

পরে যদিও তাকে মার্কোস সেনেসি এবং জুলিয়ানো সিমিওনের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দিতে দেখা যায়। এই সময় অল্প কিছু সময় তিনি অনুশীলনে ঘাম ঝরান।

সোমবার কানসাসে শেষ অনুশীলন শেষে আটলান্টার উদ্দেশে রওনা হবে স্কালোনি বাহিনী। আটলান্টায় তারা সকালে শেষ অনুশীলন করবে মেসি, আলভারেজদের নিয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ লাখ ডলারের অনুদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ লাখ ডলারের অনুদান

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গত ২৫ বছরে ১৩টি প্রকল্পে ১০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এটি ধারাবাহিকতায় ‘অ্যাম্বাসাডরস ফান্ড ফর কালচারাল প্রিজারভেশন’ (এএফসিপি) কর্মসূচির আওতায় নতুনভাবে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতা সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত জানান, এএফসিপির অর্থায়নে বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুঘল আমলের ঐতিহাসিক মুসা খান মসজিদের ইসলামিক স্থাপত্যবৈশিষ্ট্য পুনরুদ্ধার, ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি এবং তরুণ স্থপতিদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এ ছাড়া এ তহবিলের সহায়তায় পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, লালবাগ কেল্লার একটি অংশের সংরক্ষণের কাজ চলছে, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের আধুনিকীকরণও চলছে এবং বাউল গান, জামদানি তাঁতশিল্প ও প্রাচীন ধাতব ঢালাইয়ের মতো বাংলাদেশের অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি দলিলকরণের কাজ পরিচালিত হচ্ছে।

বৈঠকে সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা, যৌথভাবে ‘ইউএস-বাংলাদেশ কালচারাল ফেস্টিভাল’ আয়োজন, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিল্পী বিনিময় কর্মসূচি চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রী ২০১৩ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো দ্বিপক্ষীয় সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তির খসড়া দ্রুত চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জবাবে জানান, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলেই এ বিষয়ে অগ্রগতি হবে।

বৈঠকে সংস্কৃতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন ‘নজরুলবর্ষ’-এর বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ ও অনুবাদ প্রসঙ্গে আলোচনা চলাকালীন রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরি অব কংগ্রেস নজরুলের সাহিত্যকর্ম সংগ্রহ ও সংরক্ষণে আগ্রহী।

বৈঠক শেষে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময় করেন। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবারের মতো ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে বন্যার্তদের কাছে পৌঁছাল ত্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


প্রথমবারের মতো ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে বন্যার্তদের কাছে পৌঁছাল ত্রাণ

দুর্গম এলাকায় বন্যাকবলিত মানুষের কাছে প্রথমবারের মতো ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুকনা খাবার ও নগদ অর্থ পৌঁছানো হয়েছে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের মাধ্যমে। এর পাশাপাশি, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ত্রাণ এবং রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে, এছাড়া পশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে গবাদিপশুর চিকিৎসাসেবাও দেওয়া হয়েছে বাহিনীটির পক্ষ থেকে।

সোমবার (১৩ জুলাই) হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নের বন্যাকবলিত কয়েকটি গ্রামে এই বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।

এই সময় ক্যাম্পে আসা বন্যাকবলিত প্রায় ৪০০ পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি, ২০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয় এবং আরও ২০০ পরিবারের জন্য রান্না করা খাবার বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১৫০টি গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা দিতে পশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি পৃথক দল দিনব্যাপী কাজ করে।

কর্মসূচির একটি বিশেষ দিক হলো ড্রোন প্রযুক্তির ব্যবহার। দুর্গম ও জলাবদ্ধ এলাকায় আটকে থাকা অসহায় মানুষের কাছে ড্রোনের মাধ্যমে শুকনা খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ পৌঁছানো হয়েছে। বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্গম এলাকায় দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকরভাবে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

পুরো কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ।

এই বিষয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় হবিগঞ্জ বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি দুর্গত মানুষের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা, খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ, জরুরি চিকিৎসাসেবা, ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে থাকবে বিজিবি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের জন্য ৫৫ বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং ড্রোনের মাধ্যমে ত্রাণ বিতরণ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে বহু মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্বাস্থ্য পরামর্শ ও ত্রাণ সহায়তা পেয়েছেন, যা তাদের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই সময়ের মধ্যে বিজিবির শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের মেডিক্যাল অফিসার মেজর ইদি আমিন, চিকিৎসক ডা. অরুন্ধতি পাল, ৫৫ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক ক্যাপ্টেন সাফায়েত হোসেন, ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%